আপনি কি বেশি ঘুমোচ্ছেন, তাহলেই বিপদ!

সকলের ভালো এবং পরিপূর্ণ ঘুম প্রয়োজন। ঘুম সারাদিনের ক্লান্তি দূর করে এবং শরীরে শক্তি যোগায়। যাই হোক, কিছু লোক আছেন যারা ঘুমের সময় কম পান। তবে পর্যাপ্ত ঘুম হওয়া সবার জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। তবে যতটা ঘুম প্রয়োনজোন তার থেকে যদি বেশি ঘুমোতে চান তাহলেই বিপদ। বিভান সাইড এফেক্ট হতে পারে আপনার শরীরে। দেখে নেওয়া যাক.

# যদি আপনি দীর্ঘক্ষণ ঘুমোন। তাহলে আপনার পিঠে ব্যথা হতে পারে। এছাড়া খারাপমানের গদিতে শুলে পরে পিঠের ব্যথা বরে. এছাড়া পেশিতে চাপ সৃষ্টি হয়. অনেকসময় শোয়ার দোষে আপনার পিঠে ব্যথা হতে পারে।


#শরীরে উৎপন্ন সেরোটোনিন হরমোন আমাদের ঘুম ও জাগার ধরন নিয়ন্ত্রণ করে। অতিরিক্ত ঘুম সেরোটোনিনের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। এটি নিউরোট্রান্সমিটাসকে বাঁধা দেয়. অর্থাৎ সকালে অতিরিক্ত বেশি আপনি যদি ঘুমোন তাহলে আপনার মাথাব্যথা হতে পারে।


#আপনি জেনে অবাক হতে পারেন যে অতিরিক্ত ঘুমও ডিপ্রেশনের সঙ্গে সম্পর্কিত। খুব বেশি ঘুমানো হতাশার লক্ষণ হতে পারে, যা দীর্ঘ সময় ধরে ঘুমিয়ে আরও খারাপের দিক.এছাড়া স্লিপি  সাইকেল ভেঙে গেলে, মানসিক চাপ বাড়তে পারে। তাই রুটিনমাফিক ঘোমানো প্রয়োজন।

# অতিরিক্ত ক্লান্তির জের আপনার ঘুম পেতে পারে বেশি। অত্যধিক ঘুম বডি ক্লক ব্যাহত করে এবং এটি পুরো শরীরকে প্রভাবিত করে।

#অতিরিক্ত ঘুমের জের আপনার শরীরে ডায়াবেটিসের লক্ষণ।

তাই ঘুমের সময় সকলের ঘুমোনো দরকার। এ থেকে বেশি ঘুমোনো শরীরের পক্ষে ঠিক নয়.

শসা খাওয়া ভালো, বেশিতে বিপদ

কথায় আছে শসা স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো। কিন্তু সেই শসা আবার হজমে বিপত্তি। শসা হচ্ছে, একটি লো ক্যালরিযুক্ত একটি ফল। শসার মধ্যে জলের পরিমাণ অনেক। ১০০ গ্রাম শসাতে জলের পরিমাণ ৯৪.৯ গ্রাম এবং ক্যালরি ২২। এছাড়াও শসা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট জাতীয় ফল। এতে কিছু পরিমাণ ভিটামিন,মিনারেলস এবং আঁশ থাকে। কিন্তু শসাও মানুষের শরীরের জন্য ক্ষতিকর হয়ে যায়। অনেকেই মনে করে শুধুমাত্র শশা ওয়েট কমানো যায়। এই ধারনা সঠিক নয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, শসা হজম হতে সময় লাগে।

তাই রাতে ঘুমোতে যাওয়ার অন্তত ৩-৪ ঘণ্টা আগে শসা খান।স্বাস্থ্য সচেতন যাঁরা, তাঁরা প্রতিদিন খাবারের তালিকায় শসা রাখেন। শসা খেতে ভালো ও স্বাস্থ্যের পক্ষেও ভালো কাজ করে। কিন্তু এটি বেশি পরিমাণে খেলে এবং ঠিক সময়ে না খেলে শরীরে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। এদিকে অতিরিক্ত শসা খেলে আপনার পুষ্টি উপাদানের ঘাটতি দেখা দিতে পারে। অনেকেই এই লকডাউনে বাড়িতে থাকায়,শরীরে মেদ জমতে থাকে। তারজন্য কেউ কেউ ভাবছে মেদ কমাতে খাওয়া যাক শসা. খেতে পারেন,তবে সেটা অতিমাত্রায় নয়। যদিও বলা হয় ওজন কমানোর জন্য খাওয়া ভালো। কিন্তু আদতে তা নয় । অতিমাত্রায় খেলে তা শরীরে ঘটতি দেখা দিতে পারে। তাই শসা খান,কিন্তু অতিরিক্ত নয়।