এবারে কেরালায় 'কেরালা তৃণমূল কংগ্রেস'

কেরালাঃ পশ্চিমবঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূলের বিপুল জয়ের পর কেরালায় পরাজিত কগ্রেস এবং তাদের জোট সঙ্গী ফরোয়ার্ড ব্লক, দল ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেস গড়তে চাইছে | এর আগে ২০১১ তে একবার কেরালায় তৃণমূল কংগ্রেস গড়ে উঠেছিল কিন্তু ওই রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত মুকুল রায় প্রমুখরা ওই দল ধরে রাখতে পারেন নি | এবারে কংগ্রেস এবং ফরোয়ার্ড ব্লকের তরুণরা একজোট হয়ে কেরালা তৃণমূল গড়তে চাইছেন |

এই বিষয়ে কংগ্রেসের যুব নেতা মনোজ শংকরণেল্লু জানান, বর্তমানে কেরলের সিপিএম গোপনে বিজেপির সাথে বোঝাপড়া করে ভোট জিতেছে | ওই দুই দলের লক্ষই ছিল কংগ্রেস মুক্ত কেরালা | অন্যদিকে একসময় তৃণমূল করা ড.দেবরাজন বর্তমানে ফরোয়ার্ড ব্লক করছেন কিন্তু তিনি ও তার বিশাল সংগঠন তৃণমূলে যোগ দিতে চাইছে | এ বিষয়ে তাঁদের প্রাথমিক কথাও হয়ে গিয়েছে  যে কোনও দিন দিল্লিতে বসে তৃণমূলের নেতাদের সাথে আলোচনা করে দল গড়বেন তারা | দেবরাজন জানান, এখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অপরিহার্য্য নেত্রী | তিনিই পারেন মোদিরাজ কে পরাজিত করতে |    

ফের লকডাউনের মেয়াদ বাড়ল কেরলে

লকডাউনের মেয়াদ বাড়ল ফের কেরলে। করোনা সংক্রমণের হার কমাতেই রাজ্য সরকারের এমন সিদ্ধান্ত। আগমনী ৯ জুন পর্যন্ত চলবে কেরলে  লকডাউন। এদিকে শনিবার স্বাস্থ্য আধিকারিকের সঙ্গে বৈঠক করেন  কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনরাই বিজয়ন। এরপর লকডাউন  ঘোষণা করেন কেরলের সরকার। দেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়াতে ৮ মে থেকে ১৬ মে পর্যন্ত লকডাউন ঘোষণা করা হয়। এরপর মেয়াদ  বাড়িয়ে ৩০জুন পর্যন্ত করা  হয়।  এদিকে রবিবার মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই লডাউনের দিন বাড়ানো হল।  যদিও শুক্রবার নতুন করে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২২ হাজারের বেশি। যার জেরে সংক্রমণ ঠেকাতেই সরকারের এই সিদ্ধান্ত।
                                    

ঘূর্ণিঝড় তকতে-র দাপট শুরু কেরল ও কর্নাটকে, তছনছ ৭৩ গ্রাম, মৃত ৪

এখনও উপকূলে পুরোপুরি আছড়ে পড়েনি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘তকতে’ (Cyclone Tauktae)। পুরো দাপটও দেখায়নি ঘূর্ণিঝড়। তাতেই ত্রাহি ত্রাহি রব দক্ষিণের কয়েকটি রাজ্যের মানুষের। কর্নাটকের ৬টি জেলার ৭৩টি গ্রাম কার্যত তছনছ করেছে ঘূর্ণিঝড় ‘তকতে’। মৃত্যু হয়েছে কমপক্ষে ৪ জনের। কর্নাটক রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের তরফে জানানো হয়েছে এই কথা।  রবিবার ভোরেই কর্নাটকের উপকূলে প্রবেশ করেছে ঘূর্ণিঝড় ‘তকতে’। সংবাদ সংস্থা এএনআই-কে এই খবর জানিয়েছেন কর্নাটকের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাসবরাজ বোম্মাই।

তিনি আরও জানিয়েছেন, তাকতে-র দাপটে রীতিমতো বিধ্বস্ত উপকূলবর্তী ৭৩টি গ্রাম। রাজ্যে মোতায়েন করা হয়েছিল জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর দুটি দল এবং রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীরও তিনটি দল। পাশাপাশি এই অঞ্চলে রাজ্যের ১০০০ জনের বিশেষ দল উদ্ধার কাজে হাত লাগিয়েছেন। কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী বিএস ইয়েদুরাপ্পা জানিয়েছেন, উপকূলবর্তী এলাকায় আমরা ঘূর্ণিঝড়ের পরিস্থিতির উপর নজর রাখছি।উদ্ধারকাজ  যাতে ঠিকভাবে চলে তার জন্য নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে ওই জেলাগুলির জেলাশসক এবং বিধায়কদের সঙ্গে।


অপরদিকে কেরলে ইতিমধ্যেই এই সাইক্লোনের  প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। গতকাল সকাল থেকেই টানা বৃষ্টিপাত চলছে। গতকাল রাতে কেরলের বহু জায়গায় কার্যত বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়ে গিয়েছে। কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন রাজ্য প্রশাসনকে সবরকমভাবে প্রস্তুত রেখেছেন। তিনি টুইট করে জানিয়েছেন, কেরলে ইতিমধ্যেই ১৭টি ত্রাণ শিবির খোলা হয়েছে। প্রায় সাড়ে ৫০০টি পরিবারকে সেখানে সরানো হয়েছে। আজ দিনভর কেরলে এই সাইক্লোনের প্রভাব পড়তে পারে। দিল্লির মৌসম ভবন জানিয়েছে, আরব সাগরে তৈরি হওয়া সাইক্লোন তাকতে (Cyclone Tauktae) নিজের শক্তি বাড়িয়েই চলেছে। আগামী ১২ ঘণ্টার মধ্যে সে মারাত্মক আকার নেবে। অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিনত হতে পারে ‘তকতে’। মঙ্গলবারই সর্বশক্তি নিয়ে গুজরাট উপকূলে আছড়ে পড়বে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর।