Nabanna: সপ্তমীতে নবান্নের মোবাইল টাওয়ারে আগুন, ঘটনায় ব্যাপক আতঙ্ক

উৎসবের দিনেই নবান্নের চোদ্দোতলায় মোবাইল টাওয়ারে আগুন লাগল। মঙ্গলবার বেলা ১২টা নাগাদ চোদ্দোতলার একটি মোবাইল টাওয়ার থেকে ধোঁয়া বেরোতে দেখা যায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের দু’টি ইঞ্জিন। কিছুক্ষণের প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন দমকলকর্মীরা। এই ঘটনায় বিশেষ ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বলে দমকল সূত্রে খবর। প্রসঙ্গত, নবান্নের চোদ্দোতলায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিস। মঙ্গলবার সেই তলায় আগুন লাগার খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে সেখানে পৌঁছন পুলিশকর্মীরাও।

দমকল সূত্রে খবর, চোদ্দোতলায় একটি মোবাইল টাওয়ারের প্যানেল বক্সে আগুন লেগে এই বিপত্তি ঘটে। কী কারণে তাতে আগুন লাগল, তা খতিয়ে দেখছে দমকল। প্যানেল বক্সে শর্ট সার্কিট হয়েছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সেই সঙ্গে অন্য কোনও যান্ত্রিক ত্রুটি জেরেই আগুন লেগেছে কি না, তা-ও তদন্ত করে দেখা হবে বলেও জানিয়েছে দমকল।সাধারণত নবান্নের ১৩ তলার কার্যালয় বসেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ।

তবে পুজোর ছুটিতে গোটা নবান্নই বন্ধ। তাই বড়সড় বিপদ থেকে রক্ষা মিলেছে।  নইলে আরও বড় ক্ষতির আশঙ্কা ছিল। নবান্নের মতো হাই সিকিউরিটি জোনে কীভাবে আগুন লাগল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠে গিয়েছে। পূর্ত দপ্তরকে ফায়ার অডিটের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে খবর। 

Family Pension: পুজোর আগে সুখবর! সরকারি কর্মচারীদের পারিবারিক পেনশন বাড়ল

পুজোর আগেই বড়সড় ঘোষণা এবার রাজ্য সরকারের। বৃহস্পতিবার নবান্নের তরফে এক নির্দেশিকা জারি করা হয়। যেখানে ষষ্ঠ পে কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী পারিবারিক পেনশনের ঊর্ধ্বসীমা বাড়ানো হয়েছে। এতদিন পর্যন্ত পারিবারিক পেনশন পাওয়া যেত মাসিক সর্বোচ্চ ৩৬০০ টাকা। এবার তা বাড়িয়ে ৯০০০ টাকা করা হয়েছে। এই মর্মে জারি করা হয়েছে নির্দেশিকা। তবে পেনশন পাওয়ার ক্ষেত্রে অন্যান্য নিয়মগুলি একই থাকছে। পারিবারিক পেনশনের ক্ষেত্রে প্রয়াত সরকারি কর্মীর স্ত্রী, স্বামী, বাবা, মা এবং বিবাহ বিচ্ছিন্না মেয়ে, বিধবা বা অবিবাহিত মেয়ে বরাদ্দ অর্থ পান।

রাজ্য সরকারের এই নির্দেশিকায় উপকৃত হবেন অনেকে। সামনেই পুজো। তার আগে এই ঘোষণায় অনেকেই উপকার পাবেন বলে মনে করা হচ্ছে। এদিকে সপ্তম পে কমিশন অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের পেনশন সংক্রান্ত নিয়মে আসতে চলেছে বদল। জানা গিয়েছে, নতুন নিয়ম অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় সরকারের কোনও কর্মীর মৃত্যুর পর তাঁর পরিবার বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নমিনি ৫০ শতাংশ পেনশন পাবেন।

যদিও ঈদের আগে রাজ্যে সরকারি কর্মচারীদের জন্য বড় ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানিয়েছিলেন, ১২ হাজার টাকা পর্যন্ত উৎসব অ্যাডহক বোনাস পাবেন সরকারি কর্মীরা। এছাড়াও পেনশনভোগীদের জন্যেও এককালীন ভাতার কথাও ঘোষণা করেন তিনি।

Nabanna: দুয়ারে সরকার শিবির বাড়ানোর নির্দেশ নবান্নের

এবার দুয়ারে সরকারে’র শিবিরে যাতে বেশি ভিড় না হয়, সেদিকে নজর রাখতে হবে। কোথাও যাতে চার-পাঁচশোর বেশি মানুষের জমায়েত না হয়, সেই ব্যবস্থাও করতে হবে। সেক্ষেত্রে আরও শিবির বাড়িয়ে পরিস্থিতি মোকাবিলার নির্দেশ দিল নবান্ন। প্রয়োজনে ভোটগ্রহণ কেন্দ্র অনুযায়ী শিবিরও করা হতে পারে।বৃহস্পতিবার নবান্নে ‘দুয়ারে সরকার’ শিবির নিয়ে পর্যালোচনা বৈঠক করেন মুখ্যসচিব এইচ কে দ্বিবেদী। ‘দুয়ারে সরকার’ ও ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ প্রকল্প ছাড়াও রাজ্যে বর্তমান কোভিড পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হয় বলে খবর।

বেশ কয়েকটি জেলায় ভিড়ের যে ছবি সামনে এসেছে, তাতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়ার পথেই হাঁটছে রাজ্য সরকার। কোথাও যাতে বিশৃঙ্খল অবস্থা না হয়, তার জন্য এদিন বৈঠকে রাজ্যের জেলাশাসকদের সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে। কোনও শিবিরে যাতে ভিড় না হয় তার জন্য প্রতিটা জেলায় বিশেষ নজরদারি চালাতে বলা হয়েছে নবান্ননের তরফে।

এদিন হাওড়া ও মালদহের শিবিরে ভিড়ের যে ছবি দেখা গিয়েছে, তারপর আরও শিবির বাড়িয়ে দিতে চায় নবান্ন। সেক্ষেত্রে গ্রাম পঞ্চায়েতের তিনটি করে গ্রাম সংসদ নিয়ে ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে’র  কাউন্টার করা হবে। শহরের ক্ষেত্রে কয়েকটি বুথভিত্তিক কাউন্টার করার বিষয়েও বলা হয়েছে।

রাজ্যের প্রশংসা কেন্দ্রের সমালোচনা অভিজিতের

কলকাতাঃ অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়, নোবেল লরিয়েট, এ দেশে এ রাজ্যে এসে দেখা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে । মূলত বর্তমান অর্থনীতি ও কোভিড নিয়েই আলোচনা হলো বলেই জানা গিয়েছে । সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অভিজিৎ জানালেন, মানুষের হাতে টাকা নেই ।  সংকট হচ্ছে জিডিপি নিয়েই । অভিজিৎ এর আগেও বলেছিলেন যে সাধারণ ও দরিদ্র মানুষের হাতে টাকা না থাকলে দেশের অর্থনীতিতে ধস নামবে । তিনি বলেছিলেন মোদির উচিত আমি জনতার হাতে টাকা তুলে দেওয়া ।

আজ বললেন বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থানের দিকে নজর দেওয়া উচিত । তিনি বললেন, করোনার ভ্যাকসিন ঠিক মতো রাজ্যের মানুষ পাচ্ছে না । তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশংসা করে বলেন যে গত উৎসবের সময়ে রাজ্যে নিরাপত্তা ঠিক ভাবেই পালন করা হয়েছে । করোনা কালে বর্তমান সরকার রাজ্যে ভালো কাজ করেওছে । ছাত্রছাত্রী নিয়েও মমতা অভিজিতের মধ্যে কথা হয়েছে  । মুখ্যমন্ত্রী জানান, পুজোর পর একদিন অন্তর স্কুল খোলার ভাবনা রয়েছে অবশ্যই পরিস্থিতি বুঝেই ।

ধর্ম বিতর্কে জের, মুখ্যসচিবের ডাকে নবান্নে মহুয়া দাস

ধর্ম বিতর্কে জের, উচ্চমাধ্যমিক  শিক্ষা সংসদের সভাপতি 

মহুয়া দাসকে তলব মুখ্যসচিবের। ইতিমধ্যেই তিনি নবান্নে পৌঁছে গিয়েছে বলে খবর। 


বিস্তারিত আসছে --


সাংবাদিক বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

সাংবাদিক বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। 


বিস্তারিত আসছে 

কৃষক সমাজের সাথে আজ বৈঠক মমতার

কলকাতাঃ দীর্ঘদিন ধরে দিল্লির কাছেই মোদি সরকারের কৃষি আইন এবং নীতির বিরুদ্ধে ধর্ণা এবং আন্দোলন করছে পাঞ্জাব তথা উত্তর ভারতের কৃষক সমাজ | এই আন্দোলনকে সরাসরি সমর্থন করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় | অন্যদিকে এই কৃষক সমাজ বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে তৃণমূলের হয়ে সমর্থনের প্রচার করেছিল | কার্যত এ রাজ্যের পাঞ্জাবি এবং উত্তরপ্রদেশ তথা হরিয়ানাবাসীরা ঢেলে ভোট দিয়েছে তৃণমূলকে | আগামীদিনে এই আন্দোলন নরেন্দ্র মোদির ঘুম ছুটিয়ে দেবে বলে দাবি আন্দোলনকারীদের |


গতকালই কৃষক সমাজের এক প্রতিনিধিদল কলকাতায় এসেছেন দিল্লি থেকে | বুধবার তারা দেখা করবেন মুখ্যমন্ত্রীর সাথে নবান্নে | এই প্রতিনিধিদলে রয়েছেন আন্দোলনের মুখ রাকেশ টিকায়েত | তাঁর সঙ্গে এসেছেন যদুবীর সিং  এবং অনুজ সিং | এদের রক্ষনাবেক্ষনের দায়িত্বে রয়েছেন তৃণমূলের কৃষক সেলের সভাপতি পূর্ণেন্দু বসু  | মঙ্গলবার তাঁদের রাখা হয়েছে বড়বাজারের গুরুদ্বারে | পুর্ণেন্দুবাবু এদের নিয়ে আসবেন মুখ্যমন্ত্রীর কাছে |  

বার বার নদীর বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় ক্ষুব্দ মমতা

কলকাতাঃ প্রত্যেক বছর বাঁধ সারালেও, কেন তা ভেঙে যাচ্ছে? প্রশ্ন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। পাশাপাশি সেচ দফতরের কাজে ক্ষুব্দ তিনি। একইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর প্রশ্ন, ‘‌আমফানের সময় প্রচুর গাছ ভেঙেছে। সেই গাছ কোথায় গেল?  তা নিয়ে আগামী তিন দিনের মধ্যে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে।

বুধবার নবান্নে আধিকারিকদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই ক্ষোভ উগড়ে দেন তিনি। বলেন,‌ প্রত্যেক বছর বাঁধ সারানো হচ্ছে,তারপরও কেন তা ভেঙে যাচ্ছে? সরকারের লাখ লাখ টাকা জলে যাচ্ছে। নদীর ভাঙন রুখতে কয়েকটি প্রস্তাবও পেশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, ‘বন দফতর ৫ কোটি করে ম্যানগ্রোভ দুই ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরে বসানো হোক। ভাঙন রুখতে নদীর পাড়ে ভ্যাটিভার ঘাস লাগানো হোক।

আগামী ১১ জুন ও ২৬ জুন ভরা কটাল রয়েছে বলে মনে করিয়ে দেন মুখ্যমন্ত্রী। ফলে তার আগে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। যাতে ইয়াস পরবর্তী সময়ে ফের দুর্ভোগে না পড়েন মানুষ। দিঘা সৌন্দর্যায়েনর কাজ প্রসঙ্গেও অসন্তোষ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। বছরের পর বছর ব্রিজের কাজ কেন আটকে আছে? তা নিয়ে প্রশ্ন করেন,এবং বলেন দিঘার চিফ ইঞ্জিনিয়ারকে দায়িত্ব নিতে হবে।

এছাড়া এদিন ভ্যাকসিন নিয়ে মোদী সরকারকেও কটাক্ষ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বলেন,২০২১ এর মধ্যে সবাইকে ভ্যাকসিন দেওয়ার কথা বলেছে মোদী। ওটা শুধু কথার কথা।

দিল্লি নয়, নবান্নে গেলেন আলাপন

আজ রাজ্যের মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের  দিল্লির  উদ্দেশ্যে  রওনা দেওয়ার কথা ছিল। তবে সেটা বদলে গিয়ে নবান্নে গেলেন তিনি। এদিকে শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে রাজ্যের মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কেন্দ্রের সরকার ব্যবস্থা নিতে চলেছে। সোমবার সকাল ১০ টায়  তার দিল্লির কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের কর্মিবর্গ দফতরে পৌঁছনোর কথা ছিল.কিন্তু শেষমেষ সেটা যে হচ্ছেনা তা স্পষ্টত বুঝিয়ে দিলেন তিনি। যদিও এবার রাজ্য ও কেন্দ্রের মধ্যে আরও সংঘাত বাড়ল।
সোমবার যে আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লি যাচ্ছেন না তা প্রধানমন্ত্রী কে চিঠি  লিখে জানালেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সম্প্রতি মুখ্যসচিব পদে আলাপনের কাজের মেয়াদ তিন মাস বাড়াতে বলে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে প্রস্তাব পাঠিয়েছিল নবান্ন। রাজ্যের সেই প্রস্তাবে সিলমোহর দিয়েছিল দিল্লিও। দিল্লির পরবর্তী নির্দেশে আলাপনের মেয়াদ বৃদ্ধির প্রথম নির্দেশটি রদ হল কি না, তা কেন্দ্রের তরফেও স্পষ্ট জানায় হবে। যদি ও কলাইকুণ্ডার বৈঠক থেকে আলাপনের চলে যাওয়াতেই তার এই বদলির কারণ।

মোদির বৈঠকে মমতার না থাকার কোপ আলাপনে?

শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী ইয়াস ঝড়ের পরবর্তী অবস্থা দেখতে উড়িষ্যা এবং বাংলায় এসেছিলেন | এই সফর ঘিরে এক বৈঠকের আয়োজন করে কেন্দ্রীয় সরকার মেদিনীপুরের কলাইকুণ্ডাতে | মুখ্যমন্ত্রী যেতেনও কিন্তু তিনি জানতে পারেন ওই বৈঠকে ডাকা হয়েছে রাজ্যপাল এবং শুভেন্দু অধিকারীকেও | শেষ মুহূর্তে বেঁকে বসেন মমতা | তিনি স্পষ্ট জানান, শুভেন্দু থাকলে তিনি যাবেন না | কিন্তু তবুও শুভেন্দুকে বৈঠকে রাখা হয় | বৈঠক চলাকালীন মমতা উপস্থিত হয়ে মোদিকে জানান, তিনি এসেছিলেন এবং অন্য কাজে ব্যস্ত থাকায় সভায় থাকতে পারবেন না| তিনি মোদিকে ক্ষতির একটি বিবরণ দেন এবং প্রয়োজনীয় অর্থ দাবি করেন | এতেই ক্ষিপ্ত হয় কেন্দ্রীয় সরকার | বিভিন্ন মন্ত্রী টুইট করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমালোচনা করেন | সবথেকে সক্রিয় হন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, তিনি টুইট করে জানান, মুখ্যমন্ত্রীর আজকের আচরণ দুর্ভাগ্যজনক ভাবে অশোভন | ঘূর্ণিঝড় বহু মানুষের উপর প্রভাব ফেলেছে | এখন ক্ষতিগ্রস্থদের পাশে দাঁড়ানোর সময় | দিদি তাঁর ঔদ্ধত্যকে জনস্বার্থের উর্ধ্বে স্থান দিয়েছেন | আজকের আচরণ তার প্রমান | এরপরই দ্রুত বদলাতে থাকে পটভূমি | সম্প্রতি অবসরের পথে যাওয়া প্রধান সচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে তিন মাসের এক্সটেনশন দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী | সে বিষয়ে কেন্দ্রকে জানানোও হয়েছিল | সন্ধ্যার পরই কেন্দ্র থেকে চিঠি আসে ৩১ মে র মধ্যে আলাপনকে দিল্লিতে বিশেষ কাজে নিয়োগ করা হলো | তাঁকে সোমবার সকাল ১০ টার মধ্যে দিল্লিতে তলব করা হয়েছে | আম জনতা মনে করছে মোদি মমতার যুদ্ধ জারি রইলো | তবে ইদানিং যা চলেছে তা ভারতীয় রাজনীতিতে অভূতপূর্ব ঘটনা | দেখার বিষয় মমতা কি করেন |

ইতিমধ্যেই ৫১টি নদীবাঁধ ভেঙেছে, ২০ হাজার বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত, জানালেন মুখ্যমন্ত্রী

অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ইয়াস ইতিমধ্যেই ল্যান্ডফল করেছে ওডিশা উপকূলে। যার প্রভাব ইতিমধ্যেই পড়তে শুরু করেছে পশ্চিমবঙ্গের উপকূলীয় এলাকাগুলিতে। সবচেয়ে খারাপ অবস্থা পূর্ব মেদিনীপুরের। ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিস্তৃর্ণ এলাকা। মঙ্গলবার সারারাত নবান্নের কন্ট্রোল রুমে ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে ছিলেন রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষ কর্তারাও। বুধবার সকালে ল্যান্ডফল করার পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বললেন, প্রশাসন কড়া নজর রাখছে পরিস্থিতির দিকে।


পাশাপাশি তিনি বলেন, ‘উপকূলবর্তী এলাকায় গ্রামগুলিতে জল ঢুকছে। পূর্ব মেদিনীপুরে ৫১টি নদীবাঁধ ভেঙেছে। গোসাবার গ্রামগুলি প্লাবিত। প্রায় ২০ হাজার বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দিঘা, শংকরপুর এলাকা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নন্দীগ্রামে গ্রামের পর গ্রাম ডুবে গিয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুরে ৩.৮ লাখ মানুষকে নিরাপদে সরানো হয়েছে। সারা রাজ্যে প্রায় ১৫ লাখ মানুষকে নিরাপদে সরানো হয়েছে’। ঝড়ের পর রাজ্যের বিস্তৃর্ণ এলাকায় বিদ্যুৎ এবং জল সরবরাহ ব্যহত হতে পারে বলে অনুমান করছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘গোটা বাংলা দুর্যোগ কবলিত। ভরা কোটালের জন্য বাংলায় বেশি সমস্যা হচ্ছে। যতক্ষণ না পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে, ততক্ষণ কেউ প্লাবিত গ্রামে ফিরবেন না’। গোটা পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছেন মুখ্যমন্ত্রী, প্রয়োজনীয় নির্দেশও দিচ্ছেন জেলা প্রশাসনগুলিকে।

ঘূর্ণিঝড় যশের মোকাবিলায় তৈরি নবান্ন, কোস্ট গার্ড

আগামী ২৬ মে সকালেই ওড়িশা ও পশ্চিমবঙ্গ উপকূলে আছড়ে পড়তে পারে ঘূর্ণিঝড় যশ বা ইয়াস (Yaas)। ফলে বাংলার উপকূলীয় তিন জেলা পূর্ব মেদিনীপুর এবং দুই ২৪ পরগনায় প্রশাসনিক প্রস্তুতি তুঙ্গে। ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় গত দুদিন ধরেই নবান্নে প্রস্তুতি বৈঠক চলছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেও করেছেন বৈঠক। গত বছরের অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় আমফানের দাপটে কার্যত তছনচ হয়েছিল বাংলার একাধিক জেলা। এবার তাই আগেভাগেই মাঠে নেমেছে রাজ্য প্রশাসন। উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক করার পাশাপাশি তাঁদের নিরাপদে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার আগাম ব্যবস্থাও করা হচ্ছে জেলা প্রশাসনগুলির তরফে। পাশাপাশি করোনা পরিস্থিতির মধ্যে যাতে অসুস্থদের চিকিৎসা সরঞ্জামের ব্যবস্থাও করে রাখছে প্রশাসন। বিশেষ করে সুন্দরবন এবং দিঘার উপকূলবর্তী এলাকার কাছাকাছি সবাইকে সতর্ক করা হয়েছে।