আজ জিতলেই AFC চ্যাম্পিয়ন্স লিগে এটিকে-মোহনবাগান

এটিকে-মোহনবাগানের জয় রথ অব্যাহত। শেষ ম্যাচে আবার চির প্রতিদ্বন্দ্বী এসসি ইস্টবেঙ্গলকে ৩-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে রয় কৃষ্ণরা। সোমবার আইএসএলে পরবর্তী ম্যাচে হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামছে হাবাসের দল। আর এই ম্যাচটি জিতলেই এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলার ছাড়পত্র পেয়ে যাবে এটিকে-মোহনবাগান। এমনিতে আইএসএলের প্লে অফে পৌঁছেই গিয়েছে দল, তাই এখন এটাই একমাত্র লক্ষ্য অ্যান্তোনিয় লোপেজ হাবাসের। এই মুহূর্তে মুম্বই সিটির পয়েন্ট ১৮ ম্যাচে ৩৪। অন্যদিকে, এটিকে-মোহনবাগানের সমসংখ্যক ম্যাচে ৩৯ পয়েন্ট। অর্থাৎ পাঁচ পয়েন্টে এগিয়ে হাবাস বাহিনী। অঙ্কের বিচারে সোমবার হায়দরাবাদকে হারাতে পারলেই কলকাতার ক্লাবটির পয়েন্ট হবে ৪২, আর শেষ দুই ম্যাচে মুম্বই এফসি জিতলেও পয়েন্ট দাঁড়াবে ৪০। ফলে এদিন জিতলেই গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলার ছাড়পত্র এসে যাবে এটিকে-মোহনবাগানের হাতে।

হায়দরাবাদের কাছে আটকে প্লে অফের রাস্তা বন্ধই ইস্টবেঙ্গলের

শুক্রবার হাই প্রোফাইল ম্যাচে হায়দরাবাদ এফসির মুখোমুখি হয়েছিল এসসি ইস্টবেঙ্গল। ম্যাচ জিতলে প্লে অফে যাওয়ার আশা থাকত লাল-হলুদ শিবিরের কাছে। কিন্তু হায়দরবাদ এফসির বিরুদ্ধে ৯২ মিনিট পর্যন্ত এগিয়ে থকেও শেষরক্ষা করতে পারল না ফাওলারের দল। ফলে প্লে অফের রাস্তা কার্যত বন্ধই হয়ে গেল এসসি ইস্টবেঙ্গলের সামনে। ম্যাচের ৫৯ মিনিটে ব্রাইট এনোবাখারের গোলে এগিয়ে গিয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। তবে আরিদানে সান্তানার শেষ মুহূর্তের গোলে সমতায় ফেরে নিজাম শহরের দল হায়দরাবাদ এফসি।
রুদ্ধশাস ম্যাচের প্রথম মিনিট থেকে শুরু হয়েছিল দুই দলের হাডাহাডি লড়াই। বল দখলের লড়াইয়ে লাল-হলুদের সঙ্গে পাল্লা দিলেও, প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগকে বেশ চাপেই রেখেছিল হায়দরাবাদ। আক্রমণ প্রতি আক্রমণে গোলের সুযোগ তৈরি হয়েছিল ইস্টবেঙ্গলের কাছে। তবে অঙ্কিত মুখোপাধ্যায় সুযোগ নষ্ট করেন। শরীরকে শূন্যে ভাসিয়ে পিলকিংটনের দুরন্ত শট বাঁচান হায়দরাবাদের গোলরক্ষক কাট্টিমানি। প্রথমার্ধের শেষ কয়েক মিনিট বাকিতে নিজাম শহরের  স্ট্রাইকার সান্তনা লাল-হলুদের ডি বক্সে ডুকে পড়েন। ইস্টবেঙ্গলের গোলকিপার সুব্রত পাল অভিজ্ঞতা দিয়ে দুর্গ রক্ষা করেন। হায়দরাবাদের আধিপত্য বেশি থাকলেও খালি হাতে ফিরতে হয় তাঁদের।