By-Election: রাজ্যের উপনির্বাচনে তারকা প্রচারকদের তালিকায় নেই রাজীব

পুজো মিটলেই ফের রাজ্যে উপনির্বাচন । ইতিমধ্যেই প্রার্থীতালিকা ঘোষণা করেছে রাজনৈতিক দলগুলি। এবার তারকা প্রচারকদের তালিকা ঘোষণা করল বিজেপি। তাতে ৭ কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর নাম রয়েছে। নাম রয়েছে আসামের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত বিশ্বশর্মারও।  সদ্য বিজেপির কেন্দ্রীয় কমিটিতে নেওয়া হয়েছে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কে । তবে তারকা প্রচারের তালিকায় নাম নেই রাজীবের, এদিকে  তারকা প্রচারে নাম নেই প্রিয়াঙ্কা টিব্রউয়ালের। চলতি মাসের ৩০ তারিখ দিনহাটা, শান্তিপুর, খড়দহ ও গোসাবায় উপনির্বাচন। বিজেপির  জন্য সবচেয়ে সম্ভাবনাময় আসন শান্তিপুর।

বিজেপির হয়ে এখানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন নদিয়া দক্ষিণ সাংগঠনিক জেলার সাধারণ সম্পাদক নিরঞ্জন বিশ্বাস। উদয়ন গুহর বিরুদ্ধে দিনহাটা আসনে বিজেপি প্রার্থী করেছে প্রাক্তন তৃণমূল নেতা অশোক মণ্ডলকে । গোসাবার প্রার্থী পলাশ রানা। আর খড়দহ থেকে লড়াই করছেন অর্জুন সিংয়ের ঘনিষ্ঠ জয় সাহা। পুজো মিটলেই প্রার্থীদের হয়ে প্রচারে ঝাঁপিয়ে পড়বে বিজেপি। ইতিমধ্যেই তৈরি হয়ে গিয়েছে রণকৌশল। প্রকাশ্যে এসেছে বিজেপির তারকা প্রচারকদের তালিকা। সেই তালিকার প্রথমেই রয়েছেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।

তালিকায় রয়েছেন ৭ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি, গিরিরাজ সিং, সুভাষ সরকার, জল বার্লা, নিশীথ প্রামাণিক, প্রতিমা ভৌমিক, শান্তনু ঠাকুর। তারকা প্রচারকদের তালিকায় নাম রয়েছে আসামের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত বিশ্বশর্মারও। এছাড়াও আছেন দিলীপ ঘোষ, শুভেন্দু অধিকারী  অমিতাভ চক্রবর্তী, দেবশ্রী রায়, রূপা গঙ্গোপাধ্যায়, অগ্নিমিত্রা পল, লকেট চট্টোপাধ্যায়-সহ অন্যান্যরা। তবে ভোট প্রচারে জোর দিচ্ছে বিজেপি। 

By-Election: চার কেন্দ্রে উপনির্বাচনের প্রার্থী ঘোষণা করল বিজেপি

এবার রাজ্যের চার কেন্দ্রের উপনির্বাচনের  জন্য প্রার্থী ঘোষণা করল বিজেপি। তালিকায় প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে বিজেপির সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত এবং স্থানীয় নামকেই। সেদিক থেকে দেখতে গেলে বিজেপির প্রার্থী তালিকায় বড় কোনও চমক নেই।  চার কেন্দ্রের প্রার্থীই গেরুয়া শিবিরের সংগঠনের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত।কোচবিহারের দিনহাটায় অশোক মণ্ডল, নদিয়ার শান্তিপুরে নিরঞ্জন বিশ্বাস, উত্তর ২৪ পরগনার খড়দহে জয় সাহা ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার গোসাবায় পলাশ রাণাকে প্রার্থী করেছে বিজেপি।ত ২৮ সেপ্টেন্বর নির্বাচন কমিশন এই চার কেন্দ্রে উপনির্বাচনের দিন ঘোষণা করে।


কমিশন জানায়, আগামী ৩০ অক্টোবর এই চার কেন্দ্রে উপনির্বাচন হবে। ভোটের ফল ঘোষণা হবে ২ নভেম্বর। বিজ্ঞপ্তিতে কমিশন জানায়, চার কেন্দ্রে মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ৮ অক্টোবর। মনোনয়ন স্ক্রুটিনি করে দেখার শেষ দিন ১১ অক্টোবর। মনোনয়ন প্রত্যাহার করার শেষ দিন ১৬ অক্টোবর।


যদিও ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে দিনহাটা এবং শান্তিপুর এই দুটি কেন্দ্রেই জিতেছিল বিজেপি। তাই উপনির্বাচনে এই দুটি কেন্দ্রে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে তাঁরা। বাকি দুটি কেন্দ্র খড়দহ এবং গোসাবায় প্রাপ্ত ভোটের নিরিখে অনেকটাই পিছিয়ে ছিল গেরুয়া শিবির। তবে, সেখানেও লড়াই ছাড়তে রাজি নয় বিজেপি। এই দুই কেন্দ্রেও দলীয় সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত স্বচ্ছ ভাবমূর্তির প্রার্থী বাছাইয়ের চেষ্টা করা হয়েছে।

উপনির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী কারা ?

ভবানীপুরে ভরাডুবির পর বিজেপি অফিস যেন ভাঙা হাট । কারুর দেখা পাওয়া যায় নি সকালে ।  একটি উপনির্বাচন ও দুটি বিধানসভার সাধারণ নির্বাচন হয়ে তার ফল বেরিয়ে গিয়েছে এবং জয়লাভ করেই তৃণমূল সুপ্রিমো বাকি ৪ উপনির্বাচনের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করে দিয়েছেন ।  কিন্তু ৩ কেন্দ্রে পরাজয়ের পর কি করবে, কাকে প্রার্থী করবে তাই নিয়ে দোদুল্যমান রাজ্য বিজেপি । যে ৪টি কেন্দ্রে উপনির্বাচন তার মধ্যে শান্তিপুর এবং দিনহাটা কেন্দ্রে জয়ী হয়েছিল বিজেপির দুই সাংসদ ।

কিন্তু ভোট উত্তর কালে তাঁরা বিধায়কের পদ ছেড়ে দেন । লক্ষণীয় বিষয়, এই দুই কেন্দ্রে মুকুল রায়ের আধিপত্য বিপুল এবং মুকুল এখন তৃণমূলে । ফলে বিজেপির ভাবনা বাড়ছে । ৫ মাস বিধানসভার নির্বাচন হয়ে গিয়েছে । এই ৫ মাসে বিজেপির জয়ী প্রার্থীদের মধ্যে ৫ জন দল ছেড়েছেন । বর্তমানে তাদের ৭০ জন বিধায়ক, কাজেই কাকে কোথায় প্রার্থী করা যাবে এবং যদি যেতে তারপর দল ছেড়ে দেবে না এমন গ্যারান্টি কোথায় ?

গোসাবাতে জেতা একপ্রকার অসম্ভব ধরেই নিয়েছে বিজেপি । পাশাপাশি খড়দহ আসনটিও কঠিন তাদের পক্ষে । তাছাড়া পরাজিত প্রাক্তন তৃণমূল এবং দলবদলু শীলভদ্র দত্ত ফের দাঁড়াতে নারাজ । অন্যদিকে জেতা আসন দিনহাটাতে কোনওক্রমে জিতেছিলেন বিজেপি নিশীথ প্রামানিক । এবারের ট্রেন্ড উল্টো কথা বলছে । সবশেষে শান্তিপুর । এখানে ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব ব্রজকিশোর গোস্বামীকে প্রার্থী করে চাপে বিজেপি । এখন দেখার পরাজয়ের সংকট কতো দিনে ঝেড়ে ফেলে বিজেপি প্রার্থী দিতে পারে ।


ভবানীপুরে মমতার জয়, নেই সাংবাদিক বৈঠকের আয়োজন নেই বিজেপির

প্রতিদিনই  কোনও না কোনও কারণে সাংবাদিক বৈঠক করে রাজ্য বিজেপি। কিন্তু ভবানীপুর উপনির্বাচনের ফল ঘোষণার দিনে গেরুয়া শিবিরের রাজ্য নেতারা কেউই সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হলেন না। দলের পক্ষে প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিলেন সাধারণত সংবাদমাধ্যম থেকে দূরে থাকা রাজ্য সহ-সভাপতি প্রতাপ বন্দ্যোপাধ্যায়। সংবাদমাধ্যমের জন্য ভিডিয়ো বার্তা পাঠালেন নতুন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। আর ভবানীপুরের প্রার্থী যাবতীয় প্রতিক্রিয়া জানালেন ফেসবুক, টুইটারে। ভোট প্রচারে বড় ভূমিকা নিলেও ফল ঘোষণার দিনে সামনে আসেননি সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ বা বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।ভোট গণনা শুরু হওয়ার পর প্রাথমিক প্রবণতায় যখন দিনের ছবিটা মোটামুটি পরিষ্কার, তখন থেকেই নীরবতা দেখা গিয়েছে বিজেপি-র রাজ্য দফতরে।

তৃণমূলের ঝোড়ো ইনিংস দেখে কর্মী-সমর্থকরা যখন বাঁধভাঙা উল্লাসে মেতেছেন, তখন শুনশান বিজেপি-র পার্টি অফিস চত্বর। খাঁ খাঁ করছে আশেপাশের এলাকা। নিরাপত্তার স্বার্থে মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশও। ভোট গণনার শেষ মুহূর্তে এসেও সেই ছবি.ভবানীপুর বিপুল ভোটে জয় নিশ্চিত হওয়ার পর বাইরে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ দিকে ভোটের ফল নিয়ে নৈঃশব্দ বিজেপি-র সদর দফতরে। দেখা মেলেনি নেতাদের। নেই কোনও সাংবাদিক বৈঠকও। বিকেল সাড়ে চারটে নাগাদ একটি প্রেস বিবৃতি প্রকাশ করে গেরুয়া শিবির। তাতে রবিবার ঘোষিত তিন আসনের ফলই দলের কাছে অনভিপ্রেত ছিল বলে জানানো হয়েছে।



Politics: দল ছাড়লেন সুমন

সুমন বন্দ্যোপাধ্যায়, চলচিত্র ও টিভিতে নায়ক থেকে চরিত্রাভিনয়ে সুচারু ভাবে মেলে ধরেছেন ২০ বছর ধরে । নিপাট ভদ্রলোক । ২০১২ তে আচমকাই রাজনীতিতে চলে আসেন এবং বিজেপিতে । ওই সময় সেলিব্রেটিদের কেউই এই বাংলায় বিজেপির দিকে যাওয়ার কথা ভাবে নি কারণ ওই সময়ে বিজেপি দলে পাওয়ার কিছু ছিল না । কিন্তু সুমন ভালোবেসেই বিজেপিতে গিয়েছিলেন । এরপর শুরু হয় মোদী জমানা । তখন ঝাঁকে ঝাঁকে ফিল্মি দুনিয়ার অনেকেই বিজেপিতে আসে । সুমন দলের নানান কাজে থাকতেন নিয়মিত । তৃণমূল বিজেপির রেষারেষিতে অভিনয় জগতে সুযোগ থেকে অনেকটাই পিছিয়ে পড়েন সুমন । 

দিলীপ ঘোষ থেকে শুভেন্দুর সময় সুমন অনেকটাই পিছিয়ে পড়েন । দলের হয়ে বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে রাজনৈতিক টক্ শোতে আসতেন তিনি কিন্তু সেখানেও তাঁকে কোথাও আটকে দেওয়া হয় । মুকুল ঘনিষ্ট হয়ে পড়েছিলেন একটা সময় । মুকুলের বিদায়ের পর অনেকটা এক হয়ে পড়েন তিনি । এবারের নির্বাচনেও তাঁর ভূমিকা ছিল গৌণ । ভবানীপুরের প্রচারে তাঁকে ডাকাই হয় নি শ। তিনি দলের সংস্কতি বিভাগের আহবায়ক ছিলেন এবং রাজ্য কমিটির আমন্ত্রিত সদস্য । আজ দলের নতুন সভাপতির কাছে তাঁর পদত্যাগ পত্র পাঠিয়ে দেন । সেখানে তিনি আর কোনও পদেই থাকবেন না জানিয়ে দিয়েছেন । তবে কি তৃণমূলে ? একগাল হেসে জানালেন, কাল কি করবো কেউ বলতে পারে ।


Politics: পাঁচিলের উপরে শুভেন্দু

আজকাল রাজনীতিতে একটি কথা চালু হয়েছে "পাঁচিলের উপরে" এর অর্থ একদিকে বিজেপি অন্যদিকে তৃণমূল । রাজনৈতিক নেতারা ২০২১ এর নির্বাচনের আগে অনেকেই জল মাপতে পাঁচিলের উপর দাঁড়িয়ে আছে, কটাক্ষ ছিল তৃণমূল নেতাদের । এই কথাটাই আরো উস্কে দিয়েছেন যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সভানেত্রী সায়নী ঘোষ । এবারে কটাক্ষ শুভেন্দুকে লক্ষ করে । এবারের ভবানীপুর উপনির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী প্রিয়াঙ্কার মূল প্রচারক শুভেন্দু অধিকারী । শোনা গিয়েছে, শুভেন্দুই নাকি প্রিয়াঙ্কা টিব্রিউয়ালকে মমতার বিরুদ্ধে দাঁড় করানোর অন্যতম হোতা ।

উপনির্বাচনে সরকারি দলের কাউকে হারানো কঠিন বিশেষ করে মুখ্যমন্ত্রী যদি প্রার্থী হন । শুভেন্দু বিজেপিতে যোগ দিয়ে ভাষার ব্যাকরণ ভুলে খোদ মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ করছেন । তৃণমূল কংগ্রেস নেতা জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক মাছি ওড়ানোর ভঙ্গিতে শুভেন্দু এবং প্রিয়াঙ্কাকে উড়িয়ে দিয়ে বললেন, দিদি রেকর্ড ভোট জিতবেন । শুভেন্দু এখন হারজিতের পাঁচিলে দাঁড়িয়ে । দলকে জেতাতে পারলে আরও কেন্দ্রীয় নেতাদের ঘনিষ্ট হবেন আর পরাজিত হলে দিলীপ ঘনিষ্টরা যে দাঁত নখ বের করবেন তা বলাই বাহুল্য ।


CN: সোজাসাপটা সুকান্ত

সোজাসাপটা সুকান্ত

Politics: এবার বেসুরো বিজেপি বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যাণী!

এবার  রায়গঞ্জের ‘বেসুরো’ বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যাণী। আর এবার বিধায়কের অনুপস্থিতিতেই কার্যালয় থেকে সরল নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহের ছবিও। এই ঘটনায় দলের অন্দরেই চলছে জোর চাপানউতোর। তবে কি কৃষ্ণ কল্যাণীর তৃণমূলে প্রত্যাবর্তন শুধুমাত্র সময়ের অপেক্ষা, ক্রমশ জোরাল হচ্ছে জল্পনা। বেশ কয়েকদিন ধরেই ‘বেসুরো’ রায়গঞ্জের বিজেপি বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যাণী। সাংসদ দেবশ্রী চৌধুরীর বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে বিস্ফোরক মন্তব্য করেন তিনি। দলীয় কর্মসূচি থেকেও সরে দাঁড়ান। এমনকি জেলা সভাপতি বাসুদেব সরকারকে পদ থেকে সরানোর দাবিতে কার্যত সরব হয়েছিলেন।

তার ফলে উত্তর দিনাজপুর জেলা বিজেপির অন্দরে অস্বস্তি চরমে ওঠে। তারপর থেকে যত দিন যাচ্ছে ক্রমশই রায়গঞ্জের বিজেপি বিধায়কের তৃণমূলে ফেরার জল্পনা জোরাল হচ্ছে।বর্তমানে কলকাতায় রয়েছেন কৃষ্ণ কল্যাণী । কানাঘুষো শোনা যাচ্ছে, শনিবারই হয়তো তৃণমূলে যোগ দিতে পারেন তিনি।

তবে দু’দিন ধরে নিজের কেন্দ্রে দেখা যাচ্ছে না রায়গঞ্জের বিজেপি বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যাণীকে। যদিও তৃণমূলে যোগদানের জল্পনা নস্যাৎ করে তাঁর দাবি, “আমি কলকাতায় রয়েছি। তবে রায়গঞ্জের অফিসে কি হয়েছে, সেটা আমি জানি না। কয়েকটি ফ্লেক্স নষ্ট হয়ে যাওয়ায় হেলে গিয়েছে। তাই হয়তো সরানো হয়েছে। রায়গঞ্জে ফিরে যা বলার বলব।


Politics: তৃণমূলে আসছে আরও নেতা, বিজেপিকে ববি

কলকাতাঃ তৃণমূল নেতা, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভোটের অন্যতম প্রচারক, মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম আজ মিডিয়ার সামনে বলেন যে, বাবুল সুপ্রিয় এসেছে তাতেই নড়েচড়ে উঠেছে রাজ্য বিজেপি কিন্তু আরও নেতা আসছে । 

এর আগে দলের অন্যতম মুখপাত্র কুনাল ঘোষও জানিয়েছিলেন যে বিশাল লাইন তৈরী হয়েছে বিধায়ক সাংসদের বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে আসার । বৃহস্পতিবার প্রচারের ফাঁকে ববি দাবি করেন মমতার জেতাটা এখন শুধু সময়ের ব্যাপার । 

তিনি বলেন, তারপর অন্য বড় বিজেপি নেতা তাঁদের দলে  যোগ দিচ্ছেন । তিনি বিশেষ করে উল্লেখ করেন যে, এবারে যিনি আসছেন তিনি কোনও দিনও তৃণমূল দল করেন নি । অর্থাৎ ববি বোঝাতে চেয়েছেন যিনি যোগ দিচ্ছেন তিনি আদি বিজেপির কোনও এক নেতা । তাঁর এই বক্তব্যের পর শুরু হয়েছে জল্পনা । দলের অন্দরেই ভাবনা শুরু হয়েছে এবারে তবে কে ?


Politics: সুকান্ত না শুভেন্দু !

কলকাতাঃ প্রশ্ন এখন রাজনীতি সচেতন মানুষের মুখে মুখে যে, কে বা কার ক্ষমতা বাড়লো ? অন্দরের সূত্র নানান তথ্য দিচ্ছে । প্রথমত দিলীপ ঘোষের পদ চলে যাওয়ার পিছনে নাকি অনেক কারণ আছে । দিলীপবাবু বিগত ভোটে প্রচারের সময় ধর্মীয় বিভেদ এবং অবাঞ্চিত মন্তব্য করেছেন যথেষ্ট এবং কেন্দ্র থেকে নিষেধ থাকা সত্বেও তিনি নাকি তাঁর ভূমিকা থেকে বিন্দুমাত্র নড়েন নি । দিল্লিও বিশেষ চাপ দেয় নি দিলীপকে । কিন্তু ভোটের অত্যন্ত খারাপ ফলের পর এবং দল ছেড়ে তৃণমূলে বহু নেতা চলে যাওয়ার পর তাঁকে সরানো হয়েছে । এও শোনা গিয়েছে রাজ্যের নব্য নেতারা দিল্লির কান ভাঙিয়েছে । পুরাতনদের তীর শুভেন্দুর দিকেও ।

দিলীপ ঘোষ সরেছেন এবং স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন উত্তরবঙ্গের উচ্চশিক্ষিত অধ্যাপক সুকান্ত মজুমদার। সুকান্তর বয়স মাত্র ৪২/৪৩ । তিনি মূলত সঙ্ঘ করা মানুষ । লোকসভায় জিতেও তিনি সঙ্ঘের কাজেই নিজেকে ব্যস্ত রেখেছিলেন বলে খবর । শোনা গিয়েছে শুভেন্দু অধিকারী নাকি তাঁর নাম প্রস্তাব করেন । অবশ্য দিলীপ ঘোষের মতামত চাইলে তিনিও সুকান্তের নাম বলেন । সুকান্তের সঙ্গে শুভেন্দুর সম্পর্ক ভালো বলেই শোনা যায় । অন্যদিকে নন্দীগ্রাম থেকে জেতার পর শুভেন্দুর ওজন বেড়েছে দলের কাছে । সুকান্ত মজুমদার সভাপতি হওয়াতে লাভ শুভেন্দুরও কারণ সুকান্ত অনভিজ্ঞ কাজেই সাংগঠনিক এবং প্রশাসনিক কাজে সুকান্তের প্রয়োজন শুভেন্দুকেই । তবে বাংলার ট্র্যাডিশন যদি দেখা যায় তবে আপাতত সুসম্পর্ক থাকলেও পুরোনোপন্থী তথা সঙ্ঘ সুকান্ত সমস্ত ক্ষমতা নিজের কাছেই রাখতে চাইবে । 


ByElection: ভবানীপুর নির্বাচনী প্রচার থেকে কি সরলেন দিলীপ ?

কলকাতাঃ সদ্য খোয়া গিয়েছে রাজ্য সভাপতির পদ । এখন দিলীপ ঘোষ সর্বভারতীয় সহ সভাপতি, যা নিয়ে বাজারে রটনা রয়েছে " ছেলে ভোলানো পদ" । এই পদ একসময় পেয়েছিলেন রাহুল সিংহ, মুকুল রায় । বাস্তবিকই তাঁদের করার কিছু ছিল, রয়েছে প্রশ্ন ? বিজেপি দলে মূল চালিকা শক্তি থাকে সভাপতি , তারপর সাংগঠনিক সম্পাদক। এদের কাছেএ জানা যায় যদিও দলের কথা। তবে কাজ করতে হবে, পদ বড় কথা নয় । কিন্তু বাস্তব যেটি তা দিলীপ ঘোষের সাংগঠনিক কর্মকান্ডেই,  ৩ থেকে রাজ্য বিজেপি ৭৭ ( যা এখন ৭১ ) আসন পেয়েছে বলে দাবি পুরাতন বিজেপি কর্মীদের । মাঝে মধ্যে কটূক্তি করলেও দলের আদর্শচ্যুত হন নি কখনও দিলীপবাবু । নির্লোভ, জনগণের কাজে অভিজ্ঞ দিলীপ ঘোষের ভাবনা ছিল, তাঁকে আচমকা পদ থেকে বাতিল করা হবে না । যদিও অনেকের মতে, নতুন সভাপতি সুকান্ত মজুমদার দিলীপ ঘনিষ্ট কিন্তু বাস্তব সত্য ক্ষমতার শিখরে গেলে কেউ কারুর অনুগত থাকে না ।

দিলীপ ঘোষের এই বিদায় লগ্নে দলের অনেকেই দুঃখিত । দিলীপবাবু দলীয় কর্মীদের পাশে থাকতেন সর্বদাই । পুরাতনদের ধারণা, ভোটের ফলের জন্য তাঁর দায়িত্ব গিয়েছে কিন্তু বাস্তব বলে এবারের বাংলার ভোট থেকে প্রার্থী নির্বাচন সবই করেছে কেন্দ্র । তৃণমূল থেকে আসা প্রায় সবাই দিল্লি গিয়ে দল বদল করেছে এবং তাদের সিংহভাগই ভোটে নির্মম ভাবে হেরেছে, তবে দিলীপবাবুর দায় আসছে কি করে ?  বাবুল দলত্যাগ করে মূলত দুষেছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে । গুঞ্জনে যা উঠে এসেছে , শুভেন্দু অধিকারীর ক্ষমতা বাড়াতেই নাকি এই ভাবনা । অন্য দিকে দিলীপবাবু যাচ্ছেন দক্ষিণবঙ্গে, জানালেন প্রচারে । কিন্তু দক্ষিণবঙ্গে তো কোনও ভোট নেই, তবে প্রচার কিসের ? অন্যদিকে  দিলীপবাবু যে ভবানীপুরে  যাচ্ছেন না, তাও পরোক্ষে জানিয়ে দিলেন । 


locket chatterjee: লকেটও কি বেসুরো ?

বাবুল সুপ্রিয় বিজেপি ছাড়ার পর কি এবার লকেট চট্টোপাধ্যায়ের ছাড়ার পালা । অন্তত খবরটি ছড়িয়ে গিয়েছে সেই ভাবেই । গুঞ্জনে হুগলির সাংসদ বিধানসভা নির্বাচনে চুঁচুড়া থেকে হারার পর কেন্দ্রে মন্ত্রিসভার রদবদল হয় যেখানে দীর্ঘদিনের বিজেপি নেত্রী লোকটিকে ডাকা হয় নি । কার্যত দিলীপ ঘোষ ঘনিষ্ট বলে পরিচিত লকেট দিলীপ বিদায়ে ক্ষুব্দ বলেই খবর । এমনও শোনা গিয়েছে যে তাঁর সঙ্গে তৃণমূলের বড় নেতাদের কথা হয়েছে । মঙ্গলবার দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার সাথে লকেটের দীর্ঘ সময় বৈঠক হয় নাড্ডার বাড়িতে । 

নাড্ডার বাড়ি থেকে বেরিয়ে লকেট জানান, তাঁর দলবদল নিয়ে কোনও বার্তা নেই এবং এই বিষয়ে নাড্ডার সঙ্গে নাকি কোনও কথাও হয়ে নি । লকেট জানান, তাঁকে নাকি উত্তরাখণ্ডের সহ পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব দেওয়ার জন্যই ডাকা হয়েছিল । কিন্তু এতো দীর্ঘ সময় বৈঠক কেন ? উত্তর দেন নি লকেট এই বিষয়ে । কিন্তু প্রশ্ন রাজনৈতিক মহলে যে যিনি উত্তরাখণ্ডের দায়িত্ব পাচ্ছে তিনি ভবানীপুরের মতো হাই ভোল্টেজ কেন্দ্রে অনুপস্থিত কেন ? 


By Election: মমতার বিরুদ্ধে কমিশনে নালিশ বিজেপির

কলকাতাঃ ভবানীপুর উপনির্বাচন উপলক্ষে বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়ালের বিরুদ্ধে কোভিড বিধিভঙ্গের অভিযোগ করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। অভিযোগ পেয়ে, প্রিয়াঙ্কার জবাব চেয়ে চিঠি দেয় কমিশন। এবার পাল্টা 

ভবানীপুর উপনির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কোভিড বিধি ভাঙার অভিযোগে কমিশনকে চিঠি বিজেপির। প্রিয়াঙ্কার মুখ্য নির্বাচনী এজেন্ট সজল ঘোষ ভবানীপুরের রিটার্নিং অফিসারকে চিঠি পাঠিয়েছেন।


চিঠিতে সজল ঘোষ উল্লেখ করেছেন, গত ১৫ সেপ্টেম্বর ভবানীপুর গুরুদ্বারে গিয়ে কোভিড বিধিভঙ্গ করেছেন মমতা। কারণ হিসাবে বলেছেন, প্রচুর লোকজন নিয়ে গুরুদ্বারে ঢোকেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে মানা হয়নি শারীরিক দূরত্ববিধি। 

বিস্তারিত আসছে --


By-Election: নির্বাচনী বিধিভঙ্গ! বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা তিব্রেওয়ালকে চিঠি কমিশনের

কলকাতাঃ উপ নির্বাচনে ভবানীপুরের বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা তিব্রেওয়াল (Priyanka Tibrewal)। নির্বাচনী বিধিভঙ্গের অভিযোগে এই প্রার্থীকে চিঠি পাঠাল কমিশন। 

অভিযোগ, মনোনয়নপত্র জমা করার সময় প্রিয়াঙ্কা করোনাবিধি ভেঙেছেন। ভোট ঘোষণার সময় করোনাবিধি নিয়ে একটি গাইড লাইন দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। সেই নিয়ম বিজেপি প্রার্থী মানেননি। যদিও প্রিয়াঙ্কা তিব্রেওয়াল (Priyanka Tibrewal) তার বিরুদ্ধে উঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। 

বিস্তারিত আসছে --


By-Election: তথ্য গোপনের অভিযোগে মমতার মনোয়ন বাতিলের দাবি বিজেপির

 নন্দীগ্রামের পর ভবানীপুর। ফের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের  মনোনয়ন বাতিলের দাবিতে কমিশনে অভিযোগ জানাল বিজেপি। গেরুয়া শিবিরের দাবি, ভবানীপুর উপনির্বাচনে মনোনয়নের আগে তথ্য গোপন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বিরুদ্ধে থাকা ফৌজদারি মামলার বিষয়ে হলফনামায় কোনও তথ্য দেননি মমতা। সামনেই উপনির্বাচন। মঙ্গলবার ভবানীপুরের  তৃণমূল প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিলের দাবি তুলে কমিশনকে চিঠি দিয়েছেন বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়ালের  নির্বাচনী এজেন্ট সজল ঘোষ। অভিযোগপত্রে তিনি দাবি করেছেন, একাধিক থানায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও তিনি নির্বাচনী হলফনামায় তা প্রকাশ করেননি।

প্রসঙ্গত, ১৩ সেপ্টেম্বর অর্থাৎ গতকাল ছিল ভবানীপুর কেন্দ্রের মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন। তার অনেক আগে শুক্রবারই আলিপুর সার্ভে বিল্ডিংয়ে গিয়ে নিজের মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। মঙ্গলবার স্ক্রুটিনির সময় তাঁর মনোনয়ন পত্রে ত্রুটির অভিযোগ তুলেছে বিজেপি।

যদিও ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনের সময় মমতা যখন নন্দীগ্রাম  কেন্দ্রের প্রার্থী হলেন, তখনও একইভাবে তাঁর মনোনয়ন বাতিলের দাবি তুলেছিলেন বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। কিন্তু কমিশন সে অভিযোগে সায় দেয়নি । শুভেন্দু  দাবি করেছিলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে একটি সিবিআই মামলা ও অসমের ৫টি মামলা মিলিয়ে মোট ছ’টি মামলা আছে। পরে সিবিআই সূত্রে জানা যায়, শুভেন্দু যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মামলার কথা বলছেন, সেটা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী নন। অন্য মমতা। সেসময় বিজেপি নেতার অভিযোগ স্পষ্টতই খারিজ করে দেয় নির্বাচন কমিশন।