দুনিয়াটা এভাবেই চলে', মন্তব্য নিখিলের

বেশকয়েকদিন ধরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় নুসরাত ও নিখিলের বৈবাহিক জীবন নিয়ে নানা কথা উঠে আসছে । এরপর এও প্রশ্ন উঠছে তাহলে নুসরাত জাহান আর নিখিল জৈনের সম্পর্কটা আসলে ঠিক কী? বিয়ে না লিভ ইন ? এই নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রোল শুরু হয়ে গেছে। কখনও বা নেতাগরিকদের একাধিক প্রশ্ন। এই সবকিছুর মধ্যেই শনিবার ইনস্টাগ্রামে নিজের মনের কথা তুলে ধরলেন নিখিল। 'অনেক জায়গায় ঘুরছি , দুনিয়াটা এভাবেই চলে, কোনও হাসি নেই,মজা নেই, নেই সৌন্দর্য্য। এদিকে কয়েকদিন ধরেই তাদের মনোমালিন্যের খবর উঠে আসছে। আবার অভিনেত্রী যেখানে নিজেই মা হতে চলেছেন। সেই কথা বারবার উঠছে। যেখানে তাঁর সময় নিখিল জৈন জানালেন,অভিনেত্রীরই সন্তানের বাবা তিনি নন. একাধিকবার অভিনেতা যশের নাম উঠে এসেছে। যদিও শুক্রবার নুসরাত বেবি বাম্পের ছবি পোস্ট করেছেন। এদিকে নুসরাত তার বিয়ে নিয়ে পাল্টা বিবৃতি দেয়। এই নিয়ে চলছে তরজা। এরপর নিখিল নিজের মনের কথা আজ সোশ্যাল মিডিয়ায় তুলে ধরলেন।

ফের রাহুল- প্রিয়াঙ্কা কি এক হতে চলেছেন,পোস্ট ঘিরে জল্পনা

ফের টলিপাড়ায় গুঞ্জন রাহুল ও প্রিয়াঙ্কাকে নিয়ে। মান অভিমান ভুলে কি তবে রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায় ও প্রিয়াঙ্কা সরকার এক হতে চলেছে। বেশকিছুদিন আগে অভিনেতা একটি ইন্সটা তে পোস্ট করেছিলেন  জনপ্রিয় 'চিরদিনই তুমি যে আমার' ছবির এক দৃশ্য। যেখানে রাহুল লিখেছেন 'দুটিতে জুটিতে'। 

এই দুই তারকার প্রথম ছবি হিসেবে  খুব জনপ্রিয় হয়েছিল। এরপর তারা সম্পর্কে ও জড়িয়ে পরে.দুজনে বিয়ে করে সংসারও করে.কিন্তু পরে তা বিচ্ছেদের দিকে যায়। তবে কি  আবার নতুন করে তাদের মধ্যে সম্পর্ক ঠিক হতে চলেছে? যদিও এই নিয়ে প্রিয়াঙ্কা সরকার কিছু জানায়নি । এদিকে নেটিজেনদের মধ্যে একাধিক প্রশ্ন। তাদের ছেলে সবুজের কথা ভেবে  কি নতুন করে দুজনের পথ চলা শুরু হবে। তবে বেশকিছুদিন ধরে এই নিয়ে চলছে জোর জল্পনা।

আর মাত্র কয়েক ঘন্টা, ভারতে বন্ধ হতে পারে ফেসবুক-টুইটার-ইনস্টাগ্রাম!

কেন্দ্রীয় সরকারের নয়া গাইডলাউন অনুযীয় সোশাল মিডিয়ার জনপ্রিয় অ্যাপ ফেসবুক, টুইটার ও ইনস্টাগ্রাম ভারতে বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এবং সেটা কাল থেকেই হতে পারে। গত ২৫ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় তথ্য এবং সম্প্রচার মন্ত্রক সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলির জন্য একটি গাইডলাইন জারি করেছিল। সেই অনুযায়ী ২৫ মে তারিখের মধ্যেই সংস্থাগুলির বেশ কিছু কাগজপত্র জমা দেওয়ার কথা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকে। সূত্রের খবর, একমাত্র ভারতীয় ম্যাসেজিং অ্যাপ ‘কু’ ছাড়া আর কোনও সংস্থাই সেগুলি জমা করেনি। ফলে নিয়ম অনুযায়ী ওই অ্যাপগুলি ভারতে বন্ধ করে দেওয়া উচিত। এখন দেখার কেন্দ্রীয় সরকার কড়া মনোভাব নেয় কিনা।


কেন্দ্রের নয়া গাইডলাইনে বলা হয়েছে, সোশাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এবং ওটিটি প্ল্যাটফর্মগুলিকে এক ছাতার তলায় নিয়ে আসা হবে। প্রত্যেক সংস্থাকেই তাঁদের ভারতীয় সদর দফতরের ঠিকানা, যোগাযোগ নম্বর, ই-মেল এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত শীর্ষ আধিকারিকের নাম এবং নম্বর জমা দিতে হবে। এছাড়া অভিযোগ জানানোর মতো (কমপ্লায়েন্স) একজন অধিকর্তাও নিয়োগ করে তাঁর নাম ও নম্বর জমা দিতে হবে। এবং কোনও অভিযোগ এলেই দ্রুত তার সমাধান করতে হবে। সমস্ত আপত্তিকর কনটেন্টের উপর নজরদারি রাখা এবং ব্যবস্থা নিয়ে রিপোর্ট জমা দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে ওই গাইডলাইনে। সূত্র মারফৎ জানা যাচ্ছে, এখনও পর্যন্ত একমাত্র ভারতীয় সংস্থা ‘কু’ ছাড়া কোনও সংস্থাই এই দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছে। ফলে নেট নাগরিকদের রক্তচাপ বাড়ছে। তবে জানা যাচ্ছে গাইডলাইনের নিয়মাবলী পালনের জন্য তাঁদের হেড কোয়ার্টার থেকে সবুজ সংকেত না আসায় সংস্থাগুলি এখনও সেগুলি দিয়ে উঠতে পারেনি। এখন দেখার কেন্দ্র তাঁদের কিছুটা সময় দেয় কিনা।