Durgapuja: পুজোয় এবার বাঙালিয়ানা খাবার মিলবে স্টেশনে!

বাঙালি মানেই খাদ্যরসিক। সামনেই দুর্গাপুজো। অনেকেই পুজো আসতে বেরিয়ে পড়েছেন ঘুরতে। তবে বাঙালিয়ানা খাবার খেতে কে না চাই. বাইরে গেলে অনেকসময় সেই  চাহিদামত খাবার পাওয়া যায়না।  এবার বাঙালির সেই রসনাতৃপ্তিতে এগিয়ে এল রেল । নিল অভিনব উদ্যোগ।এবার রাজ্যের বড় স্টেশনগুলির ফাস্টফুড সেন্টার ও ফুডপ্লাজাতে পাওয়া যাবে একাধিক বাঙালি পদ। মিলবে লুচি, আলুর দম, ছোলার ডাল, ছানার কোপ্তা, পোলাও, মাছের ঝোল, পাঠার মাংস, চিংড়ি মাছের মালাইকারি, রসোগোল্লা, কালাকাঁদ, রসমালাই, পায়েস।

অন্যান্য সময়ের মতো পাওয়া যাবে মটন বিরিয়ানি, চিকেন বিরিয়ানি, ভেজ বিরিয়ানি ও মাংসের একাধিক পদও।এদিকে নয়া উদ্যোগ প্রসঙ্গে আইআরসিটিসির পূর্বাঞ্চলের গ্রুপ জেনারেল ম্যানেজার দেবাশিস চন্দ্র জানান, গত বছর কোভিড পরিস্থিতিতে ট্রেন কম চলছিল। এবার ট্রেন বেড়েছে। যাত্রী সংখ্যা এখন অনেক বেশি। পাশাপাশি সংক্রমণ কমে আসায় এবার পুজোয় ভ্রমণার্থী বাড়বে বলে আশা করছি। বাঙালি পুজোয় ঘুরতে বেড়িয়েও বঙ্গের খাবারের স্বাদ নিতে বেশি আগ্রহী থাকেন। তাই এবার বড় স্টেশনগুলির ফুডপ্লাজা, ফাস্টফুড ইউনিটগুলিতে পাওয়া যাবে বাংলার খাবার।

মহালয়ার দিন থেকে দেড় মাস এই খাবার মিলবে। বসে খাওয়ার পাশাপাশি যাত্রীরা তা নিয়েও যেতে পারবেন।আইআরসিটিসির পূর্বাঞ্চলের গ্রুপ জেনারেল ম্যানেজার আরও জানিয়েছেন, হাওড়া, শিয়ালদহ, মালদা, বোলপুর, নিউ জলপাইগুড়ি-সহ বহু স্টেশনে মিলবে এই খাবার। স্টেশনের পাশাপাশি ট্রেনে রেডি-টু-ইট হিসেবে যাত্রীরা ই-ক্যাটারিংয়ের মাধ্যমেও এই খাবার অর্ডার করতে পারবেন।এ প্রসঙ্গে বলে রাখা দরকার, আগে রেলের তরফে প্রতি বছর পুজোর সময়ে এই ধরনের খাবার ব্যবস্থা করা হত। গত বছর কোভিড পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে তেমন বিশেষ ব্যবস্থা না করা গেলেও এবার মিলবে এই ধরনের খাবার।


এখনই লোকাল ট্রেন চালাতে চায় না রাজ্য

করোনাকালে বন্ধ রয়েছে লোকাল ট্রেন। তবে কিছু স্টাফ স্পেশ্যাল চালানো হচ্ছে। তাতে প্রতিদিনই ভিড় বাড়ছে। কোথাও কোথাও যাত্রী বিক্ষোভের জেরে ব্যহত হচ্ছে পরিষেবা। এই পরিস্থিতিতে লোকাল ট্রেন চালু করতে চায় রেল। তবে এখনই লোকাল ট্রেন চালাতে রাজি নয় রাজ্য।

বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠকে মমতা বলেন, ‘‘এখন ট্রেন চালালে করোনা আরও ছড়িয়ে পড়তে পারে।’’ তবে লোকাল ট্রেন আরও কতদিন বন্ধ থাকবে সে ব্যাপারে কিছু বলেননি মমতা।

লোকাল ট্রেন চালু করতে কী ভাবনা? তা রাজ্যকে চিঠি দিয়ে জানতে চেয়েছে রেল। তারপর আজ বৃহস্পতিবার রাজ্য সরকারকে চিঠি দিয়েছে পূর্ব রেল। সেখানে বলা হয়েছে,করোনা আবহে স্টাফ স্পেশ্যালে ভিড় কমানো প্রয়োজন। এমনটাই সূত্রের খবর।