আপন মর্জিমতো বাস ভাড়া নেওয়ার পরিকল্পনা বাস মালিকদের

এবার যাত্রী ভাড়ার  পাশাপাশি বাড়ছে ডিজেলের দাম. বেশ কয়েকমাস  ধরে চলছে বাস মালিকদের তরফে ভাড়া বৃদ্ধি র দাবি।  এদিকে বাস মালিক সংগঠনের সঙ্গে একাধিকবার রাজ্য সরকার বৈঠক করলেও  কোনোরকম সুরাহা মেলেনি। ডিজেলের দাম অস্বাভাবিক বাড়ছে তার জেরেই বাস মালিক সংগঠনের ভাড়া বৃদ্ধির না হওয়ার আসায় এবার যাত্রীদের কাছ থেকে অনুদান হিসেবে  বাড়তি বাস ভাড়া নেওয়ার  সিদ্ধান্ত নিল বাস মালি সংগঠন। ইতিমধ্যে বিভিন্ন রুটের বাসগুলোতে পোস্টের মারা হয়েছে। প্রায় ৩০ টি রুটের বসে এই পোস্টের লাগানো হয়েছে। ২২৩,২২৭, ৪৫,৭৯ বি.৯১ উল্লেখ আরো অনেক বসেই এই পোস্টের।

আনলক পর্ব থেকেই যদিও বাস চালু হলএ ও বাস ভাড়া কিলোমিটার প্রতি বার্তার থাকে।এরপর পেট্রল ডিজেলের অস্বাভাবিক দামের জেরে ভাড়া বাড়ানোর দাবি জানায়। চলতি মাস থেকেই বাসের ভাড়া যাত্রীদের থেকে নেওয়া হচ্ছে বাড়তি।এক এক জায়গা থেকে বাসগুলি যাত্রীদের কাছ থেকে যেভাবে খুশি ভাড়া নিচ্ছে। তবে ডিজেলের দাম বাড়ায় এবার অনুদান হিসেবে যাত্রীদের কাছ থেকে বাড়তি ভাড়া নেওয়ার  পরিকল্পনা বাস মালিকদের। কিলোমিটার প্রতি ভাড়া বাড়িয়ে ১০ টাকা, ১২ টাকা,১৪ টাকা। বাসে  লাগানো পোস্টারের  ওপর ভিত্তি করেই এখন থেকে বাড়তি ভাড়া নেবে যাত্রীদের কাছের থেকে। বেসরকারি বাস মালিক সংগঠনগ বারবার রাজ্য সরকারকে  জানিয়েও কোনো সুরাহা পাচ্ছেনা তাই এই সিধান্ত নেওয়া  হলআপন মর্জিমতো বাস ভাড়া নেওয়ার পরিকল্পনা বাস মালিকদের

বেহালা পূর্বে কী স্বামী স্ত্রীর মধ্যে লড়াই?

এখনও রাজ্যের কোনও বিধানসভা কেন্দ্রে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেনি বিজেপি বা তৃণমূল কংগ্রেস। কিন্তু ইতিমধ্যেই জল্পনা শুরু হয়েছে কয়েকটি আসন নিয়ে। যেমন বেহালা পূর্ব বিধানসভা কেন্দ্র। এই কেন্দ্রের বিদায়ী বিধায়ক শোভন চট্টোপাধ্যায়। যিনি ২০১৬ সালে তৃণমূলের টিকিটে জিতলেও বর্তমানে বিজেপিতে যোগদান করেছেন। এখানে হয়তো তাঁকেই টিকিট দেবে বিজেপি। কিন্তু তাঁর বিরুদ্ধে প্রার্থী কে? ওই হেভিওয়েট সিটে তৃণমূলের টিকিট কে পাচ্ছেন সেটা নিয়েই মূলত জল্পনা। সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, তৃণমূল শোভন চট্টোপাধ্যায়ের স্ত্রী রত্নাকে এই কেন্দ্রের জন্য প্রস্তুত থাকতে বলেছে। উল্লেখ্য, ১৪ আগস্ট, ২০১৯ সালে শোভন তাঁর বান্ধবী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। অনেক জলঘোলার পর অবশেষে তাঁরা বিজেপির হয়ে প্রচারে নামছেন নিয়ম করেই। তারপরই তৃণমূল রত্নাকে বেহালা পূর্বের দায়িত্ব দেয়। যদিও একসময় শোভন বিজেপির সাথে দূরত্ব তৈরি করায়, ‘ধীরে চলো’ নীতি নিয়েছিল তৃণমূল। কিন্তু এবারে বিজেপির হয়ে পুরোদস্তুর প্রচারে নেমে গেছেন কলকাতার প্রাক্তন মেয়র। ফলে আর শোভনের নিত্য পরিবর্তন মুডকে আমল দিতে রাজি নয় তৃণমূল। ফলে রত্নাকে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে বলেই জানা যাচ্ছে। আর এটা হলে রাজ্যের এই কেন্দ্রে ভোটের ময়দানে আমনা-সামনি দেখা যাবে স্বামী-স্ত্রীকে।
প্রসঙ্গত ওই অঞ্চলের দীর্ঘদিনের কাউন্সিলর শোভন চট্টোপাধ্যায়। পরে বিধায়ক হন বেহালা পূৰ্ব কেন্দ্র থেকে জিতে। এবারে বিজেপি কি করতে পারে এই নিয়েই তীব্র জল্পনা বাংলার রাজনৈতিক মহলে।  বিজেপি চট করে জয়ী প্রার্থীর অঞ্চল পরিবর্তনের পথে যায় না বলেই দলীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে। তাই বেহালা পূর্বে শোভন চট্টোপাধ্যায়কেই হয়তো দেখা যাবে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে। অপরদিকে দীর্ঘদিন স্ত্রীর সঙ্গে কোনও যোগাযোগ নেই শোভনের। কিন্তু তাহলেও স্বামী-স্ত্রীর এহেন ভোটযুদ্ধ মেনে নেবেন কি বেহালা পূর্বের অধিবাসীরা? ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে এমন ঘটনা আছে কি? আপাতত এখন এই প্রশ্নগুলিই ঘুরপাক খাচ্ছে বাংলার রাজনৈতিক মহলে।    

মার্চের শুরুতেই অমিত শাহ রোড শো করবেন উত্তর ও দক্ষিণ কলকাতায়

ফের রাজ্যে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এবার তাঁর বঙ্গ সফর সীমাবদ্ধ থাকবে মূলত কলকাতা শহরেই। দু’দিন তিনি কলকাতায় থাকবেন। রয়েছে একাধিক কর্মসূচি। এরমধ্যে অন্যতম হল ২ মার্চ উত্তর কলকাতার টালা থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত রোড শো। এবং  পরের দিন অর্থাৎ ৩ মার্চ তিনি রোড শো করবেন দক্ষিণ কলকাতার রাসবিহারী থেকে রবীন্দ্র সদন পর্যন্ত। এমনকি মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির কাছেই হাজরা মোড়েও জনসভা করতে পারেন অমিত শাহ। যদি শুক্রবার পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করে দেয় নির্বাচন কমিশন তবে এরপর এটাই হবে শাহর প্রথম বঙ্গ সফর। বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, নির্বাচনী বিধি লাগু হয়ে গেলে কেউই আর প্রতিশ্রুতি দেওয়া বা কোনও ঘোষণা করতে পারবেন না। সেটা আগাম আঁচ করেই অমিত শাহর সফরসূচিতে বেশিরভাগই রোড শো রাখা হয়েছে।

দশ বছর পর অবশেষে চালু হল নোয়াপাড়া-দক্ষিণেশ্বর মেট্রো

দশ বছরের প্রতীক্ষার অবসান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হাতেই নোয়াপাড়া থেকে দক্ষিণেশ্বরের দিকে মেট্রোর চাকা গড়াল। সোমবার বিকেলে ভার্চয়াল মাধ্যমে সবুজ পতাকা নাড়িয়ে কলকাতা মেট্রোর সম্প্রসারিত অংশের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই সঙ্গেই দক্ষিণেশ্বর মেট্রো স্টেশন থেকে প্রথম মেট্রো রেকটি রওনা দিল নোয়াপাড়ার দিকে। যদিও এই ট্রেনে সাধারণ যাত্রী ছিল না। রেলের আধিকারিক কর্মীদের নিয়েই ছুটল এই লাইনে প্রথম মেট্রো। তবে আগামীকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার সকাল থেকেই সাধারণ যাত্রীদের নিয়ে ছুটবে কবি সুভাষ থেকে দক্ষিণেশ্বরগামী মেট্রো। এদিন হুগলির সাহাগঞ্জে একটি দলীয় সভায় ভাষণের পর রেলের একটি সরকারি অনুষ্ঠানে হাজির হন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এখান থেকেই তিনি রেলের একাধিক প্রকল্পের উদ্বোধন করেন।


দক্ষিণেশ্বর থেকে নোয়াপাড়া পর্যন্ত ৪.১ কিলোমিটার পর্যন্ত সম্প্রসারিত মেট্রোপথের উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশে যোগাযোগ ব্যবস্থা যত ভাল হবে আত্মনির্ভরতা ততই মজবুত হবে। তিনি আরও বলেন, সড়কপথে দক্ষিণেশ্বর থেকে নিউ গড়িয়া পর্যন্ত যেতে যেখানে আড়াই ঘন্টার বেশি সময় লাগে, সেখানে এই মেট্রো পথে মাত্র ১ ঘন্টা লাগবে। পাশাপাশি তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গে রেলের প্রকল্পগুলিতে কৃষি অঞ্চলের সঙ্গে শিল্পাঞ্চলের যোগাযোগ বাড়বে। মহারাষ্ট্র থেকে শালিমার পর্যন্ত কিষান রেলের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিন এই অঞ্চলের কৃষকদের সুবিধার কথা উল্লেখ করেছেন।

দোল পর্যন্ত হালকা ঠান্ডা থাকবে

করোনা আবহে গত দু মাস শীত যেন অনেকটা চেন্নাইয়ের পিচের মতই খেলছিল। কেউ বুঝে ওঠার আগেই কখনও শীতল কখনও উষ্ণতা ছড়াচ্ছিল খামখেয়ালি আবহাওয়া। কিন্তু ক্যালেন্ডারের হিসাবে এখন বসন্তকাল। সাধারণত এই সময়ে একদিকে যেমন কোকিলের 'কুহু' ধ্বনি শোনা যায়, তেমনই দক্ষিণী বাতাসে থাকে শিরশিরে শীতের অনুভূতি। কিন্তু এখনও সেরকম পরিস্থিতি আসেনি। আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, শনিবার আকাশ মেঘলা থাকবে, বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে রাজ্যের কয়েকটি জেলায়। অবশ্য কলকাতার সঙ্গে  সমগ্র দক্ষিণবঙ্গের বাতাবরণ এক নয়। অন্যদিকে উত্তরবঙ্গে এখনও ঠান্ডা রয়েছে বেশ।
শনিবারের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২১.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের চেয়ে ২ ডিগ্রি বেশি। সর্বোচ্চ ৩০.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। আকাশ মেঘলা থাকবে, হালকা বৃষ্টিও হতে পারে। হাওয়া অফিস সূত্রে জানা যাচ্ছে দোল পর্যন্ত হালকা ঠান্ডা থাকবে। আপাতত উত্তুরে হওয়া বইবে, এই মেঘলা আবহাওয়া কেটে গেলে দক্ষিণী হওয়া ঢুকতে শুরু করবে দক্ষিণবঙ্গে।     

রাজ্যজুড়ে বৃষ্টির পুর্বাভাস

শীতের বিদায় নিশ্চিত, কিন্তু এরই মাঝে বৃষ্টির ভ্রুকুটি দেখা দিল। আলিপুর হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, শীত বিদায় নিচ্ছে বঙ্গ থেকে ফলে স্বাভাবিক নিয়মেই তাপমাত্রার পারদ চড়ছে। এই পরিস্থিতিতে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে রাজ্যজুড়েই। হাওয়া অফিসের পুর্বাভাস, সোমবার থেকেই আকাশ মেঘলা হতে শুরু করবে। এবং উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। আগামী তিনদিন উত্তরবঙ্গের পার্বত্য অঞ্চলে বৃষ্টি হবে। বৃষ্টি হতে পারে পশ্চিমাঞ্চলের পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, দুই মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম এবং হাওড়া জেলাতেও। তবে কলকাতা এবং দুই ২৪ পরগনায় আপাতত বৃষ্টির পুর্বাভাস নেই। ফলে গরমে হাঁসফাঁস করতে হবে কলকাতা এবং শহরতলির বাসিন্দাদের। সোমবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২০.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বোচ্চ ২৯.২ ডিগ্রি।

২৪-এ পা সিটিভিএন-এর

ষোল আনাই বাঙালিয়ানা স্লোগান নিয়ে এক বাঙালি উদ্যোগপতি খুলেছিলেন একটি বাংলা চ্যানেল সিটিভিএন একেডি। ৯০ দশকের শেষে চ্যানেল খোলার ইচ্ছা বা সাহস এ রাজ্যে কারও ছিল না। কারণ বাজারে তখন সরকারি প্রচারমাধ্যম এবং সাথে সর্বভারতীয় বিনোদন চ্যানেল তার সাথে মানুষের বাড়িতে ভিসিআর, যেখানে ক্যাসেট সেট করলেই টাটকা হিন্দি ছবি। ছোট্ট একটি ফ্ল্যাটবাড়িতে চলা শুরু তাও কেবলের মাধ্যমে। ছিল বাংলা গান, উত্তমকুমারের বাংলা ছবি, টলিউড থেকে বিভিন্ন মহলের সেলেবদের সাক্ষাৎকার। প্রথমে একঘন্টা, তারপর ৮ ঘন্টা এবং অবশেষে ২৪ ঘন্টার বাংলা অনুষ্ঠান।

একটা সময়ে শুরু হল বাংলা খবর, রাজনৈতিক অনুষ্ঠানও। প্রয়াত প্রণব মুখোপাধ্যায় থেকে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য কিংবা স্টুডিওর বাইরে ভোটবাজার ধরতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে সুভাষ চক্রবর্তী থেকে কে নয়! ২০০৫-৬ সালে স্যাটেলাইটে এল সিটিভিএন একেডি প্লাস। শিক্ষা, ব্যবসা,রাজনীতি ইত্যাদি থেকে দূরাভাষে বাণিজ্য। টেলিভশন জগতে সিটিভিএনই প্রথম লাইভ ফোন অনুষ্ঠান শুরু করে। দর্শকরা ফোন করে কেনাকাটা থেকে শিক্ষাগ্রহণ  সবই চলতে থাকে সিটিভিএন একেডিতে। তারপর একে একে নতুন চ্যানেলের হাত ধরেই চলে এল টিভি বিশ্বে। উত্তরবাংলা, ক্যালকাটা নিউজ বা সিএন। আগামীতে আসছে সিএন রাষ্ট্রীয়। ভরা সংসার আজ একেডি গ্রূপের। আজ ১৫ ফেব্রুয়ারি ২৩ পূর্ণ করে ২৪-এ পা দিল ষোলোআনাই বাঙালিয়ানা সিটিভিএন একেডি।        


শতবর্ষে বিড়ম্বনা, রোজভ্যালি কাণ্ডে ইস্টবেঙ্গলকে চিঠি দিল CBI

ইস্টবেঙ্গলের শতবর্ষ চলছে। এরমধ্যেই রোজভ্যালি কাণ্ডের তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই ইস্টবেঙ্গল ক্লাবে চিঠি দিল। ক্লাবের হিসাবরক্ষক দেবদাস সমাজদারকে ডেকে পাঠানোর পাশাপাশি ক্লাবকেও চিঠি দিয়েছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। আর এই ঘটনা সামনে আসতেই চরম অস্বস্তিতে লাল-হলুদ কর্তারা। উল্লেখ্য, এর আগে সারদা কাণ্ডেও নাম জড়িয়েছিল ইস্টবেঙ্গলের। ক্লাবের পরিচালক মণ্ডলীর অন্যতম কর্তা দেবব্রত সরকার ওরফে নিতুকে জেলও খাটতে হয়েছিল। এবার রোজভ্যালি কাণ্ডেও নাম জড়িয়ে গেল ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের অন্যতম কর্তা দেবদাস সামজদারের। সিবিআই সূত্রে জানা যাচ্ছে, রোজভ্যালি কর্তা গৌতম কুণ্ডুর সাথেও ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের অর্থনৈতিক যোগ ছিল। প্রশ্ন উঠেছে এই যোগ কি ব্যক্তিগত নাকি ক্লাব সংক্রান্ত? এই বিষয়ে জানতে সিবিআই দুটি চিঠি পাঠিয়েছে ক্লাবে। কিন্তু এরপরও ইস্টবেঙ্গল কর্মকর্তারা নীরব রয়েছেন। যদিও সিবিআইয়ের চিঠির ঘটনা সামনে আসতেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ক্লাবের বর্তমান ইনভেস্টররা।  

সিবিআই সূত্রে জানা যাচ্ছে, ২৯ ডিসেম্বর ক্লাব এবং হিসাবরক্ষক দেবদাস সমাজদারকে চিঠি দিয়েছিল সিবিআই।  কিন্তু চিঠি যাওয়ার পরও কোনও উত্তর আসেনি। ফলে ফের গত ৫ জানুয়ারী চিঠি পাঠানো হয় ক্লাব সভাপতি ডাঃ প্রণব দাশগুপ্তের কাছে। কিন্তু তারও উত্তর দেওয়া হয়নি ক্লাবের তরফ থেকে। সবমিলিয়ে শতবর্ষের বছরে এই ঘটনা কাম্য নয় বলেই জানিয়েছেন ক্লাবের বিনিয়োগকারী শ্রী সিমেন্টের কর্ণধার হরিমোহন বাঙুর। তিনি জানিয়েছেন, এক সময়ে চিটফান্ড কাণ্ডে যুক্ত থাকা সুদীপ্ত সেন এবং গৌতম কুণ্ডুকে দলের ক্লাবের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। তবে কেন এখন যাদের নাম উঠে আসছে তাঁদের বহিস্কার করা হবে না? এমনিতেই ক্লাব কর্তৃপক্ষ এবং ইনভেস্টরদের মধ্যে সম্পর্ক ঠিক নেই। এবার সিবিআইয়ের চিঠি নতুন করে সমস্যা তৈরি করল লাল-হলুদের অন্দরে। ফলে শতবর্ষে মহা সংকটে ইস্টবেঙ্গল।  

খুন নাকি আত্মহত্যা? দমদমের ফ্ল্যাটে জোড়া মৃতদেহ উদ্ধারে রহস্য

দমদম গোড়াবাজারের কাছে যোগেশ এপার্টমেন্টে বন্ধ ফ্ল্যাটের ভিতর থেকে উদ্ধার ভাই বোনের পচাগলা মৃতদেহ। দমদম থানার পুলিশ গিয়ে দলজা ভেঙে দেহ উদ্ধার করে। ঘটনার পর তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে গোড়াবাজার এলাকায়। যদিও স্থানীয় বাসিন্দা এবং প্রতিবেশীদের দাবি, তাঁরা ভাই-বোন কিনা সেটা স্পষ্ট নয়।