প্রচারে আসছেন অভিষেক

তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবারে ভবানীপুর সহ তিন কেন্দ্রে প্রচারে আসছেন । আগামী শনিবার ১৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় তিনি ভবানীপুর কেন্দ্রের লক্ষীনারায়ণ মন্দির প্রেক্ষাগৃহে স্থানীয় ভোটারদের সঙ্গে মিলিত হবেন অভিষেক । সন্ধ্যায় তাদের সঙ্গে আলোচনার পর ওই এলাকার ভোটারদের আয়োজনে এক নৈশভোগেও উপস্থিত থাকবেন তিনি । কিন্তু শুধু ভবানীপুর নিয়েই বসে থাকবেন না তিনি । তিনি দুই বিধানসভা যেখানে প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে ভোট হয় নি সেখানেও প্রচারে যাচ্ছেন বলে সংবাদ ।

ভবানীপুরে যেমন ৩০ সেপ্টেম্বর ভোট তেমনই দুটি কেন্দ্র যথা জঙ্গিপুর এবং সামশেরগঞ্জ বিধানসভাতেও ভোট হচ্ছে । এই দুই কেডির নিয়ে আদৌ চিন্তিত নয় তৃণমূল কিন্তু এলাকার মানুষের আমন্ত্রণে অভিষেক মুর্শিদাবাদ যাচ্ছেন । ২৩ সেপ্টেম্বর এই দুই কেন্দ্রে প্রচার করবেন অভিষেক । এছাড়া ২৫ এবং ২৬ সেপ্টেম্বর তিনি ফের ভবানীপুর কেন্দ্রে কর্মীসভা করবেন । ২৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যার পর আর প্রচার করা যাবে না । 

By-Election: তথ্য গোপনের অভিযোগে মমতার মনোয়ন বাতিলের দাবি বিজেপির

 নন্দীগ্রামের পর ভবানীপুর। ফের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের  মনোনয়ন বাতিলের দাবিতে কমিশনে অভিযোগ জানাল বিজেপি। গেরুয়া শিবিরের দাবি, ভবানীপুর উপনির্বাচনে মনোনয়নের আগে তথ্য গোপন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বিরুদ্ধে থাকা ফৌজদারি মামলার বিষয়ে হলফনামায় কোনও তথ্য দেননি মমতা। সামনেই উপনির্বাচন। মঙ্গলবার ভবানীপুরের  তৃণমূল প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিলের দাবি তুলে কমিশনকে চিঠি দিয়েছেন বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়ালের  নির্বাচনী এজেন্ট সজল ঘোষ। অভিযোগপত্রে তিনি দাবি করেছেন, একাধিক থানায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও তিনি নির্বাচনী হলফনামায় তা প্রকাশ করেননি।

প্রসঙ্গত, ১৩ সেপ্টেম্বর অর্থাৎ গতকাল ছিল ভবানীপুর কেন্দ্রের মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন। তার অনেক আগে শুক্রবারই আলিপুর সার্ভে বিল্ডিংয়ে গিয়ে নিজের মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। মঙ্গলবার স্ক্রুটিনির সময় তাঁর মনোনয়ন পত্রে ত্রুটির অভিযোগ তুলেছে বিজেপি।

যদিও ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনের সময় মমতা যখন নন্দীগ্রাম  কেন্দ্রের প্রার্থী হলেন, তখনও একইভাবে তাঁর মনোনয়ন বাতিলের দাবি তুলেছিলেন বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। কিন্তু কমিশন সে অভিযোগে সায় দেয়নি । শুভেন্দু  দাবি করেছিলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে একটি সিবিআই মামলা ও অসমের ৫টি মামলা মিলিয়ে মোট ছ’টি মামলা আছে। পরে সিবিআই সূত্রে জানা যায়, শুভেন্দু যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মামলার কথা বলছেন, সেটা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী নন। অন্য মমতা। সেসময় বিজেপি নেতার অভিযোগ স্পষ্টতই খারিজ করে দেয় নির্বাচন কমিশন।


Mamata Banerjee: সামশেরগঞ্জ ও জঙ্গিপুর ভোটপ্রচারে যাচ্ছেন না মমতা

ভোটপ্রচারে মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুর এবং সামসেরগঞ্জে  যাচ্ছেন না তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । আগামী ২২ ও ২৩ সেপ্টেম্বরে ভোট প্রচারে সেখানে যাওয়ার কথা ছিল তাঁর। তৃণমূলের জঙ্গিপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি তথা সাংসদ খলিলুর রহমান তৃণমূল নেত্রীর ভোটপ্রচারের পরিকল্পনা বাতিলের কথা জানিয়েছেন।

যদিও আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর ভবানীপুর উপনির্বাচনের পাশাপাশি মুশির্দাবাদ ও সামসেরগঞ্জে ভোট রয়েছে। করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই মূলত ভোট প্রচারে যাচ্ছেন না বলে জানা যাচ্ছে। এদিকে নির্বাচন কমিশন এর আগেই জানিয়েছে, এই পরিস্থিতিতে জাকজমক ভাবে ভোটপ্রচার করা যাবেনা।

সেকথা মাথায় রেখেই আগামী ২২ ও ২৩ সেপ্টেম্বর জঙ্গিপুর এবং সামশেরগঞ্জের প্রচার বাতিল করা হল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। যদিও এ বিষয়ে তৃণমূলের তরফে এখনও কিছু জানা যায়নি।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রচারের পরিকল্পনা বাতিলের প্রসঙ্গে তৃণমূলের জঙ্গিপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি তথা সাংসদ খলিলুর রহমান জানান, “রাজ্য নেতৃত্বের তরফে জানানো হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভোটপ্রচারে আসবেন না। আমরা নিজেরাই প্রচার করব।” কেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভোটপ্রচারে জঙ্গিপুর ও সামসেরগঞ্জে যাবেন না, সে বিষয়ে অবশ্য কিছু বলেননি তৃণমূল নেতা।

Mamata Banerjee: আজ মুখ্যমন্ত্রীর মনোনয়ন

শুক্রবার একদিকে গণেশ চতুর্থী অন্যদিকে জুম্মাবার । এমনই একটি দিন বেঁছে  নিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । অবশ্য মমতা চিরকালই শুক্রবারকে একটি আবেগের দিন হিসাবে দেখেন । আজও তার ব্যতিক্রম হচ্ছে না । অন্যদিকে এখনও বিজেপি তাদের প্রার্থী ঠিক করে উঠতে পারে নি । শোনা যাচ্ছে কখনও এক অবাঙালি প্রার্থীর নাম শোনা গেলেও তাতে সিলমোহর পরে নি । ইতিমধ্যে তৃণমূল তাদের প্রচার শুরু করে দিয়েছে । দলের প্রথম সারির নেতারা প্রচারের দায়িত্ব নিয়েছেন । ববি হাকিম থেকে সুব্রত মুখোপাধ্যায়, অরূপ বিশ্বাস থেকে সুব্রত বক্শি প্রায় সকলেই নেমে পড়েছেন প্রচারে । সিপিএম এক প্রার্থী ঠিক করেছে, তাদের পশে এবার নেই জোটসঙ্গী কংগ্রেস ।

শুক্রবার দ্বিতীয়ার্থে সার্ভে অফিসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর মনোনয়ন জমা দেবেন । জানা গিয়েছে, দলের কাছে বার্তা দিয়েছেন নেত্রী দল বেঁধে  মনোনয়ন কেউ যেন ভিড় না করেন ।আইনজীবী ও তৃণমূল নেতা বৈশানর চট্টোপাধ্যায় এবারে মুখ্যমন্ত্রীর মুখ্য নির্বাচন এজেন্ট । তিনি ব্যাতিত আর কেউই ভিড় বাড়ান এটা চাইছেন না ভবানীপুরের প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ।


ভগবানের জেষ্ঠ্যপুত্র, নাম না করে শুভেন্দুকে কটাক্ষ মমতার

কলকাতাঃ বুধবার নিজের নির্বাচন ক্ষেত্রে বক্তব্য রাখতে গিয়ে নাম না করে বিরোধী বিজেপি দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে এক হাত নিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । তিনি জানালেন, নির্বাচন ঘোষণা হলেই কেন্দ্রীয় এজেন্সিগুলোর তৎপরতা শুরু হয়ে যায় । তিনি বলেন, অহেতুক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে বারবার বিব্রত করা হচ্ছে এবং এটি তাঁকে আঘাত করার জন্য । দিল্লিতে ডেকে পাঠানো হচ্ছে কেন, এখানে তাদের অফিস থাকা সত্বেও দিল্লিতে ডেকে পাঠানো হচ্ছে । মমতা বলেন, বিভিন্ন বিরোধী দলকে এই ভাবে বিব্রত করা হচ্ছে কংগ্রেস, শারদ পাওয়ার, মুলায়ম যাদব ইত্যাদিদের ।

তিনি বলেন হত্যাকাণ্ডে তদন্তের জন্য বিশেষ কাউকে ডাকা হলে আদালত বলছে, ডাকা যাবে না, গ্রেফতার করা যাবে না । ইঙ্গিত নিঃসন্দেহে শুভেন্দুর দিকে কারণ এই ঘটনা ঘটেছে শুভেন্দুকে কেন্দ্র করে । মমতা বলেন, তিনি কি ভগবানের জেষ্ঠ্যপুত্র নাকি ?

কালারফুল মদন

কলকাতাঃ মদন মিত্র তৃণমূলের গোড়ার দিকের নেতা । একসময় সুবক্তা হিসাবে সুনাম ছিল । প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সির প্রিয়পাত্র ছিলেন মদন । ফলে প্রিয়বাবুর মতো বক্তব্যে রসবোধ ছিল বরাবরই । ইদানিং ঝুঁকেছেন ফেসবুক লাইভ । প্রায় প্রতিদিনই কোনও না কোনও বিষয় নিয়ে ফেসবুক লাইভ করেন।  

গান গাইছেন কখনও । আজ ভোট প্রচারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেই ফেললেন যে মদন খুব কালারফুল, মাঝেমধ্যে খুবই কালারফুল হয়ে যায় । কিন্তু কালারফুল বিষয়টি কি এবং মুখ্যমন্ত্রী কি ইঙ্গিত করতে চাইলেন, উৎসুক জনতা কিন্তু জানে ।

মদনবাবু ভোটের মধ্যে বিরোধী দল বিজেপির মহিলা নেত্রী এবং  চালচিত্র অভিনেত্রীদের নিয়ে গঙ্গার পারে নানান মজা করেছেন । এতে বিজেপির নেতারা বিস্তর চটেছিলো । তথাগত রায় সরাসরি আক্রমণ করেছিলেন নায়িকাদের 'নোটি' বলে কিন্তু ফের একই কাজ মাঝে মধ্যেই করতে ভালোবাসেন মদন মিত্র । তিনি ললনা পরিবৃত হয়ে থাকতে ভালোবাসেন এবং বলে ওঠেন লাভলী । মমতা কিন্তু ঠাট্টা করেও ভোটের সময় মদনকে কাজের সময় সিরিয়াস থাকতে নির্দেশ দেন ।

By Election: ভবানীপুরে মুখ্যমন্ত্র্রীর ভোটে ওয়ার্ডের দায়িত্ব তৃণমূল শীর্ষ নেতাদের

এবার ভবানীপুর বিধানসভার উপনির্বাচনের ওয়ার্ড ভিত্তিক দায়িত্ব দেওয়া হল তৃণমূলের শীর্ষ নেতাদের। একদিকে করোনা  সংক্রমণ রুখতেই এই পরিস্থিতিতে প্রচারের ক্ষেত্রে কোনও রকম ঝুঁকি নিতে রাজি নয় শাসকদল। কারণ, এই উপনির্বাচনে বিজ্ঞপ্তি জারি করে নির্বাচন কমিশন জানিয়ে দিয়েছে, প্রচার-সহ ভোট পরিচালনার কাজে কোনও ভাবে যদি কোভিডবিধি ভাঙা হয়, তা হলে সংশ্লিষ্ট দলের প্রার্থীকে আর প্রচার করতে দেওয়া হবে না। তাই প্রচার থেকে শুরু করে গণনা পর্যন্ত দলের শীর্ষ নেতাদের ওয়ার্ডভিত্তিক দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেই সূত্রের খবর।

কলকাতা পুরসভার আটটি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত ভবানীপুর বিধানসভা। নেতাদের দায়িত্ব দেওয়ার পাশাপাশি এক ওয়ার্ডের কর্মী ও নেতা যাতে অন্য ওয়ার্ডে গিয়ে প্রচার না করেন, সে ব্যাপারে  দৃষ্টি রয়েছে তৃণমূল নেতৃত্বের। এমনকি মুখ্যমন্ত্রীর প্রচারে আসতে ইচ্ছুক অন্য জেলার নেতাদের আসতে নিষেধ করা হয়েছে।জ্যের বর্ষিয়ান নেতা তথা পঞ্চায়েত মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়কে দেওয়া হয়েছে ৬৩ নম্বর ওয়ার্ডের দায়িত্ব। কলকাতা পুরসভার পুর প্রশাসক তথা পরিবহণমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমকে সর্বাধিক তিনটি ওয়ার্ডের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

নিজের ওয়ার্ড ৮২-র পাশাপাশি ৭৪ ও ৭৭ নম্বর ওয়ার্ডের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তাঁকে। ৭০ নম্বর ওয়ার্ডের দায়িত্বে রয়েছেন দক্ষিণ কলকাতা জেলা তৃণমূল সভাপতি তথা রাসবিহারীর বিধায়ক দেবাশিস কুমার। ৭১ ও ৭২ নম্বর ওয়ার্ডের দায়িত্বে থাকবেন তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির ওয়ার্ড ৭৩ নম্বর ওয়ার্ডের দায়িত্বে থাকবেন তাঁর ভাই কার্তিক বন্দ্যোপাধ্যায়। সামনেই উপনির্বাচন। তার আগেই জোর প্রস্তুতি চলছে। যাতে কোনোভাবে খামতি না থাকে সমস্তটাই দেখা হচ্ছে।এর পাশাপাশি করোনার দিকটাও মাথায় রাখা হচ্ছে। 

Mamata-Suvendu: মমতার বিরুদ্ধে ফের শুভেন্দু?

ভবানীপুর কেন্দ্রের উপনির্বাচনের দিন ধার্য হয়ে গিয়েছে ৩০ সেপ্টেম্বর এবং তৃণমূল প্রার্থী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কিন্তু তাঁর বিরুদ্ধে কে ? প্রাথমিক ভাবে দ্বিধান্বিত থাকলেও ভোটেই নামার প্রস্তুতির কথা জানাচ্ছে বিজেপি নেতৃত্ব । দলের সভাপতি দিলীপ ঘোষ প্রথমে জানিয়েছিলেন যে নির্বাচনের দিন ঘোষণা কারণে তাঁরা আদালতে যাবেন কিন্তু শেষ পর্যন্ত ভোটেই সর্বশক্তি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন । অন্যনেতা শমীক ভট্টাচার্য অবশ্য ভোট হওয়ার পথে যাচ্ছেন বলে খবর । দিলীপ ঘোষ বলেছিলেন, করোনার কারণে লোকাল ট্রেন বন্ধ এবং স্কুল কলেজ খোলা হচ্ছে না একই সাথে নাইট কারফিউ জারি রয়েছে তার মধ্যে ভোট হচ্ছে অথচ পৌর ভোট হচ্ছে না ।

কিন্তু এখন প্রশ্ন উঠেছে প্রার্থী হবে কে এবং এই উপনির্বাচন নিয়ে বাম ও কংগ্রেসের ভূমিকা কি ? শোনা যাচ্ছে কংগ্রেস হয়তো প্রার্থী দিচ্ছে না কিন্তু বামেরা কি জোট মেনে প্রার্থী দেবে না নাকি একক ভাবে প্রার্থী দেবে ? কিন্তু একই ভাবে বিধানসভার বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারী ফের প্রার্থী হতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন বলে সূত্র মারফত খবর । প্রশ্ন হচ্ছে সেটি কি সত্যি হতে চলেছে নাকি স্রেফ হাওয়া গরম করা হচ্ছে । মতের উপর শুভেন্দু দাঁড়ালে ৩০ সেপ্টেম্বরের ভোট জমজমাট হবে বলাই বাহুল্য ।


Breaking News: ভোট ঘোষণায় উত্তরবঙ্গ সফর বাতিল করলেন মমতা

কলকাতাঃ ভবানীপুর কেন্দ্রে উপনির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন।  এখান থেকেই লড়বেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার জন্য উত্তরবঙ্গ সফর বাতিল করলেন তিনি। 

বিস্তারিত আসছে --


Mamata Banerjee: তরুণদের স্বপ্ন প্রকল্পের উদ্বোধনে মমতা!

নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইতিমধ্যেই সাংবাদিক বৈঠক করেন। এদিকে কৃতি ছাত্র -ছাত্রীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি জানান, ছাত্র- ছাত্রীদের জন্য তরুণদের স্বপ্ন প্রকল্পের উদ্বোধন করা হল । 

বিস্তারিত আসছে .......


শেম অন বিজেপি গভরনমেন্ট-কেন বললেন মমতা

কলকাতাঃ পেট্রল, ডিজেলের পাশাপাশি লাফিয়ে বাড়ছে রান্নার গ্যাসের দামও। বুধবার একলাফে ২৫ টাকা বেড়েছে রান্নার গ্যাসের দাম। তারফলে কলকাতায় ১৪.২ কেজি LPG-র সিলিন্ডারের দাম হয়েছে ৯১১ টাকা। বেড়েছে বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দামও। 

এই পরিস্থিতিতে বুধবার সন্ধেয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়    সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন,,"এটা মেনে নেওয়া যায় না। ক্ষমার অযোগ্য এটা। তাই আমি প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানাব, যাতে জনস্বার্থে তিনি দ্রুত ব্যবস্থা নেন। এবং জ্বালানির দাম এখনি কমান।”

পাশাপাশি একটি পোস্টার শেয়ার করেছেন তিনি। যেখানে লেখা, “শেম অন বিজেপি গভরনমেন্ট” অর্থাৎ বিজেপি সরকারের লজ্জা হওয়া উচিত।

Mamata Banerjee: প্রতিবছর মুখ্যমন্ত্রীর দফতরে ৫০০ পড়ুয়াকে ইন্টার্ন হিসেবে নিয়োগ, ঘোষণা মমতা

তৃণমূল  ছাত্র দিবসে এদিন ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য একটি বিশেষ বার্তা দিলেন। জানান, প্রতিবছর মুখ্যমন্ত্রীর দফতরে (CMO) ৫০০ ছাত্রছাত্রীকে শিক্ষানবিশ হিসেবে নিয়োগ করতে চলেছে রাজ্য সরকার। শিক্ষানবিশির পর ওই পড়ুয়াদের দেওয়া হবে শংসাপত্র। যা কাজে লাগবে চাকরিজীবনে। তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবসের অনুষ্ঠানে এ কথা ঘোষণা করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । মমতা  বলেন,'সিএমও-তে প্রতিবছর ৫০০ ইন্টার্ন নেব। যাঁরা উন্নয়নের কাজ দেখবে। তাঁদের একটা শংসাপত্র দেব। তা চাকরিজীবনে কাজে লাগবে। 

প্রতিবছর ৫০০ পড়ুয়াকে সিএমও-র ডেভলপমেন্ট ওয়ার্ক দেখবার জন্য ফিল্ডে ফিল্ডে পাঠাব।'নিজের অভিজ্ঞতার কথা বলে বড়দিদির মতো তৃণমূল নেত্রীর  পরামর্শ, ছাত্রছাত্রীরা মনে রাখবেন টাকা পয়সা নয়, আপনাদের সম্পদ আপনারা নিজেরা। মনে রাখবেন ভালো জামাকাপড় নয়, আপনাদের সম্পদ উন্নততর মানসিকতা।

নিজেকে দেখতে কেমন বাইরের আয়না দিয়ে দেখবেন না। অন্দরের আয়না দিয়ে দেখুন। আমি যখন কলেজে পড়তাম প্রথম বর্ষে জামা পরে যেতাম। দ্বিতীয় ও তৃতীয় বর্ষের জন্য মাত্র তিনটে শাড়ি ছিল। কিন্তু কোনওদিন মনে হয়নি একই শাড়ি পরে স্কুল পড়ুয়াদের মতো কলেজে যাচ্ছি। জামাকাপড় নো ম্যাটার, অলঙ্কার নো ম্যাটার। মানি ইজ নো ম্যাটার। মনে রাখবেন মানুষই ম্যাটার।'এদিকে পুজোর পর স্কুল খোলার কথা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিন এও বললেন, ছাত্র-ছাত্রীদের পড়াশোনা চালানোর কথা. এসময়টা খুব জরুরি। 

Mamata Banerjee: ত্রিপুরার নন্দীগ্রামে পা রাখবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়?

বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলে তৃতীয়বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিকে তৃণমূল ইতিমধ্যেই ত্রিপুরায় পা রেখেছেন। যদিও সেখানে তৃণমূল নেতারা চাইছেন, দলের শীর্ষ নেতারা প্রচার শুরু করুক নন্দীগ্রাম থেকেই। ভুলতে পারি নিজের নাম, ভুলবোনা গো নন্দীগ্রাম।---সদ্য সমাপ্ত বাংলার ভোটে এই স্লোগান বারবার তুলেছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলার নন্দীগ্রাম আসন থেকেই মোদী-শাহ বধের ডাক দিয়েছিলেন মমতা। যদিও নন্দীগ্রাম নিরাশ করেছে তৃণমূলকে। বিজেপির প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে অল্প ভোটে পরাজিত হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলার পাশাপাশি, ত্রিপুরার নন্দীগ্রামে এবার নজর তৃণমূল কংগ্রেসের। তবে এসবের বাইরে বাংলার সঙ্গে এমন একটা জায়গার মিল রয়েছে,যা অনেকের অজানা। সেটা হলো “নন্দীগ্রাম।” বাংলার নন্দীগ্রামের মত ত্রিপুরাতেও আছে “নন্দীগ্রাম।”

ত্রিপুরার দক্ষিণ জেলার সাব্রুমে রয়েছে নন্দীগ্রাম। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের হাত ধরেই এখন ত্রিপুরার অখ্যাত নন্দীগ্রামকেই রাজনীতির লাইম লাইটে নিয়ে আসতে চলেছে বাংলার শাসক দল। সাব্রুমের নন্দীগ্রামকে ভিত্তি করেই ত্রিপুরাতে বিজেপি’র বিরুদ্ধে লড়াই শুরু করছে তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূল সূত্রের দাবি, খুব শীঘ্রই ফের ত্রিপুরা রাজ্যে যাবেন একাধিক শীর্ষ স্তরের নেতা।

সূত্রের খবর সেপ্টেম্বরের প্রথম দিকে শীর্ষ নেতারা আসবে। এই শীর্ষ নেতাদের অনেকেই ত্রিপুরা রাজ্যে আসলে তাদের নিয়ে যেতে চায় তৃণমূল নেতৃত্ব সাব্রুমের নন্দীগ্রামে। এ কারণেই বাংলা থেকে আসা তৃণমূল নেতাদের বারবার নিয়ে যেতে চাওয়া হচ্ছে সাব্রুমের নন্দীগ্রামে।তৃণমূল কংগ্রেস সূত্রের খবর, বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ত্রিপুরায় আসলে সাব্রুমের নন্দীগ্রামে তাঁকে যাওয়ার অনুরোধ জানবেন রাজ্যের নেতারা।

তাঁরা চাইছেন সেখানে গিয়ে বাংলার নন্দীগ্রামের আওয়াজ তুলুন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।  আমার নাম, তোমার নাম,সিঙ্গুর, ভাঙড়, নন্দীগ্রাম।”–এই স্লোগান দিয়েই লড়াইয়ের ডাক দিতে চায় ত্রিপুরা তৃণমূল কংগ্রেস। বাংলার নন্দীগ্রাম একটি বিধানসভা কেন্দ্র।আর ত্রিপুরার দক্ষিণ জেলার অজ গ্রাম “নন্দীগ্রাম” একটি পঞ্চায়েত। তৃণমূলের এক শীর্ষ নেতা জানিয়েছেন,” মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ত্রিপুরাতে অবশ্যই আসবেন৷ আগেও এসেছেন তিনি। এই রাজ্যের মানুষের সাথে তার অনেক দিনের সম্পর্ক আছে। দলের শীর্ষ নেতারাও পরিদর্শন করবেন রাজ্যের প্রতিটি জেলা ও মহকুমা। 

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের এই পদক্ষেপ আগামী দিনে ত্রিপুরার জন্যে রাজনৈতিক ভাবেও অধিক তাৎপর্যপূর্ণ। বিজেপি অবশ্য কটাক্ষ করতে ছাড়েনি। তাদের এক নেতা জানিয়েছেন ,”এক রাজ্যের মন্ত্রীরা কিভাবে টানা দিনের পর দিন ত্রিপুরায় বসে থাকবেন? তাহলে কিভাবে চলবে তাদের রাজ্য?" অবশ্য নিন্দুকদের এই সমস্ত কথা-বার্তা নিয়ে ভাবতে রাজি নয় তৃণমূল।

তাদের বক্তব্য,”মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যা করেন ভেবে চিন্তেই করেন।এই মুহূর্তে মমতা বন্দোপাধ্যায় এলে ত্রিপুরায় তাদের দলের সংগঠন দ্রুত মজবুত হবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর দলের নেতাদের জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়েই মূলত তৃণমূলকে শক্তিশালী করে তুলতে ঘাস ফুল শিবিরের এই রণকৌশল।তৃণমূল নেতা আশিষলাল সিংহ  জানিয়েছেন, নন্দীগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েত ১৪ সালে তৃণমূলের তিনজন নির্বাচিত সদস্য ছিলেন। এদিকে আজ ছাত্র দিবস ত্রিপুরাতে পালন করা হবে.তৃণমূলের তরফে মিছিল বের করা হবে.  তবে কি এই নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পা রাখতে চলেছেন প্রশ্ন একটাই। 

আজ ছাত্র দিবসে মমতা!

শনিবার তৃণমূল ছাত্র দিবস । মূলত তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবস আজ । যদিও  মেয়ো রোডে প্রতিবছর নিয়ম করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাত্রছাত্রীদের উদ্যেশ্যে বক্তব্য রাখতেন । দুটি দিন মুখ্যমন্ত্রী নিয়ম করে জনতার দরবারে ভাষণ দেন একটি ২১ জুলাই অন্যটি ২৮ অগাস্ট । রাজনৈতিক জীবনের শুরুটা তাঁর ছাত্র আন্দোলন থেকেই শুরু হয়েছিল ৭০ দশকের মধ্যভাগ থেকে । মমতা বলেন যে ছাত্রছাত্রীরা রাজনীতির পথ শুরু করুক কলেজ জীবন থেকে । ছাত্র যুব করেই তিনি জননেত্রী হয়েছেন বলে দাবি দলের প্রবীণ নেতাদের ।

ব্যতিক্রম হবে না এবারেও কিন্তু ধর্মতলায় নয় এবারেও ভার্চুয়াল ভাষণ দেবেন তিনি ২১ জুলাইয়ের মতো । তিনি প্রাথমিক ভাবে বলতে পারেন রাজনৈতিক পাঠ নেওয়ার কথা । আসবে ধর্মনিরপেক্ষতার বার্তা । বলবেন আগামীদিনের দিত্বের কথা । আসবে ত্রিপুরার কথাও । কেন্দ্রের নীতির বিরুদ্ধে গর্জে উঠবেন তিনি কিন্তু দেখার বিষয়ে আফগানিস্তান নিয়ে কিছু বলেন নাকি । তবে এবারের চমক ,ক্যাষ্ট্রো-ছাত্রীর কাছ থেকে প্রশ্ন শুনে তার উত্তর দেবেন মুখ্যমন্ত্রী। 


Mamata Banerjee: মুখ্যমন্ত্রীকে খুনের হুমকি অধ্যাপকের

মুখ্যমন্ত্রী সম্পর্কে অশালীন মন্তব্য ও মন্ত্রীকে খুনের  ইচ্ছে প্রকাশ সোশ্যাল সাইটে। অভিযোগ দায়ের হল অধ্যাপক অরিন্দম ভট্ট্যাচার্যের বিরুদ্ধে। এদিন জুয়োলজির অধ্যাপকের বিরুদ্ধে লালবাজার সাইবার সেলে অভিযোগ দায়ের হল. তাঁর বিরুদ্ধে লালবাজারে অভিযোগ জানাতে চলেছেন তমাল দত্ত ও দেবর্ষি রায়। তাঁদের বক্তব্য, দীর্ঘদিন ধরেই ওই অধ্যাপক বিতর্কিত কথাবার্তা বলেন।


কিন্তু এতদিন তা হোয়াটসঅ্যাপের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। এবার কোনো কিছুকেই তোয়াক্কা না করে ফেসবুকে এই বিপজ্জনক মন্তব্যটি করেছেন তিনি। জানা গেছে, একটি ফেসবুক গ্রুপে রাজ্যসরকারের বিভিন্ন কর্মকান্ড নিয়ে তর্কবিতর্ক চলাকালীন হঠাৎ ‘মুখ্যমন্ত্রীকে হত্যা করতে চাই’ বলে ওঠেন অধ্যাপক।

তাঁর ধারাবাহিক মন্তব্য দেখে অনুমান করা হচ্ছে স্ত্রীর চাকরি না থাকার ব্যাপারেও তিনি রাজ্য সরকারের ওপর ক্ষিপ্ত। অভিযোগকারীদের বক্তব্য, একজন অধ্যাপক যদি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সম্পর্কে এ ধরনের মন্তব্য করেন, তা হলে নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়ে ভাবনাচিন্তার অবকাশ থাকে। সেই কারণেই তাঁরা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে লালবাজারে বিষয়টি জানাবেন। বর্তমানে শুধু রাজনীতি বলে নয় দুনিয়ার সব বিষয়কে নিয়েই ফেসবুকে আলোচনা, সমালোচনার ঝড় বয়ে যায়। কোথাও কোথাও তা এভাবেই মাত্রা ছাড়িয়ে সমাজের পরিকাঠামোকে তো ক্ষতি করেই পাশাপাশি এক বিকৃত মস্তিষ্কের চিন্তাভাবনা দ্বারা প্রভাবিত হয়ে অসামাজিক কাজ করতে অনুপ্রাণিত হয়ে পরেন অনেকেই।