দেশে করোনা সংক্রমণ কমল

বেশ কয়েকদিন ধরে করোনার গ্রাফ অনেকটাই ওঠা-নামা করছিল। এদিকে এখনও উৎসবের মরশুম চলছে। তার মধ্যেই শীতের আমেজ শুরু। এইরকম একটা পরিস্থিতিতে যদি করোনাবিধি মেনে না চলা হয়, তবে তৃতীয় ঢেউ নিশ্চিত, এমনটাই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে কিছুটা স্বস্তির খবর, চলতি সপ্তাহের শুরুতে দেশে খানিকটা কমল করোনা সংক্রমণ। 

সোমবার স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত ১৪ হাজার ৩৬ জন, মৃত্যু হয়েছে ৪৪৩ জনের। রবিবার আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা এর চেয়ে বেশি ছিল। দেশে কমেছে সক্রিয় করোনা আক্রান্তের সংখ্যাও। এদিকে কেন্দ্র থেকে ইতিমধ্যেই রাজ্যকে চিঠি পাঠিয়ে সতর্ক করা হয়েছে। কারণ সামনেই দীপাবলি।

সেইমত উৎসবে নিয়মবিধি বাঁধতেই নির্দেশ কেন্দ্রের। যদিও বাঙালির বড় উৎসব দুর্গাপুজোতে একাধিক বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছিল। কিন্তু তা সেভাবে কেউ মানেনি। তবে এখনও উৎসব কাটেনি। সেক্ষেত্রে বিধিনিষেধ মানুষ কতটা মানে, সেটাই এখন দেখার।  

এদিকে কেন্দ্র নাইট কার্ফুর কথাও জানিয়েছে। ইতিমধ্যে নাইট কার্ফুর কথা জানিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যসচিব হরেকৃষ্ণ দ্বিবেদীও। দেশজুড়ে জোরকদমে চলছে টিকাকরণ। ভারতে ১০০ কোটির টিকাকরণ সম্পন্ন হয়েছে। তবে আরও বেশি সংখ্যক মানুষকে টিকাকরণের আওতায় আনতে উদ্যোগী কেন্দ্র।

পাশাপাশি কন্টেইনমেন্ট জোন ঘোষণা করার উদ্যোগও শুরু হয়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই রাজ্যে যেখানে সংক্রমণ বাড়ছে, সেখানে কন্টেইনমেন্ট জোনের কথা বলা হয়েছে। তবে সামনেই দীপাবলি। পুজোর মতো এখানেও নিয়মাবলী মানুষ কতটা মানে, সেটাই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।  

এদিকে কেরল, মহারাষ্ট্রে এখনও যেন আতঙ্ক কাটেনি। এই আতঙ্কের মাঝেই দেওয়ালি উৎসবের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। ফলে দুশ্চিন্তা একটা থেকেই যাচ্ছে। 


করোনায় দেশে মৃত ৫৬১

উৎসব শেষ হতে না হতেই ফের বাড়ছে সংক্রমণ। এর পাশাপাশি বাড়ছে মৃতের সংখ্যাও। তবে দেওয়ালি সামনেই। সেই উৎসবে করোনা সংক্রমণে রাশ টানতে রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে সতর্কবার্তা প্রধামন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর। যদিও পুজোর সময় একাধিক  বিধিনিষেধ থাকা সত্ত্বেও কেউ সেভাবে সেসব মানেনি। যার ফলে বেড়েছে সংক্রমণ। এই সংক্রমণে ফের লাগাম দিতেই কেন্দ্রের কড়া বার্তা।

রবিবার স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ১৫ হাজার ৯০৬ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। যদিও কেরল, মহারাষ্ট্রে এখনও পর্যন্ত সংক্রমণ ঠেকানো যাচ্ছে না। সেখানকার পরিস্থিতি ক্রমশই জটিল হচ্ছে। মূলত উৎসবের মরশুমে বেড়েছে এই সংক্রমণ। এদিকে মৃতের সংখ্যাও ৫০০র গণ্ডি পেরিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা প্রাণ কেড়েছে ৫৬১ জনের। এখনও পর্যন্ত করোনার বলি হয়েছেন ৪ লক্ষ ৫৪ হাজার ২৬৯ জন । যদিও আগে থেকেই বলে আসা হচ্ছে, তৃতীয় ঢেউ আসন্ন। যার প্রভাব পড়তে পারে বাচ্চাদের ওপর। কিন্তু শুধু তো বাচ্চারা নয়। সকলের জন্যই এটা রীতিমতো চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। 

তবে পুজোর উৎসবে যেভাবে মানুষের ঢল নেমেছিল, তাতে সামগ্রিক পরিস্থিতি যে মোটেই নিরাপদ নয়, স্পষ্ট বোঝাই যাচ্ছে। এদিকে দেশজুড়ে টিকাকরণ চলছে। দেশে ১০০ কোটির টিকাকরণের সাফল্যের কথা আগেই জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। কেন্দ্র কন্টেইনমেন্ট জোনের কথাও জানিয়েছে। মূলত যেখানে সংক্রমণ বাড়ছে, সেই জায়গাগুলি কন্টেইনমেন্ট করার ব্যাপারে চিন্তাভাবনা চলছে। শনিবার রাজ্যের মুখ্যসচিব হরেকৃষ্ণ দ্বিবেদীও জানিয়েছেন ফের নাইট কার্ফু করার কথা। এছাড়া বেশ কিছু কন্টেনমেইন্ট জোনের কথাও বলা হয়েছে।

ফলে সংক্রমণ কমার যেমন লক্ষণ নেই, তেমনি তাকে বাগে আনতে চেষ্টারও কসুর করছে না কেন্দ্র, রাজ্য উভয় সরকারই। কিন্তু সকলেই যেটা জোর দিচ্ছেন, তা হল মানুষের সচেতনতা। সব মিলিয়ে সংক্রমণে লাগাম টানা না গেলে ভয়ের আশঙ্কা একটা থেকেই যাচ্ছে। 


Covid Update: তৃতীয় ঢেউ রুখতে চলছে দেশজুড়ে টিকাকরণ, সামান্য বাড়ল করোনা আক্রান্ত

 উৎসবের মরশুম কাটতে না কাটতেই দেশে ফের করোনা  সংক্রমণ আরও নিম্নমুখী। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের সাম্প্রতিকতম পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে মহামারীতে আক্রান্তের সংখ্যা ১৩ হাজার ৫৮। প্রাণ হারিয়েছেন ১৬৪ জন। মারণ ভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করে একদিনে সুস্থ হয়ে ওঠা ব্যক্তির সংখ্যা ১৯ হাজার ৪৭০। কমেছে অ্যাকটিভ কেসও। বিগত ২২৭ দিনের মধ্যে করোনা অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা সর্বনিম্ন। মঙ্গলবার স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী,দেশে অ্যাকটিভ  করোনা রোগীর সংখ্যা ২ লক্ষের নিচে নেমে এসেছে।

এই মুহূর্তে তা ১ লক্ষ ৮৩ হাজার ১১৮। গত ২২৭ দিনের মধ্যে সবচেয়ে কম। করোনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৩ কোটি ৪০ লক্ষ ৯৪ হাজার ৩৭৩। সুস্থ হয়েছেন ৩ কোটি ৩৪ লক্ষ ৫৮ হাজার ৮০১ জন। সুস্থতার এই ঊর্ধ্বমুখী গ্রাফেই স্পষ্ট, ভারত করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধে ক্রমশই এগোচ্ছে।

আর মারণ ভাইরাসের ছোবলে প্রাণ হারিয়েছেন দেশের মোট ৪ লক্ষ ৫২ হাজার ৪৫৪। তবে পুজোর মধ্যে তৃতীয় ঢেউয়ের কথা বল হয়েছিল। সেইমত তৃতীয় ঢেউ রুখতে তৎপর কেন্দ্র। ইতিমধ্যে দেশজুড়ে টিকাকরণ চলছে জোরকদমে। 

Covid update : উৎসবের মরশুমে দেশের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে, কমল অ্যাকটিভ কেস

উৎসবের মরশুমে অর্থাৎ অক্টবর মাসেই যে করোনার তৃতীয় ঢেউ আসার কথা তা আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন, বিশেষজ্ঞরা। এদিকে পুজোতে অনেকটাই ভিড় বেড়েছে। সংক্রমণ বের থাকার একটা সম্ভাবনা থেকেই যাচ্ছে। তবে স্বাস্থ্যমন্ত্রকের পরিসংখ্যান বলছে অন্য কথা। যত দিন যাচ্ছে করোনা মোকাবিলায় ততই শক্তিশালী হচ্ছে দেশ। বাড়ছে সুস্থতার হার। আর স্বস্তি দিচ্ছে নিম্নমুখী অ্যাকটিভ। শনিবার স্বাস্থ্যমন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ১৫ হাজার ৯৮১ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন।

যা গতকালের থেকে সামান্য বেশি হলেও সার্বিক পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে। এই মুহূর্তে দেশের মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩ কোটি ৪০ লক্ষ ৫৩ হাজার ৫৭৩। ২৪ ঘণ্টায় একলাফে অনেকখানি কমল মৃতের সংখ্যা। একদিনে মারণ ভাইরাসে প্রাণ হারিয়েছেন ১৬৬ জন। যা গতকাল ছিল ৩৭৯। দেশে এখনও পর্যন্ত করোনার বলি ৪ লক্ষ ৫১ হাজার ৯৮০ জন।

সংক্রমণ সামান্য বাড়লেও গত ২৪ ঘণ্টায় স্বস্তি দিয়েছে করোনার অ্যাকটিভ কেস। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের রিপোর্ট বলছে, বর্তমানে দেশে করোনায় চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা ২ লক্ষ ১ হাজার ৬৩২ জন। যা গতকালের থেকে বেশ খানিকটা কম। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত দেশে ৩ কোটি ৩৩ লক্ষ ৯৯ হাজার ৯৬১ জন করোনা থেকে মুক্ত হয়েছেন। যার মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনামুক্ত হয়েছেন ১৭ হাজার ৮৬১ জন।

Covid Update: দেশে ফের স্বস্তি সংক্রমণে

দেশের করোনা  গ্রাফে ফের বড়সড় পতন। উৎসবের মরশুমে স্বস্তিতে দেশবাসী থেকে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ – সকলেই। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের সাম্প্রতিকতম পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১৮ হাজার ৩১৩ জন। গত ২২৪ দিন অর্থাৎ প্রায় সাড়ে সাত মাসের মধ্যে এই সংক্রমণ সর্বনিম্ন বলে জানাচ্ছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রক। এই পরিসংখ্যান থেকে আরও স্পষ্ট, কোভিডের তৃতীয় ধাক্কা সামলে বেশ এগিয়ে চলেছে ভারত ।

মঙ্গলবার অর্থাৎ নবরাত্রির সপ্তম দিনে দেশের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রকের পরিসংখ্যান ভালভাবে দেখলে বোঝা যাচ্ছে, গত মার্চ মাসে দেশে একদিনে সংক্রমিতের সংখ্যা ছিল ১৪ হাজারের কাছাকাছি। আর তারপর মঙ্গলবার সংখ্যা এর কাছাকাছি। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনার বলি ১৮১ জন। আর একদিনে করোনার কবল থেকে সুস্থ হয়ে ওঠা রোগীর সংখ্যা ২৬ হাজার ৫৭৯।

এ নিয়ে দেশে মহামারীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সুস্থতার সংখ্যা ৩ কোটি ৩৩ লক্ষ ২০ হাজার ৫৭। আর মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৩ কোটি ৩৯ লক্ষ ৮৫ হাজার ৯২০। করোনার ছোবলে প্রাণ হারিয়েছেন মোট ৪ লক্ষ ৫০ হাজার ৯৬৩জন।

Covid Update: উৎসবের মাঝে স্বস্তি, কমছে সংক্রমণ

উৎসবের মাঝে ফের স্বস্তি।  করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধে দ্রুত এগিয়ে চলেছে ভারত । উৎসবের মরশুমে দেশের কোভিড গ্রাফে বড়সড় স্বস্তি। রবিবার তুলনায় গত ২৪ ঘণ্টায় আরও কমল করোনা সংক্রমণ। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের সাম্প্রতিকতম পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে মারণ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১৮ হাজার ১৩২ জন, মৃত্যু হয়েছে ১৯৩ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে উঠেছেন ২১ হাজার ৫৬৩জন। এ নিয়ে সুস্থতার হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৮ শতাংশের বেশি।তবে কেরলের করোনা পরিস্থিতিতে জারি থাকছেই উদ্বেগ। দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্তের সিংহভাগই দক্ষিণের এই রাজ্যের।

গত ২৪ ঘণ্টায় কেরলে নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন ১০ হাজার ৬৯১ জন, মৃত্যু হয়েছে ৮৫ জনের। দেশে কমছে অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যাও।  এই মুহূর্তে দেশে করোনা অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা ২ লক্ষ ২৭ লক্ষ ৩৪৭।  মহামারীর কবলে প্রাণ হারিয়েছেন দেশের মোট সাড়ে চার লক্ষেরও বেশি মানুষ। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩ কোটি ৩২ লক্ষ ৯৩ হাজার ৪৭৮ জন।দেশে কমছে অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যাও। 

এই মুহূর্তে দেশে করোনা অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা ২ লক্ষ ২৭ লক্ষ ৩৪৭।  মহামারীর কবলে প্রাণ হারিয়েছেন দেশের মোট সাড়ে চার লক্ষেরও বেশি মানুষ। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩ কোটি ৩২ লক্ষ ৯৩ হাজার ৪৭৮ জন।তবে তৃতীয় ঢেউ আসার প্রবল সম্ভাবনা। সেই নিয়ে আতংক কিছুটা রয়েছে। 

Covid Update: উৎসবের শুরুতে দেশের সংক্রমণে ফের স্বস্তি

উৎসবের মরশুমে দেশের দৈনিক করোনা পরিসংখ্যানে বড়সড় স্বস্তি। পরপর দু’দিন দেশের করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২০ হাজারের নিচে। লাগাতার আক্রান্তের সংখ্যা কমলেও সুস্থতার হারে তেমন পরিবর্তন হচ্ছে না। যার ফলে প্রায় প্রতিদিনই কমছে অ্যাকটিভ কেস। যা আরও স্বস্তি দিচ্ছে স্বাস্থ্যমন্ত্রককে। তবে, এসবের মধ্যে সামান্য অস্বস্তির কারণ হিসাবে উঠে আসছে মৃত্যুর সংখ্যাটা। এদিকে রবিবার স্বাস্থ্যমন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ১৮ হাজার ১৬৬ জন করোনা  আক্রান্ত হয়েছেন। যা আগের দিনের থেকে অনেকটাই কম। এদিকে দেশে একদিনে কোভিড-১৯-এ প্রাণ হারিয়েছেন ২১৪ জন। যা নতুন করে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে।

দেশে এখনও পর্যন্ত করোনার বলি ৪ লক্ষ ৫০ হাজার ৫৮৯ জন। একেই উৎসব শুরু হয়ে গেছে। তবে তৃতীয় ঢেউ আসার একটা আশঙ্কা রয়েছে তা আগেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এদিকে দেশজুড়ে চলছে টিকাকরণ। যদিও কেন্দ্রের টার্গেট এবছরের শেষেই সম্পূর্ণ করতে চায় টিকাকরণের। দৈনিক সংক্রমণের পাশাপাশি গত ২৪ ঘণ্টায় স্বস্তি দিয়েছে করোনার অ্যাকটিভ কেসও।

স্বাস্থ্যমন্ত্রকের রিপোর্ট বলছে, বর্তমানে দেশে করোনায় চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা ২ লক্ষ ৩০ হাজার ৯৭১ জন। যা গত কয়েক মাসে সর্বনিম্ন। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত দেশে ৩ কোটি ৩২ লক্ষ ৭১ হাজার ৯১৫ জন করোনা থেকে মুক্ত হয়েছেন। যার মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনামুক্ত হয়েছেন ২৩ হাজার ৬২৪ জন।


Covid Update: পুজো শুরু হতেই ফের বাড়ছে সংক্রমণ

উৎসব প্রায় শুরু হয়ে গেছে। মেতে উঠেছে আমজনতা। তবে পিছু ছাড়ছেনা সংক্রমণ। গত দুদিন সংক্রমণ কম থাকলেও ফের বৃহস্পতিবার একলাফে বেড়ে উঠল. পরপর দু’দিন দৈনিক সংক্রমণ ২০ হাজারের নিচে থাকলেও এদিন তা ফের ২২ হাজারের গণ্ডি পেরিয়েছে।যদিও বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, পুজোর মুখেই তৃতীয় ঢেউ আসার প্রবল সম্ভাবনা। শিশুদের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়বে।


বৃহস্পতিবার সকালে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের  দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ২২ হাজার ৪৩১ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। যা আগের দিনের থেকে অনেকটা বেশি। এই মুহূর্তে দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩ কোটি ৩৮ লক্ষ ৯৪ হাজার ৩১২। এদিকে দেশে একদিনে কোভিড-১৯-এ প্রাণ হারিয়েছেন ৩১৮ জন।


দীর্ঘদিন বাদে একদিনের মৃতের সংখ্যাটা তিনশোর গণ্ডি পেরল। যা নতুন করে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। এদিকে দেশজুড়ে চলছে টিকাকরণ। তবে তৃতীয় ঢেউ আসার একটা থেকেই যাচ্ছে। এখন দেখার সেটা কতটা প্রভাব ফেলে। 


Covid Update: দেশের সংক্রমণে ফের স্বস্তি, চলছে দ্রুত টিকাকরণের কাজ

উৎসবের মরশুম এগিয়ে আসতেই  স্বস্তি বাড়ল আরও বেশ খানিকটা। মঙ্গলবারও দেশের করোনা  গ্রাফে পতন অব্যাহত। আরও নামল গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা সংক্রমণ। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের সাম্প্রতিকতম পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১৮ হাজার ৩৪৬ জন। একধাক্কায় অনেকটা কমেছে অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যাও। একদিনে করোনার কবল থেকে সুস্থ হয়েছেন ২৯ হাজার ৬৩৯ জন। এই মুহূর্তে সুস্থতার হার ৯৭.৯৩ শতাংশ। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের এই পরিসংখ্যানেই স্পষ্ট, করোনাযুদ্ধে ভারত ক্রমশই এগোচ্ছে।


এই মুহূর্তে দেশে অ্যাকটিভ করোনা রোগীর সংখ্যা নেমে দাঁড়িয়েছে ২  লক্ষ ৫২ হাজার ৯০২-তে। আর আসন্ন উৎসবের মরশুমে এই পরিসংখ্যান বেশ স্বস্তিদায়ক বলেই মনে করছে স্বাস্থ্য়মহল। এদিকে স্বাস্থ্যমন্ত্রক সূত্রে খবর, কেরলেও কমছে দৈনিক করোনা সংক্রমণ।


গত ২৪ ঘণ্টায় সে রাজ্যে মারণ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৮৮৫০। মৃত্যু হয়েছে ১৪৯ জনের। দেশজুড়ে চলছে দ্রুত টিকাকরণের কাজ। তবে তৃতীয় ঢেউ আসার একটা শঙ্কা থেকে যাচ্ছে। তার আগে যথারীতি কেন্দ্রের তরফে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।  

Covid Update: উৎসবের আগেই স্বস্তি দেশের সংক্রমণে

সপ্তাহের শেষেই দেশজুড়ে শুরু হচ্ছে উৎসবের মরশুম। আগামী এক মাস নানা উৎসব উদযাপন করবেন দেশবাসী। করোনা আবহে সেসব পালন নিয়ে নির্দিষ্ট নির্দেশিকা জারিও হয়েছে। তবে এসবের মধ্যেই দেশের কোভিড  গ্রাফে বড়সড় পতন, যা বেশ আশাব্যঞ্জক। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের সাম্প্রতিকতম পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২০ হাজার ৭৯৯ জন, মৃত্যু হয়েছে ১৮০ জনের। আর একদিনে করোনার কবল থেকে সুস্থ হয়ে ফিরেছেন ২৬ হাজার ৭১৮ জন।

এদিকে সোমবার স্বাস্থ্যমন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টা করোনা সংক্রমণ, মৃত্যু অনেকটা কমে গিয়েছে। কমেছে অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যাও। এই মুহূর্তে দেশে করোনা অ্যাকটিভ রোগী ২ লক্ষ ৬৪ হাজার ৪৫৮। মারণ ভাইরাসের বলি দেশের মোট ৪ লক্ষ ৪৮ হাজার ৯৯৭ জন। আর সুস্থ হয়ে উঠেছেন মোট ৩ কোটি ৩১ লক্ষ ২১ হাজার ২৪৭ জন।

চলতি সপ্তাহের শেষ, আগামী সপ্তাহের শুরু থেকেই দেশে উৎসবেকর মরশুম শুরু হয়ে যাবে পুরোদমে। গত বছরের মতো এবারও মেনে চলতেই হবে কঠোর করোনাবিধি। কিন্তু তার আগে দেশের কোভি গ্রাফের এই পতন কিছুটা আশ্বস্ত করেছে স্বাস্থ্যমহলকে।এদিকে তৃতীয় ঢেউ মোকাবিলা করতে যাবতীয় প্রস্তুতি নিচ্ছে কেন্দ্র। 

Covid Update: উৎসবের শুরুর আগেই ফের স্বস্তি দেশের সংক্রমণে

সামনেই উৎসবের মরশুমে দেশের দৈনিক করোনা  সংক্রমণে ফের স্বস্তি। গত ২৪ ঘণ্টায় প্রায় ৬ শতাংশ কমল সংক্রমণ। এই নিয়ে পরপর দু’দিন করোনা সংক্রমণ বড় অঙ্কে হ্রাস পেল। সেই সঙ্গে ফের অনেকটা কমল দেশের অ্যাকটিভ কেস। যা স্বাস্থ্যমন্ত্রককে বড়সড় স্বস্তি দেবে।রবিবার স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ২২ হাজার ৮৪২ জন করোনা  আক্রান্ত হয়েছেন।যা গতকালের থেকে অনেকটা কম। একদিনে মারণ ভাইরাসে প্রাণ হারিয়েছেন ২৪৪ জন।

এই সংখ্যাটা আগের দিনের থেকে অনেকটা বেশি। সেটাই চিন্তায় রাখছে স্বাস্থ্যমন্ত্রককে। দেশে এখনও পর্যন্ত করোনার বলি ৪ লক্ষ ৪৮ হাজার ৮১৭ জন।সংক্রমণ কমার পাশাপাশি গত ২৪ ঘণ্টায় বড়সড় স্বস্তি দিয়েছে করোনার অ্যাকটিভ কেসে। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের রিপোর্ট বলছে, বর্তমানে দেশে করোনায় চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা ২ লক্ষ ৭০ হাজার ৫৫৭ জন। এদিকে দেশজুড়ে চলছে টিকাকরণ। 


Covid Update: দেশে আরও কমল সংক্রমণ, সর্বনিম্ন অ্যাকটিভ কেস

প্রতিনিয়ত দেশে বাড়ছে সংক্রমণ। সামনেই উৎসবের মরশুম।গত ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমণ তো কমলই। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ১৯৭ দিনের মধ্যে সবচেয়ে নেমে এল অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা। এই মুহূর্তে দেশে করোনা অ্যাকটিভ রোগী ২ লক্ষ ৭৩ হাজারের সামান্য বেশি। মন্ত্রকের দাবি, ১৯৭ দিন পর ফের এতটা কমল অ্যাকটিভ কেস, যা বেশ আশাব্যঞ্জক। শনিবার স্বাস্থ্যমন্ত্রকের পরিসংখ্যান থেকে জানা গিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে করোনা ভাইরাসে  আক্রান্ত হয়েছেন ২৪ হাজার ৩৫৪ জন।

শুক্রবার এই সংখ্যা ছিল ২৬ হাজার ৭২৭ জন। সেই তুলনায় শনিবার দৈনিক সংক্রমণ একটু কমল। এদিকে অজানা জ্বরের হদিস পাওয়া যাচ্ছে। যেখানে সবচেয়ে বেশি শিশুরা আক্রান্ত হচ্ছে। যদিও বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছিল, তৃতীয় ঢেউ আসার এক প্রবল সম্ভাবনা। শিশুদেরকে সাবধানে রাখার বার্তা দেওয়া হয় । তবে এখন দেখার এই তৃতীয় ঢেউ কতটা প্রভাব ফেলে। 

Covid Update: ফের দেশে সংক্রমণের চিন্তা বাড়াচ্ছে !

প্রতিনিয়ত সংক্রমণ দেশে ওঠা-নামা করছে। এদিকে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের  দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ২৩ হাজার ৫২৯ জন করোনা  আক্রান্ত হয়েছেন। যা গতকালের থেকে অনেকটাই বেশি। এই মুহূর্তে দেশের মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩ কোটি ৩৭ লক্ষ ৩৯ হাজার ৯৮০। একদিনে মারণ ভাইরাসে প্রাণ হারিয়েছেন ৩১১ জন। এই সংখ্যাটা অবশ্য আগের দিনের থেকে খানিকটা কম। সেটাই চিন্তায় রাখছে স্বাস্থ্যমন্ত্রককে। দেশে এখনও পর্যন্ত করোনার বলি ৪ লক্ষ ৪৮ হাজার ৬২ জন। যদিও সংক্রমণ বাড়লেও গত ২৪ ঘণ্টায় স্বস্তি দিয়েছে করোনার অ্যাকটিভ কেসে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রকের রিপোর্ট বলছে, বর্তমানে দেশে করোনায় চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা ২ লক্ষ ৭৭ হাজার ২০ জন। যা গতকালের থেকে অনেকটা কম। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত দেশে ৩ কোটি ৩০ লক্ষ ১৪ হাজার ৮৯৮ জন করোনা থেকে মুক্ত হয়েছেন। যার মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনামুক্ত হয়েছেন ২৮ হাজার ৭১৮ জন।

এই মুহূর্তে করোনা টিকার দুটি ডোজ পেয়েছে ২৫ শতাংশের বেশি ভারতবাসী। তবে বৃহস্পতিবার দৈনিক সংক্রমণে খানিকটা চিন্তা বাড়িয়েছে। এদিকে তৃতীয় ঢেউ আসার প্রবল সম্ভাবনা। সামনেই উৎসবের মরসুম। কিন্তু এর প্রভাব কতটা পড়বে তা দেখার। 


Covid Update: দেশে নিম্নমুখী করোনা গ্রাফ, বাড়ছে সুস্থতার হার

দেশে প্রতিনিয়ত করোনা ওঠা-নামা করছে।  কেরলের করোনা গ্রাফ সামান্য নিয়ন্ত্রণে আসতেই দেশের সার্বিক করোনা পরিসংখ্যানে স্বস্তি। পরপর দ্বিতীয় দিন নিম্নমুখী দৈনিক সংক্রমণ। একই সঙ্গে বাড়ছে সুস্থতার হার। এই মুহূর্তে দেশের সুস্থতার হার ৯৭.৭৮ শতাংশ। যা কিনা গতবছর মার্চের পর সর্বোচ্চ। এই মুহূর্তে দেশের মৃত্যুহারও নেমে গিয়েছে ০.৯০ শতাংশে।সংক্রমণ কমলেও গত ২৪ ঘণ্টায় সামান্য বেড়েছে করোনার অ্যাকটিভ কেসে। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের রিপোর্ট বলছে, বর্তমানে দেশে করোনায় চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা ৩ লক্ষ ১ হাজার ৪৪২ জন। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত দেশে ৩ কোটি ২৮ লক্ষ ৭৬ হাজার ৩১৯ জন করোনা থেকে মুক্ত হয়েছেন।

যার মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনামুক্ত হয়েছেন ২৮ হাজার ৪৬ জন। দেশজুড়ে চলছে টিকাকরণ।তবে তৃতীয় ঢেউ আসা নিয়ে একটি আতঙ্ক থেকে যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ২৯ হাজার ৬১৬ জন করোনা  আক্রান্ত হয়েছেন। যা গতকালের তুলনায় সামান্য কম।

একদিনে মারণ ভাইরাসে প্রাণ হারিয়েছেন ২৯০ জন। এই সংখ্যাটাও কমবেশি আগের দিনের মতোই। দেশে এখনও পর্যন্ত করোনার বলি ৪ লক্ষ ৪৬ হাজার ৬৫৮ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় সামান্য নিয়ন্ত্রণে এসেছে কেরলের পরিস্থিতি। সেরাজ্যে একদিনে করোনা আক্রান্ত ১৮ হাজারের কিছু কম।গতকাল দেশে করোনা পরীক্ষা হয়েছে ১৫ লক্ষ ২৭ হাজার ৪৪৩ জনের।

Covid Update: সংক্রমণ এড়াতে বাড়ছে টিকাকরণ, কমল অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা

উৎসবের মরশুমে করোনা নিয়ে বিশেষ সতর্ক কেন্দ্র সরকার। সংক্রমণ ঠেকাতে যেমন জোর দেওয়া হচ্ছে কোভিডবিধিতে, তেমনই গতি বাড়ছে টিকাকরণের। আর সেই সুবাদেই গত কয়েকদিন ধরে কমছে অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা। তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ার আশঙ্কার মধ্যেও সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে থাকায় আশার আলো দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।শুক্রবার স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৩১ হাজার ৩৮২ জন করোনা  আক্রান্ত হয়েছেন। তবে চিন্তায় রাখছে মহারাষ্ট্রের করোনা গ্রাফ। একদিনে দেশে মারণ ভাইরাসে প্রাণ হারিয়েছেন ৩১৮ জন।

দেশে এখনও পর্যন্ত করোনা বলি ৪ লক্ষ ৪৬ হাজার ৩৬৮ জন. গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ফের কমল সক্রিয় রোগীর সংখ্যা। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের রিপোর্ট বলছে, বর্তমানে দেশে করোনায় চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা ৩ লক্ষ ১৬২ জন। ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের শক্তি জোগাচ্ছেন করোনাজয়ীরা। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত দেশে ৩ কোটি ২৮ লক্ষ ৪৮ হাজার ২৭৩ জন করোনা থেকে মুক্ত হয়েছেন।

যার মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনামুক্ত হয়েছেন ৩২ হাজার ৫৪২ জন। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, আগস্টের শেষে যেখানে আর ভ্য়ালু ছিল ১.১৭, সেখানে সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সেই পরিমাণ কমে হয় ০.৯২। অর্থাৎ একজন করোনা আক্রান্তের সংক্রমিত করার হার কমেছে। তৃতীয় ঢেউ রুখতে বদ্ধপরিকর সরকার তাই উৎসবের মরশুমে কড়া বিধিনিষেধ জারি করার পথে।