স্কুল খুললে ভুলেও এই কাজ নয়, সাবধান করুন সন্তানকে!

দেশজুড়ে কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এখন করোনাভাইরাস। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি খোলা নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে করোনার তৃতীয় ঢেউ আসার সম্ভাবনা এখনও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। এই অবস্থায় ১৮ বছরের নীচে যে কোনও ছেলেমেয়ের অতিরিক্ত সাবধান থাকা জরুরি। কারণ ১৮ বছরের নীচে টীকাকরণ কর্মসূচি এখনও শুরু হয়নি আমাদের দেশে। তার সঙ্গে অল্পবয়সী ছেলেমেয়েদের মধ্যে সতর্কতাকে খুব একটা সিরিয়াসলি না নেওয়ার প্রবণতাও দেখা যায় অনেক সময়। তাই এই সময় অল্পবয়সী ছেলেমেয়েদের যতটা সম্ভব সাবধানে রাখুন।এদিকে করোনা কিছুটা কমলে স্কুল খোলার কথা ভাবা হচ্ছে।তবে এইসময় আপনার বাচ্চাকে সামাজিক সচেতনতার কথা মাথায় ঢোকাতে হবে. এছাড়া দূরত্ববিধির কথা ভুলে চলবে না. এবার করোনা থেকে বাঁচতে বেশকিছু টিপস দিয়েছেন বিশেজ্ঞরা। এছাড়া স্কুলে ভুলেও টিফিন ও বোতল একেবারেই শেয়ার করা চলবেনা। একসঙ্গে না বসে দূরত্ব বজায় রাখতে হবে. এছাড়া যে বিষয়গুলি মানতে হবে, একনজরে দেখে নেওয়া যাক. 


# প্রতি ঘণ্টায় একবার অন্তত ২০ সেকেন্ড ধরে সাবান ও জল দিয়ে হাত ধুতে হবে।


# করোনা রুখতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল ফেসমাস্ক। স্কুলে সব সময় মাস্ক পরে থাকতেই হবে। মাস্ক যেন মুখে ভালোভাবে ফিট হয়। বেশি টাইট বা ঢিলে মাস্ক পরলে লাভের চেয়ে ক্ষতি বেশি। পুর্নব্যবহারযোগ্য মাস্ক হলে প্রতিদিন স্কুল থেকে ফিরে সাবান দিয়ে কেচে নিতে হবে। সার্জিক্যাল মাস্ক ব্যবহার করলে প্রতি চার ঘণ্টা অন্তর মাস্ক বদলে নিতে হবে।


# অবশ্যই স্যানিটাইজার রাখতে হবে বাচ্চাদের। প্রতি আধঘণ্টা অন্তর স্যানিটাইজার দিয়ে হাত পরিষ্কার করা অভ্যেসে পরিণত করে ফেলুক বাচ্চারা।


# ১৮ বছরের কম বয়সীদের জন্য টীকাকরণ কর্মসূচি চালু হলেই আপনার সন্তানের নাম নথিভুক্ত করুন। করোনা আটকাতে ভ্যাকসিনেশনই সবচেয়ে কার্যকরী উপায়। এছাড়া তাদের ফ্লু ভ্যাকসিনের ডোজ সব সময়মতো দিয়ে রাখুন।


















 











 





করোনা আবহে পাঠদানে নয়া মডেল তৈরিতে রাষ্ট্রপতি পুরস্কার পাচ্ছেন বাংলার শিক্ষক

বাংলা থেকে এবার একমাত্র রাষ্ট্রপতি পুরস্কার প্রাপক শিক্ষকের নাম হরিস্বামী দাস। গোটা দেশ থেকে এবার এই সম্মান পেতে চলেছেন মোট ৪৪ জন। হরিস্বামীবাবু মালদহের শোভানগর হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক। গত বছর লকডাউন শুরু হওয়ার পর তিনি সহ–শিক্ষকদের নিয়ে পড়ুয়াদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে দেখা করেছেন। সন্তানসম ছাত্রছাত্রীদের মানসিকভাবে চাঙ্গা রাখতে প্রয়োজনীয় কাউন্সেলিং করেছেন।

চলতি বছরে তিনি ‘হাইব্রিড লার্নিং’ পদ্ধতির কথা নয়া দিল্লিকে জানিয়েছেন। করোনা পরিস্থিতিতে ছাত্র- ছাত্রীদের পড়ানোর জন্য নয়া মডেল তৈরী করে গোটা বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। শিক্ষক দিবসের দিন রাষ্ট্রপতি পুরস্কার পেতে চলেছেন। রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ পুরস্কৃত করবেন। হরিস্বামীবাবু দায়িত্ব নেওয়ার পর মালদহের স্কুলটি ২০১৫ সালে নির্মল বিদ্যালয় পুরস্কার পেয়েছিল। ২০১৮ সালে পেয়েছিল শিশুমিত্র পুরস্কার। পরের বছর পায় যামিনী রায় পুরস্কার। যদিও এবার জেলাশাসকের দফতরে বসে এবার রাষ্ট্রপতির কাছে থেকে পুরস্কার গ্রহণ করবেন শোভানগর হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক। এই করোনা অতিমারীতে তিনি যেভাবে ছাত্র -ছাত্রীদের পড়ানোর যে মডেল তৈরী করেছেন তা অনবদ্য।


পুজোর আনন্দ মাটি হওয়ার পথে

উপায় নেই কিন্তু মানতে হবে, আগামীতে সমস্ত পুজো ও অন্য ধর্মের জমায়েত বাতিল করার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র । সূত্র মারফত জানা গিয়েছে যে তৃতীয় ঢেউয়ের আশংকা করা হচ্ছিলো বেশ কিছুদিন ধরে এবং বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি স্বাস্থ্য সংস্থা সতর্ক হওয়ার বিষয়ে নির্দেশ দিতে সরকারকে অনুরোধ জানিয়েছে । সম্প্রতি বেশ কিছুদিন ধরে সংক্রমণ অনেকটাই কমেছিল কিন্তু গত দুদিন ফের বাড়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে । বাংলাতেও সামান্য বেড়েছে । যদিও সুস্থও হচ্ছে আগের তুলনায় অনেকটাই বেশি কিন্তু তৃতীয় ঢেউয়ের বিষয়টি উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না । আশংকা করা হচ্ছে অগাস্টের মধ্যভাগ থেকে বাড়তে পারে সংক্রমণ ।
এই কেন্দ্রীয় সংবাদে মাথায় হাত বাংলার পুজো কমিটিগুলির । এর মধ্যে কলকাতা ও সংলগ্ন তো আছেই । কমিটিগুলির বক্তব্য, সারা বছর মানুষ এই উৎসবের জন্য অপেক্ষা করে পুজো যদি কাটছাট করা হয়ে গতবছরের মতো তবে মানুষ যাবে কোথায়? এই রাজ্যের বিভিন্ন মন্ত্রী নেতাদের পুজোই সিংহভাগ । যথা ববি হাকিমের 'অগ্রণী' অরূপ বিশ্বাসের 'সুরুচি সংঘ' সুজিত বোসের 'শ্রীভূমি' ইত্যাদি । কিন্তু কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য দপ্তর এই বিষয়ে কড়া মনোভাব নিয়েছে । তৃণমূল নেতারা কিন্তু মানতে অরাজি নয় পাশাপাশি পুজো শেষ পর্যন্ত কি ভাবে করা যায় সেই ভাবনাতে তাঁরা ।

CORONA UPDATE: ফের উদ্বেগ বাড়াচ্ছে দৈনিক সংক্রমণ

দেশে ফের সংক্রমণের উদ্বেগ বাড়ছে। প্রতিনিয়ত ওঠা-নাম করছে। মঙ্গলবার ৩০ হাজারের ঘরে নামলেও বুধ এবং বৃহস্পতিবার তা রয়েছে ৪২ হাজারের বেশি। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুসারে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আক্রান্ত হয়েছেন ৪২ হাজার ৯৮২ জন। এ নিয়ে দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা হল ৩ কোটি ১৮ লাখ ১২ হাজার ১১৪।

বুধবাররের তুলনায় না বাড়লেও দেশের দৈনিক মৃত্যু ৫০০-র বেশিই রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে মৃত্যু হয়েছে ৫৩৩ জনের। গোটা অতিমারি পর্বে করোনা প্রাণ কেড়েছে ৪ লাখ ২৬ হাজার ২৯০ জনের। এদিকে তৃতীয় ঢেউ আসা নিয়ে আতঙ্ক বাড়ছে। ইতিমধ্যে গোটা দেশে চলছে ভ্যাক্সিনেশন।তৃতীয় ঢেউ মোকাবিলাতে প্রস্তুতি নিয়েছে কেন্দ্র,

অগাস্টেই তৃতীয় ঢেউ !

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে সংক্রমণ খানিকটা কম। তবে চিন্তার মুখে ফেলছে তৃতীয় ঢেউ। ইতিমধ্যে সতর্ক করা হচ্ছে তৃতীয় ঢেউ আসা নিয়ে।তবে এখনও মানুষের হুঁশ ফিরছেন। সামাজিক দূরত্ববিধি মানার বালাই নেই.মাস্ক পড়া তো দূরের কথা. বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন,এরকম চলতে থাকলে পুজোর মাসেই আরও ছড়াবে সংক্রমণ। ইতিমধ্যে চলতি বছরেই ভারতে করোনার তৃতীয় ঢেউ আসতে পারে বলে জানিয়েছিলেন বিশেষজ্ঞরা।

এবার আইআইটি-র একটি গবেষণায় দাবি করা হয়েছে, অগস্টেই ভারতে শুরু হতে পারে করোনার তৃতীয় ঢেউ। সেই সময় দৈনিক এক থেকে দেড় লাখ মানুষ আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এর আগেও বলা হয়েছিল,মে মাসে দ্বিতীয় ঢেউয়ে সংক্রমণ বাড়বে। প্রতিনিয়ত বেড়েছে সংক্রমণ। ইতিমধ্যে কিন্তু ১০ টি রাজ্যকে এই নিয়ে আগাম সতর্ক করা হয়েছে। যদিও কেন্দ্রের তরফে এই বছরের মধ্যেই অর্ধাংশ মানুষের টিকাকরণের উদ্যোগ নিয়েছে। তবে সামনেই তৃতীয় ঢেউ আসতে আরও বেশি তৎপর কেন্দ্র।ইতিমধ্যে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু প্রশ্ন একটাই তৃতীয় ঢেউ আসলেও মানুষ কি আদতেও সতর্ক হবে।


পুজোয় ডুয়ার্সে বেড়াতে গেলে মানতে হবে যে নিয়মগুলি

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে নিস্তার নয়,উদ্বেগ বাড়াচ্ছে এবার তৃতীয় ঢেউ। তবে এর মাঝেই করোনা সংক্রমণের জেরে সবচেয়ে ধাক্কা খেয়েছে পর্যটন শিল্প। দ্বিতীয় ওয়েভের সংক্রমণ কমতেই ফের চাঙ্গা হয়ে উঠেছে পর্যটন শিল্প। দিঘা থেকে দার্জিলিং সর্বত্র ভিড় করতে শুরু করেছেন পর্যটকরা। আগে থেকেই সাবধান তাই পর্যটন ব্যবসায়ীরা। জারি করেছেন একাধিক করোনা বিধি।অন্যদিকে বেড়াতে গেলে অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে ভ্যাকসিনের কথা. যদিও বেড়াতে গেলে পর্যকদের কড়া করোনা বিধি মেনে চলতে হবে। জলপাইগুড়ি জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এক মাস আগে কড়া নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। সেগুলি একনজরে সিদ্দেখে নেওয়া যাক:


ডুয়ার্সে যাঁরা বেড়াতে আসবেন তাঁদের করোনার আরটিপিসিআর টেস্ট রিপোর্ট নিয়ে আসতে হবে। নেগেটিভ রিপোর্ট দেখাতে পারলে তবেই মিলবে হোটেল। এবং ডুয়ার্সে পা রাখার ৪৮ ঘণ্টা আগের রিপোর্ট হতে হবে সেটি। এছাড়াও তাঁদের সঙ্গে রাখতে হবে ভ্যাকসিন সার্টিফিকেট। দুটি ডোজের ভ্যাকসিন নেওয়া থাকলে তবেই তাঁদের ডুয়ার্সে আসার অনুমতি মিলবে। তবে সামনেই তৃতীয় ঢেউ আসতে চলেছে।আর সেক্ষেত্রে এই রাজ্যগুলি কি পদক্ষেপ নিতে চলেছে এখন সেটাই দেখার।










তৃতীয় ঢেউ আসুক,তার আগে সবাই ঘুরে আসি

প্রথম ঢেউ কাটার পর,দ্বিতীয় ঢেউ।  কিন্তু মানুষের তাতে পরোয়া নেই। দ্বিতীয় ঢেউয়ে সংক্রমণ ওঠা নাম করলেও, তৃতীয় ঢেউ একেবারে দোঁড়গোড়ায়। তাতে কিন্তু মানুষের হুঁশ ফিরছেনা। এদিকে করোনাবিধি স্থিতিশীল আনতেই মানুষ বেরিয়ে পড়ছে এদিকে-ওদিক। সকাল থেকে সন্ধে পার্ক থেকে শুরু করে রেস্তোরাঁ ,ক্যাফেতে ভিড় জমাচ্ছে। যেখানে বারবার সতর্ক করা হচ্ছে বাইরে প্রয়োজন ছাড়া অযথা না বেরোনোই ভালো। সেখানে শুনছে কোথায় মানুষ।

আর করোনাবিধি শিকেয় তুলে দিয়ে মানুষ তাঁর নিজের মত মজে আছে।  কেউ পড়ছেনা মাস্ক,আবার কেউ বা মাস্ক পড়ছেনা। সবার যেন একটা অনীহা জন্মাচ্ছে.সামাজিক দূরত্ববিধির তো বালাই নেই. আবার বেশকিছু মানুষ একঘেয়েমি লাগছে সেইভাবে ঘুরতে যাচ্ছে পাহাড়ি পথে,কিনবগবা অরণ্যপথে। ভাবছে সেখানে আবার করোনা কিসের। একেই তো ঘুরতে যাওয়াতে কিছুটা সচ্ছল হয়েছে। তবে এতকিছুর পরেও মানুষ কিন্তু এখনও সচেতন নয়. চিকিৎসকরা বারবার বলছে, সতর্ক থাকতে।সামনেই ত্রিত ঢেউ আসছে।তার আগে করোনার নয়া প্রজাতি কিন্তু বেশ কিছু দেশে হানা মেরেছে। তাতেও কি ভয় পাচ্ছে মানুষ,প্রশ্ন একটাই?

দেশের করোনা আপডেট একনজরে

 করোনার তৃতীয় ঢেউ আসতে চলেছে। তার আগে দেশের করোনার  গ্রাফে ওঠানামার খেলা চলছেই। রবিবার দেশের দৈনিক সংক্রমণ ছিল ৪১ হাজারের বেশি। আর সোমবার তা নেমে এল ৩৮ হাজারে। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের  পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩৮ হাজার ১৬৪ জন। তবে মৃত্যুর হারে স্বস্তি। মহামারীতে দৈনিক মৃত্যু নেমে এল পাঁচশোর নিচে।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় প্রাণ হারিয়েছেন ৪৯৯ জন। একদিনে সুস্থ হয়ে ফিরেছেন ৩৮ হাজার ৬৬০ জন।দেশে মোট কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা ৩ কোটি ১১ লক্ষ ৪৪ হাজার ২২৯। সুস্থ হয়েছেন ৩ কোটি ৩ লক্ষ ৮ হাজার ৪৫৬। দ্বিতীয় ঢেউয়ে সংক্রমণ কমলেও তবে আশঙ্কা থেকে যাচ্ছে তৃতীয় ঢেউয়ের।



ফের বাড়ল দৈনিক সংক্রমণ

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে সংক্রমণ কমলে ও ফের তৃতীয় ঢেউ আসতে চলেছে।আগামী মাসেই তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ার আশঙ্কায় ত্রস্ত গোটা দেশ। সংক্রমণ রুখতে কড়া প্রশাসনও। বাতিল করা হচ্ছে একের পর এক ধর্মীয় সমাগম। পর্যটকদের ঘুরতে যাওয়ার উপরও জারি হচ্ছে নানা বিধিনিষেধ। আর এসবের মধ্যেই ওঠানামা করছে করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যু। শনিবার দৈনিক সংক্রমণ কমলেও রবিবারের রিপোর্ট বলছে, ফের ৪০ হাজারের গণ্ডি ছাড়াল দৈনিক সংক্রমণ।

তবে খানিকটা কম মৃত্যু।রবিবার স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৪১ হাজার ১৫৭ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। যা গতকালের তুলনায় ৭.৪ শতাংশ বেশি। একদিনে এই মারণ ভাইরাসে প্রাণ হারিয়েছেন ৫১৮ জন। দেশে এখনও পর্যন্ত করোনার বলি ৪ লাখ  ১৩ হাজার ৬০৯ জন।  ইতিমধ্যে তৃতীয় ঢেউ আসতে  কেন্দ্রের সরকার প্রস্তুতি নিচ্ছে।এদিকে রাজ্যেও অনেকটা বেশি করোনাবিধিনিষিধের ওপর বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছে।


ফের চিন্তা বাড়াচ্ছে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ কিছুটা স্থিতিশীল হলে ও চিন্তা বাড়াচ্ছে তৃতীয় ঢেউ। এদিকে প্রতিনিয়ত সংক্রমণের সংখ্যা কখনও বাড়ছে কিংবা কমছে। তবে আগামী মাসের মধ্যেই কিন্তু আসতে চলেছে করোনার তৃতীয় ঢেউ। আইসিএমআর গবেষকরা জানাচ্ছেন, এই সংক্রমণ ১ লাখের গন্ডি পেরোবে। যার একমাত্র কারণ হল মানুষের সামাজিক সচেতনতার অভাবের কারণ।

শনিবার স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৩৮ হাজার ৭৯ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। একদিনে এই মারণ ভাইরাসে প্রাণ হারিয়েছেন ৫৬০ জন। তবে ইতিমধ্যেই দেশজুড়ে টিকাকরণ শুরু হয়ে গেছে। দেশে এখনও পর্যন্ত করোনার বলি ৪ লাখ ১৩ হাজার ৯১ জন। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনামুক্ত হয়েছেন ৪৩ হাজার ৯১৬ জন। তবে এর মধ্যে আবার দেশে মাথাচাড়া দিয়েছে করোনার  একাধিক ভ্যারিয়েন্ট। দিনে দিনে চিন্তা বাড়াচ্ছে এই ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট।

করোনার তৃতীয় ঢেউ শুরু, সতর্ক WHO

দেশে এবার করোনার তৃতীয় ঢেউ যে শুরু, তা সতর্ক করলেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO )। এদিকে বৃহস্পতিবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান জানান,'দুর্ভাগ্যের সাথে তৃতীয় ঢেউয়ের প্রাথমিক সস্তরে  আমরা পৌঁছে গেছি'. এদিকে বিশ্বে করোনা সংক্রমণের সংখ্যা গত চার সপ্তাহ ধরে নতুন করে বাড়তে শুরু করেছে। হুয়ের নির্ধারিত ছ’টি অঞ্চলের মধ্যে পাঁচটিতেই সংক্রমণের ঊর্ধ্বমুখী ধারা নজরে এসেছে।

যদিও ট্রেডস বলছেন ‘কিছু কিছু দেশে টিকার অভাব আর টিকা হয়ে যাওয়া দেশগুলিতে করোনা বিধি মানার গাফিলতিই তৃতীয় ঢেউয়ের প্রাথমিক স্তরে পৌঁছে দিয়েছে আমাদের।’’ করোনার তৃতীয় ঢেউ ইতিমধ্যে বিশ্বের ১১১টি দেশে প্রভাব ফেলেছে। সমীক্ষায় তাই দেখা যাচ্ছে। তবে আগামী সেপ্টেম্বর মাসে মধ্যে টিকার হার বাড়াতে হবে. যদিও মোট জনসংখ্যার অন্তত ১০ শতাংশ মানুষের টিকা সম্পূর্ণ করতে হবে । অর্থাৎ বলা যায় এই ভাইরাস কিন্তু আরও অন্যরকম রূপ নিতে চলেছে। তাই ভাইরাস থেকে রেহাই পেতে টিকার ওপর দিতে হবে বিশেষ নজর ।

ফের ঊর্ধ্বমুখী আক্রান্তের সংখ্যা

দেশে দৈনিক করোনা আক্রান্তের  সংখ্যাটা  অনেকটা নেমে এসেছিল মাত্র ৩১ হাজার। যা কিনা চার মাসের মধ্যে ছিল সর্বনিম্ন। বৃহস্পতিবার ফের বাড়ল । দেশের দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ৪০ হাজারের উপরে। নতুন করে ঊর্ধ্বমুখী অ্যাকটিভ কেসও। যা চিন্তা বাড়াচ্ছে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের। তবে, এদিন বড়সড় স্বস্তি মিলেছে করোনায় দৈনিক মৃতের সংখ্যায়। দীর্ঘদিন পর দেশের দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা নেমে এসেছে ছ’শোর নিচে।

এদিকে বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্যমন্ত্রকের বুলেটিন অনুযায়ী,গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৪১ হাজার ৮০৬ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। যা আগের দিনের থেকে হাজার দশেক বেশি। ফলে দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ কোটি ৯ লাখ  ৮৭ হাজার ৮৮০ জন। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আপাতত মৃতের সংখ্যা ৪ লাখ ১১ হাজার ৯৮৯ জন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ৫৮১ জনের।  ইতিমধ্যে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে টিকাকরন। টিকাকরণের আওতায় রয়েছে বহু মানুষ।তবে তৃতীয় ঢেউ আসার জের একটা চিন্তার কারণ থেকেই যাচ্ছে।

এবার দিঘা সফরে লাগবে করোনা রিপোর্ট

রাজ্যে করোনা সংক্রমণ কমেছে খানিকটা। তবে সংক্রমণ বাড়ছে পূর্ব মেদিনীপুরে। এদিকে পরিস্থিতি মোকাবিলায় কঠোর পদক্ষেপ জেলা প্রশাসনের। যদিও তারাপীঠ শান্তিনিকেতনের পর এবার দিঘা যেতে লাগবে করোনা টেস্টার রিপোর্ট। নাহলে সঙ্গে নিয়ে যেতে হবে ভ্যাকসিনের সার্টিফিকেট।সোমবার পূর্ব মেদিনীপুর জেলা প্রশাসনের তরফে একটি নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।

সেখানেই পর্যটকদের  কোভিড টেস্টের রিপোর্ট অথবা সার্টিফিকেট বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এর পাশাপাশি একাধিক নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হোটেলের ভিতর কড়াভাবে মানতে হবে কোভিড বিধি। সেখানে বিধিনিষেধ পালন যেমন পর্যটকদের দায়িত্ব, একইভাবে পর্যটকরা হোটেল কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব।




ইসকনের রথ পেরোবে ২০০ মিটার

সোমবার রথযাত্রা। তবে এবছর ও করোনা পরিস্থিতি থাকার জের হবেনা কোনওরকম উৎসব। এমনকি রথের দড়িতে জনসাধারণের কেউ দিতে পারবেনা টান. এবার ইসকনের রথ পাঁচ কিলোমিটারের বদলে পেরোবে মাত্র ২০০ মিটার পথ। তাও ইসকন মন্দিরের ক্যাম্পাসের মধ্যেই। নদিয়ার মায়াপুর ইসকন মন্দিরের আয়োজিত রথযাত্রায় জনপ্লাবনের দেখা মিলবে না এবারও।

করোনা পরিস্থিতির কারণে সরকারি বিধিনিষেধকে মান্যতা দিয়ে রথযাত্রা উপলক্ষে সমস্ত অনুষ্ঠান বাতিল করে দিয়েছে ইসকন কর্তৃপক্ষ। এবতের রথযাত্রা দেখা যাবে ভার্চুয়ালি। অর্থাৎ ২০০ মিটারের মধ্যে রথ পেরোবে।এছাড়া মন্দিরে অল্পসংখ্যক পূজারী ছাড়া অন্য কেউ প্রবেশ করতে পারবেনা। এছাড়া করোনা বিধি মেনেই এই উৎসব পালন করা হবে। এছাড়া রথযাত্রার দিন বিশেষ নজরদারি চালানো হবে।  




তৃতীয় ঢেউয়ের হাত ও কি উত্তরাখণ্ডে

করোনা বিধি তোয়াক্কা না করে হরিদ্বারের হর কি পৌরি ঘাটে পুণ্যার্থী ভিড় জমিয়েছেন হাজার হাজার পুণ্যার্থী। ওই রাজ্যে এ বছরের এপ্রিলে একই ছবি ধরা পড়েছিল শাহি স্নানের সময়। দেশে তখন করোনার দ্বিতীয় ঢেউ চরম পর্যায়ে। এ রকম পরিস্থিতিতে শাহি স্নানের আয়োজন করে সমালোচনা মুখে পড়তে হয়েছিল উত্তরাখণ্ড সরকারকে। এবার সেই একই ছবি দেখা গেল হিমাচল প্রদেশের মুসৌরির কেম্পটি জলপ্রপাতে।

এদিকে শাহী স্নানের ঘটনা থেকে শিখা হয়নি উত্তরাখণ্ডের সরকারের।বারবার সমালোচনার মুখে পড়ছে। এদিকে হিমাচলপ্রদেশের শহরগুলোতে যে ভাবে পর্যটকের ঢল নেমেছে তা দেখে গোটা দেশে সমালোচনা ঝড় উঠেছে।