৭০ বছরে সন্তানের মা!

এ যেন শবরীর প্রতীক্ষা। দু-পাঁচ বছর নয়, টানা ৪৫ বছর। অবশেষে এল সেই সুখের ক্ষণ।

সালটা ২০১৬। উত্তর হরিয়ানায় বছর ৭০ এর এক মহিলা জন্ম দিয়েছিলেন সন্তানের। সেই দিনটিই যেন ফিরে এল গুজরাটে।

পশ্চিম গুজরাটের বাসিন্দা জিভুনবেন রাবারি। বয়স নয় নয় করে ৭০ তো হবেই। বিবাহিত জীবনও দেখতে দেখতে পার হয়েছে ৪৫ বছর। কিন্তু সন্তানসুখ যে কী এক অনাবিল আনন্দ বয়ে আনে, সেই অনুভূতি তাঁর কাছে অধরাই হয়ে ছিল।

মুশকিল আসান হল অদম্য জেদ আর নবজাতকের মুখ দেখার আকূল ইচ্ছা।ডাক্তারদের আশঙ্কা, উত্কন্ঠাকে দূরে ঠেলে মা হলেন জিভুনবেন।ঘর আলো করে এল চাঁদের কণা।যাত্রাপথটা অবশ্য সহজ ছিল না।এতখানি বয়েস। তাই ঝুঁকি ছিল পদে পদে। কিন্তু নাছোড় দম্পতি।

অগত্যা পথ বলতে আইভিএফ। ইন ভির্টো ফার্টিলাইজেশন। মায়ের ধুকপুকানি একদিন শোনা গেল গর্ভের সন্তানের কাছ থেকে।আনন্দে চকচক করে উঠল দম্পতির চোখমুখ।এ যেন যুদ্ধজয়ের আনন্দ।হ্যাঁ, তিনি পেরেছেন। ৭০ বছর বয়সে যখন নাতি-নাতনির ভালোবাসায় ডুবে থাকার কথা, তখন তিনি হলেন মা।

চিকিত্সকরা বলছেন, এ মিরাকল ছাড়া আর কী! যে ডাক্তার এই কাজটি করেছেন, তিনি নয় নয় করে হাজারের ওপর আইভিএফ করেছেন। তাঁর কাছেও কাজটা ছিল রীতিমতো টাফ। কারণ, পদ্ধতিতে যাওয়ার আগে ছোটখাট অপারেশনও করতে হয়েছিল।

সবচেয়ে বড় কথা, আইভিএফ পদ্ধতি শুরু হওয়ার পর থেকে কখনও কোথাও এতটুকু জটিলতা তৈরি হয়নি। বয়সজনিত বিপদের আশঙ্কা তো ছিলই। তাই শুরুতেই ডাক্তার বারবার বারণ করেছিলেন, সতর্ক করেছিলেন, এ পথ ঝুঁকির পথ। কিন্তু দমানো যায়নি। এক সময় দম্পতি ডাক্তারের সামনে কেঁদেও ফেলেছিলেন। 

যাই হোক, শেষমেশ প্রতিটি দুশ্চিন্তার ধাপই সসম্মানে উতরে গেছেন তিনি।এখন তাঁদের চেয়ে সুখী আর কে??


অমানবিক ঘটনা! বৃষ্টির মধ্যে জীবিত মাকে প্লাস্টিক মুড়ে রাস্তায় ফেলে গেল মেয়ে

এবার  অমানবিক ঘটনা ঘটল কলকাতায়।বৃষ্টির মধ্যে বৃদ্ধা মাকে প্লাস্টিকে মুড়ে রাস্তায় ফেলে যাওয়ার পর তাঁর মৃত্যু হল। বরানগরের সিঁথি থানা এলাকার এই ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে। মেয়ের অমানবিকতা এহেন নজির দেখে ক্ষুব্ধ প্রতিবেশীরা। তাকে গ্রেপ্তারের দাবি উঠেছে। এই ঘটনায় বৃদ্ধার ছেলেরাও জড়িত বলে অভিযোগ।বুধবার বেলা সামান্য বাড়তেই ফের আকাশ ভেঙে বৃষ্টি শুরু হয় কলকাতা ও তার চারপাশের এলাকায়।

এদিকে টানা কয়েকঘণ্টার বৃষ্টিতে জলমগ্ন হয়ে পড়ে বিটি রোডের বিস্তীর্ণ অংশ। আর এমনই দুর্যোগে মায়ের সঙ্গে চরম অমানবিক আচরণ করতে দেখা যায় মেয়েকে। সিঁথির পেয়ারাবাগান এলাকার বাসিন্দা বছর আশির ঠাকুরদাসী সাহাকে প্লাস্টিকে মুড়ে রাস্তায় ফেলে রেখে যায় বলে অভিযোগ করা হয়. এদিকে বৃষ্টির জেরে রাস্তা জলমগ্ন। বৃষ্টি কমতেই ওই বৃদ্ধাকে পরে থাকতে দেখা গেল. অনেকেই মৃত ভেবে এড়িয়ে চলে যান. কিছুক্ষণ পর সিঁথি থানার পুলিশ খবর পায়, এলাকার নির্জন জায়গায় পড়ে রয়েছেন এক বৃদ্ধা । পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখেন, বৃদ্ধা জীবিতই। তাঁকে সঙ্গে সঙ্গে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভরতি করা হয়. এরপর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পরে ।