ছুটির বাজারেও পেগাসাস

পেগাসাস ইস্যুতে কোনও বিরোধী রাজনৈতিক দলই সোচ্চার হওয়ার সুযোগ ছাড়ছে না । রবিবার ছুটির দিন, মোটামুটি রাজনৈতিক নেতারা ভয়ঙ্কর কিছু না হলে এলাকাতেই থাকেন । কিন্তু আজ ফের পেগাসাস ইস্যু নিয়ে কলকাতার রাজপথে নামলো প্রদেশ কংগ্রেস । তারা  অমিত শাহের কুশপুতুল নিয়ে পথে নামে । কংগ্রেস নেতাদের বক্তব্য, দেশের গণতন্ত্র অস্তাচলে । আমেরিকার ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারিতে যেমন নিক্সন পদত্যাগ করেছিল সেরকম ফোন আড়ি পাতার দায় নিয়ে পদত্যাগ করুন অমিত শাহ । তাৎপর্য্যপূর্ণ বিষয় তৃণমূল বা বাংলার রাজনীতি নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছে রাজ্য কংগ্রেস । এখন আরও কাছাকাছি হচ্ছে দুই কংগ্রেস বলেই সংবাদ ।

পেগাসাস বিতর্কে উত্তাল সংসদ

পেগাসাস বিতর্কে বৃহস্পতিবারও উত্তাল হয়েছিল সংসদ। অভিযোগ, রাজ্যসভায় এই নিয়ে বিবৃতি পাঠ করতে গিয়ে বাধাপ্রাপ্ত হন কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব।  এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরীর বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ আনলেন সাংসদ শান্তনু সেন। তাঁর অভিযোগ, অধিবেশন মুলতুবি হওয়ার পর নাকি তাঁকে ডেকে অপমান করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী। শুধু তাই নয়, শান্তনুর অভিযোগ, তাঁকে হুমকি পর্যন্ত দেওয়া হয়.

এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে এই বিষয়ে শান্তনু সেন দাবি করেন, তাঁ বিরুদ্ধে স্বাধিকার ভঙ্গের অভিযোগ উঠুক কি তাঁকে সাসপেন্ড করার দাবি করা হোক, তিনি তা নিয়ে চিন্তিত নন। এই বিষয়ে শান্তনু সেনের পাশে ছিলেন রাজ্যসভায় তৃণমূলের অপর দুই বর্ষীয়ান নেতা ডেরেক ও'ব্রায়েন এবং সুখেন্দুশেখর রায়। এই বিষয়ে ডেরেকের বক্তব্য, 'কেন্দ্রীয় সরকার যদি মামলা করে তবে দেখে নেব। কৃষি আইন পাশ হওয়ার পর আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল যে আমি রুলবুক ছিঁড়েছি। কিন্তু এর কোনও প্রমাণ বা ভিডিয়ো আছে? সরকার সূত্রের নাম করে এসব খবর আমদানি করে।' এদিকে সুখেন্দুশেখর এই বিষয়ে বলেন, 'পেগাসাস ইস্যুতে আমরা প্রশ্ন তোলায় তা নিয়ে সংসদে বিতর্ক শুরু হয়েছিল।