আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘ইয়াস’, ৭৮টি দূরপাল্লার ট্রেন বাতিল করল রেল

আগামী ২৬ ও ২৭ তারিখের মধ্যেই প্রবল বেগে ঘূর্ণিঝড় ইয়াস আছড়ে পড়তে পারে বাংলা ও ওডিশা উপকূলে। দুটি রাজ্যেই কোমর বেঁধে নেমেছে ঝড় মোকাবিলায়। এরমধ্যেই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিল রেলমন্ত্রকও। ২৫ মে থেকে ২৭ মে পর্যন্ত মোট ৭৮টি দূরপাল্লার ট্রেন বাতিল করল রেলমন্ত্রক। পূর্ব ও মধ্য বঙ্গোপসাগরে তৈরি হয়েছে গভীর নিম্নচাপ। যা শক্তি বাড়িয়ে ঘূর্ণিঝড়ে রূপান্তরিত হবে। যার নাম দেওয়া হয়েছে ইয়াস। মূলত বাংলা এবং ওডিশা উপকূলের দিকেই ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ইয়াস। ফলে এই দুই রাজ্যের উপর দিয়ে চলাচলকারী ট্রেনগুলি (দূরপাল্লার) বাতিল করল ভারতীয় রেল।  বাতিল ট্রেনের মধ্যে অন্যতম ০২৭০৩ হাওড়া-সেকেন্দ্রাবাদ, ০২০৮৭ হাওড়া-পুরী ও ০২০৮৮ পুরী-হাওড়া, ০২৮৩৭ হাওড়া-পুরী, ০২৮৭৩ হাওড়া-যশবন্তপুর ও ০২৮৭৪ যশবন্তপুর-হাওড়া, ০২৮২১ হাওড়া-চেন্নাই ও ০২৮২২ চেন্নাই-হাওড়া স্পেশাল এক্সপ্রেস ট্রেন।


বাতিল ট্রেনগুলির মধ্যে রয়েছে পূর্ব উপকূলীয় রেল, মধ্য, দক্ষিণ-পূর্ব, দক্ষিণ, উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের একাধিক ট্রেন। পূর্ব রেলের জেনারেল ম্যানেজার জিএম মনোজ যোশী এরমধ্যেই বিভাগীয় কর্তা এবং ডিআরএমদের সঙ্গে জরুরী বৈঠক করেন। সেখানে একাধিক নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। এই দুই রাজ্যের রেল হাসপাতালগুলিকে তৈরি রাখার পাশাপাশি অ্যাক্সিডেন্ট রিলিফ ট্রেন তৈরি থাকতে বলা হয়েছে। কারশেড বা বড় স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেন বাঁধাতে হবে চেন দিয়ে। পাশাপাশি ইলেকট্রিক্যাল ও ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের কর্মীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। সবমিলিয়ে ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় চুরান্ত প্রস্তুতি নিচ্ছে রেল।
 

করোনা আক্রান্ত হয়ে প্রায় ২০০০ রেলকর্মীর মৃত্যু!

গোটা দেশই কার্যত করোনার গ্রাসে। মারণ ভাইরাসে গোটা দেশেই ছড়াচ্ছে সংক্রমণ, সেইসঙ্গে বাড়ছে মৃতের সংখ্যাও। এই পরিস্থিতিতে ভারতীয় রেলের কর্মীরাও করোনা থেকে রেহাই পাবেন না এটা বলাই বাহুল্য। ফলে বহু রেলকর্মীই রোজ করোনায় আক্রান্ত হচ্ছে ট্রেন পরিষেবা সচল রাখতে গিয়ে। তবে রেলকর্মীদের মৃত্যুর সংখ্যা চোখ কপালে উঠতে বাধ্য। করোনা পরিস্থিতিতেও দেশজুড়ে চলছে স্পেশাল ট্রেন। ফলে পরিষেবা সচল রাখতে প্রথমসারীর রেলকর্মীরা দ্রুত করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন। মৃতের সংখ্যাও নেহাৎ কম না। রেল সূত্রে জানানো হয়েছে এখনও পর্যন্ত ১৯৫২ জন রেলকর্মীর মৃত্যু হয়েছে করোনার গ্রাসে। এখনও পর্যন্ত প্রায় ৪০০০ রেলকর্মী করোনায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বলেই জানিয়েছে রেল।