Indo-China: ভেস্তে গেল ভারত-চীন সামরিক আলোচনা

লাদাখে ভারত ও চীনা সেনাবাহিনীর কমান্ডারদের মধ্যকার সর্বশেষ আলোচনা ভেস্তে গিয়েছে। সীমান্তে উত্তেজনা রেখেই রবিবার, ১০ অক্টোবর ১৩ তম সামরিক বৈঠকে বসেছিল ভারত -চীন। এর আগে ১২ তম সামরিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল চীনা ভূখণ্ডে মালডোতে। প্রায় ১১ ঘণ্টা ধরে চলা সেই বৈঠকের নির্যাস খুব একটা ফলপ্রসূ হয়নি।

এবার বৈঠক শেষে এক বিবৃতিতে ভারতীয় সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, অবশিষ্ট এলাকার সমস্যা সমাধানে গঠনমূলক পরামর্শ দিয়েছিল ভারত। কিন্তু চীনা পক্ষ সম্মত হয়নি এবং তারা কোনও প্রস্তাব দিতে পারেনি। ফলে অবশিষ্ট এলাকা নিয়ে কোনও সমাধানে পৌঁছানো যায়নি।

পৃথক বিবৃতিতে চীনা সামরিক বাহিনীর ওয়েস্টার্ন থিয়েটার কমান্ড বলছে, ভারত অযৌক্তিক এবং অবাস্তব দাবির ওপর জোর দিয়েছে। যা সমঝোতার ক্ষেত্রে অসুবিধার সৃষ্টি করছে।

এর আগেও একাধিকবার ভারত -চীন বৈঠক হলেও সে বৈঠক খুব একটা ফলপ্রসূ হয়নি। একাধিকবার বৈঠকের পরেও দেখা গেছে চীন-ভারত সীমান্তে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করেছে। ২০১৭ সালের মে মাসে গলওয়ান প্রদেশ দিয়ে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করেছি তার পরেই উত্তরাখণ্ডের বারাহতি দিয়ে ১০০ জন চীনা ঘোড়সওয়ার সৈনিক ভারতের অংশে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করে । পাশাপাশি একটা অস্থায়ী ব্রিজ উড়িয়ে দেয় তারা। 

সম্প্রতি অরুণাচল প্রদেশ তাওয়াং দিয়ে ২০০ জন সেনা ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢোকার চেষ্টা করে। সীমান্তরক্ষী বাহিনীর তৎপরতায় অনুপ্রবেশের সেই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়। গত বছরই বেগম লেকের পাশে মুখোমুখি হয়েছিল ভারত আর চীন সেনা। দুই পক্ষের মধ্যে লোহার রড কার্ড দিয়ে সংঘর্ষে প্রাণ হারায় ভারতীয় ২০ জন সেনা পাশাপাশি বেশ কিছু সংখ্যক চিনা সেনার মৃত্যু ঘটে সংঘর্ষে। 

গত শনিবার চিনা অধিকৃত আকসাই চীন এলাকায় সীমান্ত সংলগ্ন অঞ্চলে ১০ হাজার লাল ফৌজ মোতায়েন করেছে চীনা সরকার। সেইসঙ্গে মাঝারি মাপের ক্ষেপণাস্ত্র। মাঝারি মাপের কামানো সঙ্গে করে নিয়ে অবস্থান করছে লাল ফৌজ। যার পাল্টা ভারত সীমান্তে ও সৈন্য সংখ্যা বাড়াচ্ছে ভারত সরকার। 

৩৪৪০ কিলোমিটার জুড়ে লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোলকে ঘিরেই সমস্যা। 


Indo-China: সীমান্তে উত্তেজনা, রবিবার বৈঠকে বসতে চলেছে ভারত-চীন

সীমান্তে উত্তেজনা রেখেই ১৩ তম সামরিক বৈঠকে বসতে চলেছে ভারত -চীন। চুসুল-এ অনুষ্ঠিত হতে চলা এই বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন ভারতের তরফ থেকে জেনারেল পি,জি,কে মেনন। অন্যদিকে চীনের তরফ থেকে উপস্থিত থাকবেন জেনারেল লিউ লিন। এমটাই সূত্রের খবর। 

রবিবার অনুষ্ঠিত হতে চলা এই বৈঠকের দিকে তাকিয়ে আন্তর্জাতিক মহল। একাধিকবার ভারত -চীন বৈঠক হলেও, সে বৈঠক খুব একটা ফলপ্রসূ হয়নি। একাধিকবার বৈঠকের পরেও দেখা গেছে চীন-ভারত সীমান্তে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করেছে। 

২০১৭ সালের মে মাসে গলওয়ান প্রদেশ দিয়ে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করেছিল, তার পরই উত্তরাখণ্ডের বারাহতি দিয়ে ১০০ জন চিনা ঘোড়সওয়ার সৈনিক ভারতের অংশে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করে । পাশাপাশি একটা অস্থায়ী ব্রিজ উড়িয়ে দেয় তারা। দু'দিন আগেই অরুণাচল প্রদেশ তাওয়াং দিয়ে ২০০ জন সেনা ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢোকার চেষ্টা করে। সীমান্তরক্ষী বাহিনীর তৎপরতায় অনুপ্রবেশের সেই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়। 

গত বছরই বেগম লেকের পাশে মুখোমুখি হয়েছিল ভারত আর চীন সেনা। দুই পক্ষের মধ্যে লোহার রড কার্ড দিয়ে সংঘর্ষে প্রাণ হারায় ভারতীয় ২০ জন সেনা। পাশাপাশি বেশ কিছু সংখ্যক চীনা সেনার মৃত্যু ঘটে সংঘর্ষে। শনিবার চীনার অধিকৃত আকসাই চীন এলাকায় সীমান্ত সংলগ্ন অঞ্চলে ১০ হাজার লাল ফৌজ মোতায়েন করেছে চীনা সরকার। সেইসঙ্গে মাঝারি মাপের ক্ষেপণাস্ত্র। মাঝারি মাপের কামানও সঙ্গে করে নিয়ে অবস্থান করছে লাল ফৌজ। 

যার পাল্টা ভারত সীমান্তেও সৈন্য সংখ্যা বাড়াচ্ছে ভারত সরকার। এই উত্তেজনার আবহেই ১৩ তম সামরিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে রবিবার। এর আগে ১২ তম সামরিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল চীনা ভূখণ্ডে মালডোতে। প্রায় ১১ ঘণ্টা ধরে চলা সেই বৈঠকের নির্যাস খুব একটা ফলপ্রসূ হয়নি।

৩৪৪০ কিলোমিটার জুড়ে লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোলকে ঘিরেই সমস্যা। সেই সমস্যার সমাধান এই ১৩ তম সামরিক বৈঠকে কতটুকু নিষ্পত্তি হবে সে দিকে তাকিয়ে সাড়া বিশ্ব। 

Modi-Baiden: আফগানিস্তান নিয়ে মুখোমুখি হবে মোদি-বাইডেন

আগামী শুক্রবার প্রথমবার শীর্ষ দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মুখোমুখি হচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। ওই একই দিনে রয়েছে ভারত, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া এবং জাপানের চতুর্দেশীয় অক্ষ কোয়াড-এর বৈঠক।বিদেশ মন্ত্রক সূত্রের মতে, মোদী-বাইডেন শীর্ষ বৈঠকে অগ্রাধিকার পাবে আফগানিস্তান, পাকিস্তান এবং চিনের প্রসঙ্গ। পাশাপাশি থাকবে কোভিড পরিস্থিতি, প্রতিষেধকের যৌথ উৎপাদন, পরিবেশ উষ্ণায়নের মতো বিষয়গুলিও। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে বাইডেনের সঙ্গে বৈঠকের আগের দিন জাপানের প্রধানমন্ত্রী ইয়োশিহিদে সুগা এবং অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসনের সঙ্গে কথা বলবেন মোদী পৃথক পৃথক ভাবে।

দেশে কোভিড সংক্রমণের পরে এই প্রথম এশিয়ার বাইরে পা রাখছেন মোদী। কোয়াড এবং দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পাশাপাশি নিউ ইয়র্কে রাষ্ট্রপুঞ্জের সাধারণ অধিবেশনেও বক্তৃতা দেবেন মোদী। কূটনৈতিক শিবিরের মতে, এমন একটি সময়ে আমেরিকার নতুন প্রেসিডেন্টের মুখোমুখি হচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী যখন বিশ্বের ভূকৌশলগত পরিস্থিতি উত্তপ্ত।

পশ্চিম এশিয়া, দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার নিরাপত্তা প্রশ্নের মুখে। কাবুল তালিবানের দখলে যাওয়ার জেরে ভারত এবং প্রতিবেশী বলয়ে সন্ত্রাসবাদের বাড়বাড়ন্ত হবে বলে আশঙ্কা করছে নয়াদিল্লি। অন্য দিকে চিনের সঙ্গে সংঘাতের বার্তা দিয়ে অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে পরমাণু-চালিত ডুবোজাহাজ ব্যবহার সংক্রান্ত চুক্তি করল ব্রিটেন ও আমেরিকা।


টার্গেই তালিবান, প্রথমবার বৈঠকে সামিল হবেন মোদি-বাইডেন

 আফগানিস্তানে তালিবানি লক্ষ্য। এই  প্রথমবার সশরীরে বৈঠকে বসতে চলেছেন চতুর্দেশীয় অক্ষ বা QUAD রাষ্ট্রপ্রধানরা। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর ভারত, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া এবং জাপানের রাষ্ট্রপ্রধানরা বৈঠকে বসতে চলেছেন। এই বৈঠকের আয়োজন করবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন । সশরীরে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন এবং জাপানের প্রধানমন্ত্রী ইয়োশিহিদে সুগাও এই বৈঠকে সশরীরে উপস্থিত থাকবেন।

আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর হোয়াইট হাউসে QUAD রাষ্ট্রপ্রধানদের এই বৈঠক আয়োজিত হবে, মঙ্গলবারই বিবৃতি দিয়ে নিশ্চিত করেছে আমেরিকা (USA)। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যে এই বৈঠকে হাজির হচ্ছেন, সেটাও সরকারিভাবে জানিয়ে দিয়েছে বিদেশমন্ত্রক। মোদির আমেরিকা যাত্রায় যাতে কোনও সমস্যা না হয়, তা নিশ্চিত করতে তড়িঘড়ি তাঁর নেওয়া কোভ্যাকসিন টিকাকে WHO’র ছাড়পত্র দেওয়ানোর ব্যবস্থা করছে নয়াদিল্লি।

ভারত, জাপান, অস্ট্রেলিয়া ও আমেরিকা মিলে তৈরি হয়েছে ‘Quadrilateral Security Dialogue’ বা QUAD গোষ্ঠী। চিন একাই ঘুম উড়িয়ে দিচ্ছে গোটা বিশ্বের। বেজিংয়ের অর্থনৈতিক, সাইবার এবং সামরিক আগ্রাসনকে মাথায় রেখেই আমেরিকা-সহ বিশ্বের চার বৃহৎ শক্তি একত্রিত হয়েছে। কিন্তু এবার নজরে নতুন সংকট তালিবান।তবে এই বৈঠকে মূল টার্গেটই হল আফগানিস্তান।

৭ দেশের গুপ্তচর বৈঠকে বাদ ভারত

সম্প্রতি আফগানিস্তানের উদ্ভুত পরিস্থিতি নেই দুই দফার বৈঠক হলো ইসলামাবাদে বলে সূত্র মারফত খবর । প্রথম দফায় রাশিয়া বাদে ৬ দেশের বিদেশমন্ত্রীর উপস্থিতিতে আলোচনা হয় । এই দুই বৈঠকের আয়োজন করে পাকিস্তানের আইএসআই দপ্তর । উপস্থিত ছিল চিন, ইরান, কাজখিস্তান ,তাজাকিস্তান,তুর্কমেনিস্তান, উজবেকিস্তান ।পরে আইএসআই প্রধান ফয়েজ হামিদের ডাকে গুপ্তচর সংস্থার প্রধানরা উপস্থিত হয়ে বৈঠক করেন তখন রাশিয়ার প্রতিনিধি উপস্থিত ছিল । প্রশ্ন উঠেছে অনেক, আফগানিস্তান লাগোয়া দেশগুলি উপস্থিত থাকলেও ভারত কেন অনুপস্থিত ? জানা গিয়েছে, ভারতকে আমন্ত্রণই জানানো হয় নি ।

সমস্যা এখানেই । তালিবানদের এই দেশগুলিকি সমর্থন বা ইন্ধন যোগাচ্ছে ? পরিষ্কার নয় কারুরই মনোভাব, তবে প্রাক্তন রাশিয়ার সঙ্গে যুক্ত থাকা দেশগুলি কিন্তু সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে বরাবরই প্রতিবাদ করেছে । রাশিয়াও এখনও তালিব পরিচালিত আফগানিস্থাকে সমর্থন করে নি । কিন্তু এই ৭ দেশ কখনোই প্রকাশ্য বিরোধিতাও করে নি । ভারতের ভাবনা বাড়ছে  । 

Modi: তৃতীয় ঢেউয়ের আশঙ্কা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর জরুরি বৈঠক

সামনেই তৃতীয় ঢেউ আসছে।অক্টোবরের মধ্যেই ভারতে আছড়ে পড়তে পারে করোনা ভাইরাসের আরও এক রূপ. বহু বিশেষজ্ঞই এই আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। বস্তুত দেশের করোনা পরিসংখ্যানেও নিত্যদিনের ওঠাপড়া অব্যাহত। এরই মধ্যে সামগ্রিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে রিভিউ মিটিং করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি । সূত্রের খবর, গোটা দেশের করোনা পরিস্থিতি কেমন? আধিকারিকদের কাছে খোঁজখবর নেওয়ার পাশাপাশি টিকাকরণের পরিস্থিতি নিয়েও তথ্য নেন প্রধানমন্ত্রী।এক সাংবাদিক বৈঠক করে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যসচিব সাংবাদিক বৈঠক করে দাবি করেছেন দেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের  প্রভাব এখনও বর্তমান। সুতরাং এখনই করোনা বিধিতে কোনওরকম ঢিলেমি করা যাবে না।

আসলে কেন্দ্রের আশঙ্কা, উৎসবের মরশুমে দেশজুড়ে করোনার সংক্রমণ বাড়তে পারে। সেজন্যই বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে চায় সরকার।এই মুহূর্তে দেশের দুটি রাজ্য তৃতীয় ঢেউয়ের আশঙ্কায় কাঁপছে। এক, কেরল এবং দুই, মহারাষ্ট্র। দেশের মোট দৈনিক সংক্রমণের প্রায় ৮০ শতাংশই আসছে এই দুই রাজ্য থেকে। শুধু তাই নয়, এখনও দেশের ৩৫টি জেলায় পজিটিভিটি রেট ১০ শতাংশের বেশি। ৩০টি রাজ্যে এই সংক্রমণের হার ৫ থেকে ১০ শতাংশের মধ্যে। এই জেলাগুলি করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের বিরুদ্ধে লড়তে কতটা প্রস্তুত, সেটাও এদিন খতিয়ে দেখেছেন প্রধানমন্ত্রী।

আফগানিস্তান নিয়ে সর্বদল বৈঠক ডাকলেন মোদি

আফগানিস্তান  নিয়ে সর্বদল বৈঠক ডাকলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি । সোমবার এই কথা জানিয়েছেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর।জানা গিয়েছে, ২৬ আগস্ট অর্থাৎ আগামী বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় সর্বদল বৈঠক ডেকেছেন প্রধানমন্ত্রী। তালিবানের ক্ষমতা দখলের পর আফগানিস্তানে ভারতীয় বিনিয়োগ রক্ষা ও প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা হবে এই বৈঠকে বলে খবর।

এছাড়া, আগামীদিনে তালিবানের সঙ্গে সম্পর্ক কোন খাতে বইবে তা ঠিক করতে বিরোধী দলনেতাদের সঙ্গে আলোচনা করবেন মোদি।এদিকে, আজ একটি টুইট করে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর জানিয়েছেন যে, সংসদে ফ্লোর লিডারদের আফগানিস্তান সম্পর্কে সমস্ত তথ্য দেওয়ার জন্য বিদেশমন্ত্রককে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

এই বিষয়ে বিস্তারিত জানাবেন সংসদ বিষয়ক মন্ত্র প্রহ্লাদ যোশী। বলে রাখা ভাল, কাবুলের হামিদ কারজাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ভারতীয় নাগরিকদের ফেরানোর কাজ করছে নয়াদিল্লি। আফগান শিখ ও হিন্দুদেরও ফেরাচ্ছে ভারত সরকার। গতকাল ভারতীয় বায়ুসেনার সি-১৭ গ্লোবমাস্টার বিমানে করে কাবুল থেকে ১৬৮ জনকে দিল্লিতে আনা হয়। তাঁদের মধ্যে ১০৭ জন ভারতীয় নাগরিক ছিলেন।আগস্টের ১৭ তারিখ মন্ত্রিসভার সঙ্গে একটি জরুরি বৈঠকে আফগানিস্তান থেকে তড়িঘড়ি ভারতীয়দের ফেরানোর নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। বলে রাখা ভাল, আফগানিস্তানে পরিকাঠামো নির্মাণে অন্তত ৩০০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করেছে নয়াদিল্লি


আগে জোট পরে নেতা, বললেন মমতা

শুক্রবার কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গাঁধীর ডাকে বিরোধী দলগুলির বৈঠকে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূলনেত্রী মমতার প্রস্তাব, জোটের কর্মপন্থা ঠিক করার ক্ষেত্রে একটি ‘কোর কমিটি’ তৈরি করা হোক। তা হলে কোন কোন বিষয়ে বিরোধীরা সম্মিলিত ভাবে কী কী পদক্ষেপ করবে, ওই কোর কমিটি তার দিকনির্দেশ করতে পারে। সনিয়া নিজে মমতার এই প্রস্তাবের সঙ্গে সহমত হয়েছেন।

সায় মিলেছে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে, ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সরেন-সহ অন্য অনেক বিরোধী নেতারও।বিরোধীদের কোনও সম্মিলিত কর্মসূচির ক্ষেত্রে কংগ্রেস ‘প্রাধান্য’ পেয়ে যাচ্ছে, এমন একটি ধারণা কিছুদিন ধরে ঘুরছে। বিশেষত তৃণমূল শিবির থেকে এই ধরনের মনোভাব সামনে আসে। রাহুল গাঁধীর উদ্যোগে দিল্লিতে বিরোধীদের একাধিক কর্মসূচিতে তৃণমূল না থাকায় সেই আলোচনা আরও পুষ্ট হয়।এদিকে গতকাল ভার্চুয়ালি বৈঠক হয়ে সোনিয়া ও মমতার। এইমুহূর্তে সবচেয়ে বেশি জোর দিচ্ছেন কর কমিটির ওপর, জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।















মমতা গডকড়ি বৈঠক

বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গেলেন পুরাতন রাজনৈতিক বন্ধু নীতীন গড়কড়ির সঙ্গে প্রশাসনিক বৈঠক করতে । কেন্দ্রীয় পরিবহনমন্ত্রী নীতীন, আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে 'দিদি'কে দপ্তরে নিয়ে যান । পরে মুখ্যমন্ত্রী জানান, ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক থেকে শুরু করে বিভিন্ন সড়ক নিয়ে আলোচনা করেন এবং সহযোগিতা চান । গডকড়ি তাঁর দপ্তরের সচিবদের ডেকে নেন এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আদেশ দেন ।
প্রসঙ্গত প্রাক্তন বিজেপি সভাপতি নীতীন গডকড়ি, বাজপেয়ী ও আদবানীর ঘনিষ্ঠ এবং গুঞ্জনে মোদির সঙ্গে দূরত্বে থাকা মানুষ । তিনি কলকাতায় যেকোনও কাজে আসলে মমতার সাথে দেখা করেন । রাজনৈতিক দৃষ্টি দিয়ে দেখলে বিরোধিতার মুখ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং নীতীন গড়কড়ির বৈঠক আজ খুবই তাৎপর্যপূর্ণ ।  

আজ মোদি-মমতার বৈঠক

মঙ্গলবার  একাধিক কর্মসূচিতে ব্যস্ত থাকবেন তৃণমূল সুপ্রিমো। দুপুর থেকে সন্ধে – কার্যত ম্যারাথন কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। তার মধ্যে অবশ্যই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক। সেদিকেই আপাতত নজর সব মহলের। বিকেল ৪টে নাগাদ দু’জনের আলোচনায় বসার কথা। কেন্দ্র-রাজ্য সংঘাতের আবহে এই বৈঠক খুবই তাৎপর্যপূর্ণ।

যদিও দিল্লিতে প্রতিবার গেলে তিনি রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এবারেও তার খামতি থাকবেনা।তবে তাঁর আগেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাথে তিনি সাক্ষাৎ সারবেন। এছাড়া জরুরি বৈঠক করবেন তিনি। চারদিনের সফরে কেন্দ্রবিরোধী জোট আরও শক্তপোক্ত করার লক্ষ্য তাঁর। এই লক্ষ্যে এগোতে একাধিক ইস্যুকে হাতিয়ার করে বিরোধী ঐক্যে শান দেবেন তৃণমূল সুপ্রিমো। সোমবার বিকেলে রাজধানীতে পা রেখেই সেই কাজ শুরু করেছেন তৃণমূল নেত্রী। মঙ্গলবার দুপুরের পর থেকে একটানা একাধিক বৈঠক রয়েছে মমতার। আর সেইদিকে নজর রাজনৈতিক মহলের।



বাস মালিকদের সঙ্গে বৈঠক ফিরহাদ হাকিমের

সোমবার বেসরকারি বাস মালিক সংগঠনের সঙ্গে বৈঠক করলেন রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। এদিকে করোনা অতিমারিতে বেশ কিছুদিন বাস পরিষেবা বন্ধ থাকায় ও পেট্রোল-ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির ফলে বাস ভাড়া বৃদ্ধি করার দাবি তুলেছে এবার বাস মালিক সংগঠন। ভাড়া বৃদ্ধি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।

বৈঠকে ফিরহাদ হাকিম ছাড়া উপস্থিত ছিলেন স্বর্ণকমল সাহাও বাস মালিক সংগঠনের আধিকারিকরা। সেখানে বাস ভাড়া বৃদ্ধি নিয়ে আবেদন জানালেন বাস মালিকরা। এখন দেখার বাস মালিক সংগঠন আদৌ রাস্তায় বাস নামাবেন কিনা।

রিজার্ভ ব্যাঙ্কের বড় সিদ্ধান্ত

নয়া দিল্লি : করোনা অতিমারিতে এবার রেপো রেট ও রিভার্স রেপো রেটের অপরিবর্তিত রাখল রিসার্ভ ব্যাঙ্ক। শুক্রবার সাংবাদিক সম্মেলনে জানান, রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গর্ভনর তথা মনিটরি পলিসি কমিটির চেয়্যারম্যান শক্তিকান্ত দাস।  এদিকে করোনা রুখতে দেশে চলছে আংশিক লকডাউন।

যার জেরে অর্থনৈতিক দিক অনেকটাই পরে গেছে। আরবিআই জানিয়েছে, চলতি অর্থবর্ষে আর্থিক বৃদ্ধি হতে পারে ৯.৫ শতাংশ। এই অতিমারির ধাক্কায় আর্থিক বৃদ্ধিতে করতে হচ্ছে কাঁটছাঁট। রেপো রেট কমানোর অর্থ সুদের হার কমাতে বাণিজ্যিক ব্যংকগুলিকে উৎসাহিত করা।  কৃষি উৎপাদনের দিকে বিশেষ নজর রাখছে আরবিআই।

CBSE পড়ুয়া ও অভিভাবকদর বৈঠকে হঠাৎ যোগ প্রধানমন্ত্রীর

চলতি বছরের CBSE  পরীক্ষা বাতিল করা হল ইতিমধ্যে কেন্দ্রের তরফে। বৃহস্পতিবার অর্থাৎ আজ কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর আয়োজিত CBSE  পড়ুয়াও অভিভাবকদের নিয়ে একটি বৈঠক করা হয়। তবে বৈঠকে হঠাৎই উপস্থিত ছিলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। করোনা অতিমারির জেরে দ্বাদশ শ্রেণীর পরীক্ষা বাতিল করা হল। তবে পড়ুয়া ও অভিভাবকদের নান নানা অভিযোগের কথা উঠল আজ। যদিও তাদের সেই কথা শুনলেন নরেন্দ্র মোদি। এদিকে বলা হয় যে গত একবছরের পারফরমেন্স দেখা হবে পড়ুয়াদের।

অন্যদিকে  বাড়ছে করোনা সংক্রমণের হার। তবে এবার তরুণ প্রজন্মদের দিকে বিপদের ঝুঁকি বেশি। দ্বাদশ শ্রেণীর পরীক্ষা বাতিল হওয়াতেই ১জুন প্রধামন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি একটি বৈঠক করে। বৈঠকে তিনি জানান পড়ুয়াদের স্বাস্থ্য ও সুরক্ষার কথা ভেবেই পরীক্ষা বাতিল করা হল.আর তারপর আজ আচমকাই বৈঠকে পড়ুয়া ও অভিভাবকদের সমস্ত কথা নরেন্দ্র মোদি নিজেই শুনলেন। 

শুভেন্দুকে খোঁচা দেবাংশুর

শনিবার ভার্চুয়াল প্রেস মিট করে বিধানসভার বিরোধী নেতা জানালেন, প্রধানমন্ত্রীর পা ধরতে হবে না, মুখ্যমন্ত্রী কেন্দ্রর সাথে এক সাথে কাজ করুন | তিনি বলেন মুখ্যমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রী ও ভারত সরকাকে অবমাননা করেছেন | শুভেন্দু কটাক্ষ করে বলেন যে, এতদিন বিরোধীদের ফিশ ফ্রাই খাইয়ে ম্যানেজ করেছেন কিন্তু তাঁদের ( বিজেপি) ওই ভাবে ম্যানেজ করা যাবে না | প্রসঙ্গত একদিন সিপিএম নেতা বিমান বসুদের নবান্নে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফিশ ফ্রাই ও চা খাইয়েছিলেন,শুভেন্দুর ইঙ্গিত সেই দিকেই | তাঁর বক্তব্য শুনে তৃণমূলের অন্যতম মুখপাত্র দেবাংশু ভট্টাচার্য্ বলেন " একদিন বিজেপির বাবুল সুপ্রিয়কেও ঝাল মুড়ি খাইয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী, এখন ঠিক কোন খাবারে শুভেন্দুবাবু সন্তুষ্ট হবেন জানালে তার ব্যবস্থা করা যাবে |           

                                    

কেন্দ্র তথা মোদির বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন মমতা

প্রধানমন্ত্রী এমন নোংরা খেলা খেলবেন না বলে নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় | কেন্দ্রের নিত্য চাপের বিষয়কে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বলে অবিহিত করলেন মমতা | সম্প্রতি ইয়াস ঝড়ের পর প্রধানমন্ত্রী শুক্রবার উড়িষ্যা এবং বাংলার অবস্থান দেখতে আসেন পরে কথা ছিল মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করবেন | কিন্তু শুক্রবার রাতেই জানানো হয় যে ওই বৈঠকে শুভেন্দু অধিকারীও উপস্থিত থাকবেন এবং এখানেই আপত্তি জানান মমতা | তিনি কলাইকুন্ডাতে উপস্থিত হয়ে প্রধানমন্ত্রীকে দুর্যোগের কাগজপত্র দিয়ে দিঘায় প্রশাসনিক বৈঠক আছে বলে বিদায় নেন | এরপরই সক্রিয় হয় বিজেপি এবং তাদের মন্ত্রীবর্গরা | অমিত শাহ সহ বিভিন্ন মন্ত্রী টুইট করে মমতার নিন্দা করেন এবং রাতে দিল্লিতে বদলি করা হয় রাজ্যের চিফ সেক্রেটারি আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে, যিনি সম্প্রতি অবসর নেওয়ার পর তিন মাসের এক্সটেনশন দেন মুখ্যমন্ত্রী | এর পরিপ্রেক্ষিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আজ সাংবাদিক বৈঠক করে বলেন এই সমস্ত বাংলা তথা আমাকে ছোট করা হচ্ছে |