গুণধর ছেলের কান্ড, পরিবারের ৪ জনকে খুন করে পুঁতে রেখেছিল ঘরে

মালদাঃ মা-বাবা-সহ পরিবারের ৪ জনকে নৃশংসভাবে খুন করে ঘরেই চার মাস পুঁতে রেখেছিল ছোট ছেলে। ইতিমধ্যেই গুণধর ছেলে আসিফ মহম্মদকে গ্রেফতার করেছে কালিয়াচক থানার পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে কালিয়াচকের পুরাতন ১৬ মাইল গ্রামে।

শনিবার ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতেই মাটি খুঁড়ে উদ্ধার করা হয়  চারজনের মৃতদেহ। ময়নাতদন্তের জন্য দেহগুলো মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

মালদার পুলিশ সুপার অলোক রাজোরিয়া জানান, 'কোল্ডড্রিঙ্কের মধ্যে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে পরিবারের চার সদস্যকে খাইয়েছিল আসিফ। এরপর তারা অচেতন হয়ে পড়ে। তারপর সুড়ঙ্গপথে জলের ট্যাঙ্কে ফেলে দেয় আসিফ। প্রত্যেকের মুখেই সেলোটেপ লাগানো ছিল। হাত-পাও বাঁধা ছিল বলে খবর। এমনকি ট্যাঙ্কের উপর মাটি ও বালি চাপা দেওয়া ছিল।  

 পুলিশের দাবি, ধৃত আসিফ মহম্মদ জেরায় জানিয়েছে, প্রায় ৪ মাস আগে মা-বাবা, বোন ও ঠাকুমাকে নৃশংসভাবে খুন করে গুদামঘরের জল ভর্তি চৌবাচ্চায় ফেলে দেয়। পরে চৌবাচ্চা থেকে চারজনের দেহ তুলে বাড়ি লাগোয়া গুদামঘরে পুঁতে রাখে। 

করোনাকালে মন্দায় আম

গোটা দেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়েছে। দিশেহারা মানুষজন। এদিকে গ্রীষ্মের ফল মানেই আম। যা বাঙালির কাছে খুব প্রিয়। তবে গতবছরের মত এবছরেও নেই সেভাবে আমের বিক্রিবাট্টা। যেখানে মুশির্দাবাদে প্রতিবছর আম চাষীরা আমের ব্যবসার দিকে চেয়ে থাকে। তবে এবছরও আমের ফলন থাকলেও নেই আমের বিক্রি। একদিকে মালদহ, মুশির্দাবাদের মত জায়গায় যেখানে আম বিখ্যাত।সেখানকার চাষীরা হতাশ হয়ে পড়ছে। তাদের মতে ,আম চাষ ভালো হলেও ,নেই আমের রপ্তানি। যদিও ব্যবসায়ীরা একাধিকবার জানাচ্ছেন, আমের বিক্রি নেই সেভাবে।ক্ষতির মুখে তাঁরা। যার একটাই কারণ লকডাউন।

ব্যাপক ক্ষতি আম ব্যবসায়
More Videos
03:27
Next Video
1. ব্যাপক ক্ষতি আম ব্যবসায়
Loading Ad
00:00
/
03:27
LIVE

এদিকে মালদহ ও মুশির্দাবাদে আমের চাষ হলেও তবে আম বিক্রির আসায় হতাশ চাষীরা। যদিও এবছর ইয়াস ঘূর্ণিঝড়ের জেরে কিছুটা আম চাষে ক্ষতি হয়েছে। কিন্তু আমের ফলন এবছর যে খুব একটা খারাপ তা নয়। আরেকটা দিক বলা যায়, লকডাউন থাকায় যানবাহন চলাচল বন্ধ। সেক্ষেত্রে দূষণ অনেকটা কম হচ্ছে। এরফলে আমের ফলন অনেখানি। তবে ব্যবসায়ীদের একাধিক মত , এই লকডাউনে মানুষের অর্থের অভাব ,যেটুকু খেতে হয় তাই । বিক্রি কম হওয়ায় যথেষ্ট ক্ষতি হচ্ছে আম বিক্রেতাদের। সামনেই জামাইষষ্ঠী কিন্তু কতটা আম বিক্রি হবে তা নিয়ে চিন্তিত আম ব্যবসায়ীরা। তবে লকডাউন দরুন আমের ব্যবসায়ে যথেষ্ট ক্ষতি হচ্ছে বলা যায়।

সোনালীর পর এবার তৃণমূলে ফিরতে চাইলেন বিজেপির সরলা

শনিবারই বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে ফিরতে চেয়ে আবেগঘন টুইট করেছিলেন প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক সোনালী গুহ। ২৪ ঘন্টার মধ্যেই আরেক বিজেপি নেত্রী ফিরতে চাইলেন পুরোনো দল তৃণমূলে। এবার আবেদন করলেন মালদা জেলা পরিষদের প্রাক্তন কর্মাধ্যক্ষ সরলা মুর্মু। তাঁর দাবি তৃণমূলে ফিরতে চেয়ে দলনেত্রীকেই চিঠি দিয়েছেন তিনি। তবে মালদা জেলা তৃণমূল নেতৃ্ত্বের দাবি, এরকম কোনও চিঠি তাঁরা পাননি।  প্রসঙ্গত, একুশের বিধানসভা ভোটের কয়েকদিন আগেই বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন সরলা মুর্মু। তাঁকে তৃণমূল হবিবপুর কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করেছিল। যেটা তিনি মেনে নিতে পারেননি। চেয়েছিলেন পুরাতন মালদহ থেকে লড়তে। কিন্তু দল সেই দাবি না মানলে তাতে অভিমান করেই তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন তিনি।


সরলার দাবি, বিজেপিতে গিয়েও কার্যত নিষ্কৃয় হয়ে বসে থাকতে হচ্ছিল। অপরদিকে তাঁকে ভোটে টিকিটও দেয়নি বিজেপি। সরলাদেবীর বক্তব্য, ভোটের ফল প্রকাশের পর মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, দলবদলকারীরা ফের দলে ফিরতে চাইলে তাঁদের স্বাগত। সেই কথাতেই তিনি ফের পুরোনো দলে ফিরতে চান এবং নেত্রীর সহযোদ্ধা হিসেবে লড়াই করতে চান। এই প্রসঙ্গে বিজেপির জেলা সভাপতি গোবিন্দ চন্দ্র মন্ডল বলেন এ বিষয়টি আমার জানা নেই। এ বিষয় নিয়ে কথা বলবো। অপরদিকে মালদা জেলা তৃণমূল যুব সভাপতি প্রসেনজিৎ দাস বলেন, তাঁকে (সরলা মুর্মু) শহর তৃণমূল যথেষ্ট সম্মান দিয়েছিল। প্রার্থীও করেছিল হবিবপুরে। কিন্তু তিনি দলকে বিপদে ফেলে পালিয়ে গিয়েছিলেন। এদের মেনে নেওয়া যাবে না, তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে রাজ্য নেতৃত্ব। তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ যদিও পরিস্কার করেছেন, যারা তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে গিয়েছিলেন তাঁদের ফিরে আসা নিয়ে দল এখনও কোনও নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়নি।

পদত্যাগ মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের সভাধিপতির

জেলা পরিষদের সভাধিপতি পদ থেকে পদত্যাগ করলেন মোশারফ হোসেন। মালদার ডিভিশনাল ম্যানেজার এবং মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তিনি তাঁর পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দিয়েছেন। প্রসঙ্গত, মোশারফ হোসেন বিধানসভা ভোটের আগে মোশারফ হোসেন তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগদান করেন। যদিও তিনি অধীর ঘনিষ্ঠ হিসেবে দীর্ঘদিনের কংগ্রেসকর্মী ছিলেন। পড়ে শুভেন্দু অধিকারীর হাত ধরেই তৃণমূলে যোগ এবং মালদা জেলা পরিষদের সভাপধিপতি হন। পরে শুভেন্দু বিজেপিতে যোগ দেওয়ায় তিনি কার্যত অভিভাবকহীন হয়ে পড়েন দলে। এরমধ্যেই বুধবার মুর্শিদাবাদের তৃণমূলের জেলা সভাপতি আবু তাহের খান জানান, ২৪ মে আনাস্থা আনা হবে মোশারফ মণ্ডলের বিরুদ্ধে। পাশপাশি তাঁর হুঁশিয়ারি, আইনি পদক্ষেপ করা হবে তাঁর সঙ্গে বাকি যাঁরা দলত্যাগ করেছিলেন তাঁদের বিরুদ্ধে। এরপরই চাপে পড়ে যান মোশারফ। হার বাঁচাতে পদত্যাগই করলেন শেষ পর্যন্ত।