প্রবল বর্ষণে মহারাষ্ট্রে ধস

প্রবল বৃষ্টিতে ধস নেমে মহারাষ্ট্রের রায়গড়ে মৃত্যু হল কমপক্ষে ৩০ জনের। কমপক্ষে ৩০ জন আটকে আছেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন উদ্ধারকারীরা। পুরো পরিস্থিতির উপর নজর রেখেছেন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে। এদিকে গত কয়েকদিন ধরে উপকূলবর্তী রায়গড়ে প্রবল বৃষ্টি চলছে। কার্যত থামছে না বর্ষণ। তার জেরে বৃহস্পতিবার রাতের দিকে মাহাডের তালি গ্রামে ধস নামে। কাদার আস্তরণে ঢেকে যায় একাধিক বাড়ি। কিন্তু দৃশ্যমানতা এতটাই কম ছিল যে গতরাতে উদ্ধারকাজ শুরু করা যায়নি।

শুক্রবার সকাল থেকে শুরু হয়েছে উদ্ধারকাজ। মুম্বইয়ের ১৬০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত মাহাড থেকে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা দল (এনডিআরএফ) এসে পৌঁছে গিয়েছে। রায়গড় জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী অদিতি তাতকাড়ে জানিয়েছেন, ২০ জন সদস্য-বিশিষ্ট স্থানীয় একটি দল উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে। ইতিমধ্যে এই ঘটনায় শোকপ্রকাশ জানিয়েছেন মুম্বইয়ের মুখ্যমন্ত্রী।




সোমবার থেকে মহারাষ্ট্রে লডাউনের বিধিনিষিধে ছাড়

মুম্বই: সোমবার থেকে মহারাষ্ট্রে লকডাউনের বিধিনিষিধে এবার ছাড় দেওয়া হল। শনিবার জানালেন,উদ্ধব ঠাকরে। মহারাষ্ট্রের যেসমস্ত জেলায় সংক্রমণ কম সেখানেই বিধিনিষেধ তোলা হবে।  এছাড়া ৫ দফা পরিকল্পনার মাধ্যমে তোলা হবে লকডাউন। এদিকে যেসমস্ত জেলায় সংক্রমণের হার ৫ শতাংশের নিচে ও  হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যায় কিছুটা কম । সেক্ষেত্রে বিধিনিষেধ তুলে দেওয়া হচ্ছে জেলাগুলিতে। যদিও প্রথম দফায় খোলা হবে এই লকডাউন। খোলা থাকবে রেস্তোরাঁ,শপিং মল,গণ পরিবহন, জিম ,সরকারি ও বেসরকারি অফিস থাকবে খোলা। এরপর সংক্রমণ বেশি হলে ধাপে ধাপে খোলা হবে.দ্বিতীয় পর্যায়ে ও বেশ কিছু খোলার অনুমতি দেওয়া হবে. তবে জেলাগুলিতে কোনওভাবে  জমায়েত করা যাবেনা। বিধিনিষেধ মেনেই চলতে হবে।  নাহলে ১৪৪ ধারা জারি করা হবে।  কিছুদিন আগেও সংক্রমণের হার বাড়তে মহারাষ্ট্রের  অবস্থা ভয়ঙ্কর ছিল। তবে লকডাউনে জেরে সংক্রমণ কম হওয়ায় এবার ৫ দফা পরিকল্পনামাফিক লকডাউন তোলার প্রস্তুতি শুরু মহারাষ্ট্রে।

মহারাষ্ট্রে শুরু আনলক পর্ব, বন্ধ থাকবে ট্রেন পরিষেবা

মহারাষ্ট্র: করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়তে মহারাষ্ট্রের পরিস্থিতি ছিল ভয়ংকর। প্রতিনিয়ত সেখানে বেড়েছে  সংক্রমণের সংখ্যা।  তবে লকডাউনের জেরে ধীরে ধীরে কমেছে সংখ্যাটা। ইতিমধ্যে পাঁচটি স্তরে শুরু হচ্ছে আনলক পর্ব। বৃহস্পতিবার ঘোষণা করলেন  মহারাষ্ট্রের সরকার। অন্যদিকে মহারাষ্ট্রে একটি তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। যেখানে সংক্রমণের হার, হাসপাতালে বেডের সংখ্যা, অক্সিজেনের যোগান এগুলি আওতায় থাকবে। তবে যে জায়গাগুলিতে সংক্রমণের হার কমেছে সেটি প্রথমস্থানের তালিকায় থাকবে।

এদিকে বুধবারের সমীক্ষা অনুযায়ী, ৮০ শতাংশ সংক্রমণের হার কমেছে. যদিও জেলাভিত্তিক যেখানে সংক্রমণের হার কম থাকবে সেখানে তুলে দেওয়া হবে লকডাউন। তবে আনলক পর্ব শুরু হলেও ট্রেন পরিষেবা থাকবে বন্ধ।