Weather: নিম্নচাপের ভ্রুকুটি। নবমী-দশমীতে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস

কলকাতাঃ আজও কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা। এমনটাই জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। 

অষ্টমীর সকালেই একাধিক এলাকায় বৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু বেলার দিকে কলকাতার আকাশ ছিল ঝলমলে। তাই বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েন উৎসবমুখর মানুষ। যদিও নিম্নচাপের চোখ রাঙানিতে অনেকেরই শঙ্কা ছিল,রাতে বৃষ্টি হতে পারে। আশঙ্কা সত্যি করেই অষ্টমীর রাতে কলকাতা সহ একাধিক জেলায় ঝেপে বৃষ্টি নেমেছিল। 

বিস্তারিত আসছে --


রাতভর বৃষ্টি

কথা ছিল 'গুলাব' নামের ঝড়ঝঞ্জা আসবে ভাসাবে পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ প্রান্ত কিন্তু ঝড় আটকে গিয়েছে উড়িষ্যাতেই । ঝড় প্রবল ভাবে না আসলেও বৃষ্টি এসেছে মঙ্গলবার রাত থেকেই । কখনও ভারী, কখনও অতি ভারী কখনও ঝিরিঝিরি বৃষ্টির বিরাম নেই । অশ্বিন মাসে এ হেন নিয়মিত বৃষ্টি কে কবে দেখেছে? কলকাতা, উত্তর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর সহ গাঙ্গেয় উপত্যকায় জল দাঁড়িয়েছে কোথাও কোথাও কিন্তু প্লাবিত হয় নি । তবে আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে এই বরিষণ চলবে বুধবার সারাদিন প্রায় এবং রেশ থাকবে বৃহস্পতিবারও । 

আবহাওয়া সূত্রে খবর বুধবার সারাদিন ঝাড়গ্রাম, দুই মেদিনীপুরে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হবে । কলকাতা সহ দুই ২৪ পরগনাতে ভারী থেকে ঝিরিঝিরি বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল । অন্যদিকে এই জেলাগুলির লাগোয়া অঞ্চল যথা নদীয়া, বর্ধমান পূর্ব ইত্যাদি স্থানে নিম্নচাপের কারণে মাঝে মধ্যেই বৃষ্টিপাত হবে । সমুদ্রতটে আপাতত যাওয়া নিষিদ্ধ হলেও বিকেল থেকে কিছুটা স্বাভাবিক হবে বলেই ঘোষণা । আগামীকাল ভবানীপুরে নির্বাচন । বলা হয়েছে সারাদিন বৃষ্টি না হলেও মাঝে মধ্যে হালকা বৃষ্টি হতে পারে তবে দক্ষিণ কলকাতায় জল দাঁড়াবে না বলেই ধারণা ।


রাতভর বৃষ্টি

কথা ছিল 'গুলাব' নামের ঝড়ঝঞ্জা আসবে ভাসাবে পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ প্রান্ত কিন্তু ঝড় আটকে গিয়েছে উড়িষ্যাতেই । ঝড় প্রবল ভাবে না আসলেও বৃষ্টি এসেছে মঙ্গলবার রাত থেকেই । কখনও ভারী, কখনও অতি ভারী কখনও ঝিরিঝিরি বৃষ্টির বিরাম নেই । অশ্বিন মাসে এ হেন নিয়মিত বৃষ্টি কে কবে দেখেছে? কলকাতা, উত্তর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর সহ গাঙ্গেয় উপত্যকায় জল দাঁড়িয়েছে কোথাও কোথাও কিন্তু প্লাবিত হয় নি । তবে আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে এই বরিষণ চলবে বুধবার সারাদিন প্রায় এবং রেশ থাকবে বৃহস্পতিবারও । 

আবহাওয়া সূত্রে খবর বুধবার সারাদিন ঝাড়গ্রাম, দুই মেদিনীপুরে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হবে । কলকাতা সহ দুই ২৪ পরগনাতে ভারী থেকে ঝিরিঝিরি বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল । অন্যদিকে এই জেলাগুলির লাগোয়া অঞ্চল যথা নদীয়া, বর্ধমান পূর্ব ইত্যাদি স্থানে নিম্নচাপের কারণে মাঝে মধ্যেই বৃষ্টিপাত হবে । সমুদ্রতটে আপাতত যাওয়া নিষিদ্ধ হলেও বিকেল থেকে কিছুটা স্বাভাবিক হবে বলেই ঘোষণা । আগামীকাল ভবানীপুরে নির্বাচন । বলা হয়েছে সারাদিন বৃষ্টি না হলেও মাঝে মধ্যে হালকা বৃষ্টি হতে পারে তবে দক্ষিণ কলকাতায় জল দাঁড়াবে না বলেই ধারণা ।

Waterlogged: জলমগ্ন কলকাতার সংলগ্ন এলাকা

কলকাতাঃ বৃষ্টির কোনও বিশ্রাম নেই । বহু বছর বাদে এতো বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে বলে জানাচ্ছে আবহাওয়াবিদরা । কার্যত এই অধিক বৃষ্টিপাতের জন্য বাংলার বিভিন্ন স্থান জলমগ্ন এবং এই নিয়ে এই বছরই তিনবার জলের নিচে গিয়েছে বহু স্থান । ব্যতিক্রম নয় শহর কলকাতা । কলকাতা লাগোয়া বিভিন্ন পৌরসভাও জলে ভাসছে । দক্ষিণ দমদমের ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের অবস্থা সবচেয়ে শোচনীয় । বহু জায়গায় কোমর সমান জল থাকা সত্বেও জল নামানো যাচ্ছে না । এছাড়া বারাসাতের মতো সদর শহরে গতকাল অবধি বহু স্থানে জল ছিল । সেখানে কালীবাড়ি এলাকা বা সেখানকার মাঠ সবথেকে উঁচু জায়গা, সেখানেও জল দাঁড়িয়েছিল কিন্তু বারাসত পৌরসভার তৎপরতায় আপাতত বারাসত জলমুক্ত ।

দমদম পার্ক অঞ্চল বিখ্যাত দুর্গাপূজার জন্য । রবিবার রাত থেকে সেখানে ভয়াবহ অবস্থা । বুধবার ১ ইঞ্চিও জল নামে নি । প্রশাসন জানিয়েছে, জল নামবে কোথায় ? বাগজোলা খাল উপচিয়ে জল ঢুকছে । ফলে পাম্প করে জল না বের করলে জলমগ্ন হয়েই থাকতে হচ্ছে । দমদম স্টেশন অঞ্চলের বহু স্থান জলমগ্ন ।রাস্তা থেকে  জল আপাতত নেমেছে বিরাটি এবং নিউ ব্যারাকপুর অঞ্চল থেকে কিন্তু বহু বাড়ির মধ্যে জল এখনও বিদ্যমান । ফের আগামী রবিবার নিম্নচাপে বৃষ্টি হওয়ার কথা । যদি তাই হয় চাপ হয়ে যাবে পুজোর আগে ।


বর্ষায় চুল উঠছে, বন্ধ করার সহজ উপায় জানুন!

মেয়েদের কাছে চুল একটা সৌন্দর্যের জিনিস। তবেবর্ষায় ঘন ঘন চুল ওঠার ফলে চুলের গোছা পাতলা হয়ে এসেছে? কেবল যত্নের অভাবেই যে এমনটা হয়, তা কিন্তু নয়। বরং দূষণ, জলের প্রকৃতি নানা কারণেই চুল উঠতে হতে পারে। মানসিক চাপও চুল উঠে যাওয়ার অন্যতম কারণ। তা ছাড়া চুলের স্টাইলিং করাতে যথেচ্ছ যন্ত্রের ব্যবহার, কেমিক্যাল হেয়ার ট্রিটমেন্ট এ সবও চুলকে পাতলা করে।চুল ওঠা  আসলে একেবারে প্রাকৃতিক একটি প্রক্রিয়া। চুল ঝরে যাবে এবং আবার নতুন চুল গজাবে, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু অনেকেরই চুল খুব বেশি ঝরে যাচ্ছে।  চুল পড়ে গিয়ে টাক পড়ে যাওয়ার ভয় কাজ করে তাদের মধ্যে। বংশগত অথবা হরমোনাল কারণে অথবা শারীরিক কিছু সমস্যায় আমাদের মাথার কিছু অংশ অথবা পুরো মাথা থেকে দ্রুত চুল পড়তে থাকে। ঘন ঘন চুল পরার  ফলে চুলের গোছা পাতলা হয়ে এসেছে? কেবল যত্নের অভাবেই যে এমনটা হয়, তা কিন্তু নয়। বরং দূষণ, জলের প্রকৃতি নানা কারণেই চুলের ক্ষতি হতে পারে। এছাড়া মানসিক চাপ হওয়ার অন্যতম কারণ। তা ছাড়া চুলের স্টাইলিং করাতে যথেচ্ছ যন্ত্রের ব্যবহার, কেমিক্যাল হেয়ার ট্রিটমেন্ট এ সবও চুলকে পাতলা করে। তাই এবার চুল পরা বন্ধ করতে ব্যবহার করুন পেয়ারা পাতা। তবে কিভাবে করবেন দেখা যাক:

১) প্রথমে বেশ কিছু পেয়ারা পাতা নিন। তা ফুটন্ত গরম জলে দিয়ে কিছুক্ষণ সিদ্ধ করুন।

২) প্রায় ২০ মিনিট ধরে সিদ্ধ করার পর মিশ্রণটা একটা পাত্রে ছেঁকে ফেলুন। তারপর ঠান্ডা হতে দিন।

৩) ভালো করে জল দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। ড্রায়ার থাকলে তা দিয়ে চুল শুকিয়ে নিন।

মিশ্রণটা প্রায় ঘণ্টা দু’য়েক মাথায় রেখে দিতে হবে। চাইলে একটা সিনেমা বা সিরিজ এই সময়ে দেখে ফেলতে পারেন। নয়তো মাথায় তোয়ালে জড়িয়ে একটু ঘুমিয়ে নিতে পারেন।

অবশেষে বৃষ্টি দিল্লিতে

তৃণমূলে একটি কথাই আছে , মমতার যেকোনও সভা সার্থক হয় যদি বৃষ্টি হয় । প্রতি বছর ২১ জুলাই, ধর্মতলা সভাতে বৃষ্টি হবেই । এছাড়া ২৮ অগাস্ট ছাত্র পরিষদ দিবসেও বৃষ্টি হয়েই থাকে । কিন্তু এই দুটি দিনই ভরা বর্ষায় হয়ে থাকে । সভাতে দেখা যায় বৃষ্টি হলেই উল্লাসে ফেটে পরে উপস্থিত জনতা , এতেই আনন্দ তাদের ।
দিল্লি সহ উত্তর ভারতে বৃষ্টি অপেক্ষাকৃত কম । এই বছর অবশ্য রাজস্থানেও বৃষ্টি হয়েছে । মঙ্গলবার সকাল থেকে দিল্লিতে প্রবল বৃষ্টি । দিল্লির গরম বরাবরই কুখ্যাত । কয়েকদিন ধরে রাজধানীতে গুমোট গরমে প্রাণ অতিষ্ট হয়ে গিয়েছিলো মানুষের । আজকের বৃষ্টিতে স্বস্তির আনন্দে অনেকেই পরম আনন্দে বৃষ্টিতে ভিজেছে । তৃণমূলের বক্তব্য, এ সবই দিদির কল্যানে ।

প্রবল বর্ষণে মহারাষ্ট্রে ধস

প্রবল বৃষ্টিতে ধস নেমে মহারাষ্ট্রের রায়গড়ে মৃত্যু হল কমপক্ষে ৩০ জনের। কমপক্ষে ৩০ জন আটকে আছেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন উদ্ধারকারীরা। পুরো পরিস্থিতির উপর নজর রেখেছেন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে। এদিকে গত কয়েকদিন ধরে উপকূলবর্তী রায়গড়ে প্রবল বৃষ্টি চলছে। কার্যত থামছে না বর্ষণ। তার জেরে বৃহস্পতিবার রাতের দিকে মাহাডের তালি গ্রামে ধস নামে। কাদার আস্তরণে ঢেকে যায় একাধিক বাড়ি। কিন্তু দৃশ্যমানতা এতটাই কম ছিল যে গতরাতে উদ্ধারকাজ শুরু করা যায়নি।

শুক্রবার সকাল থেকে শুরু হয়েছে উদ্ধারকাজ। মুম্বইয়ের ১৬০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত মাহাড থেকে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা দল (এনডিআরএফ) এসে পৌঁছে গিয়েছে। রায়গড় জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী অদিতি তাতকাড়ে জানিয়েছেন, ২০ জন সদস্য-বিশিষ্ট স্থানীয় একটি দল উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে। ইতিমধ্যে এই ঘটনায় শোকপ্রকাশ জানিয়েছেন মুম্বইয়ের মুখ্যমন্ত্রী।




দার্জিলিংয়ে ধস, বন্ধ যান চলাচল

প্রবল বৃষ্টিতে ধস নামল দার্জিলিংয়ে। এর জেরে বন্ধ হয়ে গিয়েছে দার্জিলিং থেকে শিলিগুড়ি যাওয়ার মূল রাস্তা।

জানা গিয়েছে,আজ শুক্রবার সকালে কার্শিয়ঙের তিনধরিয়ায় ৫৫ নম্বর জাতীয় সড়কে ধস নেমেছে। বন্ধ হয়ে গিয়েছে মূল রাস্তা। যদিও শিলিগুড়ি থেকে দার্জিলিং যেতে রোহিণী ও মিরিক হয়ে যাওয়া রাস্তা খোলা রয়েছে।

এদিকে আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, দক্ষিণবঙ্গে কম বৃষ্টি হলেও উত্তরবঙ্গ জুড়ে ভারি বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। ভারী বৃষ্টি হচ্ছে দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ারে।

ঝাড়খণ্ডে ঘূর্ণাবর্ত ও মৌসুমী অক্ষরেখার জন্য বৃষ্টি চলবে বঙ্গে।  চলতি সপ্তাহে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে সব জেলায়। এছাড়া   দু'একটি জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। মুর্শিদাবাদ ও বীরভূম জেলায় অপেক্ষাকৃত বেশি বৃষ্টির সম্ভাবনা।

বৃষ্টিতে পণ্ড প্রথম সেশনের খেলা

বৃষ্টিতে পণ্ড হল প্রথম সেশনের খেলা। আজ ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে-র ফাইনালের ভারত বনাম নিউজিল্যান্ডের প্রথম সেশনের খেলা ছিল। বৃষ্টির কারণে তা পরিত্যক্ত। লাঞ্চের আগে টস পর্যন্ত করা সম্ভব হল না।

ভারতীয় বোর্ডের তরফে কয়েক ঘন্টা আগে ট্যুইটারে জানানো হয়, দুর্ভাগ্যক্রমে আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালের প্রথম দিনের প্রথম সেশনে খেলা হবে না।

 বৃষ্টির কারণে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পয়নশিপের ফাইনাল শুরুর সময় এগিয়ে নিয়ে এসেছিল আইসিসি। ভারতীয় সময় অনুযায়ী দুপুর ৩টে ৩০ মিনিটে শুরু হওয়ার কথা ছিল। তারপর ম্যাচের সময় আরও ৩০ মিনিট এগিয়ে আনা হয়। অর্থাত্ ইংল্যান্ডের স্থানীয় সময় ১০ টা ৩০ মিনিটে শুরু হওয়ার কথা ছিল ম্যাচ। তাও শেষ পর্যন্ত পণ্ড প্রথম সেশনের খেলা।  

পরিসংখ্যান বলছে, ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে ভারত আগে ১২ টি টেস্ট জিতেছে। এর মধ্যে চারটিতে হার ও একটি টেস্ট ড্র হয়েছে। জয়ের হার ৭২.২ শতাংশ৷ অন্যদিকে, নিউজিল্যান্ড সাতটি ম্যাচে জিতেছে, চারটিতে হার। জয়ের হার ৭০ শতাংশ।

রাতভর বৃষ্টিতে জল যন্ত্রণায় ভুগছেন যে সব মানুষ

কলকাতাঃ রাতভর বৃষ্টির জেরে ফের জলমগ্ন কলকাতার  বিস্তীর্ণ এলাকা। তার ওপর আজও সারাদিনই বৃষ্টি হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

বৃষ্টির জেরে এখনও জল জমে রয়েছে বেহালা, খিদিরপুর, মোমিনপুর রোড, ইব্রাহিম রোড, বাবুবাজার এবং ঢাকুরিয়ার কিছু এলাকা। এছাড়া জল যন্ত্রণায় ভুগছেন ঠনঠনিয়া,আমহার্স্ট স্ট্রিট, কেশবচন্দ্র সেন স্ট্রিটের স্থানীয় বাসিন্দারা। পাশাপাশি যোধপুর পার্ক,গলফগ্রিনের এলকার রাস্তায় জল থইথই। কোথাও কোথাও হাঁটু সমান জল।

বৃহস্পতিবার রাত ১০ টা থেকে শুক্রবার সকাল ৬টা পর্যন্ত -- মানিকতলায় ৫৯, বীরপাড়ায় ৫৪, বেলগাছিয়ায় ৫৭, ধাপায় ৪৯, তপসিয়ায় ৩৮, উল্টোডাঙ্গায় ৫৩, পামারব্রীজে ৫৩, ঠনঠনিয়ায় ৫৪, বালিগঞ্জে ৪৫, মোমিনপুরে ৩৮, চেতলায় ৩২, কালীঘাটে ৪৫, কামডহড়িতে ৪৯, দত্ত বাগানে ৫৩, জিন্জিরা বাজারে ৪৫ ও বেহালায় ৪৪ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।

আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ভারী বৃষ্টির সর্তকতা রয়েছে পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রামে। আগামীকাল বৃষ্টি বাড়বে উত্তরবঙ্গে।

কতদিন চলবে বৃষ্টি, জানাল আবহাওয়া দফতর

এক নাগারে চলছে বৃষ্টি। তাতে জলমগ্ন কলকাতা। ভারী বৃষ্টিতে জল জমেছে বহু জায়গায়। ফলে দুর্ভোগে পড়েছেন মানুষ। এই পরিস্থিতিতে আরও কয়েক দিন বৃষ্টি চলবে বলে জানাল আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে ঘূর্ণাবর্তের পরিস্থিতি রয়েছে। তারফলে আগামী শনিবার পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন অংশে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সতর্কতা জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি নীচু এলাকায় জল জমার সম্ভাবনা রয়েছে।এছাড়া বাড়বে নদীর জলস্তর।

রাতভর বৃষ্টির জেরে  জলমগ্ন হয়ে পড়ে কলকাতা। ভাসছে আর্মহার্স্ট স্ট্রিট, কলেজ স্ট্রিট, বিবি গাঙ্গুলি স্ট্রিট, ঠনঠনিয়া, খিদিরপুর, যাদবপুর, ঢাকুরিয়া, বাইপাস লাগোয়া আনন্দপুর, পঞ্চান্নগ্রাম, মুক্তারামবাবু স্ট্রিট, সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ, গিরিশ পার্ক সহ একাধিক অঞ্চল। জল ঢুকে পড়েছে মন্দির ও হাসপাতালে।

রাতভর বৃষ্টি, শহরে কোথায় কোথায় জল জমে আছে জানুন




কলকাতাঃ রাতভর বৃষ্টির জেরে জলমগ্ন কলকাতা। পাশাপাশি শহরের তাপমাত্রা এক ধাক্কায় ছ' ডিগ্রি কমে গিয়েছে। আজও সারাদিনই বৃষ্টি হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

গতকাল রাত ১২টা থেকে সকাল ছটা পর্যন্ত মানিকতলায় বৃষ্টিপাত হয়েছে ৭৭ মিমি, বীরপাড়ায় ৬৩ মিমি, বেলগাছিয়ায় ৮২ মিমি, ধাপায় ১০২ মিমি, তপসিয়ায় ১৫৩ মিমি, উল্টোডাঙ্গায় ৮৪ মিমি, পামারব্রীজে ১১৫ মিমি, ঠনঠনিয়ায় ৯৬ মিমি, বালিগঞ্জে ১৪৮ মিমি, মোমিনপুরে ১৭৯ মিমি, চেতলায় ১৫০ মিমি, কালীঘাটে ১৬৮ মিমি, কামডহরিতে ১৪৭ মিমি, দত্ত বাগানে ৫৮ মিমি, জিঞ্জিরা বাজার এলাকায় ১১৭ মিমি এবং বেহালায় ১৬৩ মিমি।

রাতভর বৃষ্টির জেরে  জলমগ্ন হয়ে পড়ে কলকাতা। ভাসছে আর্মহার্স্ট স্ট্রিট, কলেজ স্ট্রিট, বিবি গাঙ্গুলি স্ট্রিট, ঠনঠনিয়া, খিদিরপুর, যাদবপুর, ঢাকুরিয়া, বাইপাস লাগোয়া আনন্দপুর, পঞ্চান্নগ্রাম, মুক্তারামবাবু স্ট্রিট, সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ, গিরিশ পার্ক সহ একাধিক অঞ্চল। তার ওপর আজও সারাদিনই বৃষ্টি হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

আগামী ২ থেকে ৩ ঘণ্টার মধ্যে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পূর্বাভাস

কলকাতাঃ আগামী ২ থেকে ৩ ঘণ্টার মধ্যে বৃষ্টির পূর্বাভাস। কোথাও কোথাও বজ্রবিদ্যুত্‍-সহ বৃষ্টি হবে বলে জানাল আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

শনিবার সকালে ঝলমলে আকাশ দেখা গেলেও,পরে মেঘলা আকাশ। ফলে কিছুক্ষণের মধ্যেই দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জেলায় বৃষ্টির নামবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। বিশেষ করে কলকাতা, দুই ২৪ পরগনায় ,হাওড়া, হুগলি ও পূর্ব মেদিনীপুরে বৃষ্টির পূর্বাভাস।

শুক্রবার সকাল থেকেই কলকাতাসহ একাধিক জেলায় বৃষ্টি শুরু হয়। দুপুর থেকেই  কলকাতা ,পূর্ব -বর্ধমান,হাওড়া,হুগলি ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার সুন্দরবন এলাকায়  বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ১৯.৯ মিমি। দক্ষিণবঙ্গের ৫ জেলায় বৃষ্টির পূর্ভাবাস দিয়েছিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর।  

দক্ষিণবঙ্গে বর্ষার আগমনের জেরেই দফায় দফায় বৃষ্টি হচ্ছে। বেশকয়েকদিন ধরেই শহর কলকাতায় ভ্যাপসা গরম । যার জেরে চরম অস্বস্তিতে ছিল সাধারণ মানুষ। তাই দক্ষিণবঙ্গে বর্ষা ঢুকতেই  কিছুটা স্বস্তি মিলছে বলা যায়।

বর্ষা আসছে ৪৮ ঘন্টার মধ্যে সাথে ভরা কোটালও

কলকাতাঃ সাধারণত জ্যৈষ্ঠ মাসের শেষেই বর্ষা প্রবেশ করে  কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে তা ক্রমশই পিছিয়ে যাচ্ছিলো | এই পিছিয়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ নাকি দূষণ | এবারের বিষয়ে একদমই আলাদা | গত বছর এবং এই বছর কড়া বিধিনিষেদের কারণে বা লকডাউন হওয়াতে দূষণ হয়েছে কম |

২০২০তে বর্ষা এসেছিলো জুনের প্রথম সপ্তাহেই | এবারে আগামী ৪৮ ঘন্টার মধ্যে বর্ষা আসছে বলে বিশেষজ্ঞদের মত | আবহাওয়া দপ্তরের মতে ভারী বৃষ্টি হবে এবং তার সঙ্গে ভরা কোটাল | অর্থাৎ অমাবস্যার সময়ে যদি বা সমুদ্রের জল উপচে পড়বে বাংলার বুকে | ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন স্থান | জাল দাঁড়াতে পারে হয়তো বন্যার ধাক্কাও আস্তে পারে | ফলে রাজ্য সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে |    

আগামী ২-৩ ঘন্টার মধ্যেই প্রবল বৃষ্টিতে ভাসবে বাংলা

কলকাতাঃ কলকাতাসহ অন্যান্য জেলাতে কম বেশি বৃষ্টি হচ্ছে দুদিন ধরে। বইছে ঝড়ো হাওয়া। গতকালের ঝড়-বৃষ্টিতে বাজ পড়ে ২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে রাজ্যে। আজও আর কিছুক্ষণের মধ্যেই বৃষ্টি নামবে,এমনটাই জানাচ্ছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।
 
আজ অর্থাৎ বৃহস্পতিবার আগামী ২-৩ ঘন্টার মধ্যে কয়েকটি জেলার দিকে ঝড় ধেয়ে আসছে। ঝড়ের সাথে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে,  কিছুক্ষণের মধ্যেই বৃষ্টিতে ভিজতে পারে মালদা,মুর্শিদাবাদ,পশ্চিম বর্ধমান এবং নদিয়া।  ৩০-৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো বাতাস বইতে পারে।  

উল্লেখ্য, গতকাল বাজ পড়ে মোট ২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে হুগলিতে ৯ জন, পূর্ব মেদিনীপুরে মৃত্যু হয়েছে ২ জনের। মুর্শিদাবাদে মৃত্যু হয়েছে ৯ জনের।

এদিকে আবহাওয়া দফতর সূত্রে কবর, আগামী ১১ জুন নিম্নচাপের হাত ধরে বাংলায় বর্ষা ঢুকবে। ইতিমধ্যেই কেরলে বর্ষা ঢুকে পড়েছে। ১১ জুন নাগাদ উত্তর বঙ্গোপসাগরে বাংলা ও ওড়িশা উপকূলের কাছে একটি নিম্নচাপ তৈরি হতে চলেছে।