Durga puja Celebraty: পুজোয় ঐন্দ্রিলাকে নিয়ে দুবাই যাওয়ার কথা ভাবছেন অঙ্কুশ

 করোনা অতিমারীর জেরে গতবছর বাঙালির চিরাচরিত পুজোর ফ্লেবারটাই যেন মিসিং ছিল। তবে ২০২১-র পুজো নিয়ে নানা পরিকল্পনা আমজনতা থেকে তারকারা এবার  পুজোয় মেতে ওঠার পরিকল্পনা চলছে। এবার পুজোয় অঙ্কুশ ও ঐন্দ্রিলা অন্যভাবে পুজো কাটাতে চায়.২০১৬ থেকে পুজোয় প্রতিবার ছবি মুক্তি পেয়েছে তাঁর। তাই মনের মধ্যে ঢুকে গিয়েছে পুজোয় ছবি মুক্তি মানেই তা হিট হবে। কেননা ‘জুলফিকার’, ‘বলো দুগ্গা মাইকি’, ‘ভিলেন’-র মতো ছবি মুক্তি পেয়েছিল তো পুজোতেই। যদিও ২০২০-র পুজোয় কোনও ছবি মুক্তি পায়নি।

তবে, ২০২১-এ পুজো রিলিজে থাকছে অঙ্কুশের ‘এফআইআর’ (F.I.R)। এছাড়াও পুজোর চারটে দিন অভিনেতা কোনও কাজ রাখেননি। পরিবারের সঙ্গেই সময় কাটাতে চান। সময় দেবেন ঐন্দ্রিলাকেও। অঙ্কুশের কথায়, ‘আমাদের দু’জনেরই পায়ের তলায় সর্ষে। ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়ি। ‘এফআইআর’-এর প্রচারের কাজ শেষ হয়ে গেলে দুবাই চলে যেতে পারি এ বারও। নিজেদের মতো করে থাকব। আর তার সঙ্গেই মন মতো খাওয়াদাওয়া করব। 

Modi-Mamata-Rahul: পুজোয় একই মঞ্চে মোদী-মমতা-রাহুল!

পুজোয় এবার এক মঞ্চে মোদী-মমতা-রাহুল। রাজনৈতিক সমীকরণে বহু ক্ষেত্রে তাঁদের এক মঞ্চে হাজির করানো যায় না। ভারতীয় গণতন্ত্রের পীঠস্থান সংসদে তাঁদের একসঙ্গে পাওয়া গেলেও, পরস্পরের বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করতে দেখা যায়। কিন্তু সেই প্রতিপক্ষকে এ বার পুজোয় নিজেদের মঞ্চে হাজির করতে চলেছে বেলেঘাটার একটি শারদোৎসব কমিটি। পুজোর ক’দিন ইস্ট বেলেঘাটা জনকল্যাণ সংঘে এক মঞ্চে হাজির হবেন মোদী, মমতা, রাহুল গাঁধী। সশরীরে নয়, তাঁদের কাঠের পুতুলের মূর্তি দিয়ে সাজানো হবে দেবী দুর্গার মণ্ডপ। ইস্ট বেলেঘাটা জনকল্যাণ সংঘের এ বারের পুজোর থিম—কাঠের পুতুলের জীবন। শিল্পী সমর সাহার ভাবনায় সেজে উঠছে এই পুজো মণ্ডপ। প্রায় ২ হাজার কাঠের পুতুল দিয়ে সাজানো হচ্ছে মণ্ডপ।পৃথক রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য তৈরি করা হচ্ছে পৃথক মঞ্চ।

প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংহর সঙ্গে এক মঞ্চে থাকবেন সনিয়া গাঁধী ও রাহুল। তাদের মূর্তি গড়া হচ্ছে বক্তৃতা দেওয়ার আদলে। আবার রাজ্যের দুই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু ও বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের সঙ্গে থাকবেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু। সেই মঞ্চের সামনেই রাখা হচ্ছে বইয়ের সারি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ থাকবেন একটি মঞ্চে, তার সামনে থাকবে পেট্রোল পাম্প ও রান্নার গ্যাস। আর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মূর্তির জন্য তৈরি হচ্ছে একটি পৃথক মঞ্চ। যেখানে তাঁর মূর্তির সঙ্গে থাকবে রাজ্য সরকারের সব উন্নয়নমূলক প্রকল্পের কথা।

এছাড়া রাজনৈতিক নেতাদের মূর্তি দিয়ে মণ্ডপ কী ভাবে সাজানো হবে, তাও ওঁরা পরিকল্পনা করেছেন। ঠাকুর দেখতে এলে দর্শকরা সব কিছু উপলব্ধি করতে পারবেন।’’ নতুনগ্রামের ২০টি পরিবার গত তিন মাসের পরিশ্রমে গড়ে তুলছেন এই পুজোর মঞ্চ। পারিশ্রমিক ছাড়াও মুখ্যমন্ত্রীর থেকে পাওয়া ৫০ হাজার টাকা এই পরিবারগুলোর হাতে তুলে দেবেন পুজো উদ্যোক্তারা।

Hilsa: পুজোয় বাড়িতে বানিয়ে নিন, পদ্মার ইলিশের রকমারি পদ

বাঙালি সঙ্গে ইলিশের অটুট সম্পর্ক। বর্ষার দুপুর থেকে জামাইষষ্ঠী সবেতেই বাঙালির পাতে ইলিশ  থাকবেই। সম্প্রতি পুজোর আগেই সীমান্ত পেরিয়ে টন টন রুপোলী শস্য ঢুকতে শুরু করেছে এই রাজ্যে। গত সোমবার বাংলাদেশের  বাণিজ্য মন্ত্রক কলকাতায় ২০৮০ মেট্রিক টন ইলিশ  পাঠানোর অনুমতি দেয়। সেইমতো ৫২ জন মাছ এক্সপোর্টারের সাহায্যে ৪০ মেট্রিক টন করে মাছ এপার বাংলায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তাই ইলিশ কিনকে রীতিমত হুড়োহুড়ি পড়েছে। জিভে জল আনা ইলিশ বাড়িতেই বানিয়ে নিন। ইলিশ মানেই ইলিশ ভাপা, ইলিশ ভাজা, ইলিশ ঝোল, ইলিশ পাতুরি, বরিশালি ইলিশ, বাদশাহী ইলিশ, ইলিশমাছের টক।  কীভাবে বানাবেন জেনে নিন। ইলিশ ভাপা বানাতে প্রয়োজন ইলিশ মাছের।

মোটামুটি ৪ জনের জন্য বানাতে ,৩চা চামচ কালো সরষে, ১চা চামচ টক দই, ১চা চামচ পোস্ত, ৪টি কাঁচা লঙ্কা, ১চা চামচ হলুদ গুঁড়ো, স্বাদ মতো নুন আর প্রয়োজন মতো সরষের তেল।  প্রথমে ইলিশ মাছ গুলোকে ধুয়ে নিতে হবে, তারপর মাছ গুলোর মধ্যে নুন হলুদ মাখিয়ে কিছুক্ষণ রাখতে হবে। বাজারের মশলা না নিয়ে শীলে পোস্ত, সরষে, ২টি কাঁচা লঙ্কা ভালো করে বাটতে হবে। একটি পাত্রে ওই বাটা মশলার মধ্যে নুন,হলুদ,টক দই দিয়ে মিশ্রণ করে, কড়াইতে মাছ গুলো সাজিয়ে, ওর ওপর থেকে মশলার মিশ্রণ টি দিয়ে দিতে হবে।

তারপর কাঁচা সরষের তেল ওপর দিয়ে ছরিয়ে দিতে হবে। গ্যাস টি মিডিয়াম আচে ঢাকা চাপা দিয়ে ৫ মিনিট রাখার পর ঢাকা খুলে  ২ চামচ সরষের তেল ওপর দিয়ে ছরিয়ে ঢাকা টি আবার বন্ধ করে দিতে হবে। এরপরেই তৈরি বাঙালির প্রিয় রসালো ইলিশ ভাপা। তাই পুজোতে আপনি ইলিশের বিভিন্ন পদ রেঁধে খেতেই পারেন। 

সংসারের সমৃদ্ধিতে আজ গণেশ পুজোয় ঘর সাজান !

আজ গণেশ চতুর্থী। বেশকয়েকবছর ধরেই গণেশ পুজো করার একটা রীতি চলছে। তাই আজকের দিনটা অনেকে মেতে উঠেছে পুজোয়।তবে  যেকোনও পুজো পার্বণে ঘরকে যদি সুন্দর করে সাজানো যায়, তাহলে গোটা বাড়ি জুড়েই একটা পজিটিভ ফিল আসে। ফুলের মালা, রঙিন আলপনা  ধূপকাঠির গন্ধে ঘর বারান্দা ভরে গেলে মনে হবে সুখ বাসা বাঁধবে আপনার সংসারেই। করোনা আবহে এটাই তো আমাদের প্রার্থনা, সুস্থ থাকার। সুখে থাকা। আজ অনেকের বাড়িতেই গণেশ পুজো। সকলেই আজ ঘর সাজিয়ে তুলবে।বিভিন্ন রঙের ফুল দিয়ে।


ঘরের দুয়ারে সুন্দর করে সাজিয়ে রাখুন দ্বারঘট। দ্বারঘটের চারপাশে হলুদ গাঁদার মালা জড়িয়ে দিন। ঘরে ঢোকার মূল দরজায় লম্বা লম্বা করে গাঁদার মালা ঝুলিয়ে দিন।লাল ও হলুদ রং গণেশ ঠাকুরের খুব প্রিয়। তাই ঘর সাজানোর ব্য়াপারে এই দুটো রংকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিন। কিনে আনতে পারেন লাল ও হলুদ রঙের ওড়না। ওড়নায় ছোট ছোট করে কুঁচি করে জানলায় পর্দা হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন।

একটি পাত্রে কিছু পরিমাণ জল রাখুন। জলের মধ্যে গোলাপের পাপড়ি ভাসিয়ে দিন। ঠাকুরের সামনে এটি রাখতে পারেন। বেশি বড় পাত্র হলে আলপনার উপরে পাত্র রেখে সাজাতে পারেন।এছাড়া গণেশকে এদিন লাল কাপড়ের ওপর  রাখুন। সেখানে পুজো করুন। যেখানে সেখানে রেখে পুজো নয়. নিষ্ঠাসহ পুজো করলে আপনি সাফল্য পাবেন অবশ্যই।

Durga Puja: বর্ধমানে মা পটেশ্বরী দুর্গার আজও ঐতিহ্য অম্লান !

 রাজ পরিবারের ঐতিহ্য এখনও আছে। যেমন আছে  রাজ-ঐতিহ্যের শেষ চিহ্ন-- ভগ্নদশাপ্রাপ্ত এক মন্দির। মন্দিরের দেওয়ালের টেরাকোটার কারুকার্য, পলেস্তারা খসে পড়ছে। রাজ পরিবারের মন্দিরের মূল ফটকও ভেঙে পড়ছে রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে রাজ পরিবারের পটেশ্বরী দুর্গাপুজোর জৌলুসও কমেছে। তবে কমেনি রীতি-আচারের রাজ-ঐতিহ্য।এখনও দুর্গাপুজোর সময়ে ভিড় হয় এখানে। একটি ট্রাস্টের মাধ্যমে এখন দেখাশোনা করা হয় মন্দিরের। রয়েছে রক্ষণাবেক্ষণের অভাব। করোনার প্রকোপে গতবার থেকে পুজোর আয়োজনও কমেছে।

এবারেও শুধুমাত্র নিয়ম রক্ষার পুজো হবে বলে জানালেন সেবায়েত। তবে জৌলুস কমলেও পুজোর আচার আচরণে বা রীতিনীতিতে কোনও পরিবর্তন হয়নি। এখনও আগের মতোই পুরনো রীতি মেনেই রাজ পরিবারে মা পটেশ্বরী দুর্গার পুজো হয়। মহালয়ার পরের দিন থেকে বর্ধমানের মহারাজার মন্দিরে দুর্গাপুজো শুরু হয়।

এখানে বলির প্রথা আছে।তবে মেষ-মহিষ বা ছাগ বলি হয় না।রাজাদের আমলে সুপারি বলি হত। এখন অবশ্য চালকুমড়ো বলি হয়। অষ্টমীর দিন মা পটেশ্বরীর সামনে নবকুমারী পুজো হয়। পুজোর সময় রাজপরিবারের একমাত্র বংশধর প্রণয়চাঁদ মহাতাব ন'দিন সস্ত্রীক বর্ধমানে থাকেন এবং নিজে পুজোয় বসেন। তবে করোনা আবহে গতবছর তিনি আসেননি।

এবারও আসার সম্ভাবনা প্রায় নেই বলেই জানালেন বর্তমানে এই মন্দিরের সেবায়েত উওম মিশ্র।পটেশ্বরী দুর্গাপুজো শুরু করেন তৎকালীন বর্ধমানের মহারাজ  মহাতাব চাঁদ। আজ থেকে প্রায় ৩৫০ বছর আগে। দেবী দুর্গা এখানে শালকাঠের কাঠামোর উপর প্রতিষ্ঠিত। 

Durga Puja: মমতার আদলে কলকাতায় দেবীমূর্তি !

এবার খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অবিকল চেহারা নিয়ে পুজোর আঙিনায় মাতৃময়ী দুর্গা রূপে। টার্গেট ২০২৪। আর সেই কথা মাথায় রেখেই এই মূর্তি তৈরীর ভাবনা। তবে কি পুজোর মন্ডপ তাহলে প্রচারের হাতিয়ার এবার। উপ নির্বাচন আসন্ন।  তারমধ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়  উপনির্বাচনের প্রার্থী হতে চলেছেন। এর মধ্যেই দুর্গা বন্দনা উদ্যোক্তাদের। দিদিকে দেখতে চান দিল্লিতে।

এই প্রথমবার এই উদ্যোগ নিল বাগুইহাটির নজরুল পার্ক উন্নয়ন সমিতি। এবছর তাদের প্রথম থিমের পুজো। তবে পুজোর থিমে একেবারেই  রাজনীতি দেখতে নারাজ উদ্যোক্তারা। পুজোর উদ্যোক্তারা  অবশ্য জানিয়েছেন, সরকার আমাদের জন্য একাধিক প্রকল্পের সুবিধা দুয়ারে হাজির করেছেন । তৃতীয়বার সরকার গঠন করে দিদি প্রতিশ্রুতি রেখেছেন। দিদির অনুপ্রেরণায় তাই  সাধারন নাগরিক হিসাবে মাতৃরূপী মমতাকেই তুলে ধরা হচ্ছে  থিমে। তার মমতাময়ী মা রূপটাই তুলে ধরা হচ্ছে মূর্তিতে। স্বাস্থ্যসাথী থেকে খাদ্য সাথী , কন্যাশ্রী  থেকে লক্ষীর ভান্ডার একাধিক প্রকল্প রাখা হচ্ছে থিমের আঙিনায়।

তবে মুখ্যমন্ত্রীর   একাধিক প্রকল্পের সুবিধা দিয়েছেন যা গুনে তুলে ধরা সম্ভব না । কারণ বাজেট কম।  জায়গা সীমাবদ্ধ। এ বছর প্রথম থিমের পুজো। মুখ্যমন্ত্রীর আসল উচ্চতা ও ওজন অনুযায়ী তৈরি হচ্ছে আসল দুর্গা প্রতিমা। কোনোরকম  হিংসাত্মক রূপ দেওয়া হবে না প্রতিমায়। কোনরকম ভাবেই বিরোধী পক্ষকে আক্রমণ করতে চান না উদ্যোক্তারা।

পুজো সকলের আনন্দের। শাস্ত্র ও স্বাস্থ্য মেনে করা হবে পুজো। কলকাতার কুমোর পাড়ার এখন নামী শিল্পীর হাতেই তৈরি হচ্ছে এই ফাইবারের প্রতিমা। ভিআইপি বাগুইহাটি সংলগ্ন একটি ছোট্ট পুজোর ক্লাবের এই দুর্গা প্রতিমা দেখতে ভিড় জমাবে অনুগামীরা থেকে উৎসুক জনতা। নিশ্চিত উদ্যোক্তারা।

কীভাবে করোনাবিধি ও বিরোধীপক্ষের সমালোচনার বন্যা  সামলাবেন  তাই নিয়েই  চিন্তিত উদ্যোক্তারা। এদিকে তৃতীয়বারের জন্য  বিপুল সাফল্য পেয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। আমজনতা গ্রহণ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী কে। প্রতিবেশীরাও খুশি  এই পুজোকে ঘিরে। তবে জানা যাচ্ছে এই মূর্তি পূজিত নয়. কিন্তু মণ্ডপ সজ্জা হিসেবে এই মূর্তি রাখা হবে ক্লাবের তরফে জানানো হয়েছে। 


Durga Puja: মমতার আদলে কলকাতায় দেবীমূর্তি !

এবার খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অবিকল চেহারা নিয়ে পুজোর আঙিনায় মাতৃময়ী দুর্গা রূপে। টার্গেট ২০২৪। আর সেই কথা মাথায় রেখেই এই মূর্তি তৈরীর ভাবনা। তবে কি পুজোর মন্ডপ তাহলে প্রচারের হাতিয়ার এবার। উপ নির্বাচন আসন্ন।  তারমধ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়  উপনির্বাচনের প্রার্থী হতে চলেছেন। এর মধ্যেই দুর্গা বন্দনা উদ্যোক্তাদের। দিদিকে দেখতে চান দিল্লিতে।

এই প্রথমবার এই উদ্যোগ নিল বাগুইহাটির নজরুল পার্ক উন্নয়ন সমিতি। এবছর তাদের প্রথম থিমের পুজো। তবে পুজোর থিমে একেবারেই  রাজনীতি দেখতে নারাজ উদ্যোক্তারা। পুজোর উদ্যোক্তারা  অবশ্য জানিয়েছেন, সরকার আমাদের জন্য একাধিক প্রকল্পের সুবিধা দুয়ারে হাজির করেছেন । তৃতীয়বার সরকার গঠন করে দিদি প্রতিশ্রুতি রেখেছেন। দিদির অনুপ্রেরণায় তাই  সাধারন নাগরিক হিসাবে মাতৃরূপী মমতাকেই তুলে ধরা হচ্ছে  থিমে। তার মমতাময়ী মা রূপটাই তুলে ধরা হচ্ছে মূর্তিতে। স্বাস্থ্যসাথী থেকে খাদ্য সাথী , কন্যাশ্রী  থেকে লক্ষীর ভান্ডার একাধিক প্রকল্প রাখা হচ্ছে থিমের আঙিনায়।

তবে মুখ্যমন্ত্রীর   একাধিক প্রকল্পের সুবিধা দিয়েছেন যা গুনে তুলে ধরা সম্ভব না । কারণ বাজেট কম।  জায়গা সীমাবদ্ধ। এ বছর প্রথম থিমের পুজো। মুখ্যমন্ত্রীর আসল উচ্চতা ও ওজন অনুযায়ী তৈরি হচ্ছে আসল দুর্গা প্রতিমা। কোনোরকম  হিংসাত্মক রূপ দেওয়া হবে না প্রতিমায়। কোনরকম ভাবেই বিরোধী পক্ষকে আক্রমণ করতে চান না উদ্যোক্তারা।

পুজো সকলের আনন্দের। শাস্ত্র ও স্বাস্থ্য মেনে করা হবে পুজো। কলকাতার কুমোর পাড়ার এখন নামী শিল্পীর হাতেই তৈরি হচ্ছে এই ফাইবারের প্রতিমা। ভিআইপি বাগুইহাটি সংলগ্ন একটি ছোট্ট পুজোর ক্লাবের এই দুর্গা প্রতিমা দেখতে ভিড় জমাবে অনুগামীরা থেকে উৎসুক জনতা। নিশ্চিত উদ্যোক্তারা।

কীভাবে করোনাবিধি ও বিরোধীপক্ষের সমালোচনার বন্যা  সামলাবেন  তাই নিয়েই  চিন্তিত উদ্যোক্তারা। এদিকে তৃতীয়বারের জন্য  বিপুল সাফল্য পেয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। আমজনতা গ্রহণ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী কে। প্রতিবেশীরাও খুশি  এই পুজোকে ঘিরে। তবে জানা যাচ্ছে এই মূর্তি পূজিত নয়. কিন্তু মণ্ডপ সজ্জা হিসেবে এই মূর্তি রাখা হবে ক্লাবের তরফে জানানো হয়েছে। 


Janmashtami: আজ কৃষ্ণ শুভ জন্মাষ্টমী, জেনে নিন পুজোর শুভক্ষণ!

আজ, ৩০ অগস্ট জন্মাষ্টমী। শুভ দিন. মধ্যরাতে জন্ম হয়েছে কৃষ্ণের। দেশজুড়ে পালিত  হচ্ছে জন্মাষ্টমীর। ৮ বছর পর আজ দুর্লভ সংযোগে জন্মাষ্টমী পালিত হবে। কী এই যোগ এবং জন্মাষ্টমীর শুভক্ষণ সম্পর্কে কিছু তথ্য জেনে নেওয়া যাক. শাস্ত্র মতে বলা যায়, জন্মাষ্টমীতে একসঙ্গে ৬টি তত্বের উপস্থিতি অত্যন্ত দুর্লভ। এগুলি হল ভাদ্রপদ কৃষ্ণ পক্ষ, মধ্যরাত্রিকালীন অষ্টমী তিথি, রোহিণী নক্ষত্র, বৃষ রাশিতে চন্দ্রের উপস্থিতি।

চলতি বছর সমস্ত সংযোগের পাশাপাশি চন্দ্রও বৃষ রাশিতে উপস্থিত থাকছে, যার কারণে এই যোগ হয়ে উঠেছে দুর্লভ। পাশাপাশি সোমবার বা বুধবার জন্মাষ্টমী হওয়া শুভ।অর্থাৎ আজকের দিনটা অত্যন্ত একটা শুভ দিন. এদিকে  চলতি বছর এই সমস্ত তত্বই জন্মাষ্টমীর দিনে উপস্থিত থাকছে।

৩০ অগস্ট সোমবার, সকাল থেকে অষ্টমী তিথি শুরু হবে থাকবে রাত ২টো বেজে ২ মিনিট পর্যন্ত। এই রাতেই নবমীর সূচনাও হবে। চন্দ্র থাকবে বৃষ রাশিতে। বাকি সমস্ত সংযোগ বিদ্যমান থাকলেও চন্দ্রের বৃষ রাশিতে উপস্থিতি যোগ সব সময় সম্ভব হয় না। ৩০ অগস্ট থাকবে রোহিণী নক্ষত্রও। অন্য দিকে সোমবার বা বুধবার জন্মাষ্টমী হওয়া শুভ। আজ, সোমবার। এর ফলে এই জন্মাষ্টমীকে অত্যন্ত উত্তম মনে করছেন জ্যোতিষীরা। তাই বলাবাহুল্য আজকের এই শুভ যোগ নষ্ট না করাই ভালো। 


খারাপ দিন ভারতের খেলার

টোকিওঃ একের পর এক বিভাগে ভারত পরাজিত হচ্ছে পদক পাবার আগেই । তীরন্দাজি থেকে ভারউত্তোলন থেকে অন্য বিভাগ । গতকালই বক্সিংয়ে পরাজিত হয়েছিলেন মেরি কম, আজ পরাজিত হলেন পূজা রানী । পূজা শেষ ৪ এ উঠতেই পারলেন না । তাঁর পদক পাওয়ার আশা ছিল , চেষ্টাও ছিল বিস্তর কিন্তু শেষ পর্যন্ত পারলেন না ।

অন্যদিকে ভারতের রুপোর মেয়ে পি ভি সিন্ধু আজ পরাজিত হলেন এই মুহূর্তে বিশ্বের ১ নম্বর খেলোয়াড় তাইপের তাই জুর কাছে । ফল হলো ২১-১৮ , ২১-১২ । প্রত্যাশিত ফল জানাচ্ছে বিশেষজ্ঞ মহল । প্রথম সেটে মোটামুটি লড়াই দিলেও দ্বিতীয় সেট তাঁর পক্ষে খুবই কঠিন ছিল । তবে ব্রোঞ্জের জন্য লড়তে হবে সিন্ধুকে । আশা এখন বক্সার লাভ্লীনকে নিয়ে । তিনি ব্রোঞ্জ পাচ্ছেনই কিন্তু তাঁর টার্গেট আরও বেশি ।