করোনা বাড়বে কি ?

পুজো শেষ , শেষ ভাসানও | পুজোর আগে বারবার প্রশাসন তথা চিকিৎস্য মহল থেকে বলা হয়েছিল যে ভিড় বা সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে কিন্তু তা হলো কি ? ২০২০ র পুজোতে যথেষ্ট কড়াকড়ি ছিল বাংলায়, এছাড়া মানুষও আতঙ্কে ছিল সংক্রামণের |

এবারেও সাবধানবাণী ছিল কিন্তু মানুষ এবারে ছিল বেপরোয়া | মহালয়ার পরেই বহু মণ্ডপে পুজোর উদ্বোধন হয়ে গিয়েছিলো ফলে ষষ্ঠীর অনেক আগে থেকেই ভিড় বাড়তে শুরু হয় বিশেষ করে কলকাতায় এবং শহরতলিতে | কাজেই এবারে ভাবনা সংক্রমণ বাড়বে কি ? যদিও বাড়বে কি না ইটা পরিষ্কার হবে আরও সাত দশ দিন বাদে কিন্তু চিন্তাটা থাকছেই |

খুশির খবর! পুজোর সময় কর্মহীনদের ৬০০০ টাকা দেবে রাজ্য সরকার

পুজো শুরু হয়েছে আজ থেকে। তবে উত্সবের মরশুমে চাকরি হারানোর জেরে অনেকেরই ঘরে অন্ধকার। রুজিরোগার বন্ধ। তবে এবার  কর্মহীন সেই সব বেকারদের জন্য সুখবর রাজ্য সরকারের তরফে। পুজোর ছুটির আগেই সাড়ে ২৭ হাজার কর্মহীন শ্রমিকের জন্য ৬০০০ টাকার ভাতা মনজুর করে রাজ্য সরকার। উত্সের এই মরশুমে যাতে সবার মুখে হাসি ফোটে, সেই লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ রাজ্য সরকারের।জানা গিয়েছে, গত সপ্তাহের শুক্রবার পুজোর ছুটি শুরুর আগে শ্রম দফতরের আধিকারিকরা কর্মহীন শ্রমিকদের বকেয়া মেটানোর বিষয়ে বিশেষ উদ্যোগী হয়ে পদক্ষেপ করেন।

প্রকল্পের ছাড়পত্র মেলে নবান্নের তরফেও। এই প্রকল্পের জন্য রাজ্য সরকারের তরফে বরাদ্দ অর্থের পরিমাণ ১২ কোটি টাকা। শুক্রবারই ভাতার টাকা কর্মহীন শ্রমিকদের অ্যাকাউন্টে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করে দেওয়া হয়। তবে দুর্গাপুজোর মাঝে এই টাকা শ্রমিকদের অ্যাকাউন্টে জমা পড়বে না। দেরিতে অনুমোদন আসায় এই বিপত্তি।

তবে কালীপুজোর আগে এই টাকা কর্মহীনরা পাবেন বলে জানানো হয়েছে। এই প্রকল্পে প্রসঙ্গে শ্রমমন্ত্রী বেচারাম মান্না মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সদিচ্ছার প্রশংসা করেন।


Durga Puja: মহাষষ্ঠীতে বেলুড়মঠে রীতি মনে উমা বন্দনা শুরু

বেলুড়মঠে দুর্গাপুজোর শুরু আজ । মহাষষ্ঠীর রীতি মেনে মায়ের কল্প এবং ষষ্ঠ্যাদী পালন হলো।  প্রত্যুষে সন্যাসী এবং ব্রহ্মচারী মহারাজেরা  শ্রীশ্রীমায়ের ঘাটে স্নান করে পবিত্র গঙ্গা জলপূর্ণ মঙ্গলঘট প্রথমে মায়ের মন্দিরে গিয়ে মাকে প্রণাম করেন, তারপর সম্মিলিতভাবে ঢাক বাদ্য বাজিয়ে মাথায় করে বহন.যদিও করোনা অতিমারীর জেরে সামাজিক দূরত্ববিধি মেনেই চলছে পুজো।

এদিন সকাল থেকেই মহাষষ্ঠীর পুজো রীতি- নীতি মেনে শুরু হয়েছে। যদিও দর্শনার্থীর প্রবেশ নিষিদ্ধ। এদিকে সকাল থেকেই সন্ন্যাসীরা পুজোপাঠ করছেন। সকলেই  মাস্ক ব্যবহার করে এবং সামাজিক দূরত্ববিধি মেনেই চলছে। এদিকে সকালেই বেলুড়মঠের সন্ন্যাসীরা ও ব্রহ্মচারী মহারাজরা ঘাটে স্নান করেন। তারপর পবিত্র গঙ্গা জলপূর্ণ মঙ্গলঘট নিয়ে প্রথমে মায়ের মন্দিরে গিয়ে মাকে প্রণাম করেন।

এরপর সম্মিলিতভাবে ঢাক-বাদ্যি বাজিয়ে সেই মঙ্গলঘট মাথায় করে চণ্ডীমণ্ডপে আনেন। এরপর মঙ্গলঘট চণ্ডীমণ্ডপে রেখেই শুরু হয় মহাষষ্ঠীর এই পুজো। 


Durga Puja: পুজোয় মানবিক পুলিশ

আরো একবার সততার প্রমাণ দিল মালদা শহরে ট্রাফিকে কর্ত্যবর এক সিভিক ভলেন্টিয়ার। রবিবার সকালে ব্যাগ ভর্তি সোনার অলংকার রাস্তায় কুড়িয়ে পেয়ে প্রকৃত মালিকের হাতে ফিরিয়ে দিল মালদা শহরের সুকান্ত মোরে কর্তব্যরত ট্রাফিক কর্তারা। পুজোর মুখে হারিয়ে যাওয়া সোনার অলঙ্কার ফিরে পেয়ে ওই সিভিক ভলেন্টিয়ার ও ট্রাফিক কর্তাদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন  দম্পতি। মালদা শহরের পুরাটুলি সদর ঘাট এলাকার বাসিন্দা জয়ন্ত সরকার রবিবার সকালে স্ত্রীকে নিয়ে গয়েশপুর থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। স্ত্রী মামনি সরকারের ব্যাগে মোবাইল ফোন সোনার গয়নার ও নগদ টাকা ছিল। ব্যাগের চেইন খোলা অবস্থায় বাইকে করে আসছিলেন দম্পতি। রাস্তায় মোবাইল ফোন সোনার অলংকারসহ নগদ টাকা ও রুমাল পড়ে যায়। পুরাটুলি সদরঘাটের বাড়ির কাছে গিয়ে দম্পতি লক্ষ্য করে তাদের ব্যাগের চেইন খোলা।

তারপরে রাস্তা ধরে খোঁজাখুঁজি শুরু করে ব্যাগের সামগ্রী। কিন্তু কোথাও কিছু পায়নি। সুকান্ত মোরে দম্পতিকে রাস্তায় কিছু খোঁজাখুঁজি করতে দেখে কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশরা তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে। তার আগেই রাস্তায় সুকান্ত বলে কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশের এক সিভিক ভলেন্টিয়ার সোনার অলংকারের ব্যক্তি কুড়িয়ে পায়। মহিলাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে সমস্ত তথ্য সঠিক পাওয়ায় তাদের হাতে ব্যক্তি তুলে দেয় সুকান্ত মোরে ট্রাফিক পুলিশ এরপর তারা।

ব্যাগটি ফিরিয়ে দেওয়ায় শাফিকে কর্তব্যরত সিভিক ভলেন্টিয়ার রাজকুমার পাহাড়িকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন ওই দম্পতি। দম্পতি জানাই তাদের ওই ব্যাগে প্রায় দেড় ভরি স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ দেড় হাজার টাকা ছিল তার সবটাই ফিরে পেয়েছে, তবে মোবাইল ফোনটির কোন হদিস পায় নি।


Durga Puja: পুজোর ভোগ খেয়ে অসুস্থ বহু, ভর্তি হাসপাতালে

এবার বাড়ির পুজোর প্রসাদ খেয়ে  বাড়ির পুজোর প্রসাদ খেয়ে অসুস্থ কমপক্ষে ১৫ জন। তাঁদের মধ্যে ৬ জনের শারীরিক অবস্থা কিছুটা আশঙ্কাজনক। দক্ষিণ ২৪ পরগনার জীবনতলা থানার মঠেরদিঘির কালিকাতলা এলাকার ঘটনা। অসুস্থরা প্রত্যেকেই মঠের দিঘি ব্লক হাসপাতালে ভরতি। তাঁদের দেখতে হাসপাতালে যান বিধায়কও। খাদ্যে বিষক্রিয়ার জেরে অসুস্থতা বলেই দাবি তাঁর। এই ঘটনার জেরে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পরে। একে একে বেশিরভাগেরই পেটখারাপ হয়। সঙ্গে পেটে অসহ্য যন্ত্রণা, কাঁপুনি দিয়ে জ্বর, বমির মতো সমস্যাও হতে থাকে তাঁদের। অসুস্থদের মধ্যে শিশুরাও রয়েছে। তড়িঘড়ি অসুস্থদের মঠেরদিঘি ব্লক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। শুরু হয় চিকিৎসা। হাসপাতাল সূত্রে খবর, খাদ্যে বিষক্রিয়ার জেরে এই কাণ্ড ঘটেছে। অসুস্থদের মধ্যে ৬ জনের অবস্থা সামান্য আশঙ্কাজনক বলেই মনে করা হচ্ছে। তবে খুব দুশ্চিন্তার কিছু নেই বলেই জানা গিয়েছে।একে একে বেশিরভাগেরই পেটখারাপ হয়। সঙ্গে পেটে অসহ্য যন্ত্রণা, কাঁপুনি দিয়ে জ্বর, বমির মতো সমস্যাও হতে থাকে তাঁদের। অসুস্থদের মধ্যে শিশুরাও রয়েছে। তড়িঘড়ি অসুস্থদের মঠেরদিঘি ব্লক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। শুরু হয় চিকিৎসা। হাসপাতাল সূত্রে খবর, খাদ্যে বিষক্রিয়ার জেরে এই কাণ্ড ঘটেছে। অসুস্থদের মধ্যে ৬ জনের অবস্থা সামান্য আশঙ্কাজনক বলেই মনে করা হচ্ছে। তবে খুব দুশ্চিন্তার কিছু নেই বলেই জানা গিয়েছে।


Durga Puja: কখন মায়ের বোধন ? শুরু কখন মহাষষ্ঠী, দেখে নিন

উৎসবের মরসুম শুরু হয়ে গেছে। ঢাকে কাঠি পড়ে গিয়েছে। সবচেয়ে বড় উৎসবে মেতে উঠেছে আপামোর বাঙালি।  এবার ঘোটকে দেবীর আগমন। দোলায় গমন। শাস্ত্র মতে, দেবী দোলায় এলে ফল হয় ছত্রভঙ্গ। আর দেবীর দোলায় গমন ফল হয় মড়ক বা মহামারি। প্রতি বছর মা দুর্গার আগমন থেকে গমন এবং পুজোর প্রতিটি রীতি পালিত হয় পঞ্জিকা মেনে। ১০ অক্টোবর বাংলার ২৩ আশ্বিন মহাপঞ্চমী।

সকাল ৮ টা বেজে ৫১ মিনিটে শুরু হচ্ছে পঞ্চমী। ১১ অক্টোবর, ২৪ আশ্বিন সকাল ৬টা বেজে ২৩ মিনিট ০৭ সেকেন্ডে শেষ পঞ্চমী তিথি। সোমবার, ১ অক্টোবর, ২৪ আশ্বিন সকাল ৬টা বেজে ২৩ মিনিট ০৮ সেকেন্ডে শুরু মহাষষ্ঠী। পঞ্চমী তিথি শেষের এক সেকেন্ড পর থেকে শুরু মহাষষ্ঠী।

ওই দিনই দেবীর বোধন, আমন্ত্রণ এবং অধিবাস। শাস্ত্র মোতে শুরু হবে পুজোপাঠ। করোনা অতিমারীর জেরে গত দুবছর অনেক বিধিনিষেধ থাকা সত্ত্বেও পুজো করা হচ্ছে। এদিকে মণ্ডপে প্রবেশ নিষেধ। তবে ইতিমধ্যেই কলকাতাবাসী বেরিয়ে পড়েছেন সকলেই। 

Durga Puja: সরকারি অনুদানে ৩ কোটি, করোনাকালে বেড়েছে ওপর বাংলার পুজো

দুর্গাপুজো উপলক্ষে এপার বাংলার পাশাপাশি মেতে উঠেছে ওপার বাংলাও। আর এপার বাংলার মতো ওপার বাংলাতেও পুজো কমিটিগুলোকে অনুদান দেওয়া হয়েছে সরকারের তরফে। এই পরিস্থিতিত করোনা রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে গতবছরের তুলনায় এবছর সেদেশে দুর্গাপুজোর মণ্ডপ বেড়েছে ১ হাজার ৯০৫টি। এর ফলে বাংলাদেশ জুড়ে মোট দুর্গাপুজোর মণ্ডপের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩২ হাজার ১১৮টি।জানা গিয়েছে শুধুমাত্র রাজধানী ঢাকাতেই পুজো হচ্ছে ২৩৮টি। পাশাপাশি গতবছর যেখানে শেখ হাসিনার সরকার পুজো উপলক্ষে ২ কোটি টাকা অনুদান দিয়েছিল, এই বছর সেই অনুদানের পরিমাণ বাড়িয়ে ত কোটি টাকা করা হয়েছে।

এদিকে দুর্গাপুজো মণ্ডপে পুরুষ এবং মহিলাদের জন্য পৃথক যাতায়তের ব্যবস্থা রাখার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। ভিড় ঠেকাতে মেলা, আলোকসজ্জা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের উফর জারি করা হয়েছে নিষেধাজ্ঞা। পাশাপাশি প্রতিমা বিসর্জনের সময় শোভাযাত্রা করা যাবে না। তাছাড়া দশমী শুক্রবার হওয়ায় জুম্মার নমাজের কারণে দুপুর ১২টা থেকে ৩টা পর্যন্ত প্রতিমা বিসর্জন করা যাবে না।

করোনার কারণে পুজো এবং প্রতিমা বিসর্জন নিয়ে একগুচ্ছ নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে সেদেশেও। মণ্ডপে ঢোকার অনুমতি মিললেও দর্শনার্থীদের মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক। পাশাপাশি পুরোহিতকেও মাস্ক পরেই থাকতে হবে। তাছাড়া মণ্ডপে ঢোকার মুখে হ্যান্ড স্যানিটাইজার বা সাবান দিয়ে হাত ধোয়া এবং থার্মাল স্ক্যানারের ব্যবস্থা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে আয়োজকদের।

Durga Puja: পুজোয় আরও ছাড়, মাঝরাত পর্যন্ত খোলা থাকবে বার- রেস্তোরাঁ

উৎসবের মরসুম শুরু হয়ে গেছে। আজ মহাপঞ্চমী। সকাল থেকেই মানুষ বেরিয়ে পড়েছে ঠাকুর দেখতে।  দুর্গাপুজো চলাকালীন রাজ্যের কোভিডবিধি আরও শিথিল করল নবান্ন। শনিবার রাতে নবান্নের তরফে জারি করা নয়া বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, রাত ১১টার পরও রেস্তরাঁ-সহ সমস্ত দোকান খোলা রাখা যাবে। বেশি রাত পর্যন্ত খোলা থাকবে বার-ও। তবে এই নির্দেশিকা কার্যকর হবে শুধুমাত্র ১০ অক্টোবর থেকে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত। প্রসঙ্গত, এই সময়কাল রাজ্যের রাত্রিকালীন কারফিউ-ও তুলে দিয়েছে রাজ্য সরকার।পুজোর কথা মাথায় রেখে ১০ থেকে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত আগেই শিথিল করা হয়েছে কোভিড সংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞা।

উৎসবের দিনগুলিতে থাকবে না নাইট কারফিউ। মূলত উৎসবের সময় যাতে সমস্যা না হয়, সেই কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য। ২১ অক্টোবর থেকে ফের চালু হবে নাইট কারফিউ। এরপর বার, রেস্তরাঁও রাতভর খোলা রাখার উপর ছাড় দিল রাজ্য সরকার। যদিও এবছর ও মণ্ডপের ভিতরে প্রবেশ নিষিদ্ধ তা আগেই জানিয়ে দিয়েছিল নবান্ন।

এছাড়া কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ অনুসারে অঞ্জলি থেকে শুরু করে সিঁদুর খেলার ওপর নিয়ম বেঁধে দেওয়া হয়েছে। তবে পুজোর এই কটা দিন নাইট কারফিউ থাকছেনা। গণপরিবহন চলাচলেও স্বাভাবিক থাকবে। যেভাবে মানুষের ঢল নামছে তাতে আদৌ কি মানুষ নিরাপদ। 


Durga Puja: পুজোতে মেট্রোতে থাকবে কড়া নজরদারি, থাকবে মহিলা RPF

উৎসবের মরশুম প্রায় শুরু হয়ে গেছে। ইতিমধ্যে কলকাতায় মানুষের ঢল নেমেছে। এছাড়া প্রতিটা পুজো প্যান্ডেলের শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে। চারিদিকে আলোর রোশনাই। শেষে মুহূর্তেও অনেকের চলছে কেনাকাটা। সবমিলিয়ে হাতে আর মাত্র দুদিন। তবে এবছরও কিন্তু করোনা বিধিনিষেধ মেনেই পুজোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে কলকাতা হাইকোর্ট জানিয়ে দিয়েছে, এবছর ও কিন্তু মণ্ডপে প্রবেশ নিষিদ্ধ।এদিকে ট্রেন, মেট্রোতেও বাড়ছে ভিড়. তবে যাত্রীদের ভিড়ে মিশে সাদা পোশাকে চলন্ত মেট্রোয় নজরদারি চালাবে মহিলা RPF। মেট্রোর কামরায় ইভিটিজিং, ছিনতাইয়ের ঘটনা রুখতে জিন্স–টি–শার্টেই সাধারণ যাত্রী সেজে ঘুরে বেড়াবে আরপিএফের এই প্রমিলাবাহিনী। তাই কেউ কোনও বেয়াদপি করলেই তাঁর জায়গা হতে পারে সোজা শ্রীঘরে।

সাদা পোশাকের এই প্রমীলাবাহিনী ছাড়াও কোনওরকম অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে প্রত্যেক গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনে মোতায়েন থাকছে ক্যুইক রেসপন্স টিম। নজরদারিতে থাকছে ডগ স্কোয়াডও। পুজোর সময় যাত্রীদের যাতে কোনওরকম সমস্যা না হয়, সে কারণে থাকছে ট্রাবল স্যুটিং স্টাফও। কেউ অসুস্থ হলে তাঁর দেখাশোনায় থাকছে মেডিকেল টিম। পুজোর  চারদিন প্রায় সাড়ে আটশো আরপিএফকে মোতায়েন করা থাকছে পাতালপথে। তাঁরা দেখবেন, যাত্রীরা কোভিড প্রোটোকল মানছেন কি না। এর পাশাপাশি নাশকতামূলক ঘটনার মোকাবিলায় সন্দেহজনক কাউকে মনে হলেই আটক করা হবে।

যদিও আগের মত সারারাত চলবেনা মেট্রো। রাট ১২ টা পর্যন্ত চলবে মেট্রো। এছাড়া মেট্রো চলাচলে কোনও টোকেন সিস্টেম থাকবেনা। স্মার্ট কার্ড ব্যবহার করতে হবে. আজ চতুর্থীর দিন থেকেই ভিড় হতে দেখা যাচ্ছে। মানুষ কিন্তু বেরিয়ে পড়েছে প্রতিমা দর্শনে। সবমিলিয়ে ভিড় এড়াতে মেট্রো রেলের তরফে যাবতীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। 

Durga Puja: করোনাকে তোয়াক্কা না করেই, দ্বিতীয়ায় কলকাতার রাজপথে মানুষের ঢল

করোনা এখনও পিছু  ছাড়েনি। এদিকে উৎসবের মরশুম শুরু। তৃতীয়ার দিন থেকেই কলকাতার রাস্তায় মানুষের ঢল নেমেছে। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় হাই কোর্ট থেকে রাজ্য সরকার বিধিনিষেধের বাধ্যতামূলক করেছে। কিন্তু তাতে কে কতটুকু কর্ণপাত করছে, শুক্রবার, দ্বিতীয়ার সন্ধ্যাতেই রাজপথে মানুষের ঢল সেই বিষয়ে সংশয় জাগিয়ে দিয়েছে। মণ্ডপে ঢুকতে না-পারলেও বাইরে থেকে দর্শন সারতেই ভিড় বেড়েছে কলকাতার রাস্তায় রাস্তায়। আর তাতেই বঙ্গের আকাশে পুজোর মরসুমে সিঁদুরে মেঘ দেখতে শুরু করেছেন সংক্রমণ বিশেষজ্ঞ ও চিকিৎসকেরা। তাঁদের আশঙ্কা, ১৪২৮ বঙ্গাব্দের পুজোই করোনার ‘সুপার স্প্রেডার’ হয়ে উঠবে না তো!কারণ, মণ্ডপে প্রবেশ করতে না-পারলেও রাস্তার বাহারি আলো, থিম-প্যান্ডেলের আকর্ষণে জনতাকে টেনে আনার পথ তো উদ্যোক্তারাই দেখিয়েছেন। যদিও রাস্তায় বেরোনো অনেকেরই যুক্তি, তাঁদের তো করোনা প্রতিষেধকের দ্বিতীয় ডোজ় হয়ে গিয়েছে!পদ এড়াতে স্বাস্থ্য দফতরের পরামর্শ: উৎসবে জমায়েত-শোভাযাত্রা এড়িয়ে এ বারের পুজো পরিবারেই সীমাবদ্ধ রাখা দরকার।

দল বেঁধে সিঁদুরখেলা না-হয় এ বার না-ই হল। ভিড় থেকে বিশেষত শিশু, বৃদ্ধ, অন্তঃসত্ত্বা ও অসুস্থদের দূরে রাখুন। টিকার জোড়া ডোজ়ই রক্ষাকবচ, এক শ্রেণির মানুষের এই ধারণা মারাত্মক ভুল, জানান ডাক্তাররা। কারণ টিকার পরেও করোনার কোপে পড়া মানুষের সংখ্যা কম নয়। শল্যচিকিৎসক দীপ্তেন্দ্র সরকারের বক্তব্য, তৃতীয় ঢেউ কিন্তু চলছে। টিকা নেওয়া জনগণের মধ্যে কোভিডের উপসর্গ এত কম থাকছে যে বোঝা যাচ্ছে না। এক বা দু’দিনের জ্বরে আরটিপিসিআর পরীক্ষাও করাচ্ছেন না কেউ।এদিকে বলা হচ্ছে কেন্দ্রের তরফে আগামী তিনমাস সাধাণতা অবলম্বন করতে।  কে শোনে কার কথা।

পুজো আসতেই মুখের মাস্ক উধাও। কেউ বা মাস্ক পড়লেও তা ঠিকভাবে পড়ছেনা। এই অসাবধানতায় কিন্তু বিপদ আনতে পারে। এবছরও লেকটাউন শ্রীভূমি নজরকাড়া থিম রেখেছে বুর্জ খলিফা করোনা এখনও পিছু  ছাড়েনি। এসেই দেখতেই অর্ধেক মানুষ ভিড় বাড়াচ্ছে। কিন্তু বিপদ বাড়তে পারে শিশুদের ক্ষেত্রে। তাদের এখনও টিকা হয়নি। সেক্ষত্রে বাবা-মায়েদের বোঝা দরকার।একদলের মত আবার দুটো টিকা নেওয়া হয়েছে নিরাপদ। কিন্তু আদৌ কি তাই. তবে হাইকোর্টের রায়কে কি আদৌ প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে, প্রশ্ন একটাই।

Durga Puja: জঙ্গি নিশানায় দুর্গাপূজা, কড়া সতর্কবার্তা স্বরাষ্ট্র দফতরের

 মহালয়ার পর থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে বাঙালির সবচেয়ে বড় উৎসবের কাউন্টডাউন। আনন্দে মেতে উঠতে প্রস্তুত আপামোর বঙ্গবাসী। এমনকী বিশ্বের যেকোনও প্রান্তের বাঙালিরা। তবে উৎসবের মরসুমেও আতঙ্ক কিন্তু পিছু ছাড়ছে না। আর এটা যে সে আতঙ্ক নয়। সরাসরি জঙ্গি হানার আতঙ্ক। স্বরাষ্ট্র দফতর সূত্রে খবর দশেরা এবং দুর্গাপুজোকে টার্গেট করেছে সন্ত্রাসবাদী সংগঠনগুলো। এই উৎসবের মরসুমে যাতে সর্বাধিক আঘাত হানা যায়, সেজন্য বড়সড় হামলার ছক কষছে তারা। তাই আগেভাগে কলকাতা-সহ রাজ্যপুলিসকে সতর্ক করল স্বরাষ্ট্র দফতর।

এদিকে ওয়াচ টাওয়ার ও সিসিটিভির মাধ্যমে নজরদারির কথা জানিযেছেন স্বরাষ্ট্র দফতর। এদিকে পুজোর দিনগুলিতে রাস্তায় নামবেন প্রায় ২০ হাজার পুলিশ। পুজোয় কলকাতায় যানজট এড়াতে যাতে যেখানে সেখানে গাড়ি পার্কিং না হয়, সেই ব্যাপারে ট্রাফিক পুলিশ ও প্রত্যেকটি থানাকে কড়া নির্দেশ দিলেন পুলিশ কমিশনার সৌমেন মিত্র। এদিকে আজ তৃতীয়াতে বেশ কিছু সংখ্যক পুলিশ রাতে নামবে।

এবছর পুজোয় ৩১টি নতুন সিটি পেট্রোল টহল দেবে, যাতে অস্ত্র নিয়ে থাকছেন পুলিশ আধিকারিক ও পুলিশকর্মীরা।লালবাজারের নির্দেশ, পুজো মণ্ডপগুলিতে যেন পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ রাখা হয়। বিকেল সাড়ে তিনটে থেকে ভোর, রাত বারোটা থেকে সকাল আটটা ও সকাল আটটা থেকে বিকেল চারটে, এই তিন শিফটে মণ্ডপ ও রাস্তায় পুলিশ থাকছে।

Durga Puja: পুজোর বাজারে কোন ব্লাউজ কাঁপাচ্ছে, জেনে নিন

করোনা আবহে পুজো কিছুটা হলেও ছন্দ হারিয়েছে। মণ্ডপে মণ্ডপে ‘নো এন্ট্রি’ দর্শনার্থীদের। তা বলে তো আর পুজোর ফ্যাশন বাদ যেতে পারে না। বাড়ি বসে আড্ডা দিলেও নতুন পোশাক পরাই যায়। তাই তো কেনাকাটি লেগেই রয়েছে। এতদিনে আপনার ওয়ার্ড্রবও নিশ্চয়ই নতুন পোশাকে ভরে গিয়েছে। আর পুজোর কেনাকাটিতে যে শাড়ি থাকবেই, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। কারণ, সদ্য কলেজে পা রাখা মেয়েটিও যে ওই পুজোর দিনেই নিজেকে সাজিয়ে তোলার কথা ভাবেন। তবে শুধু শাড়ি কিনলেই তো আর হল না। তার সঙ্গে মানানসই ব্লাউজ চাই। আর না হলে সাজটাই মাটি।


তাই পুজোর এক্কেবারে দোরগোড়ায় এসে চলুন জেনে নেওয়া যাক এবছর পুজোয় কী ধরনের ব্লাউজ বাজার কাঁপাচ্ছে।চলতি বছর পুজোয় স্লিভলেস ব্লাউজের চল একটু বেশি। তবে যাঁরা স্লিভলেস পরেন না বা পরতে অভ্যস্ত নন, তাঁদের নিরাশ হওয়ার কোনও কারণ নেই। কারণ, সব ধরনের ক্রেতার কথা মাথায় রেখে ব্লাউজ তৈরি করেন কারিগররা। তাই ব্লাউজের সঙ্গে হাতাও দেওয়াই থাকছে।

পুজোয় অনেকরকমের স্লিভলেস ছাড়া কুঁচি দেওয়া ব্লাউজ চলছে। তাছাড়া গ্লাস হাতার ব্লাউজ এবারও বাজারে দাপট দেখাচ্ছে। প্রায় প্রত্যেক মহিলারই পছন্দের তালিকায় এই ধরনের ব্লাউজ। যে কোনো ধরনের শাড়ির সঙ্গেই এই ধরনের ব্লাউজ বেশ মানানসই।হল্টার নেক ব্লাউজের চাহিদা তুঙ্গে। কলেজ পড়ুয়া হোন কিংবা গৃহবধূ সকলের প্রথম পছন্দ এখন এই ধরনের ব্লাউজ।

Durga Puja: পুজো উপলক্ষে টানা ১৬ দিন ছুটি সরকারি কর্মচারীদের, হাসি ফুটল কর্মীদের

বাঙালির সবথেকে বড় উৎসব  দুর্গাপুজো। সেই উত্সব উপলক্ষে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জন্য সুখবর শোনাল নবান্ন। জানা গিয়েছে, উৎসবের মরসুমে লম্বা পুজোর ছুটি পাচ্ছেন রাজ্যের সরকারি কর্মচারীরা। টানা ১৬ দিনের ছুটি পাবেন রাজ্যের সরকারি কর্মচারীরা। শুক্রবার ৮ অক্টোবর অফিস ছুটি হওয়ার পর ফের অফিস খুলবে লক্ষ্মী পুজোর পর। যদিও সরকারি হিসেবে ছুটি শুরু  হচ্ছে ১১ অক্টোবর থেকে এবং শেষ হচ্ছে ২২ অক্টোবর। যদিও গতবছর করোনা আবহে মানুষ কিছুটা হতাশ ছিল. এই আবহে অবশ্য বিধিনিষেধ কিছুটা শিথিল করা হয়েছে।

তবে কেরলের ওনাম পরবর্তী পরিস্থিতি থেকে শিক্ষা নিয়ে ১১ দফা নির্দেশিকা জারি করে রাজ্য সরকার। এই আবহে রেলের তরফে জানানো হয়, মেট্রোয় চড়ে পুজোয় সারা রাত ঠাকুর দেখা যাবে না কলকাতায়। কলকাতা মেট্রোর তরফে জানানো হয়েছে, সপ্তমি, অষ্টমি ও নবমি পরিবর্তিত সূচি মেনে চলবে মেট্রো। রাতে দক্ষিণেশ্বর থেকে শেষ মেট্রো ছাড়বে ১০.৪৮ মিনিটে।

এদিকে আজকেই সরকারি অফিসের কাজের শেষ দিন. শোনো ও রবিবার ছুটি তাহাকেই।সোমবার থেকে তন্ ১৬ দিনের ছুটি কাটাতে পারবে। তবে জরুরি বিভাগগুলির ক্ষেত্রে কোনোরকম ছুটি নেই.গতবছরের মত এবছরেও থাকবে খোলা।

Durga Puja: আমজনতা সুরক্ষা নিশ্চিত করতে তৎপর লালবাজার, নজরদারিতে পুলিশ

এবছরও করোনা আবহে দুর্গাপুজোয় যাতে কোনও প্রকার সমস্যা না হয়, তা নিশ্চিত করতে সব রকম চেষ্টা চালাচ্ছে লালবাজার। এবছর কলকাতার প্রত্যেকটি পুজো মণ্ডপে মোতায়েন থাকছে পুলিশ। আগে মূলত বড় পুজো মণ্ডপগুলির উপর বেশি নজর থাকত পুলিশের। এলাকার বারোয়ারি ছোট মণ্ডপগুলির উপর থানার পক্ষ থেকেই নজর রাখা হত। কিন্তু এই বছর লালবাজারের নির্দেশ, প্রত্যেকটি পুজো মণ্ডপে অন্তত দু’জন করে পুলিশকর্মী ডিউটিতে থাকবেন।কলকাতার ২ হাজার ৭০১টি মণ্ডপে মোতায়েন থাকছেন ২ হাজার ৫৪৫ জন অফিসার ও ১২ হাজার ৯৪৭ জন পুলিশকর্মী।

পুজোর দিনগুলিতে রাস্তায় নামবেন প্রায় ২০ হাজার পুলিশ। পুজোয় কলকাতায় যানজট এড়াতে যাতে যেখানে সেখানে গাড়ি পার্কিং না হয়, সেই ব্যাপারে ট্রাফিক পুলিশ ও প্রত্যেকটি থানাকে কড়া নির্দেশ দিলেন পুলিশ কমিশনার সৌমেন মিত্র। এদিকে আজ তৃতীয়াতে বেশ কিছু সংখ্যক পুলিশ রাতে নামবে। এবছর পুজোয় ৩১টি নতুন সিটি পেট্রোল টহল দেবে, যাতে অস্ত্র নিয়ে থাকছেন পুলিশ আধিকারিক ও পুলিশকর্মীরা।

লালবাজারের নির্দেশ, পুজো মণ্ডপগুলিতে যেন পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ রাখা হয়। বিকেল সাড়ে তিনটে থেকে ভোর, রাত বারোটা থেকে সকাল আটটা ও সকাল আটটা থেকে বিকেল চারটে, এই তিন শিফটে মণ্ডপ ও রাস্তায় পুলিশ থাকছে।


Durga Puja: প্রতিমা নিরঞ্জনের দিন ঘোষণা করল কলকাতা পুলিশ

এখনও রেশ  কাটেনি করোনার। এদিকে তৃতীয় ঢেউয়ের প্রবল আশঙ্কা। যদিও গতবছরের মত বছরে দর্শক প্রবেশে নিষেধ। তবে রাজ্যসরকারের গাইডলাইন অনুযায়ী আগামী ৩০ অক্টবর পর্যন্ত বিধিনিষেধ থাকবে। কিন্তু নাইট কার্ফু নিষেধ করা হয়েছে। রাত্রে যদিও ঠাকুর দেখা যাবে।হস্পতিবার কলকাতা পুলিসের  আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন কমিশনার সৌমেন মিত্র । ২০২০-তে কোভিডের আশঙ্কা ও হাইকোর্টের নির্দেশের জেরে পুজো মণ্ডপ  এবং রাস্তায় ভিড় কম ছিল। এবারও হাইকোর্টের একই নির্দেশ বহাল রয়েছে।

তবে গতবারের তুলনায় রাস্তাঘাট এবং পুজো মণ্ডপগুলিতে  ভিড় বেশি হবে বলে মনে করছে পুলিস। বিশেষ করে গাড়ির সংখ্যা অনেক বেশি হতে পারে। তাই যানজট এড়াতে ট্র্যাফিক ম্যানেজমেন্টের উপর জোড় দিতে বলা হয়েছে।

কলকাতার গুরুত্বপূর্ণ ক্রসিংগুলোতে ট্র্যাফিক পুলিশের সঙ্গে ল অ্যান্ড অর্ডার ফোর্সকেও থাকতে বলা হয়েছে।কলকাতা পুলিসের তরফে এবার প্রতিমা নিরঞ্জনের জন্য চারদিন বরাদ্দ করা হয়েছে। ১৫ অক্টোবর দশমী থেকে ১৮ অক্টোবর সোমবার পর্যন্ত প্রতিমা নিরঞ্জন  করা যাবে।