ফের বাড়ল রাজ্যের দৈনিক সংক্রমণ

কলকাতাঃ গত ২৪ ঘন্টায় রাজ্যে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৮০৬ জন। একই সময় মৃত্যু হয়েছে ৯ জনের। তবে সুস্থতার হার বেড়ে ৯৮.০৪ শতাংশ।

রবিবার সন্ধের স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন অনুযায়ী, নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৮০৬জন। শনিবার ছিল ৭৩০জন। সব মিলিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১৫ লক্ষ ২৩ হাজার ৬৩৯ জন। অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যা মোট ১১ হাজার ৭৯৬ জন। 


গত ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু হয়েছে ৯ জনের। শনিবার এই সংখ্যাটা ছিল ৮ জনে। সব মিলিয়ে রাজ্যে মোট মৃতের সংখ্যা ১৮ হাজার ৭৩ জন। 

রাজ্যে একদিনে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৮৯২ জন। মোট সংখ্যাটা ১৪ লক্ষ ৯৩ হাজার ৭৭০ জন। ফলে সুস্থতার হার বেড়ে দাঁড়াল ৯৮.০৪ শতাংশে। এদিন রাজ্যে ৫০ হাজার ৫৩ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। বর্তমানে রাজ্যে সেফ হোমের সংখ্যা ২০০। 


corona updateঃ রাজ্যে কিছুটা কমল দৈনিক সংক্রমণ ও মৃত্যু

রাজ্যে কিছুটা কমল দৈনিক সংক্রমণ ও মৃত্যু। স্বস্তি রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের। বৃহস্পতিবার রাজ্যে দৈনিক মৃত্যু একলাফে দ্বিগুণ বেড়ে গিয়েছিল। সেই সংখ্যাটা অনেকটাই কমেছে। 

শনিবার সন্ধের স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন অনুযায়ী, একদিনে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৭৩০জন। শুক্রবারের তুলনায় কিছুটা কম। সেদিন ছিল ৮০০র বেশি। মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১৫ লক্ষ ২২ হাজার ৮৩৩ জন। 

গত ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু হয়েছে ৮ জনের। শুক্রবার এই সংখ্যাটা ছিল ১৬ জন। সব মিলিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা ১৮ হাজার ৬৪ জন। 

রাজ্যে একদিনে সুস্থ হয়েছেন ৯২০ জন। মোট সংখ্যাটা ১৪ লক্ষ ৯২ হাজার ৮৭৮ জন। ফলে সুস্থতার হার বেড়ে দাঁড়াল ৯৮.০৩ শতাংশে। এদিন রাজ্যে ৫২ হাজার ১৮৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। বর্তমানে রাজ্যে সেফ হোমের সংখ্যা ২০০। 


কমলো সংক্রমণ বাড়লো সুস্থতা

করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ে ভয়ঙ্কর রূপ ধরণ করেছে ভারত | বিশ্বের প্রথম দেশগুলিও এই নিয়ে চিন্তিত ছিল কারণ উন্নয়নগামী দেশগুলির মধ্যে ভারত শীর্ষে আছে | এরই মধ্যে ব্রিটেন আমেরিকা ভারতের সাথে বিমান যোগাযোগে দাড়ি টেনেছিল | গত ২৪ ঘন্টায় ব্যারোতে সবচেয়ে কম মানুষ সংক্রামিত হয়েছে এবং সংখ্যাটি নেমেছে ২ লক্ষের অনেকটা নিচে | মৃত্যু কমলেও সংকট যায় নি | সুস্হ হওয়ার শতাংশও বেড়েছে | আসলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন সম্পূর্ণ লকডাউন ছাড়া সংক্রমণ কামানো সম্ভব নয় | কিন্তু অন্যদিকে ব্যবসা বাণিজ্যের অবস্হাও খুবই খারাপ | প্রচুর মানুষ কর্মহীন হয়েছে | অন্যদিকে গতকাল রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ঠিক লকডাউন না করলেও বিধি নিষেধ যা চলেছে তা ১৫ জুন অবধি চলবে | 

আজ কলকাতায় স্থানীয়ভাবে টর্নেডোর সম্বাবনা, জানাল হাওয়া অফিস

দুপুর ১২টার মধ্যে কলকাতা এবং সংলগ্ন এলাকায় স্থানীয়ভাবে টর্নেডোর সম্ববনা তৈরি হল। এমনটাই আশঙ্কা করছেন আলিপুর আবহাওয়া অফিসের আবহবিদরা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও নবান্নের কন্ট্রোল রুম থেকে জানালেন, টর্নেডোর আশঙ্কা রয়েছে, এই সময় কেউ বাড়ি থেকে বের হবেন না। উল্লেখ্য, মঙ্গলবার বিকেলেই উত্তর ২৪ পরগনার হালিশহর এবং হুগলির ব্যান্ডেলে স্থানীয়ভাবে টর্নেডো তৈরি হয়েছিল। মাত্র কয়েক মিনিটের ঘূর্ণিঝড়ে কার্যত তছনচ হয়েছিল বিস্তৃর্ণ এলাকা। বাড়িঘর, দোকানপাট ও গাছ উড়িয়ে নিয়ে গিয়ে কিছুটা দূরে গিয়ে ফেলে ওই টর্নেডো। ফলে প্রবল আতঙ্ক ছড়ায় এলাকায়। হুগলিতে দু’জনের মৃত্যু হয়েছে এই ঝড়ের কবলে। আবহবিদদের মতে, ঘূর্ণিঝড়ের সঙ্গে ভরা কোটালের জেরেই দুর্যোগ বাড়ছে। সেই কারণেই কলকাতা এবং সংলগ্ন এলাকায় আচমকা তৈরি হতে পারে টর্নেডোর মতো ঘূর্ণিঝড়। ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বাড়িঘর এবং গাছপালা। এই সময়ে কাউকে বাড়ির বাইরে না থাকার পরামর্শ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অপরদিক, পূর্ব মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার বিস্তৃর্ণ এলাকায় প্রবল বৃষ্টিপাত এবং ঝোড়ো হাওয়া চলছে। গোসাবা, কুলিতলি, রায়দিঘি, বকখালি, ফ্রেজারগঞ্জ এবং গঙ্গাসাগরের বহু গ্রামে জল ঢুকে গিয়েছে। চরম সমস্যায় বাসিন্দারা। চলছে উদ্ধারকাজ।

রাজ্যে পৌঁছে গেল ১৭ কলাম সেনা, প্রস্তুত আরও বাহিনী

ঘূর্ণিঝড় ইয়াস মোকাবিলায় তৎপর ভারতীয় সেনা। রাজ্যে ইতিমধ্যেই ১৭ কলাম সেনা পৌঁছে গিয়েছে উদ্ধারকাজে হাত লাগাতে। পাশাপাশি প্রস্তুত রাখা হয়েছে আরও বাহিনী। সেনাবাহিনীর তরফে এদিন টুইট করে জানানো হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের জন্য ১৭ সাইক্লোন রিলিফ কলাম (Cyclone Relief Columns) পাঠানো হয়েছে। রাজ্যের ১০টি জেলায় তাঁরা উদ্ধারকাজে ঝাপিয়ে পড়তে প্রস্তুত। জানানো হয়েছে পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, বীরভূম, বর্ধমান, পশ্চিম মেদিনীপুর, হাওড়া, হুগলি, নদিয়া এবং দুই ২৪ পরগনায় নেমেছে সেনা। তাঁদের সঙ্গে রয়েছে গাছ কাটার অত্যাধুনিক মেশিন, ল্যাডার। ইয়াসের ফলে তৈরি হওয়া যেকোনও ধরনের পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রস্তুত তাঁরা। প্রসঙ্গত, ইয়াস মোকাবিলায় সেনা নামানোর ব্যাপারে মঙ্গলবারই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন মুখ্যমুন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানিয়েছিলেন, ‘যেখানে প্রয়োজন হবে, সেখানে সেনা নামানো হবে’। এবার আগেভাগেই বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত ১৭ সাইক্লোন রিলিফ কলাম সেনা পাঠানো হল পশ্চিমবঙ্গে। এছাড়াও জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর বেশ কয়েকটি দল রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় কাজ করছে।

টর্নেডোর মতো ক্ষনিকের ঘূর্ণিঝড়ে তছনচ ব্যাণ্ডেল-হালিশহরের বিস্তৃর্ণ এলাকা

ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের ল্যান্ড ফল এখনও হয়নি, তার আগেই মাত্র কয়েক মিনিটের ঘূর্ণিঝড়ে আতঙ্ক ছড়াল গঙ্গার দুই পার হুগলির ব্যান্ডেল এবং উত্তর ২৪ পরগনার হালিশহর নৈহাটি সহ বিস্তৃর্ণ এলাকায়। মাত্র দেড় মিনিটের ঘূর্ণিঝড়ে (দেখতে অনেকটা টর্নেডোর মতো) ভেঙে পড়ল একাধিক গাছ, উড়িয়ে নিয়ে গেল ঘরের চাল, দোকানপাট। প্রথমে হুগলির ব্যান্ডেল, চকবাজার এলাকায় দেখা গেল টর্নেডোটির। একই ধরণের ঝড় দেখা গেল হুগলির পাণ্ডুয়ায়। সেখানে বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে দুজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যাচ্ছে। একইভাবে কয়েক মুহূর্তের জন্য নৈহাটি সহ হালিশহরে একাধিক এলাকা তছনছ করল 'ঘূর্ণিঝড়'। একাধিক বাড়ি ভেঙে পড়ায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে এলাকায়। কার্যত লণ্ডভণ্ড পরিস্থিতি বিস্তৃর্ণ এলাকা। যদিও প্রথমে খানিকটা হতভম্ভ হলেও পরে অনেকেই ওই ঘূর্ণিঝড়ের ছবি ও ভিডিও তুলতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমান বিপুল বলেই জানা যাচ্ছে।