করোনা আপডেট : ফের স্বস্তি দৈনিক সংক্রমণে

 করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হলেও তবে অনেকটাই এখন কম। কিন্তু চিন্তা বাড়াচ্ছে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ. এদিকে করোনার নয়া প্রজাতি ডেল্টা যেভাবে ভয়ঙ্কর হচ্ছে,তাতে কিছুটা চিন্তা বাড়ছে। প্রতিনিয়ত দেশে সংক্রমণ ওঠা-নাম তো চলছেই। শুক্রবার স্বাস্থ্যমন্ত্রকের বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘন্টায় দেশে নতুন করে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৩৫,৩৪২ জন. যদিও বৃহস্পতিবার এর সংখ্যাটা ছিল ৪১ হাজারের বেশি।

একদিনে মৃত্যু হয়েছে ৪৮৩ জনের। আর গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার কবলমুক্ত হয়েছেন ৩৮ হাজার ৭৪০ জন। এদিকে যেহারে মৃত্যু সংখ্যা বাড়ছিল,তাতে কিন্তু আজ অনেকটাই নিম্নমুখী। তবে তৃতীয় ভাইরাস ইতিমধ্যে দেশে প্রবেশ করতে শুরু করেছে। মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে। এদিকে শিশুদের নিয়ে ক্রমশ চিন্তার কারণ রয়েছে। দেশজুড়ে শুরু হয়েছে ভ্যাকসিন ইতিমধ্যেই। এখন তৃতীয় ঢেউ কতটা প্রভাব ফেলবে দেশে সেটাই দেখার।


ফের স্বস্তি মিলল দৈনিক সংক্রমণে

করোনা পরিসংখ্যানে বড়সড় স্বস্তি। একদিনে দেশে দৈনিক আক্রান্ত এবং মৃতের সংখ্যা, দুটোই অনেকটা কমল। একদিকে যেমন দীর্ঘদিন বাদে দৈনিক আক্রান্ত নামল ৩০ হাজারে। যা কিনা গত ১২৫ দিনের মধ্যে সর্বনিম্ন। অন্যদিকে তেমনই মৃতের সংখ্যা নেমে এল চারশোরও নিচে। যা কিনা কয়েক মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। তবে, গত কয়েকদিন ধরেই করোনার পরিসংখ্যান ওঠানামা করছে।

মঙ্গলবার সকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৩০ হাজার ৯৩ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। যা আগের দিনের থেকে প্রায় আট হাজার কম। ফলে দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ কোটি ১১ লাখ ৭৪ হাজার ৩২২ জন।গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ৩৭৪ জনের। এদিকে কয়েকদিন ধরেই সংক্রমণের ওঠানামা চলছে। তবে দ্বিতীয় ঢেউয়ে সংক্রমণ কিছুটা কমলেও সামনেই তৃতীয় ঢেউ আসার প্রবল সম্ভাবনা। ইতিমধ্যেই দেশের অধিকাংশ জায়গাতে তার প্রভাব পড়ছে।

ফের বাড়ল দৈনিক সংক্রমণ

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে সংক্রমণ কমলে ও ফের তৃতীয় ঢেউ আসতে চলেছে।আগামী মাসেই তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ার আশঙ্কায় ত্রস্ত গোটা দেশ। সংক্রমণ রুখতে কড়া প্রশাসনও। বাতিল করা হচ্ছে একের পর এক ধর্মীয় সমাগম। পর্যটকদের ঘুরতে যাওয়ার উপরও জারি হচ্ছে নানা বিধিনিষেধ। আর এসবের মধ্যেই ওঠানামা করছে করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যু। শনিবার দৈনিক সংক্রমণ কমলেও রবিবারের রিপোর্ট বলছে, ফের ৪০ হাজারের গণ্ডি ছাড়াল দৈনিক সংক্রমণ।

তবে খানিকটা কম মৃত্যু।রবিবার স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৪১ হাজার ১৫৭ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। যা গতকালের তুলনায় ৭.৪ শতাংশ বেশি। একদিনে এই মারণ ভাইরাসে প্রাণ হারিয়েছেন ৫১৮ জন। দেশে এখনও পর্যন্ত করোনার বলি ৪ লাখ  ১৩ হাজার ৬০৯ জন।  ইতিমধ্যে তৃতীয় ঢেউ আসতে  কেন্দ্রের সরকার প্রস্তুতি নিচ্ছে।এদিকে রাজ্যেও অনেকটা বেশি করোনাবিধিনিষিধের ওপর বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছে।


দেশে ফের কমল দৈনিক সংক্রমণ

করোনার দ্বিতীয় ঢেউযে সংক্রমণ খানিকটা কমলেও,তবে তৃতীয় ঢেউ আসার সম্ভাবনা প্রবল। কিন্তু তার আগেই দেশে করোনা প্রায় ওঠানামা করছে। শুক্রবার ফের খানিকটা নামল দেশের দৈনিক করোনা সংক্রমণ, ও মৃত্যু। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাসে নতুন করে আক্রান্ত ৩৮ হাজার ৯৪৯। বৃহস্পতিবার এই সংখ্যা ছিল ৪১ হাজারের বেশি। তুলনায় বেশ খানিকটা কমল শুক্রবার।

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের করোনার বলি ৫৪২ জন। যা বৃহস্পতিবারের চেয়ে অনেকটা কম। একদিনের মারণ ভাইরাসের কবলমুক্ত হয়েছেন ৪০ হাজারেরও বেশি রোগী। কমেছে অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা। দেশে মোট করোনা রোগীর সংখ্যা ৩ কোটি ১০ লাখ ২৬ হাজার ৮২৯। আর সুস্থ হয়েছেন ৩ কোটি ১ লাখ  ৮৩ হাজার ৮৭৬ জন. ধীরে ধীরে কমছে সংক্রমণ।তবে এই সংক্রমণের ওঠানামার জেরে খানিকটা চিন্তএর বিষয় হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

ফের দৈনিক সংক্রমণ ৪০ হাজারের নীচে, কমল মৃত্যু

ফের দেশে খানিকটা স্বস্তি মিলল করোনায়। সোমবার স্বাস্থ্যমন্ত্রকের বুলেটিন অনুযায়ী,দেশে দৈনিক সংক্রমণ নামল ৪০ হাজারের নিচে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে করোনায়  আক্রান্ত হয়েছেন ৩৭ হাজার ১৫৪ জন। রবিবারও এই সংখ্যা ছিল ৪১ হাজারের বেশি। একদিনে মৃত্যু হয়েছে ৭২৪ জনের। কমেছে অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যাও। এই মুহূর্তে দেশে অ্যাকটিভ করোনা রোগী ৪ লাখ ৫০ হাজার ৮৯৯ জন।

এদিকে দ্বিতীয় সংক্রমণ খানিকটা কমলেও, নয়া স্ট্রেনগুলি চোখ রাঙাচ্ছে প্রতিনিয়ত। তৃতীয় ঢেউ আসতে বেশি দেরি নয়.তবে এই প্রজাতিগুলি ইতিমধেও বেশকয়েকটি দেশে হানা দিয়েছে। তবে এখন ভাইরাস রোধ করতে একটায় উপায় যা হল,টিকাকরণ। ইতিমধ্যে দেশগুলিতে চলছে প্রতিনিয়ত টিকাকরন।


দেশে ফের কমল দৈনিক সংক্রমণ

দেশে দৈনিক সংক্রমণ অনেকটাই কম। সেই সঙ্গে করোনাজয়ীর সংখ্যাও প্রায় ৩ কোটি ছুঁইছুঁই। অনেকটা কমেছে মৃতের সংখ্যাও। রবিবার সকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রকের বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৪১ হাজার ৫০৬ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। ফলে দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ কোটি ৮ লাখ  ৩৫ হাজারের কাছাকাছি মানুষ। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আপাতত মৃতের সংখ্যা ৪ লাখ ৮ হাজার ৪০ জন।

এদিকে গত ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু হয়েছে ৮৯৫ জনের। তবে এরমধ্যেই চিন্তা বাড়াচ্ছে করলে। সেখানে সংক্রমণ দিন দিন বেড়ে চলেছে। গত ২৪ ঘন্টাতেও কেরলে সংক্রমিত হয়েছেন ১৪ হাজারের বেশি মানুষ। সামনেই আস্তে চলেছে তৃতীয় ওয়েভ। এখন দেখার কতটা প্রভাব ফেলে।


দেশে কমল দৈনিক সংক্রমণ,চিন্তা বাড়াচ্ছে মৃত্যু

দেশে ফের কমল দৈনিক সংক্রমণ। তবে চিন্তা বাড়াচ্ছে কিছুটা মৃত্যুর সংখ্যা। শুক্রবার স্বাস্থ্যমন্ত্রকের বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা ৪৩ হাজার ৩৯৩ জন। মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩ কোটি ৭ লাখ ৫২ হাজার ৯৫০। তবে একদিনে মৃত্যু হয়েছে দেশে ৯১১ জন। এই সংখ্যা বৃহস্পতিবারের তুলনায় প্রায় ১০০ বেশি।

ফের বাড়ল দৈনিক সংক্রমণ

দেশে ফের বাড়ল দৈনিক সংক্রমণ। গত ২৪ ঘন্টায় দেশের করোনা সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী হলেও স্বস্তি দিয়ে বাড়ছে সুস্থতার হারও। একদিকে যেখানে আগস্টেই তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ার আশঙ্কার কথা শোনাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা, সেখানে টিকাকরণে জোর দিয়ে সংক্রমণ ঠেকানোর প্রয়াস চলছে সর্বত্র। বুধবার স্বাস্থ্যমন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী গত ২৪ ঘন্টায় দেশে ৪৩ হাজার ৭৭৩ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

তবে দিল্লি, মহারাষ্ট্র, উত্তরপ্রদেশ, কর্ণাটক, বাংলা-সহ বেশিরভাগ রাজ্যে আগের তুলনায় অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে সংক্রমণ। দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হল ৩ কোটি ৬ লাখ ৬৩ হাজার ৬৬৫। এদিকে একদিনে মারণ ভাইরাসে প্রাণ হারিয়েছেন ৯৩০ জন । দ্বিতীয় ঢেউয়ে আংশিক সংক্রমণ কমলেও তৃতীয় ঢেউয়ে কতটা প্রভাব ফেলে সেটাই দেখার।



দেশে ফের কমল দৈনিক সংক্রমণ

করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের জের কমেছে অনেকটাই। তবে এবার প্রবল আশঙ্কা তৃতীয় ঢেউয়ের। সম্প্রতি জানা যাচ্ছে আগস্টে এই তৃতীয় ঢেউ দেশে আছড়ে পরবে। এদিকে মঙ্গোল স্বাস্থ্যমন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘন্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৩৪ হাজার ৭০৩ জন। ১১১ দিনে দৈনিক সংক্রমণ অনেকটা কমেছে। কমেছে অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যাও। আর সুস্থতার হার ঊর্ধ্বমুখী, এই মুহূর্তে তা ৯৭.১৭ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনার বলি ৫৫৩ জন, এই হারও অনেকটা কম। যদিও গত সপ্তাহে দেশে দৈনিক সংক্রমণ ছিল ৫০ হাজারের নিচে। এরপর সেটা ৪০ হাজারের নীচে নেমেছে। এই মুহূর্তে দেশে অ্যাকটিভ করোনা রোগীর সংখ্যা ৪ লাখ  ৬৪ হাজার ৩৫৭। এই মুহূর্তে দেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে সংক্রমণ অনেকটাই কম.তবে তৃতীয় ঢেউ আস্তে এর সংক্রমণ কতটা দাঁড়াবে  সেটাই দেখার।



সাতদিনে ৫০ হাজারের নীচে কমল দৈনিক সংক্রমণ

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের সংক্রনের জের অনেকটাই কম। যদিও সামনেই করোনার তৃতীয় ঢেউ ও নতুন প্রজাতি ডেল্টা আসার একটা চিন্তা থেকেই যাচ্ছে।তবে তার মধ্যেই স্বস্তির খবর। টানা সাতদিনে কিন্তু অনেকটা কমল দেশে সংক্রমণ। একটা সময় যেটা ৪ লাখের গন্ডি পেরিয়েছে, সেখানে  কমে এসে দাঁড়াল ৪৫ হাজারের নীচে। গতকালের তুলনায় কিন্তু আজ কম দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা।

রবিবার স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী , গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৪৩ হাজার ৭১ জন করোনয় আক্রান্ত হয়েছেন। যা গতকালের চেয়ে ২ শতাংশ কম। দিল্লি, মহারাষ্ট্র, উত্তরপ্রদেশ, কর্ণাটক, বাংলা-সহ বেশিরভাগ রাজ্যে আগের তুলনায় অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে সংক্রমণ। তবে গতকালের থেকে ২৪ ঘণ্টায় বাড়ল মৃত্যু। একদিনে এই মারণ ভাইরাসে প্রাণ হারিয়েছেন ৯৫৫ জন। তবে তৃতীয় ঢেউ এখন কতটা প্রভাব ফেলে  সেটাই দেখার।

করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে এবার ১৫ লাখ

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে সংক্রমণ কিছুটা কম। ফের কিছুটা উর্ধমুখী হল রাজ্যের করোনা গ্রাফ। গত ২৪ ঘন্টায় সামান্য হলেও বেড়েছে সংক্রমণ। এদিকে নতুন করে একান্তের সংখা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১,৫০১ জন. তবে কিছুটা নিম্নমুখী মৃত্যু।একদিনএ করোনায় মৃত্যু হয়েছে ২৭ জনের। স্বাস্থ্যদফতরের বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে সংক্রমিতদের মধ্যে ১৪১ জন পশ্চিম মেদিনীপুরের।

উত্তর ২৪ পরগনা দৈনিক সংক্রমণের নিরিখে প্রথম স্থানে রয়েছে। কলকাতা রয়েছে চতুর্থ স্থানে। সেখানে একদিনে সংক্রমিত ১৩৬ জন।  এখনও পর্যন্ত রাজ্যে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১৫,১,২৮৪জন।  এদিকে সুস্থতার ঊর্দ্ধমুখী। তবে করোনার তৃতীয় ঢেউ আসতে চলেছে। সেটা একটা চিন্তার বিষয়। তবে রাজ্যে এর কতটা প্রভাব পরবে এখন সেটাই দেখার।


রাজ্যে কমল দৈনিক সংক্রমণ, বাড়ছে মৃত্যু

রাজ্যে সংক্রমণ কমলেও রাজ্যে বাড়ছে মৃত্যু। আগের দিনের তুলনায় সামান্য হলেও মৃতের সংখ্যা বেড়েছে গত ২৪ ঘন্টায়। স্বাস্থ্যদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন ১,৫৯৫ জন রাজ্যবাসী। অর্থাৎ সংক্রমণ আগের দিনের তুলনায় খানিকটা কম। তাঁদের মধ্যে ১৭৬ জন উত্তর ২৪ পরগনার । অর্থাৎ দৈনিক সংক্রমণের নিরিখে এদিনও প্রথম স্থানে ওই জেলা। পরপর দু’দিন ওই জেলার দৈনিক সংক্রমণ দুশোর কম। দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে পশ্চিম মেদিনীপুর।

একদিনে সংক্রমিত সেখানকার ১৬৭ জন। তৃতীয় স্থানে দার্জিলিং। একদিনে সেখানে আক্রান্ত হয়েছেন ১৫৯ জন। কলকাতা চতুর্থ স্থানে। সেখানে একদিনে সংক্রমিত ১৩১ জন। দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের করোনা গ্রাফও নিম্নমুখী। তবে দার্জিলিংয়ে বাড়ছে সংক্রমণ। যা স্বাভাবিকভাবেই চিন্তা বাড়াচ্ছে। এখনও পর্যন্ত রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১৪,৯৮,৩০৫ জন। ইতিমধ্যে সমস্ত জায়গায় শুরু হয়েছে টিকাকরণ। তবে ধীরে ধীরে কমেছে সংক্রমণ। এদিকে তৃতীয় ঢেউ আসার সম্ভাবনা। এখন দেখার কতটা প্রভাব পরবে।

রাজ্যে কমল দৈনিক সংক্রমণ, সুস্থতার হার ৯৭ শতাংশ

রাজ্যে ধীরে ধীরে কমছে সংক্রমণ। বাংলা অনেকটাই সুস্থতার পথে. তবে সামনে বেড়েছে মৃত্যু। এদিকে বেড়েছে সুস্থতার হার। সোমবার স্বাস্থ্যদফতরের বুলেটিন অনুযায়ী, গর্ত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন ১,৭৬১ জন. তাঁদের মধ্যে ১৮৬ জন উত্তর ২৪ পরগনার। দৈনিক সংক্রমণের নিরিখে এদিন প্রথম স্থানে জেলা। দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে কলকাতা। একদিনে সংক্রমিত ১৬৩ জন। তৃতীয় স্টেষনে দার্জিলিংও পশ্চিম মেদিনীপুর।

একদিনে দার্জিলিঙে আক্রান্ত হয়েছেন, ১৬৩ জন. একাহার পূর্ব মেদিনীপুরে একদিনে সংক্রমিত ১১৫ জন। তবে দার্জিলিঙে কিছুটা বাড়ছে সংক্রমণ। এখনও পর্যন্ত রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১৪,৯৬,৭১০ জন.গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থতার হার ৯৭. ৩৮ শতাংশ। একদিনে করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৩২ জনের। এদিকে রাজ্যে বিধিনিষেধ মেনে খোলা হচ্ছে সমস্ত কিছু।তবে গণ পরিবহনের ক্ষেত্রে আগামী জুলাই মাস থেকে ৫ও শতাংশ সরকারি ও বেসরকারি বাস কাযকলানো হবে। কিছু বন্ধ থাকবে ট্রেন ও মেট্রো পরিষেবা। স্বাভাবিক পরিস্থিতি হওয়ার  অপেক্ষায় এবার গোটা রাজ্যবাসী।

ফের রাজ্যে কমল দৈনিক সংক্রমণ

রাজ্যে কমল ফের দৈনিক সংক্রমণ। ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছে বাংলা। এদিকে কিছুটা কম মৃত্যু। গত ২৪ ঘন্টায় স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন অনুযায়ী , নতুন করে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১৮৯৪ জনমৃ। ত্যু হয়েছে ৩২ জনের। একদিনে করোনায় সুস্থ হয়েছেন, ১৯৯৪ জন। রাজ্যে সুস্থতার হার ৯৭.৩৪ শতাংশ। করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ে প্রতিনিয়ত বাড়তে থাকে এই মারণ ভাইরাস।

তবে লকডাউন থাকায় কিন্তু খানিকটা কমেছে সংক্রমণ। তবে তার মধ্যেও উত্তর ২৪ পরগনা জেলার ছবিটা অন্যরকম। তারপরে রয়েছে কলকাতা ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা। তবে করোনার নতুন প্রজাতি 'ডেল্টা' আতঙ্ক তৈরী করছে। এখন দেখার রাজ্যে কতটা এই স্ট্রেনের প্রভাব পরে।

দেশে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা,গত ২৪ ঘন্টায় সংক্রমিত বেড়ে সাড়ে তিন লাখ

দেশে দ্বিতীবার করোনার স্ট্রেন বেড়েই চলেছে। এদিকে প্রতিদিন বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। গত ৫ দিন ধরে দেশের দৈনিক করোনা সংক্রমণ সাড়ে ৩ লাখের কাছাকাছি। গত  ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন ৩ লক্ষ ৪৩ হাজার ১৪৪ জন। এদিকে টানা তিনদিন দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা ও বেড়েছে। ৮ হাজার ছুঁয়েছে দৈনিক মৃত্যু।যদিও বৃহস্পতিবারের তুলনায় দৈনিক আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা কিছুটা কম।  দেশে শুরু হয়ে গেছে টিকাকরণ। যদিও কোভ্যাক্সিন, কোভিশিল্ডের পাশাপাশি আগামী সপ্তাহ থেকে দেশের বাজারে  মিলবে  করোনা  টিকা  স্পুটনিক ভি। তা দিয়েও টিকাকরণের কাজ শুরু হবে। তবে দেশের একাদিক জায়গায় মিলছেনা টিকা। উৎপাদনের হার বাড়ছেনা। টিকার যোগান তুলনামূলক কম। এদিকে অক্সিজেন সরবরাহের ক্ষেত্রেও নজর দেওয়া হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে বাড়ছে লকডাউনের সময়সীমা। তবে এই দ্বিতীয় করোনার স্ট্রেন সামলাতে তৎপর ভারত।