Politics: দিলীপ কুনালের রসেবসে কটাক্ষ

কলকাতাঃ ভবানীপুরের ভোট যত এগিয়ে আসছে উত্তপ্ত হচ্ছে তৃণমূল বিজেপির বাকযুদ্ধ । এই বিষয়ে সবথেকে সক্রিয় বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী । তিনি তাঁর আস্তিনের সমস্ত তীর বের করে বাক্যে আক্রমণ হানছেন । অনেক সময়ে অসম্মানসূচক মন্তব্য করে সরাসরি আক্রমণ করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে । তেড়েফুঁড়ে প্রচার করছেন বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিব্রিউয়াল । তিনিও বাক্য অসংযমের পরিচয় দিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের নোটিশের বিরুদ্ধে মন্তব্য করে । নির্বাচনের সময় অবশ্য এসব নতুন কোনও ঘটনা নয় । বিজেপি রাজ্য সভাপতি রসিক মানুষ । প্রায় প্রতিদিন প্রেসের সামনে মুখ খোলেন এবং সেগুলি বেশ রসেবসে উপভোগ করে দর্শক বা পাঠক । 

শনিবার ভোট নিয়ে দিলীপ জানালেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সব সুপারষ্টার দিয়ে প্রচার করছেন । এতে একেবারেই উত্তপ্ত না হয়ে তৃণমূলের প্রধান মুখপাত্র কুনাল ঘোষ জানালেন, সুপারস্টার আবার কি  ববি ওই অঞ্চলের ভোটার, অভিষেকও তাই এবং সুব্রত মুখোপাধ্যায় ওই অঞ্চলেই চিরকাল রাজনীতি করেছেন । কুনাল বলেন, এসব দিলীপবাবুর মনের কথা নয় । তিনি মনেপ্রাণে চান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভবানীপুর থেকেই বিধানসভায় যান ।    


Partha Chaterjee: প্রতিহিংসার রাজনীতি করছে বিজেপি : পার্থ

শনিবার কেন্দ্রের সংস্থা ইডি কয়লা কাণ্ডে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নোটিশ পাঠিয়ে দিল্লিতে দেখা করতে চেয়েছে এবং তারপরই গর্জে ওঠে তৃণমূলের নানান শাখা । সোশ্যাল নেটওয়ার্কে তুলোধোনা করা হচ্ছে বিজেপিকে । এ দিন তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় মিডিয়াকে জানান যে, বিজেপি প্রতিহিংসার রাজনীতি করছে । যখনই রাজনৈতিক চাপে পড়ছে কেন্দ্রীয় সরকার তখনই বিরোধী দলগুলিকে সিবিআই ইডি ইত্যাদি দিয়ে চাপে ফেলার চেষ্টা করছে । বিধানসভার উপ চিফহুইপ তাপস রায় বলেন, এখন অভিষেক ভারতীয় রাজনীতির উজ্জ্বল মুখ তাই বিজেপি প্রতিহিংসার পথে যেতে চাইছে কিন্তু এসব করে লাভ নেই কিছু ম, মানুষ তৃণমূলের পাশে আছে ।

অন্যদিকে রবিবার বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেছেন, সিবিআই তে তৃণমূলের এতো আপত্তি কোথায় ? এক সময় তো খোদ বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী কথায় কথায় সিবিআই চাইতেন , আজ এতো রাগ কেন ? এর উত্তরে সাংসদ সৌগত রায় বলেন, অবশ্যই আপত্তি আছে কারণ বর্তমান সরকারের মুখপাত্র হয়ে গিয়েছে কেন্দ্রীয় এজেন্সিগুলো । তিনি আরও বলেন, দিলীপ ঘোষ কোন মুখে কথা বলেন তাঁদের দল ভোটে হেরে গিয়েছে ।


সরগরম ত্রিপুরার রাজনীতি

বৃহস্পতিবার সকালে আগরতলা পৌঁছলেন তৃণমূলের রাজ্যসভার দলনেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন ও বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। তৃণমূল সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার ত্রিপুরা পৌঁছনোর কথা থাকলেও, এছাড়া কর্মসূচিতে বেশ কিছু রদবদল হয়েছে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তাই  আগামী শুক্রবার দুপুরের বিমানে দিল্লি থেকে ত্রিপুরা রওনা হতে পারেন তিনি।

গত কয়েক দিন ধরে আগরতলার একটি হোটেলে বন্দি ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোরের সংস্থা আইপ্যাকের প্রতিনিধিরা। এদিকে সমীক্ষার কাজে গিয়ে ত্রিপুরায় আটকে পড়েছেন তাঁরা। মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের সরকারের এমন কাজের বিরুদ্ধে সরব হতে বুধবার ত্রিপুরায় গিয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী মলয় ঘটক, ব্রাত্য বসু এবং তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনের নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিকে রাজনীতির যাত্রাপথ সুগম করতে শুক্রবার পা রাখতে চলেছেন আগরতলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

রজনীকান্তের রাজনীতিতে ইতি!

রজনীকান্ত সম্পর্কে রসিকতার শেষ নেই বলাই চলে। তেমন আরও এক রসিকতা, একমাত্র রজনীকান্তই পারেন রাজনীতিতে ঢোকার আগেই রাজনীতি ছাড়তে! বাস্তবে যেন তেমনই ঘটল। রাজনৈতিক দল গড়ার সাড়ে ছ’মাসের মধ্যে নিজের দলটাই উঠিয়ে দিলেন। সোমবার এ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করলেন ৭০ বছরের দক্ষিণী সুপারস্টার। বলেন, ‘‘ভবিষ্যতেও আমার রাজনীতিতে আসার পরিকল্পনা নেই।’

গতবছর শোনা যায়, রজনীকান্ত থালাইভা রাজনীতিতে পা রাখছেন।প্রায় সব আয়োজন হয়ে গিয়েছিল। নতুন দল গঠন করেন। নাম দেন ‘রজনী মক্কল মন্ড্রম।’ সেই পার্টিই উঠিয়ে দিলেন সোমবার তিনি নিজেই।