তৃতীয় ঢেউ আসুক,তার আগে সবাই ঘুরে আসি

প্রথম ঢেউ কাটার পর,দ্বিতীয় ঢেউ।  কিন্তু মানুষের তাতে পরোয়া নেই। দ্বিতীয় ঢেউয়ে সংক্রমণ ওঠা নাম করলেও, তৃতীয় ঢেউ একেবারে দোঁড়গোড়ায়। তাতে কিন্তু মানুষের হুঁশ ফিরছেনা। এদিকে করোনাবিধি স্থিতিশীল আনতেই মানুষ বেরিয়ে পড়ছে এদিকে-ওদিক। সকাল থেকে সন্ধে পার্ক থেকে শুরু করে রেস্তোরাঁ ,ক্যাফেতে ভিড় জমাচ্ছে। যেখানে বারবার সতর্ক করা হচ্ছে বাইরে প্রয়োজন ছাড়া অযথা না বেরোনোই ভালো। সেখানে শুনছে কোথায় মানুষ।

আর করোনাবিধি শিকেয় তুলে দিয়ে মানুষ তাঁর নিজের মত মজে আছে।  কেউ পড়ছেনা মাস্ক,আবার কেউ বা মাস্ক পড়ছেনা। সবার যেন একটা অনীহা জন্মাচ্ছে.সামাজিক দূরত্ববিধির তো বালাই নেই. আবার বেশকিছু মানুষ একঘেয়েমি লাগছে সেইভাবে ঘুরতে যাচ্ছে পাহাড়ি পথে,কিনবগবা অরণ্যপথে। ভাবছে সেখানে আবার করোনা কিসের। একেই তো ঘুরতে যাওয়াতে কিছুটা সচ্ছল হয়েছে। তবে এতকিছুর পরেও মানুষ কিন্তু এখনও সচেতন নয়. চিকিৎসকরা বারবার বলছে, সতর্ক থাকতে।সামনেই ত্রিত ঢেউ আসছে।তার আগে করোনার নয়া প্রজাতি কিন্তু বেশ কিছু দেশে হানা মেরেছে। তাতেও কি ভয় পাচ্ছে মানুষ,প্রশ্ন একটাই?

দেশের করোনা আপডেট একনজরে

 করোনার তৃতীয় ঢেউ আসতে চলেছে। তার আগে দেশের করোনার  গ্রাফে ওঠানামার খেলা চলছেই। রবিবার দেশের দৈনিক সংক্রমণ ছিল ৪১ হাজারের বেশি। আর সোমবার তা নেমে এল ৩৮ হাজারে। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের  পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩৮ হাজার ১৬৪ জন। তবে মৃত্যুর হারে স্বস্তি। মহামারীতে দৈনিক মৃত্যু নেমে এল পাঁচশোর নিচে।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় প্রাণ হারিয়েছেন ৪৯৯ জন। একদিনে সুস্থ হয়ে ফিরেছেন ৩৮ হাজার ৬৬০ জন।দেশে মোট কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা ৩ কোটি ১১ লক্ষ ৪৪ হাজার ২২৯। সুস্থ হয়েছেন ৩ কোটি ৩ লক্ষ ৮ হাজার ৪৫৬। দ্বিতীয় ঢেউয়ে সংক্রমণ কমলেও তবে আশঙ্কা থেকে যাচ্ছে তৃতীয় ঢেউয়ের।



ফের বাড়ল দৈনিক সংক্রমণ

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে সংক্রমণ কমলে ও ফের তৃতীয় ঢেউ আসতে চলেছে।আগামী মাসেই তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ার আশঙ্কায় ত্রস্ত গোটা দেশ। সংক্রমণ রুখতে কড়া প্রশাসনও। বাতিল করা হচ্ছে একের পর এক ধর্মীয় সমাগম। পর্যটকদের ঘুরতে যাওয়ার উপরও জারি হচ্ছে নানা বিধিনিষেধ। আর এসবের মধ্যেই ওঠানামা করছে করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যু। শনিবার দৈনিক সংক্রমণ কমলেও রবিবারের রিপোর্ট বলছে, ফের ৪০ হাজারের গণ্ডি ছাড়াল দৈনিক সংক্রমণ।

তবে খানিকটা কম মৃত্যু।রবিবার স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৪১ হাজার ১৫৭ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। যা গতকালের তুলনায় ৭.৪ শতাংশ বেশি। একদিনে এই মারণ ভাইরাসে প্রাণ হারিয়েছেন ৫১৮ জন। দেশে এখনও পর্যন্ত করোনার বলি ৪ লাখ  ১৩ হাজার ৬০৯ জন।  ইতিমধ্যে তৃতীয় ঢেউ আসতে  কেন্দ্রের সরকার প্রস্তুতি নিচ্ছে।এদিকে রাজ্যেও অনেকটা বেশি করোনাবিধিনিষিধের ওপর বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছে।


ফের চিন্তা বাড়াচ্ছে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ কিছুটা স্থিতিশীল হলে ও চিন্তা বাড়াচ্ছে তৃতীয় ঢেউ। এদিকে প্রতিনিয়ত সংক্রমণের সংখ্যা কখনও বাড়ছে কিংবা কমছে। তবে আগামী মাসের মধ্যেই কিন্তু আসতে চলেছে করোনার তৃতীয় ঢেউ। আইসিএমআর গবেষকরা জানাচ্ছেন, এই সংক্রমণ ১ লাখের গন্ডি পেরোবে। যার একমাত্র কারণ হল মানুষের সামাজিক সচেতনতার অভাবের কারণ।

শনিবার স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৩৮ হাজার ৭৯ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। একদিনে এই মারণ ভাইরাসে প্রাণ হারিয়েছেন ৫৬০ জন। তবে ইতিমধ্যেই দেশজুড়ে টিকাকরণ শুরু হয়ে গেছে। দেশে এখনও পর্যন্ত করোনার বলি ৪ লাখ ১৩ হাজার ৯১ জন। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনামুক্ত হয়েছেন ৪৩ হাজার ৯১৬ জন। তবে এর মধ্যে আবার দেশে মাথাচাড়া দিয়েছে করোনার  একাধিক ভ্যারিয়েন্ট। দিনে দিনে চিন্তা বাড়াচ্ছে এই ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট।

করোনার তৃতীয় ঢেউ শুরু, সতর্ক WHO

দেশে এবার করোনার তৃতীয় ঢেউ যে শুরু, তা সতর্ক করলেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO )। এদিকে বৃহস্পতিবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান জানান,'দুর্ভাগ্যের সাথে তৃতীয় ঢেউয়ের প্রাথমিক সস্তরে  আমরা পৌঁছে গেছি'. এদিকে বিশ্বে করোনা সংক্রমণের সংখ্যা গত চার সপ্তাহ ধরে নতুন করে বাড়তে শুরু করেছে। হুয়ের নির্ধারিত ছ’টি অঞ্চলের মধ্যে পাঁচটিতেই সংক্রমণের ঊর্ধ্বমুখী ধারা নজরে এসেছে।

যদিও ট্রেডস বলছেন ‘কিছু কিছু দেশে টিকার অভাব আর টিকা হয়ে যাওয়া দেশগুলিতে করোনা বিধি মানার গাফিলতিই তৃতীয় ঢেউয়ের প্রাথমিক স্তরে পৌঁছে দিয়েছে আমাদের।’’ করোনার তৃতীয় ঢেউ ইতিমধ্যে বিশ্বের ১১১টি দেশে প্রভাব ফেলেছে। সমীক্ষায় তাই দেখা যাচ্ছে। তবে আগামী সেপ্টেম্বর মাসে মধ্যে টিকার হার বাড়াতে হবে. যদিও মোট জনসংখ্যার অন্তত ১০ শতাংশ মানুষের টিকা সম্পূর্ণ করতে হবে । অর্থাৎ বলা যায় এই ভাইরাস কিন্তু আরও অন্যরকম রূপ নিতে চলেছে। তাই ভাইরাস থেকে রেহাই পেতে টিকার ওপর দিতে হবে বিশেষ নজর ।

ফের ঊর্ধ্বমুখী আক্রান্তের সংখ্যা

দেশে দৈনিক করোনা আক্রান্তের  সংখ্যাটা  অনেকটা নেমে এসেছিল মাত্র ৩১ হাজার। যা কিনা চার মাসের মধ্যে ছিল সর্বনিম্ন। বৃহস্পতিবার ফের বাড়ল । দেশের দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ৪০ হাজারের উপরে। নতুন করে ঊর্ধ্বমুখী অ্যাকটিভ কেসও। যা চিন্তা বাড়াচ্ছে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের। তবে, এদিন বড়সড় স্বস্তি মিলেছে করোনায় দৈনিক মৃতের সংখ্যায়। দীর্ঘদিন পর দেশের দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা নেমে এসেছে ছ’শোর নিচে।

এদিকে বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্যমন্ত্রকের বুলেটিন অনুযায়ী,গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৪১ হাজার ৮০৬ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। যা আগের দিনের থেকে হাজার দশেক বেশি। ফলে দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ কোটি ৯ লাখ  ৮৭ হাজার ৮৮০ জন। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আপাতত মৃতের সংখ্যা ৪ লাখ ১১ হাজার ৯৮৯ জন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ৫৮১ জনের।  ইতিমধ্যে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে টিকাকরন। টিকাকরণের আওতায় রয়েছে বহু মানুষ।তবে তৃতীয় ঢেউ আসার জের একটা চিন্তার কারণ থেকেই যাচ্ছে।

এবার দিঘা সফরে লাগবে করোনা রিপোর্ট

রাজ্যে করোনা সংক্রমণ কমেছে খানিকটা। তবে সংক্রমণ বাড়ছে পূর্ব মেদিনীপুরে। এদিকে পরিস্থিতি মোকাবিলায় কঠোর পদক্ষেপ জেলা প্রশাসনের। যদিও তারাপীঠ শান্তিনিকেতনের পর এবার দিঘা যেতে লাগবে করোনা টেস্টার রিপোর্ট। নাহলে সঙ্গে নিয়ে যেতে হবে ভ্যাকসিনের সার্টিফিকেট।সোমবার পূর্ব মেদিনীপুর জেলা প্রশাসনের তরফে একটি নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।

সেখানেই পর্যটকদের  কোভিড টেস্টের রিপোর্ট অথবা সার্টিফিকেট বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এর পাশাপাশি একাধিক নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হোটেলের ভিতর কড়াভাবে মানতে হবে কোভিড বিধি। সেখানে বিধিনিষেধ পালন যেমন পর্যটকদের দায়িত্ব, একইভাবে পর্যটকরা হোটেল কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব।




ইসকনের রথ পেরোবে ২০০ মিটার

সোমবার রথযাত্রা। তবে এবছর ও করোনা পরিস্থিতি থাকার জের হবেনা কোনওরকম উৎসব। এমনকি রথের দড়িতে জনসাধারণের কেউ দিতে পারবেনা টান. এবার ইসকনের রথ পাঁচ কিলোমিটারের বদলে পেরোবে মাত্র ২০০ মিটার পথ। তাও ইসকন মন্দিরের ক্যাম্পাসের মধ্যেই। নদিয়ার মায়াপুর ইসকন মন্দিরের আয়োজিত রথযাত্রায় জনপ্লাবনের দেখা মিলবে না এবারও।

করোনা পরিস্থিতির কারণে সরকারি বিধিনিষেধকে মান্যতা দিয়ে রথযাত্রা উপলক্ষে সমস্ত অনুষ্ঠান বাতিল করে দিয়েছে ইসকন কর্তৃপক্ষ। এবতের রথযাত্রা দেখা যাবে ভার্চুয়ালি। অর্থাৎ ২০০ মিটারের মধ্যে রথ পেরোবে।এছাড়া মন্দিরে অল্পসংখ্যক পূজারী ছাড়া অন্য কেউ প্রবেশ করতে পারবেনা। এছাড়া করোনা বিধি মেনেই এই উৎসব পালন করা হবে। এছাড়া রথযাত্রার দিন বিশেষ নজরদারি চালানো হবে।  




তৃতীয় ঢেউয়ের হাত ও কি উত্তরাখণ্ডে

করোনা বিধি তোয়াক্কা না করে হরিদ্বারের হর কি পৌরি ঘাটে পুণ্যার্থী ভিড় জমিয়েছেন হাজার হাজার পুণ্যার্থী। ওই রাজ্যে এ বছরের এপ্রিলে একই ছবি ধরা পড়েছিল শাহি স্নানের সময়। দেশে তখন করোনার দ্বিতীয় ঢেউ চরম পর্যায়ে। এ রকম পরিস্থিতিতে শাহি স্নানের আয়োজন করে সমালোচনা মুখে পড়তে হয়েছিল উত্তরাখণ্ড সরকারকে। এবার সেই একই ছবি দেখা গেল হিমাচল প্রদেশের মুসৌরির কেম্পটি জলপ্রপাতে।

এদিকে শাহী স্নানের ঘটনা থেকে শিখা হয়নি উত্তরাখণ্ডের সরকারের।বারবার সমালোচনার মুখে পড়ছে। এদিকে হিমাচলপ্রদেশের শহরগুলোতে যে ভাবে পর্যটকের ঢল নেমেছে তা দেখে গোটা দেশে সমালোচনা ঝড় উঠেছে।


ফের মহার্ঘ্য জ্বালানির দাম

কলকাতা: ফের বাড়ল জ্বালানির দাম।  যদিও রান্নার গ্যাসের দাম বাড়ার পাশাপাশি বেড়েই চলেছে জ্বালানির দাম। এদিকে শুক্রবার কলকাতায় পেট্রোলের দাম ৪০ পয়সা বেড়ে কলকাতায় পেট্রলের দাম হয়েছে ৯০ টাকা ৪ পয়সা প্রতি লিটার। দেশের অন্যান্য মহানগরগুলির মধ্যে মুম্বইয়ে জ্বালানি সবচেয়ে বেশি দামে বিকোচ্ছে। আজ পেট্রলের দাম লিটারপ্রতি ১০৫ টাকা ২৪ পয়সা। চেন্নাইয়েও প্রথমবার পেট্রলে সেঞ্চুরি পেরিয়েছে দাহ্য তেল। 

দিল্লিতে পেট্রলের দাম লিটারপ্রতি ৯৯ টাকা ১৬ পয়সা দরে। তবে এদিন দেশের চার মহানগরেই অপরিবর্তিত ডিজেলের দাম। কলকাতা, দিল্লি, মুম্বই এবং চেন্নাইয়ে ডিজেল বিকোচ্ছে যথাক্রমে ৯২ টাকা ৩ পয়সা,৮৯ টাকা ১৮ পয়সা, ৯৬টাকা ৭২ পয়সা এবং ৯৩ টাকা ৭২ পয়সা। একদিকে করোনা। অন্যদিকে লকডাউন থাকায় বহু মানুষ কর্মহারা। এদিকে প্রতিনিয়ত বাড়ছে জ্বালানির  দাম। যারফলে সাধারণ মানুষ যথেষ্ট ভোগান্তির মধ্যে পড়ছে বলা যায়।

আপাতত স্থগিত চারধাম যাত্রা

আপাতত অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ চারধাম যাত্রা। পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত বন্ধ এই যাত্রা,জানালেন উত্তা আপাতত স্থগিত হয়ে তরাখণ্ডের সরকার। উত্তরাখন্ড হাইকোর্টের নির্দেশের পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হল. আগামী ১ জুলাই থেকে এই যাত্রা চালু হওয়ার কথা ছিল। চারধাম যাত্রার জন্য নয়া করোনাবিধি জারি করেছিল উত্তরাখণ্ড সরকার। ১ জুলাইয়ে প্রথম পর্যায়ের যাত্রা ছিল। দ্বিতীয় পর্যায়ের যাত্রার দিন নির্ধারিত করা হয়েছিল ১১ জুলাই।

এদিকে দেশে করোনা বিধির সময়  শাহি স্নানের অনুমতি দিয়ে প্রবল সমালোচনা মুখে পড়তে হয়েছিল উত্তরাখণ্ড সরকারকে। লাখ লাখ পুণ্যার্থী জামায়েত হয়েছিলেন শাহি স্নানের জন্য। করোনা বিধি না মানার অভিযোগও ওঠে। এই  পরিস্থিতির মধ্যে কী ভাবে লাখ লাখ পুণ্যার্থীর জমায়েতে অনুমতি দেওয়া হল তা নিয়ে বিস্তর সমালোচনা হয়।

ওয়ান নেশন ওয়ান রেশন

নয়াদিল্লি : এবার পরিযায়ী শ্রমিকদের কথা ভেবেই রাজ্যগুলিকে করা নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। চালু করতে হবে 'ওয়ান নেশন ওয়ান রেশন' ব্যবস্থ্যা। আগামী ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে এই ব্যবস্থা কার্যকরী করার নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত। একইসঙ্গে সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলগুলিকে একটি পোর্টাল তৈরির কথা বলা হয়েছে। যার মাধ্যমে সমস্ত অসংগঠিত ক্ষেত্রে পরিযায়ী শ্রমিকদের তালিকাভুক্ত করে এই প্রকল্পের আওতায় নিয়ে আসা সম্ভব হবে।

এদিন শীর্ষ আদালত জানায়, প্রতিটি রাজ্যের করোনা পরিস্থিতিতে পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য কমিউনিটি কিচেনের ব্যবস্থা করতে হবে.পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য অতিরিক্ত রেশনের ব্যবস্থা করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে রাজ্যগুলিকে। এছাড়া কোনও বিশেষ স্কিম তৈরী করে শুকনো খাদ্যদ্রব্য শ্রমিকদের মধ্যে বিতরণ করার কথা জানান শীর্ষ আদালত।

অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে আর্থিক প্যাকেজের ঘোষণা কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর

এবার অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে আট দফা আর্থিক প্যাকেজের কথা ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। সোমবার বিকেলে সাংবাদিক বৈঠকে তিনি জানালেন, করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের কারণে ক্ষতিগ্রস্থ গরিব মানুষের পাশে দাঁড়াতে একাধিক কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সময়সীমা বাড়ানো হবে। করোনা পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত শিল্পক্ষেত্রগুলির জন্য ১ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকার ঋণ গ্যারান্টি যোজনার কথাও ঘোষণা করেছেন নির্মলা।

এই কর্মসূচিতে বার্ষিক ৭.৯৫ শতাংশ সুদে ১০০ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ পাবে শিল্পসংস্থাগুলি। গ্যারেন্টার হিসেবে থাকবে কেন্দ্র। সাধারণ ভাবে সুদের হার হয় ৯ থেকে ১০ শতাংশ। এছাড়া গত বছর প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ‘আত্মনির্ভর ভারত রোজগার যোজনা’র সময়সীমাও ২০২২ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। অতিমারি আবহে কর্মসং‌স্থান বাড়ানোর বিষয়টিতে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা সোমবার জানিয়েছেন নির্মলা। যদিও এদিন করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের  পশে দাঁড়াতেই এই বড়সড় সিদ্ধান্ত কেন্দ্রী অর্থমন্ত্রীর।

ফের দেশে কমল দৈনিক সংক্রমণ

দেশে ফের নিম্নমুখী হল করোনা। যদিও মাঝে একদিন অস্বস্তি বাড়িয়ে দৈনিক সংক্রমণ পেরিয়ে গিয়েছিল ৫০ হাজারে।সোমবার থেকে অনেকটা নেমে গেল. স্বাস্থ্যমন্ত্রকের বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘন্টায় দেশে নতুন করে করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন ৪৬ হাজার ১৪৮ জন । এদিকে মৃত্যু হয়েছে ৯৭৯ জনের। দেশে দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা নামল হাজারের নিচে। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার কবল থেকে মুক্ত হয়েছেন ৫৮ হাজার ৫৭৮ জন। ফলে সুস্থতার হার বেড়ে দাঁড়াল ৯৬.৮ শতাংশ।

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ অনেকটা সামলে উঠছে ভারত। তবে এর মধ্যেই আসতে চলেছে তৃতীয় ঢেউ। এই সময়টা যথেষ্ট সচেতন থাকতে হবে। শিশুদের টিকার ওপর বিশেষ নজর দিতে হবে। যদিও দিল্লির এমন প্রধান রণদীপ গুলেরিয়া জানিয়েছেন,এই তৃতীয় ঢেউ সেভাবে ভয়ঙ্কর হবেনা।তবে সকলকে করোনা বিধিৰ মানতে হবে। এছাড়া এই তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ার আগে সবরকম ব্যবস্থা নেওয়া হবে এমনটাও জানানো হয়। এখন দেখার তৃতীয় ঢেউ ভারতে কতটা প্রভাব ফেলে।  


ফের কমল দৈনিক সংক্রমণ, নিম্নমুখী মৃত্যু

ফের রাজ্যে কমল দৈনিক সংক্রমণ। ক্রমশ সুস্থ হচ্ছে বাংলা। বিগত ৭ দিনের মত গত ২৪ ঘন্টায় রাজ্যের করোনা অনেকটা নিম্নমুখী। এদিকে কমেছে মৃত্যু। যদিও গত ২৪ ঘন্টায় স্বাস্থ্যদফতরের বুলেটিন অনুযায়ী, নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন, ১,৮৩৬ জন. এদের মধ্যে ২০৬ জন উত্তর ২৪ পরগনার।দৈনিক সংক্রমণের নিরিখে প্রথম স্থানে জেলা। এছাড়া দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে কলকাতা। একদিনে সংক্রমিত সেখানকার ১৯১ জন ।

যদিও দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের করোনাও অনেকটা নিম্নমুখী।এদিকে দার্জিলিঙে বাড়ছে সংক্রমণ।এখনও পর্যন্ত রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১৪,৯৪,৯৪৯। দ্বিতীয় ঢেউয়ে সংক্রমণ ধীরে ধীরে কমছে। দেড়মাসের মাথায় তৃতীয় ঢেউ আসতে চলেছে। তবে এখন দেখার  তৃতীয় ঢেউ বাংলার ওপর কতটা প্রভাব ফেলে।