পাকিস্তান টি ২০ বিশ্বকাপ জিতবে জানালেন শোয়েব

পাকিস্তানের প্রাক্তন ক্রিকেটার শোয়েব আখতার কি জ্যোতিষী হয়ে গেলেন ? আসন্ন টি ২০ বিশ্বকাপ হতে চলেছে মধ্যপ্রাচ্যে । হওয়ার কথা ছিল ভারতে কিন্তু করোনা সংকটে পরে ভারত থেকে খেলা সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় দুবাই, শারজা ইত্যাদি স্থানে । মোট ১২ টি দল খেলবে তার মধ্যে প্রথম ৮ টি দল সরাসরি খেলবে যার মধ্যে ভারত, পাকিস্তান রয়েছে । 

পাকিস্তানের প্রাক্তন ফাস্ট বোলার শোয়েব আখতার খেলা শুরুর কয়েক মাস আগেই ফাইনালে করা খেলবে তা ঠিক করে ফেলেছেন । শুধু তাই নয়  তিনি জানিয়েছেন, ফাইনাল হবে ভারত পাকের মধ্যে এবং কোহলির দলকে হারিয়ে পাকিস্তান বিশ্বকাপ জিতবে । হঠাৎ তিনি কি জ্যোতিষ চর্চা শুরু করেছেন, প্রশ্ন নেট দুনিয়াতে । শোয়েবের অবশ্য একটি যুক্তি আছে । তিনি মনে করেন, দুবাই ইত্যাদি শহরের মাঠ এখন পাকিস্তানের হোম গ্রাউন্ড যেহেতু দীর্ঘদিন পাকিস্তানের মাঠে কোনও আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট হয় নি ফলে ওই মাঠগুলিতে পাক খেলোয়াড়রা খেলে অভস্থ্য তাই তাদের জয় অনিবার্য । কিন্তু ভারতকে হারিয়ে কেন ? এর অবশ্য উত্তর পাওয়া যায় নি । 


দিল্লিতে কৃষক আন্দোলনে পাকিস্তানের ছায়া!

নয়াদিল্লিঃ তিনটি কৃষি আইনের বিরোধিতায় দিল্লি সীমান্তে আন্দোলন কৃষকদের। কয়েক মাস ধরে অবস্থান আন্দোলনে তাঁরা। কৃষকদের সেই আন্দোলনকেই এবার টার্গেট করেছে আইএসআই।

ভারতীয় গোয়েন্দা রিপোর্ট অনুযায়ী, আন্দোলনকারীদের ছদ্মবেশে বড়সড় হামলার ষড়যন্ত্র কষছে পাক গুপ্তচর সংস্থা। সেজন্য আগে ভাগে দিল্লি পুলিস ও সেন্ট্রাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিকিউরিটি ফোর্সকে সতর্ক করেছে গোয়েন্দারা।

গোয়েন্দা রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, কৃষক আন্দোলনে ছদ্মবেশে ঢোকার চেষ্টা করছে আইএসআই-এর চররা। সেখানে নিরাপত্তায় মোতায়েন রক্ষীদের বিভিন্ন রকম ভাবে প্ররোচিত করার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। সেই প্ররোচনাকে ঘিরেই বড়সড় হামলার ছক কষছে পাক গুপ্তচর সংস্থা।

এদিকে, দিল্লির কৃষক আন্দোলনের সাত মাস পূর্তি এবং জরুরি অবস্থা জারির ৪৬তম বর্ষপূর্তি হিসেবে ২৬ তারিখ দিনটি বেছে নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন রাজ্যের রাজভবনের সামনে বিক্ষোভের কর্মসূচি নিয়েছে আন্দোলনকারীরা। 'কৃষি ও গণতন্ত্রকে রক্ষা করুন', এই আবেদন নিয়ে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের কাছে স্মারকলিপি দেবে সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা।

প্রসঙ্গত, কৃষক আন্দোলন ঘিরে যথেষ্ট অস্বস্তিতে রয়েছে কেন্দ্র। বারেবারে বৈঠক করেও মেলেনি সমাধান। কেন্দ্রের বক্তব্য কৃষক স্বার্থেই এই নতুন তিন আইন আনা হয়েছে। অন্যদিকে তিন নতুন কৃষি আইনের পুরোপুরি রদ চাইছেন কৃষকেরা।

পাকিস্তানে বিস্ফোরণ, মৃত ২, আহত ১৫

লাহোর: ভারতে মোস্ট ওয়ান্টেড জঙ্গি হাফিজ সইদ। পাকিস্তানে তার বাড়ির কাছে বিস্ফোরণে অন্তত ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের পরিচয় এখনও জানা যায়নি। আহত হয়েছে প্রায় ১৫ জন। আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

২০০৮ সালের মুম্বই হামলার মূল চক্রী এই হাফিজ সইদ। তার বাড়ি লাহোরের জোহর টাউন এলাকায়। বুধবার সকালে আচমকাই প্রবল বিস্ফোরণের কেঁপে ওঠে ওই এলাকা।  বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই ছিল যে, আশেপাশের বাড়িগুলির জানলার কাঁচ, এমনকী দেওয়ালও ভেঙে গিয়েছে। যেখানে বিস্ফোরণ হয়েছে, সেখানে চার ফুট গভীর গর্ত হয়ে গিয়েছে। তবে বিস্ফোরণের সময় হাফিজ সইদ বাড়িতে ছিল না বলে খবর।  

এই বিস্ফোরণ কারা ঘটালো এবং কেন এই হামলা চালানো হয়েছে, সে বিষয়ে এখনও কিছু জানা যায়নি। তবে যেখানে বিস্ফোরণ হয়েছে, সেখানে বেশ কিছু শোরুম, ব্যাঙ্ক ও হাসপাতাল রয়েছে। এই প্রথম নয়,এর আগেও জঙ্গি হাফিজ সইদ-র বাড়ির কাছে বিস্ফোরণ হয়েছিল।

পাক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, একটি বড় গাড়িতে করে বিস্ফোরণের জন্য বিস্ফোরক আনা হয়েছিল। ওই গাড়িতেই বিস্ফোরণ ঘটে। 

মহিলাদের সম্পর্কে বিতর্কিত মন্তব্য করে বিপাকে ইমরান খান!

ফের সংবাদের শিরোনামে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। মহিলাদের সম্পর্কে বিতর্কিত মন্তব্য করে বিপাকে তিনি! বিশ্বজুড়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

পাকিস্তানে বেড়ে চলা ধর্ষণ,নির্যাতন ও শ্লীলতাহানির জন্য মহিলাদেরকেই দায়ী করলেন ইমরান খান। মহিলারা স্বল্পবসন পরে ঘুরে বেড়ানোর জন্যই বাড়ছে ধর্ষণ।

Axio ON HBO-র একটি অনুষ্ঠানে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বলেছেন, “পুরুষরা যদি রোবট না হয়, তাহলে মহিলাদের স্বল্পবসনে তাঁদের উপরে প্রভাব পড়বেই। এটা খুবই সাধারণ বুদ্ধি।”

তার এই মন্তব্যের পরই বিশ্বজুড়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। পাশাপাশি পাকিস্তানের বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতারাও ইমরান খানের মন্তব্যের বিরোধিতা করেছেন।

ভ্যাকসিন না নিলে বন্ধ করে দেওয়া হবে মোবাইল

পাঞ্জাবঃ করোনাকালে টিকাদানে গতি আনতে চাইছে সরকার। কিছু মানুষ টিকা নেওয়ার ক্ষেত্রে অনীহা দেখাচ্ছে। তাদের জন্য এবার কড়া পদক্ষেপ নিল পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশ।


সূত্রের খবর, পাকিস্তানের অসংখ্য মানুষ টিকা নিতে আগ্রহী নন। তাদের বিশ্বাস টিকা নিলে বন্ধ্যাত্ব নেমে আসবে। কারও কারও মতে,টিকা নিলে দু’বছরের মধ্যে নিশ্চিত মৃত্যু। এসব মানুষকে টিকা নিতে বাধ্য করতে নতুন নিয়ম আনল সরকার। 


পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশ কর্তৃপক্ষ ঘোষণা করল, টিকা না নিলে ‘শাস্তি’ হিসেবে মোবাইল ফোনের সিম বন্ধ করে দেওয়া হবে।  এর আগে সিন্ধু প্রদেশ ঘোষণা করেছিল, সরকারি কর্মীরা টিকা নিতে অস্বীকার করলে জুলাই থেকে বন্ধ হবে বেতন।

বাজেট অধিবেশনে ইমরানের সঙ্গে গাধার তুলনা!

পাকিস্তানে সম্প্রতি বেড়েছে গাধার সংখ্যা। তাই এবার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী এই তথ্যকে হাতিয়ার করেই এবার পাক সংসদের বাজেট অধিবেশনে বিক্ষোভ দেখাল বিরোধীরা। ইমরানের পিটিআই সরকারের অর্থমন্ত্রী শউকত তারিনের বাজেট বক্তৃতা ছিল  ‘ডাঙ্কি রাজা কি সরকার নেহি চলেগি’ স্লোগানে। যার অর্থ ‘গাধা রাজার সরকার চলবে না’।

এভাবেই ব্যাঙ্গ করে ‘গাধা’ বলে বিরোধীরা কটাক্ষ করল পাক প্রধানমন্ত্রীকে। এমনিতেই পারিস্তানে অর্থনৈতিক অবস্থা শোচনীয়। এদিকে ইমরান সরকারের মাথায় একগুচ্ছ দেনার বোঝা। তাঁর মাঝেই আজ পাকিস্তানের বাজেটে ইমরানকে এই স্লোগান।

নিউটাউনে গ্যাংস্টারদের পাকিস্তান যোগ!

নিউটাউনঃ অপারেশন কলকাতা। রুদ্ধশ্বাস এনকাউন্টারে কলকাতা পুলিশের STF-এর হাতে নিহত পঞ্জাবের দুই গ্যাংস্টার। নিহতদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে অত্যাধুনিক অস্ত্র। যার গায়ে ‘মেড ইন পাকিস্তান’ লেখা। রুম থেকে মিলেছে পাকিস্তানের কাপড়ের দোকানের একটি প্যাকেট।

তদন্তকারীদের অনুমান, নিহত গ্যাংস্টারদের সঙ্গে পাকিস্তানের যোগ রয়েছে। তাদের পাকিস্তানে সরাসরি যাতায়াত ছিল কিনা ? কি ধরনের যোগাযোগ ছিল ? অস্ত্রপাচার নাকি মাদক? নাকি অন্য কোনও জঙ্গী যোগ? তা নিয়ে এখনও রয়েছে ধোঁয়াশা।
 
এদিকে, জয়পাল ভুল্লারের পাকযোগ ছিল বলেই জানিয়েছে পঞ্জাব পুলিশ ড্রাগ ব়্যাকেট চালানোয় পাকিস্তানের সঙ্গে তার লিঙ্ক ছিল। এমনকী পাকিস্তানে যাতায়াত করত তাঁর গ্যাংয়ের বাকি সদস্যরাও।  

বুধবার গোপন সূত্রে খবর পেয়ে কলকাতা পুলিশের এসটিএফের সদস্যরা সাপুরজি আবাসনে হানা দেয়। তখন সেখানে লুকিয়ে  থাকা দুষ্কৃতীরা এসটিএফকে লক্ষ্য করে গুলি চালাতে শুরু করে। তাতে আহত হন এসটিএফ অফিসার কার্তিক মোহন ঘোষ।

অপরদিকে গুলির লড়াইয়ে নিহত হয় ২ দুষ্কৃতী। নিহত দুস্কৃতীরা পাঞ্জাবের মোস্ট ওয়ান্টেড। একজনের নাম জয়পাল সিং ভুল্লার। অপর দুস্কৃতী যশপ্রীত। এরা পাঞ্জাবের ৫ পুলিশ কর্মীকে খুন করে নিউটাউনে এসে গা ঢাকা দিয়েছিল।

পাকিস্তানে এক্সপ্রেস ট্রেনের দুর্ঘটনা, মৃত্যু ৩৬ জনের

সোমবার পাকিস্তানে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা ঘটল। ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে অন্তত ৩৬ জনের। আজ সকালে সিন্ধ প্রদেশের ঘোটকি  জেলায় এই ঘটনাটি ঘটে।  যদিও উদ্ধারকাজ চলছে এখনও। মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা সেখানকার বাসিন্দাদের। পাকিস্তান রেল কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়, ঘোটকি জেলা দিয়ে যাওয়ার সময় এক্সপ্রেস ট্রেন লাইনচ্যুত হয়। এছাড়া ওই ট্রেনের বেশ কিছু কামরা পড়ে অন্য লাইনে গিয়ে। এর জেরে মৃত্যু হয় ৩৬ জনের। স্থানীয়রা এদিকে  উদ্ধারকাজ শুরু করে. আহতদেরকে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। এই ট্রেন দুর্ঘটনার জেরে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান টুইট করে জানান, অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করা হবে। এভাবে ট্রেন দুর্ঘটনায় পাকিস্তানের স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ায়।

পুঞ্চে ড্রোনের সাহায্যে অস্ত্র ও গোলাবারুদ ফেলেছে পাকিস্তান

ঈদের ২৪ ঘন্টার মধ্যেই ভারত-পাক আন্তর্জাতিক সীমান্তে অস্ত্র ও গোলাবারুদ ফেলার অভিযোগ উঠল পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। এরমধ্যেই দু’দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে ঈদের মিস্টি ও কুশল বিনিয়ম হয়। এরপরই পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ড্রোনের মাধ্যমে বিপুল পরিমান অস্ত্র ও গোলাবারুদ ফেলার অভিযোগ আনল ভারতীয় সেনা। ঘটনাটি জম্মু ও কাশ্মীরের পুঞ্চ সেক্টরে। জম্মু সীমান্তের বিএসএফের ডিআইজি এসপিএস সন্ধু ‌এই প্রসঙ্গে বলেন, ‘‌শুক্রবার ভোরে সাম্বা সেক্টরের আন্তর্জাতিক সীমান্তের রিগ্যাল পোস্টের কাছে অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করেছে বিএসএফ জওয়ানেরা’। তিনি আরও জানান, ভারতের সীমানার ২৫০ মিটার ভিতরে এই অস্ত্রগুলো চোরাচালান করা হয়েছে। সেগুলি পলিথিনের প্যাকেটে মোড়া ছিল, সম্ভবত লিঙ্কম্যানদের সাহায্যে সেগুলি জঙ্গিদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হত।


বিএসএফের ডিআইজি জানিয়েছেন, একেকটি প্যাকেটে একটি একে-৪৭ রাইফেল, ৯টি নাইন এমএম পিস্তল, একটি ৯ এমএম ম্যাগাজিন এবং ১৫টি পিস্তলের খোল উদ্ধার হয়েছে। সেই সঙ্গে পাওয়া গিয়েছে ড্রোনের ধারণ ক্ষমতা অনুযায়ী একটি কাঠের ফ্রেম। ফলে ধরে নেওয়া হচ্ছে ড্রোনের সাহায্যে অস্ত্র ও গোলাবারুদগুলি ভারতীয় সীমানায় ফেলা হয়েছে। এই ঘটনার পরই আন্তর্জাতিক সীমান্ত চুক্তি লঙ্ঘনের প্রতিবাদে তৎক্ষণাৎ পাক বাহিনীকে নোট জমা দেওয়া হয়। কিন্তু তারা সব সময়ই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। তবে সীমান্তরক্ষী বাহিনী এবং সেনাবাহিনীর মতে এটা বড়সড় সাফল্য।

পাকিস্তানে PAS পরীক্ষায় উর্ত্তীর্ণ প্রথম হিন্দু মহিলা

পেশায় চিকিৎসক সানা রামচাঁদ থাকেন পাকিস্তানের সিন্ধ প্রদেশের শিকারপুর এলাকায়। তিনিই পাকিস্তানের পাকিস্তান অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিসেস বা Pakistan Administrative Services (PAS) পরীক্ষায় উর্ত্তীর্ণ হয়েছেন। জানা যাচ্ছে মোট ১৮,৫৫৩ জন চলতি বছরে PAS পরীক্ষায় বসেছিলেন। এরমধ্যে লিখিত পরীক্ষায় উর্ত্তীর্ণ হয়েছে মাত্র ২২১ জন পরীক্ষার্থী। সফলদের তালিকায় নাম ছিল সানা রামচাঁদের। পরবর্তী মাইকোলজিক্যাল ও মৌখিক পরীক্ষার পর মেডিকেল পরীক্ষাতেও নির্বাচিত হন সানা। ফলে পাকিস্তানে ইতিহাস তৈরি করলেন প্রথম হিন্দু মহিলা হিসেবে পাকিস্তান অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিসেস পরীক্ষায় নির্বাচিত হয়ে। উর্ত্তীর্ণদের ২২১ জনের মধ্যে মহিলার সংখ্যা ৭৯ জন, যারমধ্যে একমাত্র হিন্দু হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন সানা। বিবিসি উর্দু জানিয়েছে, সানা রামচাঁদ পাকিস্তানের প্রথম হিন্দু মহিলা যিনি PAS পরীক্ষায় উর্ত্তীর্ণ হয়ে উচ্চ পদে আসীন হতে চলেছেন।


সানা নিজেও সোশাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করে জানিয়েছেন, ‘ওয়াহেগুরু জি কা খালসা ওয়াহেগুরু জী কি ফাতেহ... অত্যন্ত আন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি, আল্লাহ তায়ালার কৃপায় সিএসএস ২০২০ পরীক্ষা পাশ করেছি এবং পাকিস্তান অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিসেস-এর জন্য নির্বাচিত হয়েছে। এর সমস্ত কৃতিত্ব আমার পিতামাতার’। প্রসঙ্গত ভারতের আইএএস (IAS) পরীক্ষার মতোই পাকিস্তানে অত্যন্ত এলিট পরীক্ষার মধ্যে পড়ে PAS পরীক্ষা। এই পরীক্ষায় পাস করলে পরীক্ষার্থীরা পুলিশের উচ্চপদে, জেলা শাসকের পদে বা পাকিস্তান বিদেশমন্ত্রকের নানা গুরুত্বপূর্ণ পদে যোগ দিতে পারেন। সানা রামচাঁদের বাড়ি সিন্ধ প্রদেশের শিকারপুরে। এই এলাকায় হিন্দুদের আধিক্য বেশি। ফলে সানার সাফল্যে খুশি শিকারপুরের বাসিন্দারা। সানা ইতিমধ্যেই এমবিবিএস (MBBS) পাস করে করাচির একটি সরকারি হাসপাতালে RMO হিসেবে কর্মরত। এবার PAS পরীক্ষায় উর্ত্তীর্ণ হয়ে সহকারি কমিশনার হিসেবে কাজে যোগ দিতে চলেছেন।