Durga Puja: পুজোয় মানবিক পুলিশ

আরো একবার সততার প্রমাণ দিল মালদা শহরে ট্রাফিকে কর্ত্যবর এক সিভিক ভলেন্টিয়ার। রবিবার সকালে ব্যাগ ভর্তি সোনার অলংকার রাস্তায় কুড়িয়ে পেয়ে প্রকৃত মালিকের হাতে ফিরিয়ে দিল মালদা শহরের সুকান্ত মোরে কর্তব্যরত ট্রাফিক কর্তারা। পুজোর মুখে হারিয়ে যাওয়া সোনার অলঙ্কার ফিরে পেয়ে ওই সিভিক ভলেন্টিয়ার ও ট্রাফিক কর্তাদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন  দম্পতি। মালদা শহরের পুরাটুলি সদর ঘাট এলাকার বাসিন্দা জয়ন্ত সরকার রবিবার সকালে স্ত্রীকে নিয়ে গয়েশপুর থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। স্ত্রী মামনি সরকারের ব্যাগে মোবাইল ফোন সোনার গয়নার ও নগদ টাকা ছিল। ব্যাগের চেইন খোলা অবস্থায় বাইকে করে আসছিলেন দম্পতি। রাস্তায় মোবাইল ফোন সোনার অলংকারসহ নগদ টাকা ও রুমাল পড়ে যায়। পুরাটুলি সদরঘাটের বাড়ির কাছে গিয়ে দম্পতি লক্ষ্য করে তাদের ব্যাগের চেইন খোলা।

তারপরে রাস্তা ধরে খোঁজাখুঁজি শুরু করে ব্যাগের সামগ্রী। কিন্তু কোথাও কিছু পায়নি। সুকান্ত মোরে দম্পতিকে রাস্তায় কিছু খোঁজাখুঁজি করতে দেখে কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশরা তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে। তার আগেই রাস্তায় সুকান্ত বলে কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশের এক সিভিক ভলেন্টিয়ার সোনার অলংকারের ব্যক্তি কুড়িয়ে পায়। মহিলাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে সমস্ত তথ্য সঠিক পাওয়ায় তাদের হাতে ব্যক্তি তুলে দেয় সুকান্ত মোরে ট্রাফিক পুলিশ এরপর তারা।

ব্যাগটি ফিরিয়ে দেওয়ায় শাফিকে কর্তব্যরত সিভিক ভলেন্টিয়ার রাজকুমার পাহাড়িকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন ওই দম্পতি। দম্পতি জানাই তাদের ওই ব্যাগে প্রায় দেড় ভরি স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ দেড় হাজার টাকা ছিল তার সবটাই ফিরে পেয়েছে, তবে মোবাইল ফোনটির কোন হদিস পায় নি।


Durga Puja: আমজনতা সুরক্ষা নিশ্চিত করতে তৎপর লালবাজার, নজরদারিতে পুলিশ

এবছরও করোনা আবহে দুর্গাপুজোয় যাতে কোনও প্রকার সমস্যা না হয়, তা নিশ্চিত করতে সব রকম চেষ্টা চালাচ্ছে লালবাজার। এবছর কলকাতার প্রত্যেকটি পুজো মণ্ডপে মোতায়েন থাকছে পুলিশ। আগে মূলত বড় পুজো মণ্ডপগুলির উপর বেশি নজর থাকত পুলিশের। এলাকার বারোয়ারি ছোট মণ্ডপগুলির উপর থানার পক্ষ থেকেই নজর রাখা হত। কিন্তু এই বছর লালবাজারের নির্দেশ, প্রত্যেকটি পুজো মণ্ডপে অন্তত দু’জন করে পুলিশকর্মী ডিউটিতে থাকবেন।কলকাতার ২ হাজার ৭০১টি মণ্ডপে মোতায়েন থাকছেন ২ হাজার ৫৪৫ জন অফিসার ও ১২ হাজার ৯৪৭ জন পুলিশকর্মী।

পুজোর দিনগুলিতে রাস্তায় নামবেন প্রায় ২০ হাজার পুলিশ। পুজোয় কলকাতায় যানজট এড়াতে যাতে যেখানে সেখানে গাড়ি পার্কিং না হয়, সেই ব্যাপারে ট্রাফিক পুলিশ ও প্রত্যেকটি থানাকে কড়া নির্দেশ দিলেন পুলিশ কমিশনার সৌমেন মিত্র। এদিকে আজ তৃতীয়াতে বেশ কিছু সংখ্যক পুলিশ রাতে নামবে। এবছর পুজোয় ৩১টি নতুন সিটি পেট্রোল টহল দেবে, যাতে অস্ত্র নিয়ে থাকছেন পুলিশ আধিকারিক ও পুলিশকর্মীরা।

লালবাজারের নির্দেশ, পুজো মণ্ডপগুলিতে যেন পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ রাখা হয়। বিকেল সাড়ে তিনটে থেকে ভোর, রাত বারোটা থেকে সকাল আটটা ও সকাল আটটা থেকে বিকেল চারটে, এই তিন শিফটে মণ্ডপ ও রাস্তায় পুলিশ থাকছে।


Post Poll Violence: সিবিআই এর ক্লাসে রাজ্য পুলিস

কলকাতাঃ নজরে বঙ্গের ৫ জেলা। আদালত এর নির্দেশে বাংলায় ভোট পরবর্তী হিংসা ( মূলত খুন,ধর্ষণ) নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিস।

অতিরিক্ত দায়িত্ব নিয়ে ডি আই জি অখিলেশ সিং মঙ্গলবার সকালেই উপস্থিত হন সিজিও কমপ্লেক্সে। শুরু হয় সিবিআই অফিসারদের সঙ্গে বৈঠক। এর কিছুক্ষন পরই সিজিও কমপ্লেক্সে একে একে বিধাননগর পুলিস কমিশনারট,বারাকপুর পুলিস কমিশনার,বারাসাত জেলা পুলিস, বনগাঁ জেলা পুলিস থেকে পুলিস কর্মী ও আধিকারিকরা উপস্থিত হন। 

যেসব জেলায় ভোট পরবর্তী হিংসা নেই, তারা যেমন শুধু রিমার্ক ডকুমেন্ট জমা দিয়েছে। অন্যদিকে যেসব জেলায় হিংসার ঘটনা হয়েছে সেখানকার অফিসাররা এফআইআর ও কেস ডায়েরি জমা দিয়েছেন। 

এরপর জেলা ও অভিযোগ ধরে ধরে তদন্ত করবে সিবিআই।  কথা বলবে সাক্ষী ও অভিযোগকারীদের সঙ্গে। পাশাপাশি আজই দিল্লি থেকে স্পেশাল সিবিআই অফিসাররা কলকাতায় এসে পৌঁছেবেন। অন্যদিকে সব জেলায় সিবিআই টিম গেলেও,মূলত উত্তর,দক্ষিণ ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর ও বীরভূম এই পাঁচ জেলা রয়েছে সিবিআইয়ের নজরদারিতে। 


আফগানিস্তানের এক প্রাক্তন পুলিশ প্রধানকে আশ্রয় দিল ভারত

কাবুলঃ তালিবানের দখলে আফগানিস্তানের গদি। সে দেশের কান্দাহার-র প্রাক্তন পুলিশ প্রধান তাদিন খানকে আশ্রয় দিল ভারত। ইতিমধ্যেই তিনি পৌঁছে গিয়েছেন দিল্লি।

তাছাড়া কাবুল ছেড়েছে শেষ এয়ার ইন্ডিয়া বিমান। রাতেই দিল্লির মাটিতে তা অবতরণ করবে। কাবুল থেকে ১২৯ জন যাত্রী নিয়ে দিল্লিগামী এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানটি। 

এত দিন নয়া দিল্লি থেকে কাবুল পর্যন্ত সপ্তাহে তিনবার বিমান চলাচল করত। তালিবানরা আফগানিস্তান দখল নিতেই,কার্যত অনিশ্চিত হয়ে পড়ল দু’দেশের মধ্যে বিমান চলাচল। এমনটাই সরকারি সূত্রে খবর। 


বিস্তারিত আসছে 

শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে এবার মামলা পুলিশের

রাজ্যের বিরোধী দলনেতা এবং নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করল তমলুক থানার পুলিশ। শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ৩৪১, ১৮৬, ১৮৭, ১৮৮,১৮৯, ২৬৯, ২৭০, ২৯৫এ, ৫০৬, ১২০বি, আইপিসি ধারায় মামলার দায়ের করা হয়েছে বলে খবর। 


বিস্তারিত আসছে 


এবার পুলিশি জেরায় মিঠুন

আচমকাই বিজেপিতে যোগ দিয়ে অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী একটা চমক দিয়েছিলেন | কিন্তু সেই সুখ দীর্ঘস্থায়ী হলো না | বিভিন্ন মঞ্চে মিঠুন রাজনৈতিক ভাষণ দিয়েছিলেন এবং তাঁর দেওয়া ভাষণের বিরুদ্ধে তৃণমূলের কিছু সমর্থক ৬ মে মানিকতলা থানায় এফআইআর করে | মিঠুনকে গ্রেফতারের দাবি ওঠে | পরে শিয়ালদাহ কোর্ট নির্দেশ দেয় তদন্তের | তারপর মিঠুনের আইনজীবী কলকাতা হাইকোর্টে ওই অভিযোগ খারিজ করার আবেদন করেন |


১১ জুন কলকাতা হাইকোর্টে বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে মামলাটি ওঠে | বিচারপতি জানান , এই মামলা খারিজ হবে না | মিঠুনকে নির্দেশ দেওয়া হয় পুলিশকে সহযোগিতা করার জন্য | সেই মত বুধবার মিঠুনকে জেরা করা শুরু করে মানিকতলা থানা, অবশ্য ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে | পুলিশের প্রশ্নের জবাবে মিঠুন জানান যে, তিনি সাপের ছোবল ইত্যাদি মন্তব্য যা করেন তা সিনেমার সংলাপ | তাঁর জবাবে খুশি নয় কলকাতা পুলিশ | ফের জেরা চলবে | আগামী ১৮ জুন পরবর্তী শুনানি | 

মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সামনে ধুন্ধুমার,জলকামান ব্যবহার করতে হল পুলিশকে

মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সামনে ধুন্ধুমার। বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে খবর। অন্যদিকে বিক্ষোভ দেখাতে গিয়ে গ্রেফতার হলেন সুখবীর সিং বাদল। তার গ্রেফতারের প্রতিবাদে বিক্ষোভের আঁচ ছড়িয়ে পড়ে রাজ্যের সর্বত্র।

মঙ্গলবার পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিং। মঙ্গলবার তার বাড়ির সামনে বিক্ষোভ দেখায় শিরোমণি অকালি দল (এসএডি) এবং বহুজন সমাজ পার্টির (বিএসপি) কর্মী ও সমর্থকদের একাংশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে ব্যবহার করতে হয় জল কামান।

মঙ্গলবার পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিংয়ের বাড়ির দিকে প্রতিবাদ মিছিল করে এগিয়ে আসে  শিরোমণি অকালি দল (এসএডি) এবং বহুজন সমাজ পার্টির (বিএসপি) কিছু কর্মী ও সমর্থক। পাঞ্জাব পুলিশ তাদের বাঁধা দিলে প্রতিবাদীদের সঙ্গে  ব্যাপক ধস্তাধস্তি হয় বলে খবর।এমনকী পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে তারা মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির দিকে এগোতে চাইলে ব্যাপক লাঠিচার্জও করে পুলিশ।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে ব্যবহার করতে হয় জল কামান।

করোনা দমনে মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিং ব্যর্থ হয়েছেন বলে অভিযোগ একালি দল সহ একাধিক বিরোধী শিবিরের। এদিন তারই প্রতিবাদে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি অভিযানে ডাক দেওয়া হয় বলে খবর।

ফের যোগী রাজ্যে ১৮ বছরের মেয়েকে ধর্ষণ

উত্তরপ্রদেশঃ ফের যোগী রাজ্যে ধর্ষণ। বারেলিতে ১৮ বছরের এক দলিত মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ। এই ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। তদন্তে নেমেছে পুলিশ ।

সূত্রের খবর, ওই মেয়েটি স্কুটিতে করে স্কুলের বন্ধুদের সঙ্গে একটি গ্রামের পাশ দিয়ে যাচ্ছিল, তখন বেশ কয়েকজন জোর করে  টানতে টানতে খালের ধারে ফাঁকা জায়গায় নিয়ে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। এমনকি ধষর্ণের কথা কাউকে বললে খুন করা হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়। ভয়ে বাড়ির লোককে কিছু জানায়নি মেয়েটি। তারপর বন্ধুদের পরামর্শে দুদিন পর থানায় গিয়ে এফআইআর দায়ের করে মেয়েটি।

এদিকে ধর্ষের আগে মেয়েটির বন্ধুদের জোর করে আটকে রেখে মারধর করা হয়েছিল। বন্ধুরা জানায়, তাদের ফোন, মানি ব্যাগও কেড়ে নিয়েছিল ওরা। মার খেয়ে জ্ঞান হারানোয় বন্ধুরা ওকে বাঁচাতে যেতে পারেনি। এমনটাই দাবি বন্ধুদের।

কলকাতায় এটিএম জালিয়াতি কাণ্ডে গ্রেফতার ভিনরাজ্যের বাসিন্দা

কলকাতাঃ শহর কলকাতার এটিএম থেকে কোটি কোটি টাকা উধাও হয়ে যাচ্ছিল। এই ঘটনায় তদন্তে নেমে হতবাক গোয়েন্দারা। এটিএম মেশিন অটুট,অথচ এটিএম যন্ত্রের ভিতর থেকে রহস্যজনকভাবে কয়েক কোটি টাকা উধাও।

কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ তদন্তে নেমে জানতে পারে, এই ঘটনার সঙ্গে ভিন রাজ্যের বাসিন্দার যোগ রয়েছে। তারপরই লালবাজার থেকে একটি দল সুরাট যায়। তল্লাশি চালিয়ে সেখান থেকে দুই জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ধৃতদের বাড়ি নয়াদিল্লির ফতেহপুর বেরি এলাকায়। তাদের ট্রানজিট রিমান্ডের জন্য ইতিমধ্যে আদালতেও তোলা হয়েছে। এছাড়া কলকাতা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে দু’জনকে। তাদের নাম বিশ্বদীপ রাউত এবং আবদুল সইফুল মণ্ডল।

উল্লেখ্য, গত মাসে কাশীপুর, নিউমার্কেট, যাদবপুর-সহ কয়েকটি এলাকায় ব্যাঙ্কের এটিএম থেকে টাকা গায়েবের ঘটনা ঘটে। তারপর তদন্তে নামে পুলিশ। অপরাধীদের ধরার পাশাপাশি গোয়েন্দারা গুরুত্ব দিয়েছিল, অটুট এটিএম থেকে কিভাবে টাকা গায়েব হচ্ছে ?

তদন্তকারীরা জানতে পারেন,  গোটা ঘটনার পিছনে ছিল উন্নততর প্রযুক্তি। একধরনের গ্যাজেটের সাহায্যেই এটিএম মেশিন না ভেঙেই  টাকা বের করে নিয়েছে জালিয়াতরা।

একই পরিবারের ৩ জনের রহস্যমৃত্যু

সোদপুর: উত্তর ২৪ পরগনার সোদপুরে একই পরিবারের ৩ জনের রহস্যমৃত্যু। দেনার দায়ে মানসিক অবসাদে সপরিবারে তাঁরা আত্মঘাতী হয়েছেন,না এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে,তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

জানা গিয়েছে, সোদপুরের বসাক বাগানের বাসিন্দা সমীর গুহ। পেশায় কাপড়ের ব্যবসায়ী। করোনাকালে ব্যবসায় মন্দা দেখা দেয়। ফলে আর্থিক অনটনে পড়েন ওই ব্যবসায়ী। দু’বেলা দু’মুঠো খাবার জোটাতে কষ্ট হচ্ছিল তাদের।

শুক্রবার সকালে গুহবাড়ি থেকে দুর্গন্ধ পান প্রতিবেশীরা। সন্দেহ হওয়ায় খবর দেওয়া হয় খড়দহ থানায়। পুলিশ এসে দরজা ভেঙে একই পরিবারের তিনটি  দেহ উদ্ধার করে। তারপর তা ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়।

পুলিশ সূত্রে খবর, মৃত তিনজন হল স্বামী ও স্ত্রী এবং তাঁদের ১৭ বছরের পুত্র সন্তান। মা ও ছেলের মুখ থেকে গ্যাঁজলা বেরোচ্ছিল। প্রাথমিক অনুমান, তাঁদের বিষক্রিয়া মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে, গৃহকর্তার দেহ ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।  ঘটনাস্থল থেকে একচি সুইসাইড নোট উদ্ধার করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে খুনের হুমকি!

নয়াদিল্লিঃ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে খুনের হুমকি! গতকাল রাতে এক যুবক পুলিশকে ফোন করে বলে "আমি মোদীকে খুন করতে চাই"। এমনটাই  দিল্লি পুলিশ সূত্রে খবর।

কেন মোদীকে খুনের হুমকি ?

সলমন নামে এক যুবক, সদ্য জামিনে মুক্তি পায়। সে জেল থেকে বেরিয়েই পুলিশকে ফোন করে জানায়,  প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে খুন করবো, যদি না আমাকে ফের জেলে পাঠায়। কারণ আমি জেলেই থাকতে চাই। যদিও তারপরই তত্পরতার সঙ্গে দিল্লির খাজুরি খাস থানার পুলিশ ওই যুবককে গ্রেফতার করে।

গতবছরই নভেম্বর মাসে এক ব্যক্তি দিল্লি পুলিশকে ফোন করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে খুনের হুমকি দিয়েছিল! সেই সময়ও তত্পরতার সঙ্গে দিল্লি পুলিশ ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছিল। পুলিশের জেরায় সে জানিয়েছিল, মদ্যপ অবস্থায় ওই ফোনটি করেছিল সে। মোদীকে খুন করার মত কোনও পরিকল্পনা নেই তার।

অন্যদিকে গতবছর প্রধানমন্ত্রীর টুইটার হ্যান্ডেল হ্যাক হয়েছিল। তারপরের দিনই খুনের হুমকি এসেছিল! তবে সেই সময় ফোনে নয়,একটি ইমেল এসেছিল ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (NIA)-এর হাতে। ওই ইমেল পেয়ে দুশ্চিন্তা বেড়েছিল এনআইএ আধিকারিকদের। ‘কিল নরেন্দ্র মোদী’ লেখা ওই মেসেজের ফলে তখন বাড়ানো হয়েছিল নরেন্দ্র মোদীর নিরাপত্তা।