ফের দেশে কমল দৈনিক সংক্রমণ

দেশে ফের নিম্নমুখী হল করোনা। যদিও মাঝে একদিন অস্বস্তি বাড়িয়ে দৈনিক সংক্রমণ পেরিয়ে গিয়েছিল ৫০ হাজারে।সোমবার থেকে অনেকটা নেমে গেল. স্বাস্থ্যমন্ত্রকের বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘন্টায় দেশে নতুন করে করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন ৪৬ হাজার ১৪৮ জন । এদিকে মৃত্যু হয়েছে ৯৭৯ জনের। দেশে দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা নামল হাজারের নিচে। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার কবল থেকে মুক্ত হয়েছেন ৫৮ হাজার ৫৭৮ জন। ফলে সুস্থতার হার বেড়ে দাঁড়াল ৯৬.৮ শতাংশ।

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ অনেকটা সামলে উঠছে ভারত। তবে এর মধ্যেই আসতে চলেছে তৃতীয় ঢেউ। এই সময়টা যথেষ্ট সচেতন থাকতে হবে। শিশুদের টিকার ওপর বিশেষ নজর দিতে হবে। যদিও দিল্লির এমন প্রধান রণদীপ গুলেরিয়া জানিয়েছেন,এই তৃতীয় ঢেউ সেভাবে ভয়ঙ্কর হবেনা।তবে সকলকে করোনা বিধিৰ মানতে হবে। এছাড়া এই তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ার আগে সবরকম ব্যবস্থা নেওয়া হবে এমনটাও জানানো হয়। এখন দেখার তৃতীয় ঢেউ ভারতে কতটা প্রভাব ফেলে।  


দেশে ফের কমল করোনা আক্রান্তের সংখ্যা

দেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়তে বাড়ছে সংক্রমণের সংখ্যা। এদিকে দেশে দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা হলেও কম. গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন ১ লাখ ৭৩ হাজার ৭৯০ জন। দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ২কোটি ৭৭ লাখ ২৯ হাজার ২৪৭ জন। আক্রান্তের সংখ্যা কমলেও দৈনিক মৃত্যুর  সংখ্যা তেমন কমেনি। বেশ কয়েকটি রাজ্যে সংক্রমণ কম হওয়াতে দেশে সার্বিক পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। এখনো যে সংখ্যায় সক্রিয় রোগী রয়েছে যে সংখ্যক লোক আক্রান্ত হয়েছেন, তাতে করোনার প্রথম পর্বের থেকে অনেক বেশি। তবে কিছুটা স্বস্তি দেশে আক্রান্তের সংখ্যা কমতে।

করোনায় স্বস্তি, দেশে দৈনিক সংক্রমণ নামল ২ লাখের নীচে

ভারতে একলাফে অনেকটাই নামল দৈনিক করোনা সংক্রমণ। সেই সঙ্গে মৃত্যুর হারও অনেকটা কমল। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের সর্বশেষ বুলেটিন অনুযায়ী গত ২৪ ঘন্টায় দেশে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ৯৬ হাজার ৪২৭ জন। মারা গিয়েছেন ৩ হাজার ৫১১ জন। অপরদিকে গত ২৪ ঘন্টায় করোনামুক্ত হয়েছেন ৩ লাখ ২৬ হাজার ৮৫০ জন। ফলে সক্রিয় রোগীর সংখ্যাও কমছে হু হু করে। এখনও পর্যন্ত ভারতে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২ কোটি ৬৯ লাখ ৪৮ হাজার ৮৭৪ জন। তবে বর্তমানে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ২৫ লাখ ৮৬ হাজার ৭৮২ জন।


বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশের বিভিন্ন রাজ্যে লকডাউনের জেরেই দৈনিক সংক্রমণে রাশ পড়েছে। সম্প্রতি রাজস্থান, হরিয়ানা এবং বিহারেও লকডাউনের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে আগামী ১ জুন পর্যন্ত। এখনও পর্যন্ত দেশে মোট ১৯ কোটি ৮৫ লাখ ৩৮ হাজার ৯৯৯ জন করোনার টিকা নিয়েছেন। এটাও সংক্রমণ কমার অন্যতম কারণ বলে মনে করছেন স্বাস্থ্যকর্তারা।

লকডাউন উঠতে কতদিন ?

দিল্লি মুম্বইয়ের মতো ব্যস্ততম শহর স্তব্ধ থাকবে আর কতদিন? প্রশ্ন উঠছে বণিক মহলে। কারণ দিল্লি এবং মুম্বইতে দেশের বেশিরভাগ বড় সংস্থাগুলির হেডকোয়াটার অবস্থিত। ফলে দেশজ ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে কোটি কোটি টাকার ক্ষতি হচ্ছে লকডাউনের জেরে। কিন্তু সংক্রমণের কারণে সকলেই মুখে কুলুপ এঁটেছে। রবিবার আরও এক সপ্তাহের জন্য লকডাউন ঘোষণা করলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। সম্ভবত ১ জুন থেকে শিথিল হতে পারে দিল্লির অবস্থান। একই চিন্তাভাবনা শুরু করেছেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরেও। কিন্তু উভয় মুখ্যমন্ত্রীর দাবি একটাই টিকাকরণ সম্পূর্ণ করা যাচ্ছে না। সময়মতো টিকার জোগান নেই। এ ক্ষেত্রে কেজরিওয়াল নরম প্রতিবাদ করলেও তীব্র ভাষায় মোদির সমালোচনা করছে শিবসেনা প্রধান। একই সুর পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এই রাজ্যেও চলছে কার্যত লকডাউন। যা চলবে আগামী ৩০ মে পর্যন্ত। এখন দেখার এই রাজ্যেও লকডাউনের মেয়াদ বাড়ানো হয় কিনা।                  

দেশে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা,গত ২৪ ঘন্টায় সংক্রমিত বেড়ে সাড়ে তিন লাখ

দেশে দ্বিতীবার করোনার স্ট্রেন বেড়েই চলেছে। এদিকে প্রতিদিন বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। গত ৫ দিন ধরে দেশের দৈনিক করোনা সংক্রমণ সাড়ে ৩ লাখের কাছাকাছি। গত  ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন ৩ লক্ষ ৪৩ হাজার ১৪৪ জন। এদিকে টানা তিনদিন দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা ও বেড়েছে। ৮ হাজার ছুঁয়েছে দৈনিক মৃত্যু।যদিও বৃহস্পতিবারের তুলনায় দৈনিক আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা কিছুটা কম।  দেশে শুরু হয়ে গেছে টিকাকরণ। যদিও কোভ্যাক্সিন, কোভিশিল্ডের পাশাপাশি আগামী সপ্তাহ থেকে দেশের বাজারে  মিলবে  করোনা  টিকা  স্পুটনিক ভি। তা দিয়েও টিকাকরণের কাজ শুরু হবে। তবে দেশের একাদিক জায়গায় মিলছেনা টিকা। উৎপাদনের হার বাড়ছেনা। টিকার যোগান তুলনামূলক কম। এদিকে অক্সিজেন সরবরাহের ক্ষেত্রেও নজর দেওয়া হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে বাড়ছে লকডাউনের সময়সীমা। তবে এই দ্বিতীয় করোনার স্ট্রেন সামলাতে তৎপর ভারত। 

দু’সপ্তাহ পর দেশে দৈনিক সংক্রমণ সাড়ে তিন লাখের নীচে

প্রায় সপ্তাহ হুয়েক পর কিছুটা কমল দৈনিক সংক্রমণ এবং মৃত্যুর হার। সামান্য স্বস্তি দিয়ে গত ২৪ ঘন্টায় দেশে নতুন করে করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ৩ লাখ ২৯ হাজার ৯৪২ জন। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী গত ২৭ এপ্রিল ভারতে দৈনিক সংক্রমণের সংখ্যা সাড়ে তিন লাখের কম ছিল। এরপর থেকে বাড়তে বাড়তে এই সংখ্যা সাড়ে চার লাখের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল। দেশের বেশ কয়েকটি রাজ্যে কড়া লকডাউন এবং অন্যান্য কয়েকটি রাজ্যে আংশিক লকডাউনের জেরেই কিছুটা কমল দৈনিক সংক্রমণ। কিছুটা কমল দৈনিক মৃত্যুর হারও। গত ২৪ ঘন্টায় দেশে ৩ হাজার ৮৭৬ জন করোনা রোগীর মৃত্যু হল। ফলে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২ লাখ ৪৯ হাজার ৯৯২ জনে।


কেন্দ্রের স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান জানাচ্ছে মহারাষ্ট্র এবং দিল্লিতে সংক্রমণে রাশ পড়েছে। মহারাষ্ট্রে দৈনিক সংক্রমণ অনেকটাই কমে হয়েছে ৩৭,২৩৬ জন, দিল্লিতে সংখ্যাটা ১২ হাজারের নীচে নেমেছে। উত্তর প্রদেশেও সংক্রমণের হার ২০ হাজারের আশেপাশে। এই তিন রাজ্যেই কড়া লকডাউন চলছে। গুজরাত এবং মধ্যপ্রদেশেও কমেছে আক্রান্তের সংখ্যা। তবে কর্নাটক, পশ্চিমবঙ্গ ও তামিলনাড়ুতে দৈনিক সংক্রমণ দিন দিন বাড়ছে।

পর পর চার দিনে ৪ লাখের বেশি দৈনিক সংক্রমণ

পর পর চার দিন ধরে দেশে দৈনিক করোনা সংক্রমণ চার লাখের গণ্ডি ছাড়িয়ে গেল। গত ২৪ ঘন্টায় ভারতে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪ লাখ ৩ হাজার ৭৩৮ জন। মৃতের সংখ্যায় ৪ হাজারের বেশি হল। তবে আগের ২৪ ঘন্টার থেকে একটু কমে শনিবার দেশে করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৪,০৯২ জনের। রবিবার সকাল পর্যন্ত ভারতে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২ কোটি ২২ লাখ ৯৬ হাজার ৪১৪। এই মুহূর্তে দেশে সক্রিয় করোনা রোগীর সংখ্যা ৩৭ লাখ ৩৬ হাজার ৬৪৮ জন। লাগামছাড়া সংক্রমণের জেরে দেশে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। ফলে অক্সিজেন ও হাসপাতালে বেডের আকাল দেখা দিচ্ছে।


করোনা মোকাবিলায় ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি রাজ্য লকডাউনের পথে হেঁটেছে। আবার কোনও কোনও রাজ্যে চলছে আংশিক লকডাউন এবং নাইট কার্ফু। তবুও যেন রোখা যাচ্ছে না মহামারী পরিস্থিতি। তবে স্বস্তির খবর, গত ২৪ ঘন্টায় ভারতে করোনা মুক্ত হয়েছেন ৩ লাখ ৮৬ হাজার ৪৪৪ জন। যা দৈনিক আক্রান্তের থেকে কম হলেও এখনও পর্যন্ত সর্বকালের সর্বোচ্চ। লকডাউনের পাশাপাশি টিকাকরণেও জোর দিচ্ছে রাজ্য সরকারগুলি। যদিও বিগত কয়েকদিনে টিকাদানের হার একটু শ্লথ। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী ভারতে এখনও পর্যন্ত করোনার টিকা নিয়েছেন ১৬ কোটি ৯৪ লাখ ৩৯ হাজার ৬৬৩ জন মানুষ।

বিশ্বের বৃহত্তম কার্গো বিমানে ভারতে করোনা সাহায্য পাঠাচ্ছে ব্রিটেন

লাগামছাড়া করোনা সংক্রমণে হাসফাঁস অবস্থা ভারতের। বিশেষ করে অক্সিজেন সংকটে পড়েছে দিল্লি সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তের হাসপাতালগুলি। অক্সিজেনের অভাবে মৃত্যু পর্যন্ত হচ্ছে করোনা আক্রান্ত সহ অন্যান্য রোগীদের। এই পরিস্থিতিতে ভারতের পাশে দাঁড়িয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ। ব্রিটেনও ভারতকে অক্সিজেন কনসেনট্রেটর পাঠিয়েছিল। এবার ভারতকে আরও বড় সাহায্য পাঠাচ্ছে ব্রিটেন। বিশ্বের বৃহত্তম কার্গো বিমানে চাপিয়ে ১৮ টনের ৩টি দৈত্যাকার অক্সিজেন জেনারেটর এবং এক হাজার ভেন্টিলেটর ভারতে পাঠাচ্ছে বরিস জনসনের দেশ। জানা যাচ্ছে রবিবার সকালেই ওই বিমান দিল্লিতে পৌঁছে যাবে।


আয়ারল্যান্ডের বেলফাস্ট বিমানবন্দর থেকে দৈতাকায় অ্যান্টোনভ-১২৪ কার্গো বিমানে ৩টি অক্সিজেন জেনারেটর লোড করে কর্মীরা। সেই সঙ্গে ১০০০ ভেন্টিলেটরও পেটের ভিতর পুরে নেয় বিশ্বের বৃহত্তম অ্যান্টোনভ-১২৪ কার্গো বিমানটি। সূত্রের খবর ব্রিটেনের পাঠানো অক্সিজেন জেনারেটরটি প্রতি মিনিটে ৫০০ লিটার অক্সিজেন তৈরি করতে সক্ষম। যা অন্তত ৫০ জন রোগীর জন্য যথেষ্ট। ব্রিটেনের স্বাস্থ্য সচিব ম্যাট হ্যানকক বলেছেন, ‘ভারতের পরিস্থিতি মর্মান্তিক। এই চ্যালেঞ্জে আমারা বন্ধু পাশে আছি’।