খেলা রিওতে, পুলিশ বাংলাদেশে

ভোর ৫ টায়ে এই উপমহাদেশ নজর রাখবে টিভির পর্দায় । দিনটি অবশ্য রবিবার ভারতে ছুটির দিন কিন্তু ও বাংলায় ছুটি নেই কারণ তাদের ছুটি শুক্রবারে । অবশ্য করোনা আবহে অনেক অফিস ছুটি থাকে এ ছাড়া বাংলাদেশে অত সকালে তো আর কর্মস্থলে যাওয়ার প্রয়োজন নেই । খেলা হবে রিও দে জেনিরোতে । সেখানে দর্শক শূন্য স্টেডিয়াম । ও দেশে নিশ্চই আর্জেন্টিনার পরাজয় চাইবে দেশবাসী । ব্রাজিলের ফুটবলের চির শত্রু আর্জেন্টিনা ।



এ দেশের মতো বাংলাদেশেও ফুটবল প্রেমী মানুষ পাগল হবে ল্যাটিন আমেরিকার ফাইনাল দেখতে । বাংলাদেশ এই দুই দেশের খেলা থাকলে ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে । বিস্তর মারামারির এমনকি হাসপাতালে পাঠাতে হয় আহত ক্রীড়াপ্রেমিকে । এই চিন্তাই হাসিনা সরকার সারা দেশে পুলিশ পোস্টিং করছে । দরকারে সেনাবাহিনীকে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে বলে খবর । বাংলাদেশে এমনই তীব্র উত্তেজনা হয়ে থাকে এই খেলাকে কেন্দ্র করে ।

ব্রাজিল আর্জেন্টিনা নিয়ে মাতোয়ারা দুই বাংলা

ভারতীয় সময় রবিবার সকল ৫.৩০ এ কোপা আমেরিকা কাপের ফাইনাল । খেলবে ব্রাজিল ও তাদের চির প্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টিনা । ৫০/ ৬০ এর দশক থেকে দুই বাংলা পেলের খেলার প্রেমে পরে ব্রাজিলের সমর্থক হয়ে পরে অবশ্য ভারতের অন্য প্রান্তেও বেশ খানিকটা তাই হয়েছিল । এরপর ১৯৮২ তে উঠে আসে আরেক নতুন নাম দিয়াগো মারাদোনা ।

এবারে বাঙালি তার প্রেমেও পরে । ভাগাভাগি হয়ে যায় দর্শক । কেউ ব্রাজিল তো কেউ আর্জেন্টিনা । ভারত বা বাংলাদেশ ফুটবলে নাম করতে না পারলেও ফুটবল প্রেমীরা ইস্টবেঙ্গল মোহনবাগানের মতো বাড়িতে বা পাড়ায় এই দুই দলের পতাকা টাঙিয়ে উচ্ছাস প্রকাশ করে থাকে কয়েক দশক ধরে ।

রবিবার সাত সকালে উঠবে দু বাংলার বাঙালিরা । ভাগাভাগি হয়ে সমর্থন করবে নেইমারের ব্রাজিল বা মেসির আর্জেন্টিনাকে । বাংলাদেশের এক চিত্র উঠে এলো সোশ্যাল নেটওয়ার্কের পাতায় এবং দেখতে দেখতে ভাইরাল হয়ে গেলো । একটি ফুটপাথের খাবারের দোকানে দুই পার্টনার খাবার বিক্রি করছে যাদের পরনে নেইমার এবং মেসি । ফাইনালের আগেই ওদেশের থেকেও উত্তেজিত বাঙালি সমাজ ।

মাস্ক ছাড়াই এবার বাইক মিছিল

ব্রাজিল: মাস্ক ছাড়াই এবার বাইক মিছিল করল ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট জাইরে বোলসোনারো। শনিবার বাইক মিছিল করতে গিয়ে চরম বিপাকের  মুখে পড়ল প্রেসিডেন্ট।এক দিকে যখন করোনা অতিমারি  চলছে। অন্যদিকে হুঁশ নেই ব্রাজিলের প্রেসিডেন্টের।শনিবার ব্রাজিলের সাওপাওলো শহরে মাস্ক না পরেই বাইক মিছিল করলেন।  করোনাবিধি না মানায়  প্রেসিডেন্ট ও তার সঙ্গীর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠে এসেছে। আর তাই প্রেডিডেন্টকেই খোদ  জরিমানা করা হয়েছে।

এদিকে শনিবার বাইক মিছিল করলেও,তার মাথায় কিন্তু হেলমেট ছিল।  যদিও মুখে মাস্ক না থাকায় অভিযোগ ওঠে। এদিকে প্রেসিডেন্ট নিজে ক্ষুব্ধ হয়ে বলেন, যেখানে করোনা টিকা নেওয়া হয়েছে,তারপর মাস্ক পরা অবৈজ্ঞানিক। টিকা নেওয়া ব্যক্তিরা কখনোই সংক্রমণ ছড়াতে পারেনা। তবে করোনা অতিমারি থাকা সত্ত্বেও প্রেসিডেন্টের বিধিবিঙের কারণেই তার কাছে থেকে জরিমানা চাইল প্রশাসন।