Cyclone: গুলাবের পর এবার ধেয়ে আসতে চলেছে শাহিন ঘূর্ণিঝড় !

ঘূর্ণিঝড় গুলাবের প্রভাব কাটার আগেই ফের আশঙ্কার বানী শোনাল মৌসম ভবন । গুলাবের প্রভাবে আরও একটি ঘূর্ণিঝড় হতে পারে, আবহবিদরা এমনই সতর্কবার্তা দিয়েছেন। এদিকে দুদিন ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা জানালো আলিপুর হাওয়া অফিস। মূলত গুলাব ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব এ রাজ্যে পড়বেনা ঠিকই। কিন্তু সেটা ভেঙে নিম্নচাপে পরিণত হবে.আর যার জেরে ভারী বৃষ্টি হবে গোটা দক্ষিণবঙ্গে। একটা ঝড় না যেতেই ফের আরও এক ঝড়ের আশঙ্কা। বলা হচ্ছে যে গুলাবের লেজ ধরেই এই ঝড়ের আগমন। বৃহস্পতিবার উত্তর-পূর্ব আরব সাগর এবং গুজরাত উপকূলে ফের একটি ঘূর্ণাবর্ত আবির্ভূত হওয়ার সম্ভাবনা।

মৌসম ভবন জানিয়েছে, সম্ভবত শুক্রবারে সিস্টেমটি আরও তীব্র আকার ধারণ করতে পারে, যার জেরে ঘূর্ণিঝড় 'শাহিন' তৈরি হতে পারে।আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, মঙ্গলবার দুই মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার বেশ কিছু জায়গায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে। কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনাতেও হতে পারে ভারী বৃষ্টি।

সঙ্গে দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টায় ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। পূর্ব মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় সেই হাওয়ার বেগ হতে পারে ঘণ্টায় ৪০-৫০ কিলোমিটার। বুধবারও দুই ২৪ পরগনা, কলকাতা, দুই মেদিনীপুর-সহ দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দুর্যোগের আশঙ্কায় মৎস্যজীবীদের আপাতত সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। 


Cyclone: কয়েক ঘন্টার মধ্যেই আছড়ে পড়বে গুলাব, প্রভাব পড়বে কলকাতায়

ধেয়ে আসছে গুলাব। আর কয়েক ঘন্টার মধ্যে কিন্তু কলকাতা ভারী বৃষ্টি শুরু হবে.কলিঙ্গপত্তনম থেকে ৪০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে ঘূর্ণিঝড়। ফলে  বঙ্গোপসাগরে তৈরি হচ্ছে নিম্নচাপ। যার জেরে সোমবার থেকে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে ভারী বৃষ্টির সম্ভবনা। মঙ্গল ও বুধেও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস জারি করেছে হাওয়া অফিস। তবে গুলাব সরাসরি তার ধ্বংসাত্মক প্রভাব ফেলবে না, এমনটাই জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। রবিবার বিকেল ৩টে থেকে ৫টার মধ্য়ে ল্যান্ডফলের আশঙ্কা। বেশি প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে কলকাতা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুরে।

তবে রাজ্যে সেভাবে প্রভাব না পড়লেও নিম্নচাপে প্রবল বৃষ্টি হবে.যার জেরে ফের ভারী বৃষ্টি হবে. এই কদিনের বৃর্ষ্টিতে জলমগ্ন পরিস্থিতি হয়েছিল শহরের একাধিক জায়গায়। এদিকে আজ সকাল থেকেই কলকাতায় বৃষ্টি নেমেছে। কলকাতার তাপমাত্রা ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ঘোরাফেরা করবে।

আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৬.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের চেয়ে ১ ডিগ্রি বেশি। গতকাল সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের চেয়ে ১ ডিগ্রি কম। বাতাসে জলীয়বাষ্পের সর্বোচ্চ পরিমাণ ৯৭ শতাংশ। ইতিমধ্যে নবান্নের কন্ট্রোল রুম খোলা রাখা হয়েছে।এদিকে সমুদ্রে যাওয়ার নিষেধাজ্ঞা করা হয়েছে।এখন দেখার কতটা প্রভাব পড়তে চলেছে এই ঝড়ের। 

Durga Puja: বাজলো তোমার আলোর বেনু, দুর্গা আসছে!

প্রায় এসেই গেল পুজো। ভাদ্রমাস শেষ হতে চলল। বাতাসে আশ্বিনের মেঘ-রোদ্দুরের গন্ধ। কাশ ফুটল বলে নদীতীরে। ঠিক এই আবহই প্রতি বছর মনে একটা আবেশ তৈরি করে দেয় আর বাঙালির মনটা পুজো-পুজো করে ওঠে।পুরাকালে মহিষাসুর নামে এক অসুর ব্রহ্মার বরে বলীয়ান হয়ে সমগ্র স্বর্গ, মর্ত্য ও পাতাল অধিকার করল। মুনি-ঋষিরাও রেহাই পেলেন না তার অত্যাচার থেকে। দেবতারা ব্রহ্মা, বিষ্ণু, মহেশ্বরের শরণাপন্ন হলেন। জানা গেল, ব্রহ্মার বরে বলীয়ান মহিষাসুরকে ত্রিলোকের কোনও পুরুষই পরাভূত করতে পারবেন না। তাই সে অপরাজেয়।

দেবতাদের মুখে মহিষাসুরের অত্যাচারের কাহিনি শুনে ব্রহ্মা, বিষ্ণু, মহেশ্বর ক্রোধান্বিত হলেন। তাঁদের মুখমণ্ডল ভীষণাকার ধারণ করল। তাঁদের ক্রোধাগ্নি এবং দেবতাদের তেজ সম্মিলিত হয়ে এসময়ে তৈরি হয়ে উঠলেন এক নারী। ত্রিভুবনের দুর্গতি নাশের জন্য তাঁর আবির্ভাব। এজন্য তাঁর নাম-- দুর্গা।পুজো নিয়ে প্রতিটা বাঙালি মেতে থাকতে চায়. বছরে একবার

এই উৎসবের জন্যই তো বাঙালির অপেক্ষা। সুখ- দুঃখ যা থাকুক কিন্তু পুজোতে সকলেই মেতে ওঠে. মহালয়ের সকালে যখন বীরেন্দ্কৃষ্ণ ভদ্রের পাঠ  যেনো ছুঁয়ে যায়. এদিকে বাজলো তোমার আলোর বেনু এই গানগুলো একটা আলাদাই অনুভূতি এনে দেয়. শরতের সকাল,শিউলি ফুল  যেনো মন্মুকগ্ধকর। তবে আজকাল সেই আনন্দ মনে না আসলেও পুরাতন কথা ভেবেই এগিয়ে চলছে প্রতিটা বাঙালি।