Lakhimpur: আজই লখিমপুরে পা রাখতে চান রাহুল গান্ধী

লখনউ: লখিমপুরে যাওয়ার পথে গ্রেফতার করা হয়েছে প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে। কিন্তু তাতেও কংগ্রেসকে দমানো যাবে না কংগ্রেসকে। এমনটাই জানালেন রাহুল গান্ধী। 

আজই রাহুল গান্ধী ২ জন মুখ্যমন্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে লখিমপুরে পা রাখতে চান। মৃত কৃষক পরিবারের পাশে দাড়াতেই তারা লখিমপুরে যাবেন। 

রাহুল সংবাদমাধ্যমকে জানালেন, আজ ছত্তিশগড় ও পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে নিয়ে আমরা ৩জন লখিমপুর যাব। আমাদের উপর অত্যাচার করুন, মারুন, জেলে ঢোকান, যাই করুন আমরা কৃষকের পাশে দাঁড়াব। বছর বছর ধরে আমাদের পরিবার আমাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে এসেছে। প্রিয়াঙ্কা হোক বা আমি আমাদের যে কারও উপরে যত অত্যাচারই হোক আমরা মানুষের পাশে থাকব।

কিন্তু লখনউয়ের পুলিশ কমিশনার ডি ঠাকুরের বক্তব্য,রাহুল গান্ধী বিমানবন্দরে নামলে তাঁকে অনুরোধ করব খেরি ও সীতাপুরে না যেতে। সীতাপুরে এই মুহূর্তে জারি রয়েছে ১৪৪ ধারা।

দিন কয়েক আগেই মন্ত্রীপুত্রের গাড়ির চাকায় পিষ্ট হয়ে মৃত্যু হয়েছে কয়েকজন কৃষকের। 


বিরোধীরা এক যোগে দিল্লির যন্তরমন্তরে

নয়াদিল্লিঃ কৃষি আইন প্রত্যাহারের দাবিতে কৃষকদের আন্দোলন চলছে দিল্লির যন্তরমন্তরে। ওই মঞ্চে এবার যোগ দিল কংগ্রেস-সহ ১৪টি বিরোধী দল। তবে বিরোধীদের এই আন্দোলনে সামিল হয়নি তৃণমূল, আম আদমি পার্টি ও বিএসপি। 

জানা গিয়েছে,শুক্রবার দুপুর ১টা নাগাদ রাহুল গাঁধী-সহ বিরোধী দলের নেতারা পৌঁছান দিল্লির যন্তরমন্তরে। সেখানে প্ল্যাকার্ড হাতে স্লোগান দিতে দেখা যায় রাহুল গান্ধী,অধীর চৌধুরী ও মল্লিকার্জুন খাড়্গেদের।

 এদিন মোদী বিরোধী মঞ্চে যোগ দিয়ে রাহুল বলেন, “আজ সব বিরোধী দল এক সঙ্গে কেন্দ্রের কালা কানুনের বিরুদ্ধে একজোট হয়েছি। সংসদে কী হচ্ছে আপনারা জানেন। পেগাসাস নিয়ে আলোচনা চাইলেও সরকার তা করতে চাইছে না। কৃষকদের পুরো সমর্থন দিতে এখানে একজোট হয়ে এসেছি আমরা।”

রাহুলের প্রাতরাশ বৈঠকে কল্যান

মঙ্গলবার অর্থাৎ আজ কংগ্রেস নেতা রাহুল গাঁধী দিল্লির একটি ক্লাবে প্রাতরাশে বৈঠক ডাকলেন।উপস্থিত ছিলেন সকল বিরোধী নেতারা। একেই সকাল থেকেই দিল্লির রাজপথ একেবারে সরগরম হয়ে রয়েছে। ইতিমধ্যে সংসদে পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির দাবি, কৃষি আইনের প্রতিবাদ এছাড়া পেগাসাস ইস্যু ভিত্তিক সমস্ত দাবি নিয়েই মতপোষণ করার কথা জানায় কংগ্রেস নেতা রাহুল গাঁধী।

এদিন সকালে রাহুলের এই প্রাতরাশ বৈঠকে উপস্থিত ছিল তৃণমূলের সমস্ত সাংসদরা। এছাড়া আম আদমি পার্টির নেতারাও। বৈঠকের মাধ্যমে তাঁরা তাদের কর্মসূচি সাজিয়ে নেই.  এছাড়া আজ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের সাংসদ সৌগত রায়, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। এছাড়া আমি আদমি পার্টি,শিবসেনা সকলেই সেখানে উপস্থিত ছিলেন। আজ তাঁরা একাধিক কর্মসূচি নিয়ে হাজির হবেন সংসদে। মূলত কেন্দ্রকে চাপে ফেলতেই তাদের এই অস্ত্র।সংসদে বাদল অধিবেশন চলবে ১৩ তারিখ পর্যন্ত। আজ ও ফের সংসদ উত্তপ্ত হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।



রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে বিরোধীদের প্রতিবাদ

নয়াদিল্লিঃ যথারীতি বানচাল হয়ে গেলো সংসদের উভয় কক্ষ । প্রাথমিক ভাবে শুরু হলেও বারবার বাধা প্রাপ্ত হয় হাউস । এরই পরে রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে প্রায় সমস্ত বিরোধী দল সংবাদ মাধমের সম্মুখীন হয় । রাহুল জানান যে, সম্পূর্ণ অগণতান্ত্রিক ভাবে রাজনৈতিক নেতা থেকে দেশের বিভিন্ন মানুষের ফোনে আড়ি পাতা হচ্ছে । এটা কতদিন ধরে চলেছে কেউ জানেনা কিন্তু বিষয়টি আজ মানুষের সামনে চলে এসে গিয়েছে , মানুষের প্রশ্ন এই ভাবে কি মানুষের গণতন্ত্রের প্রতি আঘাত আসা উচিত  রাহুল বলেন যে, বহুবার বলার পরেও এই বিষয়ে কেন মুখ খুলে নরেন্দ্র মোদী অমিত শাহরা এর উত্তর দিচ্ছেন না ? কেন জানাচ্ছেন না আসল তথ্য কি ?আগরতলায় ঢুকতে বাধা তৃণমূল প্রতিনিধিদের 

এর আগে আইপ্যাকর ২৩ জনের এক প্রতিনিধি দল ত্রিপুরা সফরে গিয়েছিলো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে । কাজটি ছিল ত্রিপুরার রাজনৈতিক অবস্থানের পরিমাপ করা কিন্তু এই দলটি আগরতলার হোটেলে পৌঁছাবার সাথেসাথেই তাঁদের হোটেল বন্দি করে নজরদারির মধ্যে রাখা হয় । তীব্র প্রতিবাদ ওঠে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে । এমনকি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার মঙ্গলবার প্রেসের সামনে বলেন যে, সম্পূর্ণ অগণতান্ত্রিক কর্মকান্ড চলেছে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের নেতৃত্বে ।

গতকালই এই আইপ্যাকের দলটির পশে দাঁড়াবার জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে রাজ্যের দুই মন্ত্রী ব্রাত্য বসু, মলয় ঘটক এবং আইএন টিটিইউসির রাজ্য সভাপতি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে আজ আগরতলা গিয়ে পৌঁছান কিন্তু তাঁদের বিমানবন্দরেই আটকে দেওয়া হয় । অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আগামীকাল আগরতলা যেতে পারেন ।


ট্রাক্টর চালিয়ে সংসদে রাহুল গাঁধী

সোমবার অর্থাৎ আজ কৃষি আইনের প্রতিবাদে দিল্লির রাজপথে নামলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গাঁন্ধী। মূলত ট্রাক্টর চালিয়ে সংসদে পৌঁছলেন। যদিও আজ সংসদে পেগাসাস নিয়ে উত্তাল। এদিন কেন্দ্রকে তোপ দাগলেন। তিনি জানান, 'অবিলম্বে এই কৃষি আইন বাতিল করা হোক.'  রাহুলের ট্রাক্টর বিক্ষোভে সামিল হয়েছিলেন কংগ্রেসের সমস্ত সাংসদরা। রাহুল গান্ধী অভিযোগ করেন, "কৃষকদের কথা আমি সংসদে তুলে ধরছি।

এই সরকার কৃষকদের কণ্ঠরোধ করছে , সংসদে কোনও আলোচনা করতে দিচ্ছে না। এই কালা কানুন অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে। গোটা দেশ জানে ২-৩ জন ব্যবসায়ীকে খুশি করার জন্য এই আই আনা হয়েছে।"  এদিকে সোমবার দিল্লির যন্তর-মন্তরে ধর্নায় বসেছেন মহিলারা। ট্রাক্টরের গায়ে বড় বড় করে ব্যানারে লেখা 'এই তিনটি কালো আইন বাতিল করতে হবে সরকারকে।' অর্থাৎ আজ সকাল থেকেই উত্তাল হয়ে রয়েছে সংসদ।

প্রশান্ত কিশোর কি কংগ্রেসে

চমকদার খবর এলো বাজারে । বিষয় প্রশান্ত কিশোর । প্রশান্ত কিশোর বা পি কে মূলত ভোট কুশলী । তিনি বিভিন্ন দলকে রাজ্যে বা দেশের ক্ষমতায় আনতে  সিদ্ধহস্ত বলেই সুনাম তাঁর । গুজরাটে ভোট জয় দিয়ে তাঁর কুশলতার শুরু তারপর একে একে বহু রাজ্যে জয় পাওয়ার পর শেষ জয় পশ্চিমবঙ্গ এবং তামিলনাড়ু । বর্তমানে পাঞ্জাবের দায়িত্বে আছেন তিনি । মঙ্গলবার কংগ্রেসের হাই কমান্ডার সাথে তাঁর গোপন বৈঠক ছিল রাহুল গান্ধীর অফিসে । প্রথমে খবর ছিল আসন্ন নির্বাচন নিয়েই নাকি আলোচনা হয়েছে কিন্তু শেষ পর্যন্ত খবর সূত্র মারফত অন্য রকম । প্রায় ২ ঘন্টা বৈঠক হয় রাহুলের সাথে বৈঠকে উপস্থিত হন প্রিয়াঙ্কা গান্ধীও এবং শেষে ভার্চুয়াল মাধ্যমে সোনিয়া গান্ধীর সাথেও কথা হয় । জানা গিয়েছে সূত্র মারফত বর্তমানে কংগ্রেসের হতশ্রী অবস্থার কথা নিয়ে বিশেষ আলোচনা হয়েছে । সেখানেই রাহুলদের তরফ থেকে নাকি পিকে কে কংগ্রেসে যোগ দিয়ে হাল হকিকত ধরার অনুরোধ করা হয় । যদ্দুর শোনা গিয়েছে পি কে অরাজি নন । এবার দেখার জল গড়ায় কোনদিকে । 

চোরের দাড়ি ! রাফাল ইস্যুতে ফের সরব রাহুল

নয়াদিল্লিঃ রাফাল যুদ্ধবিমান চুক্তি-বিতর্কে নাম না করে ফের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে বিঁধলেন রাহুল গাঁধী। ইনস্টাগ্রামে নিজের ব্যক্তিগত হ্যান্ডেলে একটি ছবি পোস্ট করেছেন। সেখানে দেখা যাচ্ছে,  এক ব্যক্তির দাড়ি থেকে সোজা রাফাল যুদ্ধবিমান বেরোচ্ছে। যা প্রধানমন্ত্রীর দাড়ির সঙ্গে অনেকটাই মিল রয়েছে মনে করছেন অনেকে। শুধু ছবি পোস্ট করেই থেমে থাকেননি রাহুল। লিখেছেন, 'চোরের দাড়ি'।

তবে বিজেপির আইটি প্রধান অমিত মালব্য পাল্টা টুইটে তিনি লিখেছেন, “২০১৯ সালে আপত্তিজনক মন্তব্যের পর রাহুল গান্ধী এ বার আরও নীচে নেমে গিয়েছেন। সারা ভারতের মানুষ তাঁকে প্রত্যাখ্যান করেছে। ২০২৪ নির্বাচনে এই ইস্যুতে লড়াইয়ের জন্য স্বাগত।”

সম্প্রতি রাফাল চুক্তি নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগের বিচারবিভাগীয় তদন্তের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ফ্রান্সের সরকার। এর পরই রাফাল চুক্তি নিয়ে ফের সরব হলেন কংগ্রেস সাংসদ।

২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের সময়েও এই রাফাল চুক্তি নিয়ে মোদীকে ক্রমাগত আক্রমণ করে গিয়েছিলেন তিনি। প্রতিটি জনসভায় প্রধানমন্ত্রীকে নিশানা করে তাঁকে বলতে শোনা যেত, ‘চৌকিদার চোর হ্যায়’।