প্রশ্নের জবাবে তৈরী সরকার,বার্তা মোদির

করোনা আবহে সংসদের বাদল অধিবেশন শুরু। তার ঠিক ২৪ ঘণ্টা আগেই ‘পেগাসাস প্রজেক্ট’ অর্থাৎ দেশের মন্ত্রী, নেতা, বিচারপতি-সহ প্রায় শ তিনেক হাইপ্রোফাইল ব্যক্তির ফোনে ‘আড়ি পাতা’ কাণ্ডে উত্তপ্ত দেশ। সংসদের অধিবেশনে এই বিষয়টি বড়সড় ঝড় তুলতে পারে বলে আশঙ্কা। তার আঁচ হয়ত টের পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও ।

এদিন সকালে সংসদে প্রবেশের আগে বার্তা দিতে গিয়ে তাঁর আবেদন, ”সরকার সব প্রশ্নের উত্তর দিতে তৈরি। কিন্তু সংসদ কক্ষের শান্তি বজায় রেখে সরকারে সেই উত্তর দিতে দিন।” সংসদের বাইরেও দলনেতাদের সঙ্গে নানা আলোচনা চান বলেও জানালেন তিনি। জোর দিলেন সাংসদদের টিকাকরণের উপর। বললেন, ”বাহুতে টিকা নিলেই করোনার বিরুদ্ধে বাহুবলী হয়ে ওঠা যাবে।” এদিকে অধিবেশন শুরুতেই তোলপাড় হওয়ার কথা ছিল. প্রতিনিয়ত যেহারে পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি চলছে তাতে উত্তাল হয়ে উঠেছে গোটা দেশ. এদিন তৃণমূল সাংসদেরা সাইকেল চালিয়ে পৌঁছল সংসদে। ইতিমধ্যে বাদল অধিবেশনে পেট্রোপণ্যের পাশাপাশি পেগাসাস প্রসঙ্গ নিয়ে তোলপাড় চলছে।

Breaking ঃ কারা জায়গা পেতে পারেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায়,একনজরে

নয়াদিল্লিঃ আজ সন্ধ্যায় মোদী মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ হতে চলেছে। নতুন মন্ত্রিসভার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে জরুরি বৈঠক চলছে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে। সূত্রের খবর, একাধিক নতুন মুখের আগমন ঘটতে চলেছে মোদীর নতুন মন্ত্রিসভায়।
একনজরে দেখে নিন, সম্ভাব্য নতুন মুখ  

 ১) জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া
 ২) সর্বানন্দ সোনোয়াল
 ৩) ভূপেন্দ্র যাদব
 ৪) অনুরাগ ঠাকুর
 ৫) মীনাক্ষী লেখি
৬) অনুপ্রিয়া প্যাটেল
৭) অজয় ভট্ট
৮) শোভা করান্ডজলে
৯) সুনিতা দুগ্গা
১০) প্রীতম মুন্ডে
১১)  শান্তনু ঠাকুর
১২) নারায়ণ রানে
১৩) কপাইল পাতিল
 ১৪) পশুপতি নাথ পারাস্ত
১৫) আরসিপি সিং
১৬) জি কৃষ্ণ রেড্ডি
১৭)  পুরুষোত্তম রূপালা
১৮)  অশ্বিনী বৈষ্ণব
১৯) বিজয় সোনকর
২০) নিশীথ প্রামাণিক

বিস্তারিত আসছে --

নীতীশের বায়নাক্কা বাড়ছে

নরেন্দ্র মোদি তাঁর মন্ত্রিসভা সম্প্রসারিত করছেন । এই মুহূর্তে কেন্দ্রীয় সরকারি দল বিজেপির অবস্থান অত্যন্ত খারাপ । মূল্যবৃদ্ধি থেকে করোনা প্রতিটি বিষয়ে চাপে সরকার তারই মধ্যে সাম্প্রতিক নির্বাচনে ফল খুব আশাব্যাঞ্জক নয় । এই মুহূর্তে মন্ত্রিসভা সম্প্রসারিত বা রদবদল করে পরিবর্তন আনতে চাইছেন মোদি শাহ । এনডিএ র অধিকাংশ শরিক আর মোদিরাজ এবং তার পলিসি নিয়ে অখুশি । এই সময়ে বিহারের অন্যতম শরিক জেডি (ইউ) দর বাড়াতে চাইছে ।

২০১৯ এর নির্বাচনের পর মোদি, নীতীশকুমারকে ১টি মন্ত্রিত্ব দিতে চেয়েছিলেন কিন্তু নীতীশ সেই আবেদন মানেন নি । এবারে দাবি ছিল দুটি মন্ত্রিত্ব এবং অন্দরের কথা তাতে রাজিও ছিল কেন্দ্রীয় বিজেপি । কিন্তু আজই ডিগবাজি । এখন নীতীশের দাবি ৪ টি পদ । আচমকা এই দাবিতে স্তম্ভিত কেদ্রীও বিজেপি ।

মোদী-মমতাকে বাংলাদেশের আম পাঠাল হাসিনা

রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য বাংলাদেশের আম উপহার পাঠাচ্ছেন সে দেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আজ রবিবার ভারত ও বাংলাদেশের পেট্রাপোল বর্ডা দিয়ে ভারতে পৌঁছবে ওই আম। জানা গিয়েছে, তিন জনের জন্য মোট ২৬০০ কেজি হাড়িভাঙা জাতের আম পাঠাচ্ছেন হাসিনা। এতে দুই দেশের মধ্যে কুটনৈতিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহল।

এর আগে শেখ হাসিনা বাংলাদেশের ইলিশ মাছ পাঠিয়েছেন, এবার সে দেশের সেরা আম পাঠালেন। অন্যদিকে করোনাকাল ভারত সরকার ভ্যাকসিন পাঠিয়েছে বাংলাদেশে।

যদিও অভিন্ন নদীর জল বণ্টন বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যে এক দীর্ঘমেয়াদী অমিমাংসিত ইস্যু। দু'দেশের মধ্যে ১৯৯৬ সালে একমাত্র গঙ্গা নদীর জল বণ্টনের চুক্তি স্বাক্ষর হলেও তিস্তাসহ আলোচনায় থাকা ৮টি নদীর জল  ভাগাভাগির ব্যাপারে এখনও কোনও সমাধান হয়নি।

নিশ্চিন্তে টিকা নিন! বার্তা প্রধানমন্ত্রীর

করোনা টিকাকরণ ফের দেশবাসীকে বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রবিবার অর্থাৎ আজ 'মন কি বাত' অনুষ্ঠানে তিনি সকল জনগণের উদ্দেশ্যে জানালেন,'টিকা নিন সকলেই। ভয়ের কোনও কারণ নেই।  আপনাদের প্রত্যেককে বলছি, বিজ্ঞানকে বিশ্বাস করুন। আমাদের বিজ্ঞানীদেরও বিশ্বাস করুন। দেশে প্রচুর মানুষ টিকা নিয়েছেন। টিকা নিয়ে যে নেতিবাচক গুজব ছড়াচ্ছে, তাতে কান দেবেন না'।

যদিও একবছর আগেও প্রশ্ন ছিল,টিকা কবে আসবে।তবে এবছরে দেশে টিকা আসতেই ইতিমধ্যে সমস্ত জায়গায় টিকাকরণ শুরু হয়ে গেছে। এদিকে ৮৬ লাখের বেশি মানুষ বিনামূল্যে টিকা দিতে পারছে। টিকা নিয়ে যে গুজব ছড়াচ্ছে ,তাকে সরিয়ে রেখে প্রত্যেককে দিতে হবে টিকা। এমনই বার্তা দিলেন নরেন্দ্র মোদি।




রামজন্মভূমি তুরুপের তাস মোদির

আসন্ন উত্তরপ্রদেশ এবং ত্রিপুরা বিধানসভা নিয়ে মহা চিন্তায় কেন্দ্রীয় বিজেপি | দুটি রাজ্যের মানুষ বর্তমান সরকার নিয়ে খুশি নয় | কর্মহীন মানুষ সবচেয়ে বেশি উত্তরপ্রদেশে তার সঙ্গে করোনা সংকট তো আছেই | টিকা করণ হয়েছে নামমাত্র এই প্রদেশে | মোদি প্রমুখেরা শোনা যাচ্ছে যোগীকে বাদ দিয়ে নতুন মুখের সন্ধানে ছিলেন কিন্তু সঙ্ঘ পরিবারের চেইপ তা আর সম্ভব হয় নি বলে সূত্রের খবর | মোদির প্রধান চিন্তা ২০২৪ এর লোকসভা , যেখানে উত্তরপ্রদেশে সবচেয়ে বেশি আসন |

ভাবনা চিন্তা করে কেন্দ্র বিজেপি তথা মোদি ঠিক করছেন আগামী বিধানসভা নির্বাচনে রামমন্দিরকেই ইস্যু করবেন তারা | তার অযোধ্যাকে আধ্যাত্মিক এবং পর্যটন কেন্দ্র হিসাবে ফোকাস করবেন | বিশ্বজুড়ে স্মার্ট সিটির যে রমরমা তাতে রামমন্দিরকে বা অযোধ্যাকে স্মার্ট সিটির আখ্যা দিতে চলেছেন তারা | কিন্তু শুধু রামমন্দির দিয়ে ভোট জেতা যায় কি ? মানুষের কর্মহীনতা, স্বাধীনতা এবং পিটার খিদে নিয়েই যে আগামী ভোট তা বলাই বাহুল্য |  

১৮ বছরের ঊর্ধ্বে সকল নাগরিককে বিনামূল্যে ভ্যাকসিন, ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

করোনা টিকাকরণ নিয়ে এবার কেন্দ্রের বড়সড় সিদ্ধান্ত। আগামী ২১ জুন থেকে ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে বিনামূল্যে টিকা দেবে ভারত সরকার। ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এখন থেকে টিকাকরণের জন্য রাজ্যগুলিকে আর অর্থ বায় করতে  হবেনা. আজ জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে  তিনি জানালেন , অনেক রাজ্যে টিকাকরণের সমস্যা হচ্ছে, সেই সমস্যা মেটাতে কেন্দ্র নাগরিকদের টিকাকরণের দায়িত্ব নিল। তবে নাগরিকরা চাইলে  বেসরকারি হাসপাতালে টিকা নিতেই  পারে। সেক্ষেত্রে বেসরকারি হাসপাতালে টিকার দামের ওপর আরও ১৫০ টাকা সার্ভিস চার্জ দিতে হবে. এই বিষয়টি রাজ্য সরকারকে দেখে নিতে হবে. যদিও নরেন্দ্র মোদি এদিন এও বললেন, এখনও পর্যন্ত ২৩ কোটি মানুষকে টিকা দেওয়া হয়েছে। গতবছর টিকা টাস্ক ফোর্স তৈরি করা হয়েছে । আরও দ্রুত টিকা সরবরাহ বাড়বে। অন্যদিকে নভেম্বর মাস পর্যন্ত বিনামূল্যে রেশন দেওয়ার কথা জানালেন। এছাড়া ভারত সফলভাবে টিকাকরণ চালাচ্ছে, এমনটাই জানালেন নরেন্দ্র মোদি।

আজ জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ প্রধানমন্ত্রীর

নয়াদিল্লি: সোমবার বিকেল ৫ টায় জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ অনেকটা স্তিমিত। প্রধানমন্ত্রী দফতর সূত্রের খবর, দেশের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে ও টিকাকরন নিয়েই মূলত আজ তিনি ভাষণ দেবেন। দেশে করোনার  দ্বিতীয় স্ট্রেনে কিছুটা পরিস্থিতি স্থিতিশীল। এছাড়া কমেছে মৃত্যু হার।  যদিও এই পরিস্থিতিতে ঠিক কি নিয়ে আজকে তাঁর ভাষণ,তা নিয়ে চলছে এখন থেকেই জল্পনা। করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়তেই তা কিছুটা হলেও এখন স্থিতিশীল। ফের তৃতীয় ঢেউয়ের আশঙ্কা। তার আগেই সাধারণ মানুষকে সচেতন করতেই সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রীর এই ভাষণ। গত ২৪ ঘন্টায় দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১ লাখ ৬৩৬ জন। মৃতের সংখ্যা ২৪২৭ জন। এর আগে করোনার  দ্বিতীয় পর্যায়ে নরেন্দ্র মোদি একাধিক ভাষণ দিয়েছেন। এছাড়া লকডাউন করার জারি সওয়াল করেছেন। এবার ঠিক কি বিষয় নিয়ে তিনি বলতে চলেছেন তা এখন দেখার অপেক্ষয়।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে খুনের হুমকি!

নয়াদিল্লিঃ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে খুনের হুমকি! গতকাল রাতে এক যুবক পুলিশকে ফোন করে বলে "আমি মোদীকে খুন করতে চাই"। এমনটাই  দিল্লি পুলিশ সূত্রে খবর।

কেন মোদীকে খুনের হুমকি ?

সলমন নামে এক যুবক, সদ্য জামিনে মুক্তি পায়। সে জেল থেকে বেরিয়েই পুলিশকে ফোন করে জানায়,  প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে খুন করবো, যদি না আমাকে ফের জেলে পাঠায়। কারণ আমি জেলেই থাকতে চাই। যদিও তারপরই তত্পরতার সঙ্গে দিল্লির খাজুরি খাস থানার পুলিশ ওই যুবককে গ্রেফতার করে।

গতবছরই নভেম্বর মাসে এক ব্যক্তি দিল্লি পুলিশকে ফোন করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে খুনের হুমকি দিয়েছিল! সেই সময়ও তত্পরতার সঙ্গে দিল্লি পুলিশ ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছিল। পুলিশের জেরায় সে জানিয়েছিল, মদ্যপ অবস্থায় ওই ফোনটি করেছিল সে। মোদীকে খুন করার মত কোনও পরিকল্পনা নেই তার।

অন্যদিকে গতবছর প্রধানমন্ত্রীর টুইটার হ্যান্ডেল হ্যাক হয়েছিল। তারপরের দিনই খুনের হুমকি এসেছিল! তবে সেই সময় ফোনে নয়,একটি ইমেল এসেছিল ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (NIA)-এর হাতে। ওই ইমেল পেয়ে দুশ্চিন্তা বেড়েছিল এনআইএ আধিকারিকদের। ‘কিল নরেন্দ্র মোদী’ লেখা ওই মেসেজের ফলে তখন বাড়ানো হয়েছিল নরেন্দ্র মোদীর নিরাপত্তা।  




CBSE পড়ুয়া ও অভিভাবকদর বৈঠকে হঠাৎ যোগ প্রধানমন্ত্রীর

চলতি বছরের CBSE  পরীক্ষা বাতিল করা হল ইতিমধ্যে কেন্দ্রের তরফে। বৃহস্পতিবার অর্থাৎ আজ কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর আয়োজিত CBSE  পড়ুয়াও অভিভাবকদের নিয়ে একটি বৈঠক করা হয়। তবে বৈঠকে হঠাৎই উপস্থিত ছিলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। করোনা অতিমারির জেরে দ্বাদশ শ্রেণীর পরীক্ষা বাতিল করা হল। তবে পড়ুয়া ও অভিভাবকদের নান নানা অভিযোগের কথা উঠল আজ। যদিও তাদের সেই কথা শুনলেন নরেন্দ্র মোদি। এদিকে বলা হয় যে গত একবছরের পারফরমেন্স দেখা হবে পড়ুয়াদের।

অন্যদিকে  বাড়ছে করোনা সংক্রমণের হার। তবে এবার তরুণ প্রজন্মদের দিকে বিপদের ঝুঁকি বেশি। দ্বাদশ শ্রেণীর পরীক্ষা বাতিল হওয়াতেই ১জুন প্রধামন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি একটি বৈঠক করে। বৈঠকে তিনি জানান পড়ুয়াদের স্বাস্থ্য ও সুরক্ষার কথা ভেবেই পরীক্ষা বাতিল করা হল.আর তারপর আজ আচমকাই বৈঠকে পড়ুয়া ও অভিভাবকদের সমস্ত কথা নরেন্দ্র মোদি নিজেই শুনলেন। 

প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে শুভেন্দু থাকলে যাবেন না মমতা

শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইয়াসে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকাগুলিতে যাবেন | হেলিকপ্টার যোগে তিনি প্রথমে যাবেন সন্দেশখালি/হিঙ্গলগঞ্জ | সেখানে বেশ কিছুক্ষন থাকার পর তিনি চলে যাবেন খড়্গপুরের কলাইকুণ্ডাতে, সেখানে প্রধানমন্ত্রীর আসার কথা | দুই প্রধান বৈঠক করবেন বলে স্থির আছে | মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানতে পারেন যে ওই বৈঠকে উপস্থিত থাকার কথা কেন্দ্রীয়মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান, রাজ্যপাল জগদীপ ধনকোর এবং বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারীর | এখানেই আপত্তি করেন মমতা, তাঁর দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে মন্ত্রী বা রাজ্যপাল থাকতেই পারেন সরকারি বৈঠকে কিন্তু শুভেন্দু কেন থাকবেন ? তিনি তো বিজেপির বিধায়ক মাত্র | শুভেন্দু থাকলে মমতা বৈঠকে থাকবেন না জানিয়ে দিয়েছেন | আরও জানা গিয়েছে প্রধানমন্ত্রী শুধু মাত্র উড়িষ্যার অবস্থান হেলিকপ্টার যোগে দেখবেন, বাংলার দুর্গত অঞ্চলে যাচ্ছেন না | এখানেই ক্ষোভ তৈরী হয়েছে রাজ্যের মানুষের | এর আগেও পশ্চিম ভারতের ঝড় ঝঞ্জার পর তিনি গুজরাট সফর করেন কিন্তু যান নি মহারাষ্ট্রে |

‘কথাই বলতে দেওয়া হল না’, বৈঠক শেষে অভিযোগ ক্ষুব্ধ মমতা

বৃহস্পতিবার দুপুরে বর্তমান করোনা পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ডাকা বৈঠক হয়ে গেল ১০ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের নিয়ে। কিন্তু বৈঠক শেষে স্পষ্টত ক্ষুব্ধ পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, ‘বৈঠকে তাঁদের কোনও কথাই বলতে দেওয়া হয়নি। কোনও সৌজন্যতা নেই। চরম অসম্মানিত বোধ করছি’। নারদ মামলায় রাজ্যের দুই মন্ত্রী সহ তিন বিধায়ক গ্রেফতার হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে এদিন প্রধানমন্ত্রীর ডাকা ভার্চুয়াল বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৈঠক শেষে তাঁর দাবি, বেশ কয়েকটি বিষয়ে প্রশ্ন করার জন্য তৈরি ছিলাম। বিশেষ করে অক্সিজেন ও টিকা সংক্রান্ত, কিন্তু তার সুযোগই দিলেন না প্রধানমন্ত্রী। কাউকে আর কথা বলতে দেওয়া হল না। সবার প্রতিবাদ করা উচিত। এরপরই ক্ষুব্ধ মমতার প্রশ্ন, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী বলছেন সব ঠিক হ্যায়। তাহলে শবদেহগুলি ভেসে আসছে কোথা থেকে? 


প্রধানমন্ত্রীকে তীব্র আক্রমণ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলার এই অবস্থার কথা জানানোর সুযোগই দিলেন না। রাজ্যে টিকা ঘাটতি চলেছে, অক্সিজেন আমাদের রাজ্য থেকে পাঠিয়ে দিচ্ছে। রেমডেসেভির নেই। কেন্দ্রকে কে জানাব সেই সুযোগই দেওয়া হল না’। মমতার দাবি, এক তরফা অসম্মান করে গেলেন প্রধানমন্ত্রী। দিল্লির শাহেনশা সেজে বসে আছেন। মুখ্যমন্ত্রীদের কাউকে বলতে দিলেন না। অথচ, জেলা ম্যাজিস্ট্রেটদের কেউ কেউ বলেছেন ভিন রাজ্য থেকে। তাঁদের সুযোগ দেওয়া হল। এরপরই ক্ষুব্ধ মমতার প্রশ্ন, হাতে প্রশ্ন নিয়ে পুতুলের মতো বসেছিলাম। মুখ্যমন্ত্রীদের যদি বলতেই দেবেন না তাহলে ডাকলেন কেন? সবশেষে বলেন, করোনা নিয়ে বৈঠকে উনি এত ক্যাজুয়াল হন কী করে। এই বৈঠক ছিল সবচেয়ে ক্যাজুয়াল ফ্লপ মিটিং।

করোনা যুদ্ধঃ বৈঠকে মোদি-মমতা

বৃহস্পতিবার মুখোমুখি মোদি-মমতা। নারদ মামলায় রাজ্যের দুই মন্ত্রী, এক বিধায়ক সহ চার নেতার গ্রেফতারির পর এই প্রথম প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে বৈঠক মূলত করোনা পরিস্থিতি নিয়ে পর্যালোচনা, তবে এই গ্রেফতারির পর বৈঠকের গুরুত্ব অনেকটাই বেশি বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। যদিও এই জরুরী বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন মহারাষ্ট্র, কেরল, হরিয়ানা, ছত্তিশগড়, উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান, ওডিশা, ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীরাও।


দেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ার পর থেকেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিয়ম করে তোপ দাগছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ ছিল, কেন্দ্রীয় সরকার বিশেষজ্ঞজের সতর্কতা থাকা সত্বেও আগাম কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। দেশে কোভিড মোকাবিলায় বেড, অক্সিজেন ও টিকার আকাল থাকলেও নিষ্কৃয় ছিল কেন্দ্র। ফলে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে নাজেহাল হতে হয়েছে সাধারণ মানুষকে। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তৃতীয়বার শপথ নেওয়ার পরও বেশ কয়েকবার চিঠি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীকে। মমতার দাবি ছিল সেই চিঠির জবাবও তিনি ঠিকঠাক পাননি।