ফের কমল দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা

এবার দেশে দৈনিক করোনা আক্রান্তে বড়সড় স্বস্তি এল। বেশ কয়েকদিন ধরে ৪০ হাজারের ঘরে ঘোরাফেরা করার পর গতকাল তা নেমে এসেছে ৩০ হাজারের নীচে। আজ অর্থাৎ মঙ্গলবার আরও কমল দৈনিক আক্রান্ত। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনার কবলে পড়েছেন মাত্র ৩১ হাজার ৪৪৩ জন। যা কিনা গত ১১৮ দিনের মধ্যে সর্বনিম্ন। সেই সঙ্গে দেশের সক্রিয় রোগীর সংখ্যাও একলাফে অনেকটা কমে দাঁড়িয়েছে ৪ লক্ষ ৩১ হাজার ৩১৫ জন। যা কিনা ১০৯ দিনের মধ্যে সর্বনিম্ন।

দেশের সুস্থতার হার ৯৭.২৮ শতাংশ।  এদিকে মঙ্গলবার স্বাস্থ্যমন্ত্রকের বুলেটিন অনুযাযী,  গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৩১ হাজার ৪৪৩ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। যা আগের দিনের থেকে অনেকটাই কম। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আপাতত মৃতের সংখ্যা ৪ লাখ  ১০ হাজার ৭৮৪ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছেন ৪৯ হাজার ৭ জন। । এখনও পর্যন্ত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩ কোটি ৬৩ হাজার ৭২০ জন।  দেশে কমছে আক্রান্তের সংখ্যা অনেকটাই।



দেশে দৈনিক সংক্রমণ ৫ শতাংশ কমল

দেশে ফের কমল দৈনিক সক্রমণ। পরপর দু’দিন নিম্নমুখী দেশের করোনা সংক্রমণ।অ্যাকটিভ কেস কমার পাশাপাশি স্বস্তি জোগাচ্ছে ঊর্ধ্বমুখী সুস্থতার হার। শনিবার সকালে স্বাস্থ্যদফতরের বুলেটিন অনুসারে জানা যাচ্ছে, গত ২৪ ঘন্টায় দেশে ৪৪ হাজার ১১১ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন।  গতকালের চেয়ে ৫ শতাংশ কম। দিল্লি, মহারাষ্ট্র, উত্তরপ্রদেশ, কর্ণাটক, বাংলা-সহ বেশিরভাগ রাজ্যে আগের তুলনায় অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে সংক্রমণ।

দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হল ৩ কোটি ৫ লাখ  ২ হাজার ৩৬২। গতকালের থেকে ২৪ ঘণ্টায় কম মৃত্যুও। একদিনে এই মারণ ভাইরাসে প্রাণ হারিয়েছেন ৭৩৮ জন। দেশে এখনও পর্যন্ত করোনার বলি ৪ লাখ  ১ হাজার ৫০ জন। এদিকে আজ ভ্যাকসিনের তৃতীয় ট্রায়ালে ভারত বায়োটেক জানায়,এই ডেল্টা প্রজাতি রুখতে কোভ্যাক্সিন বেশি কার্যকর।


হাওড়ায় মাইক্রো কনটেইনমেন্ট জোন

হাওড়ার করোনা সংক্রমণ রুখতে কড়া পদক্ষেপ নিল প্রশাসন। বেশ কিছু এলাকাকে মাইক্রো কনটেইনমেন্ট জোন হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। রবিবার থেকে ৩ দিন দোকান ও বাজার বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে জেলা প্রশাসন।

প্রশাসন সূত্রে খবর, ডোমজুড় বাজার এলাকা, ঘুসুড়ির নস্করপাড়া বাজার এলাকা ছাড়াও সাঁকরাইলের চাঁপাতলা, রাজগঞ্জ এবং আন্দুলবাজার এলাকায় সমস্ত ধরনের দোকান ও বাজার বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। তবে ওষুধের দোকানসহ জরুরী পরিষেবা চালু থাকবে।  

শুক্রবারের তথ্য অনুযায়ী, হাওড়ায় একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১১৩ জন। মোট আক্রান্ত ৯২ হাজার ৬০১ জন। ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু হয়েছে ২ জনের। এই জেলায় মোট মৃতের সংখ্যা  ১ হাজার ৪৬১ জন। তবে একদিনে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১২৭ জন। মোট সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৮৯ হাজার ৭৩২ জন। মোট অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যা ১ হাজার ৪০৮ জন। একদিনে কমেছে মাত্র ১৬ জন।

করোনাঃ রাজ্যে কমছে অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যা

কলকাতাঃ রাজ্যে কমছে দৈনিক সংক্রমণ ও মৃত্যু। পাশাপাশি কমছে অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যাও। যা স্বস্তির খবর।

বুধবার সন্ধ্যায় রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন অনুযায়ী, রাজ্যে একদিনে আক্রান্ত ১ হাজার ৯২৫ জন। একই সময় রাজ্যে মৃত্যু হয়েছে ৩৮ জনের।

রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১৪ লক্ষ ৮৭ হাজার ৩৬৩ জন। আর মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৭ হাজার ৪৭৫ জন। একদিনে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন ২ হাজার ১৭ জন। মোট সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১৪ লক্ষ ৪৭ হাজার ৫১০ জন।  

তবে এদিন অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যাটা কমেছে। গত ২৪ ঘন্টায় কমেছে ১৩০জন। মোট সংখ্যাটা কমে ২২ হাজার ৩৭৮ জন।

বাংলায় একদিনে করোনা টেস্ট হয়েছে ৫৫ হাজার ৫৮৯ টি। মোট টেস্টের সংখ্যা ১ কোটি ৩৮ লক্ষ ৩৯ হাজার ৪৫৫ টি। এই মুহূর্তে ১২১ টি ল্যাবরেটরিতে করোনা টেস্ট হচ্ছে। তা আরও বাড়ানো হবে।

কাল থেকে ফের ৪ লক্ষ করে ভ্যাকসিন

রাজ্যে মোট ২ কোটি ভ্যাকসিনের ডোজ দেওয়া হয়েছে। আগামীকাল থেকে প্রতিদিন ৪ লক্ষ করে ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। নবান্নে এমনটাই জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

তিনি আরও জানালেন, এবার  ১২ বছর পর্যন্ত বয়সী বাচ্চার মায়েদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে টিকাকরণে। কেন্দ্রের সমালোচনা করে বলেন, পর্যাপ্ত পরিমাণ ভ্যাকসিন পেলে, বেসরকারি ক্ষেত্রগুলিকে বেশি ভ্যাকসিন দেওয়া যেত। আমরা ৩ কোটি ভ্যাকসিন চেয়েছিলাম, কিন্তু পাইনি। ৩ কোটি ভ্যাকসিন পেলে আমরা ২ কোটি টিকা নিতাম, ১ কোটি ভ্যাকসিন বেসরকারি ক্ষেত্রে দেওয়া হত।’

মমতা বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী কোভ্যাক্সিন নেওয়ার কথা বলেছিলেন। অনেক পড়ুয়া নিজেদের টাকায় কোভ্যাক্সিন নিয়েছেন, কিন্তু বিদেশে যেতে পারছেন না। কোভ্যাক্সিনকে যাতে সারা পৃথিবী গ্রাহ্য করে, সেই দিকটি দেখুক কেন্দ্র।’

দেশে ফের কমল দৈনিক সংক্রমণ

নয়াদিল্লি: দেশে কমল  আবারও দৈনিক সংক্রমণ। প্রায় ৩ মাস পর কমল দৈনিক সংক্রমণের সংখ্যা। সোমবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের বুলেটিন অনুসারে, দেশে আক্রান্ত হয়েছেন ৫৩ হাজার ২৫৬ জন।  এই নিয়ে দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা  হল ২ কোটি ৯৯ লাখ  ৩৫ হাজার ২২১। সংক্রমণের পাশাপাশি কমেছে দেশের দৈনিক মৃত্যুও। ১৭ এপ্রিলের পর এই প্রথমবার দৈনিক মৃত্যু দেড় হাজারের নীচে নামল।

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ১ হাজার ৪২২ জন করোনা রোগী মারা গিয়েছেন। গোটা অতিমারি পর্বে করোনায় প্রাণ কেড়েছে ৩ লাখ  ৮৮ হাজার ১৩৫ জনের। তবে দেশে কিন্তু ধীরে ধীরে সংক্রমণ যেমন কমছে,তার পাশাপাশি মৃত্যু ও নামল দেড় হাজারের নীচে। 

প্রয়াত গোসাবার তৃণমূল বিধায়ক জয়ন্ত নস্কর

করোনায় আক্রান্ত হয়ে এবার প্রয়াত হলেন গোসাবার রাজ্যের আরেক তৃণমূল বিধায়ক জয়ন্ত নস্কর। শনিবার রাত ৮.২০ নাগাদ এক বেসরকারি হাসপাতালে এই ৭৫ বছর বয়সি বিধায়ক শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন। যদিও রাজ্যে বিধানসভা ভোটের ফলাফল মে মাসে প্রকাশ হওয়ার পর তিনি করোনায় আক্রান্ত হন। এরপর গোসাবার তৃণমূল বিধায়ক জয়ন্ত নস্করকে নামি এক বেসরকারি হাসপাতালও ভর্তি করানো হয়। যদিও তাঁর অন্যান্য শারীরিক সমস্যা ছিল ।

তবে বেশকিছুদিন মহামারীর সাথে লড়াই করে আজ প্রাণ হারালেন গোসাবার এই বিধায়ক। ২০১১ সাল থেকে তৃণমূলের হয়ে লড়াই করে বিধায়কের দায়িত্ব পালন করে আসছেন জয়ন্ত নস্কর। গোসাবার চুনাখালিতে বাড়ি তাঁর। তিনবারের বিধায়ক  ছিলেন তিনি। তবে রাজনীতিবিদের প্রয়ানে শোকের ছায়া নেমে এসেছে রাজনৈতিক মহলে।

দেড়মাসের মধ্যেই করোনার তৃতীয় ওয়েভ

নয়াদিল্লি: দেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পরাতে বেড়েছে সংক্রমণ। এরপর ধীরে ধীরে কমছে সংক্রমণ। তবে তৃতীয় ওয়েভ নিয়ে একটা সমীকরণ চলছিল কবে আসবে। যেখানে বলা হয়েছিল অক্টোবর মাসে তৃতীয় ওয়েভ আসতে  চলেছে। এবার সেটা ঘুরে গিয়ে,আগামী ৬ থেকে ৮ সপ্তাহের মধ্যে আছড়ে পরবে  তৃতীয় ওয়েভ। আরও ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করতে চলেছে। মূলত ডেল্টা প্লাস ভ্যারিয়েন্ট, যা কোভিড-১৯ অন্যান্য ধরন ডেল্টা, আলফার চেয়ে অনেক বেশি মারণ ক্ষমতাসম্পন্ন। আর তা নিয়েই উদ্বেগ বেড়েছে। এই নতুন জীবাণু ফের কতটা ক্ষতি করতে পারে, তার কোনও আন্দাজ সেভাবে মিলছে না এখনও।

এইমস প্রধানের পরামর্শ, অতি দ্রুত দেশবাসীর টিকাকরণ এর সঙ্গে লড়াইয়ের জন্য খানিকটা অনুকূল হতে পারে।তবে এর সাবধানতার জন্য আগাম বার্তা দিলেন দিল্লির এইমসের প্রধান রণদীপ গুলেরিয়া। বেশকিছুদিন ধরেই দিল্লিতে সংক্রমণ বাড়াতে লোকডাউন ছিল.এরপর শিথিল হতেই  বেশকিছু ক্ষত্রে ছাড় দেওয়া হয়েছে। তবে মানুষ কিন্তু আগের মত বেরিয়ে যাচ্ছে।এতে কিন্তু বিপদ আরও বেশি।

এমনটাই জানলেন এইমসের প্রধান। এছাড়া করোনা টিকা নিতেই অনেকে মাস্ক ও স্যানিটাইজার ব্যবহারে অনিহা দেখা যাচ্ছে। একেত্রে সতর্ক থাকা দরকার এসকলকেই। এগুলি ব্যবহার করা সবসময় আবশ্যক।এবারে তৃতীয় ওয়েভে শিশুদেড় ক্ষতের আশঙ্কাটা বেশি।তবে যে শুধু শিশুরাই তা নয়, প্রত্যেককে সাবধানতা মেনে চলতে হবে. সকল দেশবাসীকে টিকা নিতে হবে. আর এই নিয়মগুলি যদি না মানা হয়, তাহলে আগামী দিনে বড় বিপদের আশঙ্কা।

করোনায় স্বস্তি, দেশে দৈনিক সংক্রমণ নামল ২ লাখের নীচে

ভারতে একলাফে অনেকটাই নামল দৈনিক করোনা সংক্রমণ। সেই সঙ্গে মৃত্যুর হারও অনেকটা কমল। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের সর্বশেষ বুলেটিন অনুযায়ী গত ২৪ ঘন্টায় দেশে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ৯৬ হাজার ৪২৭ জন। মারা গিয়েছেন ৩ হাজার ৫১১ জন। অপরদিকে গত ২৪ ঘন্টায় করোনামুক্ত হয়েছেন ৩ লাখ ২৬ হাজার ৮৫০ জন। ফলে সক্রিয় রোগীর সংখ্যাও কমছে হু হু করে। এখনও পর্যন্ত ভারতে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২ কোটি ৬৯ লাখ ৪৮ হাজার ৮৭৪ জন। তবে বর্তমানে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ২৫ লাখ ৮৬ হাজার ৭৮২ জন।


বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশের বিভিন্ন রাজ্যে লকডাউনের জেরেই দৈনিক সংক্রমণে রাশ পড়েছে। সম্প্রতি রাজস্থান, হরিয়ানা এবং বিহারেও লকডাউনের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে আগামী ১ জুন পর্যন্ত। এখনও পর্যন্ত দেশে মোট ১৯ কোটি ৮৫ লাখ ৩৮ হাজার ৯৯৯ জন করোনার টিকা নিয়েছেন। এটাও সংক্রমণ কমার অন্যতম কারণ বলে মনে করছেন স্বাস্থ্যকর্তারা।

আড়াই লাখের নীচে নামল দৈনিক সংক্রমণ, মৃত্যুও চার হাজারের নীচে

ক্রমশ নিম্নমুখী করোনার দৈনিক সংক্রমণ। ভারতে গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২ লাখ ৪০ হাজার ৮৪২ জন। পাশাপাশি করোনায় মৃত্যুর হারও অনেকটা কমল। গত ২৪ ঘন্টায় ভারতে মৃত্যু হয়েছে ৩,৭৪২ জনের। ফলে দেশে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২ লাখ ৯৯ হাজার ৩৯৯ জন। এই সময়ে করোনাকে হারিয়ে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩ লাখ ৫৫ হাজার ১০২ জন। ফলে দেশে কমছে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা। এই মুহূর্তে ভারতে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ২৮ লাখ ৫ হাজার ৩৯৯ জন। এখনও পর্যন্ত দেশে টিকা নিয়েছেন মোট ১০ কোটি ৫০ লক্ষ ৪ হাজার ১৮৪ জন। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান বলছে বিগত কয়েকদিন ধরেই দৈনিক সংক্রমণের হার নিম্নমুখী ছিল। কিন্তু চিন্তা বাড়াচ্ছিল দৈনিক মৃত্যু। এবার মৃত্যুর হারও অনেকটা কমায় কিছুটা আশার আলো দেখছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রকের কর্তারা।

রাজ্যে দৈনিক সংক্রমণ ২০ হাজার ছুঁইছুঁই, শীর্ষে উত্তর ২৪ পরগনা

রাজ্যে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ফের বাড়ল। শুক্রবার জারি করা রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের জারি করা করোনা বুলেটিন অনুযায়ী এই তথ্যই সামনে আসছে। গত ২৪ ঘন্টায় রাজ্যে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১৯ হাজার ৮৪৭ জন। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি সংক্রমিত হয়েছেন উত্তর ২৪ পরগনা জেলা থেকে। এই জেলায় গত ২৪ ঘন্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪,২৪০ জন। এরপরেই আছে কলকাতা, এখানে ৩,৫৬০ জন, হুগলিতে ১,৩৯৩, দক্ষিণ২৪ পরগনায় ১,২৯৭, হাওড়ায় ১,২৪৬, নদিয়ায় ১,০৯১ জন নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন। এখনও পর্যন্ত রাজ্যে মোট আক্রান্ত হয়েছেন ১২ লাখ ২৯ হাজার ৮০৫ জন। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, আক্রান্তের সংখ্যা বাড়লেও সংক্রমণের হার (পজিটিভিটি রেট) গত ২৪ ঘণ্টায় কিছুটা কমেছে। বর্তমানে এই হার রয়েছে ২৪.৫৯ শতাংশ, যা আগের ২৪ ঘণ্টায় ছিল ২৬.৯১ শতাংশ।



পশ্চিমবঙ্গ স্বাস্থ্য দফতরের করোনা বুলেটিন অনুযায়ী একধাক্কায় অনেকটাই বেড়েছে দৈনিক নমুনা পরীক্ষার হার। তা সত্ত্বেও দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যায় খুব একটা বৃদ্ধি হয়নি। এটাই আশার আলো বলে মনে করছেন রাজ্যের স্বাস্থ্য কর্তারা। অপরদিকে সুস্থতার হারও কিছুটা বেড়ে হয়েছে ৮৮.১১ শতাংশ। বর্তমানে রাজ্যে সক্রিয় করোনা রোগীর সংখ্যা হয়েছে ১ লাখ ৩২ হাজার ১৮১ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ৭৭ হাজার ৬২৭ টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। সেখানে গত কয়েকদিন ধরে রাজ্যে দৈনিক নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা ৬৮-৭০ হাজারের ঘোরাফেরা করছিল।