মুম্বইয়ের বহুতলে বিধ্বংসী আগুন, মৃত ১

মুম্বই: দক্ষিণ মুম্বইয়ে লোয়ার প্যারেলের বহুতলে বিধ্বংসী আগুন। এই ঘটনায় একজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। 

সূত্রের খবর, শুক্রবার দুপুরে মুম্বইয়ে ওই ৬৪ তলার বহুতলের ১৯ তলায় আগুন লাগে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দমকলের ১২টি ইঞ্জিন। ঘটনাস্থলে পৌঁছান মুম্বইয়ের মেয়র কেশরী পেডনেকার ও অন্যান্য জেলা আধিকারিকরা।

অভিযোগ, দমকলের ইঞ্জিন পৌঁছানোর আগেই আগুন বহুতলের অন্যান্য তলায় ছড়িয়ে পড়ে। তার ফলে বেশ কয়েকজন বহুতলের ভিতরে আটকে পড়েন। 

আগুনের হাত থেকে বাঁচতে এক যুবক ব্যালকনি দিয়ে নিচে নামার চেষ্টা করেন, কিন্তু ব্যালকনিতেই ঝুলছিলেন তিনি ৷ কয়েক মুহূর্ত পরেই হাত ফসকে ব্যালকনি থেকে নীচে পড়ে যান৷ গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। মৃতের নাম অরুণ তিওয়ারি। বয়স ৩০।

অভিযোগ, নির্মীয়মাণ আবাসন হওয়ায় গোটা বিল্ডিংয়ে কোনও অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল না। জানা যায়নি অগ্নিকাণ্ডের কারণও। যদিও আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার পর পুরো বিষয় খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছে দমকল ও প্রশাসন। 

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রথমে আগুনের তীব্রতা এতটাই ছিল যে কালো ধোঁয়ায় চারদিক ঢেকে গিয়েছিল। দমকলের পরিভাষায় এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা লেভেল ফোরের ছিল। এর অর্থ হল যেখানে বিপদের সম্ভাবনা খুবই বেশি থাকে। বৃহন মুম্বাই পুরনিগমের কমিশনার ইকবাল সিং চাহাল ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত আগুন কিছুটা নিয়ন্ত্রণে। 

গত বছর নভি মুম্বইয়ে একটি বহুতল সিউড দারাভেতে ২১ তলায় আগুন লেগেছিল। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে দমকলের সাতটি ইঞ্জিন গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে সেবার কোনও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। 


Nabanna: সপ্তমীতে নবান্নের মোবাইল টাওয়ারে আগুন, ঘটনায় ব্যাপক আতঙ্ক

উৎসবের দিনেই নবান্নের চোদ্দোতলায় মোবাইল টাওয়ারে আগুন লাগল। মঙ্গলবার বেলা ১২টা নাগাদ চোদ্দোতলার একটি মোবাইল টাওয়ার থেকে ধোঁয়া বেরোতে দেখা যায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের দু’টি ইঞ্জিন। কিছুক্ষণের প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন দমকলকর্মীরা। এই ঘটনায় বিশেষ ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বলে দমকল সূত্রে খবর। প্রসঙ্গত, নবান্নের চোদ্দোতলায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিস। মঙ্গলবার সেই তলায় আগুন লাগার খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে সেখানে পৌঁছন পুলিশকর্মীরাও।

দমকল সূত্রে খবর, চোদ্দোতলায় একটি মোবাইল টাওয়ারের প্যানেল বক্সে আগুন লেগে এই বিপত্তি ঘটে। কী কারণে তাতে আগুন লাগল, তা খতিয়ে দেখছে দমকল। প্যানেল বক্সে শর্ট সার্কিট হয়েছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সেই সঙ্গে অন্য কোনও যান্ত্রিক ত্রুটি জেরেই আগুন লেগেছে কি না, তা-ও তদন্ত করে দেখা হবে বলেও জানিয়েছে দমকল।সাধারণত নবান্নের ১৩ তলার কার্যালয় বসেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ।

তবে পুজোর ছুটিতে গোটা নবান্নই বন্ধ। তাই বড়সড় বিপদ থেকে রক্ষা মিলেছে।  নইলে আরও বড় ক্ষতির আশঙ্কা ছিল। নবান্নের মতো হাই সিকিউরিটি জোনে কীভাবে আগুন লাগল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠে গিয়েছে। পূর্ত দপ্তরকে ফায়ার অডিটের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে খবর। 

Fire: রাতভর চেষ্টায় কলুটোলা স্ট্রিটের আগুন নিয়ন্ত্রণে, ভেঙে পড়ল বাড়ি

গতকাল কলুটোলা স্ট্রিটের এক বহুতল বাড়িতে আগুন লাগে। এরপর নিয়ন্ত্রণে এল কলুটোলা স্ট্রিটের ভয়াবহ আগুন । তবে এখনও গোটা বাড়িতে রয়েছে পকেট ফায়ার। ১০ টা ইঞ্জিন এখনও কাজ করে চলছে বলে খবর দমকল সূত্রে। বিধ্বংসী আগুনে বাড়ির পিছনের অংশ ভেঙে পড়েছে। সামনে অংশটিও যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, তার জন্য অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করে কাজ করা হচ্ছে। কাজ করতে গিয়ে আহত হয়েছেন কয়েকজন দমকল কর্মী। এদিকে, চারতলা বাড়িটিতে কোনও অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা না থাকায় আগুন নেভাতে এত দীর্ঘ সময় লাগল, এই অভিযোগ তুলে মঙ্গলবার সকালে এলাকায় বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় বাসিন্দারা।


সোমবার বেলা ১১টার কিছু আগে আচমকাই বড়বাজার  লাগোয়া কলুটোলা স্ট্রিটের চারতলা বাড়ির দোতলা থেকে দাউদাউ করে আগুন জ্বলে ওঠে। তা ক্রমশ ছড়িয়ে পড়ে গোটা বাড়িটিতেই। অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা না থাকায় তা নেভাতে রীতিমত যুদ্ধের শামিল হয়ে ওঠে দমকল কর্মীদের কাছে। আহত হন বেশ কয়েকজন দমকল কর্মীও। ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখেন দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু। তিনি কাজে হাত লাগাতে গিয়ে প্রবল ধোঁয়ায় অসুস্থও হয়ে পড়েন। পরে তাঁকে ফোন করে আগুন পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন।


পুলিশ সূত্রে খবর, বাড়িটি তালা দেওয়া ছিল। দুর্ঘটনার মুহূর্তেও চাবি হস্তান্তর করেননি মালিক। দমকল কর্মীরা চাবি হাতে না পাওয়ায় তাঁরা ভিতরে ঢুকে জলের ব্যবস্থা করতে পারেননি বলে অভিযোগ। মঙ্গলবার সকালে এই সংক্রান্ত জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এলাকার ২ জনকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয় বলে সূত্রের খবর।

গার্ডেনরিচ কারখানায় বিধ্বংসী আগুন

নিমতলার পর ফের গার্ডেনরিচ। জাতীয় ফুড কর্পোরেশনের কারখানায় বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডে ছড়াল তীব্র চাঞ্চল্য। গোটা এলাকা ঢেকেছে কালো ধোঁয়ায়। ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছে দমকলের ১০টি ইঞ্জিন।দমকল সূত্রে খবর, সকাল ১০টা নাগাদ তারাতলা রোডের হনুমান মন্দিরের কাছের কারখানাটিতে আগুন লাগে। খবর পেয়েই ঘটনাস্থে ছুটে আসেন দমকলের কর্মীরা। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় আগুন নেভানোর কাজ চলছে। ভিতরে কেউ আটকে নেই বলেই আপাতত অনুমান করা হচ্ছে। তবে গোটা এলাকা ধোঁয়ায় ঢেকে যাওয়ায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে বেশ বেগ পেতে হচ্ছে দমকলবাহিনীকে।

বিস্তারিত আসছে...


Fire: সাতসকালে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড নিমতলা কাঠের গুদামে

কলকাতা: সাতসকালে কলকাতায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড নিমতলায় । নিমতলা ঘাট স্ট্রিটের কাঠের গুদামে দাউদাউ করে জ্বলল আগুন। দ্রুত তা ছড়িয়ে পড়ে আশেপাশের এলাকায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের ৫টি ইঞ্জিন। আগুন নেভানোর কাজ শুরু হয়েছে, তবে ঘিঞ্জি এলাকা হওয়ায় কাজে বাধা পাচ্ছেন দমকলকর্মীরা। সাতসকালে অগ্নিকাণ্ডের জেরে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। নিমতলা ঘাট স্ট্রিটের একটি কাঠের বাড়ি থেকে বিস্ফোরণের  তীব্র আওয়াজ শুনতে পান বাসিন্দারা। দেখেন, ওই বাড়িতে দাউদাউ করে আগুন জ্বলছে।  বাড়ির মধ্যেই ছিল গুদাম।

কাঠে আগুন লাগায় তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে থাকে। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় দমকল বিভাগকে। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে ছুটে যায় দমকলের ৫টি ইঞ্জিন। দ্রুত আগুন নেভানোর কাজ শুরু হয়। তবে ঘিঞ্জি এলাকায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে বেশ বেগ পেতে হয় দমকল কর্মীদের। পরে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে থাকলে, আরও কয়েকটি ইঞ্জিনকে কাজে নামানো হয়েছে  বলে খবর।

স্থানীয় বাসিন্দাদের কথায়, ওই বাড়িতে গ্যাস সিলিন্ডার ছিল। তা বিস্ফোরণের জেরেই এত ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড এবং কাঠের গুদামে আগুন লাগায় তা আশেপাশের বাড়িতে এত দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। যদিও ঘটনায় এখনও পর্যন্ত প্রাণহানির কোনও খবর নেই।  দুর্ঘটনার খবর পেয়ে সেখানে গিয়ে পৌঁছন রাজ্য়ের মন্ত্রী শশী পাঁজা। তিনি জানিয়েছেন, এলাকাটি কাঠের গোলায় ভরতি। এবং বসতিও রয়েছে। তাই দ্রুত আগুন না নেভালে বড় বিপদের আশঙ্কা।এদিকে এলাকায় আগুন লাগার জেরে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। 

Fire: কারাগারে বিধ্বংসী আগুন, কমপক্ষে ৪০ জনের মৃত্যু,বহু আহত

ইন্দোনেশিয়ার একটি কারাগারে ভয়াবহ আগুনে কমপক্ষে ৪০ জনের মৃত্যু হয়েছে। গভীর রাতে বানতেন প্রদেশের একটি কারাগারে এই ঘটনা ঘটে। 

সূত্রের খবর, কারাগারের যে ব্লকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে, সেখানে ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি বন্দি ছিল বলে অভিযোগ।  করছিলেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৩৯ জন বন্দি।

বিস্তারিত আসছে --


কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে আগুন নিয়ন্ত্রণে

কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে অগ্নিকাণ্ড। আজ বেলা সোয়া ১১ টা  নাগাদ অ্যাকাডেমিক বিল্ডিং থেকে ধোঁয়া বেরতে দেখা যায়। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য দেখা দেয় হাসপাতাল চত্বরে। 

খবর পেয়ে দমকলের ২ টি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, এসি মেশিনে শটসার্কিটের ফলেই এই অগ্নিকাণ্ড। 

বিস্তারিত আসছে --


কলকাতা পুরসভার বিল্ডিংয়ে আগুন

শনিবার সকালে কলকাতা পুরসভার বিল্ডিংয়ে আগুন লাগার জের তীব্র আতংক ছড়িয়ে পরে। ঘটনাস্থলে পুলিশ ও দমকল কর্মীরা আসেন। আপাতত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়. এদিকে পুলিশ সূত্র খবর, মূলত পুরসভার লাইসেন্স ডিপার্টমেন্টে আগুন লাগে। ঘটনাস্থলে আসে ইলেকট্রিক কর্মীরাও।

এদিকে আশপাশের উপস্থিত কর্মীরা ওই বিভাগের জানলা, দরজা দিয়ে ধোঁয়া বেরতে দেখেন। তাতেই ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্ক। বিষয়টি বোঝার জন্য অনেকেই ছুটে আসেন। দেখা যায়, ধোঁয়ায় ঢেকেছে গোটা বিভাগ। তড়িঘড়ি খবর দেওয়া হয় পুলিশ ও দমকল বিভাগে। ঘটনাস্থলে পৌঁছে কিছুক্ষণের মধ্যেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে তারা।

দমকলের তরফে প্রাথমিক ভাবে অনুমান করা হচ্ছে, শর্ট সার্কিট থেকেই আগুন লাগে। যদিও তাদের দাবি ফ্যান থেকেই মূলত এই আগুন লাগে। তবে কোনো হতাহতের খবর নেই.তবে ঠিক কি কারণে আগুন লাগলো সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। 

Lorry Fire : সাতসকালে বালিবোঝাই চলন্ত লরিতে আগুন!

Breaking News: পাকিস্তানে বিধ্বংসী আগুন,মৃত অন্তত ১৬

করাচিঃ পাকিস্তানের বৃহত্তম শহর করাচির একটি রাসায়নিক কারখানায় বিধ্বংসী আগুন। ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে খবর।  

দমকল সূত্রে খবর, আগুন লাগার সময় কারখান অধিকাংশ জানালাই বন্ধ ছিল। তারফলে ভিতরে কিছু শ্রমিক আটকে পড়ে। তাছাড়া কারখানাটিতে প্রবেশের একটিমাত্র পথ ছিল। এমনকি ছাদে উঠার দরজাও বন্ধ ছিল। 

বিস্তারিত আসছে --


Breaking News: বহুতলে বিধ্বংসী আগুন,ঘটনাস্থলে ১০টি ইঞ্জিন

ঢাকাঃ রাজধানীর একটি বহুতলে আগুন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে দমকলের ১০ ইঞ্জিন। 


বিস্তারিত আসছে --


গভীর রাতে কেষ্টপুরে আগুনে পুড়ে ছাই প্রায় ৫০টি ঝুপড়ি

বিধ্বংসী আগুনে পুড়ে ছাই কমপক্ষে ৫০টি ঝুপড়ি। এছাড়া পুড়ে গিয়েছে প্রায় ৩০টি অস্থায়ী দোকানও। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে জখম হয়েছেন বেশ কয়েক জন দমকল কর্মী। 

গভীর রাতে কেষ্টপুরের ভিআইপি রোড সংলগ্ন শতরূপা পল্লিতে আগুন লাগে। বিকট শব্দে ঘুম ভেঙ্গে যায় সবার। বাইরে এসে দেখেন দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে তাদের ঝুপড়িতে। খবর দেওয়া হয় দমকলকে। 

এদিকে খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু। ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান স্থানীয় বিধায়ক অদিতি মুন্সিও। 

প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, রাত ২টো নাগাদ প্রথমে একটি আসবাবের দোকানে আগুন লেগে যায়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন আশেপাশে থাকা দোকানগুলিতে ছড়ি পড়ে। কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় এলাকা। একের পর এক সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হতে শুরু হয়। 

খবর পেয়ে ঘটনাাস্থলে আসে দমকলের ১৫টি ইঞ্জিন। আগুন নেভাতে সাহায্য নেওয়া হয় রোবটের। ঘণ্টাতিনেকের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। কিভাবে আগুন লেগেছে,তার তদন্তে নেমেছে দমকল ও পুলিশ।  

মহেশতলায় ভয়াবহ আগুন

 মহেশতলায় ভয়াবহ আগুন লাগল। সকাল ১১.৪৫ নাগাদ মহেশতলার পালান ইন্ডাস্ট্রি নামক একটি শিল্প তালুকের কেমিক্যাল ফ্যাক্টরিতে ভয়াবহ আগুন লাগে। ঘটনাস্থলে দমকলের ৫ টি ইঞ্জিন আসে, তবেআগুন নেভাবার চেষ্টা করছে। তবে আগুন এখনো নিয়ন্ত্রণে আসা কোনভাবেই সম্ভব নয় বলে স্থানীয়রা মনে করছে। আশেপাশের ছোট-বড় অন্যান্য কারখানাগুলি থেকে সমস্ত শ্রমিকদেরকে বাইরে বার করে আনা হয়েছে। ত

বে স্থানীয়রা যেমনটা জানাচ্ছেন ওই কেমিক্যাল ফ্যাক্টরি তে দুটি ভয়াবহ বিস্ফোরণের আওয়াজ পাওয়া যায়। তাতে পাঁচজনের মতো আহত বলে জানা যাচ্ছে। আগুন এখনো পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণে আসা সম্ভব হয়নি কারণ এই শিল্পতালুক এর আশেপাশে কোন জলাশয় পাওয়া যাচ্ছে না, তাই দমকলের আগুন কে বাগে আনতে সময় লাগছে।



Breaking: বাংলাদেশ অগ্নিকাণ্ডে কারখানার মালিকসহ আটক ৮, খুনের মামলা দায়ের

নারায়ণগঞ্জ: জুস কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে ইতিমধ্যেই ৫২ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে অধিকাংশই শিশু শ্রমিক বলে খবর। তাছাড়া এখনও বেশ কয়েকজন শ্রমিক নিখোঁজ।এই ঘটনায় কারখানার মালিকসহ আটজনকে আটক করেছে বাংলাদেশ পুলিশ।

এদিকে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থানায় একটি খুনের মামলা দায়ের করা হয়েছে। নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার জায়েদুল আলম জানালেন,আটককৃতদের মধ্যে হাশেম ফুডস অ্যান্ড বেভারেজ নামক কারখানাটির স্বত্বাধিকারী এমএ হাশেম রয়েছেন।  

বিস্তারিত আসছে --

২৪ ঘন্টা পরও জ্বলছে আগুন! মৃত কমপক্ষে ৫২

নারায়ণগঞ্জঃ যত সময় যাচ্ছে ততই বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। উদ্ধার হচ্ছে একের পর এক মৃতদেহ। এখনও নিখোঁজ বহু। কারখানাটিতে প্রায় ৭ হাজার শ্রমিক কাজ করত একসময়। কিন্তু করোনাকালে কারখানাটিতে ১০০০ থেকে ১২০০ শ্রমিক কাজ করতেন বলে জানা গিয়েছে।

বিস্তারিত আসছে --