পুঞ্চে ড্রোনের সাহায্যে অস্ত্র ও গোলাবারুদ ফেলেছে পাকিস্তান

ঈদের ২৪ ঘন্টার মধ্যেই ভারত-পাক আন্তর্জাতিক সীমান্তে অস্ত্র ও গোলাবারুদ ফেলার অভিযোগ উঠল পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। এরমধ্যেই দু’দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে ঈদের মিস্টি ও কুশল বিনিয়ম হয়। এরপরই পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ড্রোনের মাধ্যমে বিপুল পরিমান অস্ত্র ও গোলাবারুদ ফেলার অভিযোগ আনল ভারতীয় সেনা। ঘটনাটি জম্মু ও কাশ্মীরের পুঞ্চ সেক্টরে। জম্মু সীমান্তের বিএসএফের ডিআইজি এসপিএস সন্ধু ‌এই প্রসঙ্গে বলেন, ‘‌শুক্রবার ভোরে সাম্বা সেক্টরের আন্তর্জাতিক সীমান্তের রিগ্যাল পোস্টের কাছে অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করেছে বিএসএফ জওয়ানেরা’। তিনি আরও জানান, ভারতের সীমানার ২৫০ মিটার ভিতরে এই অস্ত্রগুলো চোরাচালান করা হয়েছে। সেগুলি পলিথিনের প্যাকেটে মোড়া ছিল, সম্ভবত লিঙ্কম্যানদের সাহায্যে সেগুলি জঙ্গিদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হত।


বিএসএফের ডিআইজি জানিয়েছেন, একেকটি প্যাকেটে একটি একে-৪৭ রাইফেল, ৯টি নাইন এমএম পিস্তল, একটি ৯ এমএম ম্যাগাজিন এবং ১৫টি পিস্তলের খোল উদ্ধার হয়েছে। সেই সঙ্গে পাওয়া গিয়েছে ড্রোনের ধারণ ক্ষমতা অনুযায়ী একটি কাঠের ফ্রেম। ফলে ধরে নেওয়া হচ্ছে ড্রোনের সাহায্যে অস্ত্র ও গোলাবারুদগুলি ভারতীয় সীমানায় ফেলা হয়েছে। এই ঘটনার পরই আন্তর্জাতিক সীমান্ত চুক্তি লঙ্ঘনের প্রতিবাদে তৎক্ষণাৎ পাক বাহিনীকে নোট জমা দেওয়া হয়। কিন্তু তারা সব সময়ই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। তবে সীমান্তরক্ষী বাহিনী এবং সেনাবাহিনীর মতে এটা বড়সড় সাফল্য।

কাশ্মীরে বিশ্বের উচ্চতম রেল সেতুটি ‘আকার’ নিল

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির স্বপ্ন দ্রুত কাশ্মীর উপত্যাকার সঙ্গে গোটা দেশের রেল যোগাযোগ স্থাপন করার। তাঁরই নির্দেশে দ্রুততার সঙ্গে চলছে পাহাড় কেটে রেলপথ নির্মানের কাজ। কঠিন এই পথে একমাত্র বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল চেনাব নদী। নদী থেকে ৩৫৯ মিটার উঁচুতে ব্রিজ নির্মান করার চ্যালেঞ্জ নিয়েছিল ভারতীয় রেল। যা এককথায় অকল্পনীয়, কিন্তু শেষ পর্যন্ত ওই রেল সেতুর নির্মান কাজ প্রায় শেষে পথে। এপ্রিল মাসের শেষের দিকে ব্রিজটির ইস্পাত খিলানের (Steel Arch) শেষ ভাগটি সফলভাবে স্থাপন করেছেন ইঞ্জিনিয়াররা। এবার নীচের অংশটি (যেখান দিয়ে ট্রেন যাতায়াত করবে) জুড়লেই ব্রিজটি নির্মান সম্পন্ন হবে।



শুনলে আশ্চর্য হবেন, এই রেল ব্রিজটি প্যারিসের বিখ্যাত আইফেল টাওয়ার বা দিল্লির কুতুব মিনারের থেকেও উঁচুতে তৈরি হচ্ছে। ফলে রেলের তরফে চেনাব ব্রিজকে ঐতিহাসিক আখ্যা দেওয়া হয়েছে। রেলের তরফে জানানো হয়েছে, একাধিক চ্যালেঞ্জ ও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই সেতুর কাজ করেছেন কর্মীরা। ভৌগলিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ এই জায়গায় ব্রিজ নির্মান খুবই কঠিন কাজ ছিল। তবুও আর্চ বটম স্থাপন করার পর আর বেশি কাজ বাকি থাকল না বলেই জানাচ্ছেন নির্মানকারী সংস্থা। ১.৩ কিলোমিটার লম্বা ব্রিজটি তৈরি করতে খরচ হচ্ছে ১,৪৮৬ কোটি টাকা।