আজও বিতর্কে ২১ জুলাই

রাজ্যের পাশাপাশি এবার ভিনরাজ্যে একুশের শহিদ দিবস পালন করল তৃণমূল। পাল্টা ওই দিন শহিদ শ্রদ্ধাঞ্জলি দিবস পালন করল বিজেপি। কিন্তু আজও বিতর্কিত একুশে জুলাই। 

১৯৯৩ সাল। মহাকরণ অভিযানের ডাক দিয়েছিল যুব কংগ্রেস। তখন প্রদেশ যুব কংগ্রেসের সভাপতি ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তখনও তৃণমূল কংগ্রেস তৈরি হয়নি। সেই দিন পুলিসের গুলিতে যারা শহিদ হয়েছিলেন তারা সবাই কংগ্রেস কর্মী। যুব কংগ্রেস এর তরফ থেকে তারপর প্রতি বছরই পালন করা হয় শহিদ দিবস। 

১৯৯৮ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেস তৈরি করেন। তারপর থেকে কার্যত তৃণমূলের হাতেই চলে গিয়েছে শহিদ দিবস। তবুও প্রতি বছর যুব কংগ্রেস পালন করে শহিদ দিবস। এ বছরও তারা গঙ্গায় তর্পণ করে পালন করল শহিদ দিবস। অন্যদিকে বিজেপি পালন করল শহিদ শ্রদ্ধাঞ্জলি দিবস। ফলে প্রশ্ন উঠেছে ? ২১ শে জুলাই কার ?

এদিকে এবার ভিনরাজ্যে তৃণমূল একুশের শহিদ দিবস পালন নিয়ে শাসক দলকে কটাক্ষ বিজেপি নেতা তথা বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর। তিনি বলেন, বাইরের রাজ্যে তৃণমূলের শহিদ দিবস হল গরুর গাড়ির হেডলাইট।  উত্তরপ্রদেশ, আসাম, ত্রিপুরায় তৃণমূল ভোটে লড়েছে। সেখানে নোটার থেকেও কম ভোট পেয়েছে। 

রাজ্যে ২১শে জুলাই তৃণমূলের শহিদ দিবসের দিনই হেস্টিংসে বিজেপির কার্যালয়ে "গণতন্ত্র বাঁচাও, পশ্চিমবঙ্গ বাঁচাও" কর্মসূচি পালন করল বিজেপি। পাশাপাশি জেলায় জেলায় পালিত হয়  শহিদ শ্রদ্ধাঞ্জলি দিবস। 


শুভেন্দুর বাড়িতে সিআইডি

প্রাক্তন দেহরক্ষীর মৃত্যুর তদন্তে এবার কাঁথিতে শুভেন্দু অধিকারীর বাড়িতে সিআইডি।

বিস্তারিত আসছে

দিলিপের ছুটি

কলকাতা ছাড়লেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ। ফের দিল্লি উড়ে গেলেন তিনি।

আজ বুধার কলকাতা বিমানবন্দর থেকে সকাল ৬টার ফ্লাইটে দিল্লির উদ্দেশে উড়ে যান রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ। যাওয়ার আগে সংবাদমাধ্যমকে জানালেন, 'লম্বা ছুটি কাটাতে যাচ্ছি।' এই মন্তব্য কিসের  ইঙ্গিত দিচ্ছে,তা সময়ই বলবে।

বিস্তারিক আসছে —

নাটকীয় মঞ্চে ফের সৌমিত্র খাঁ

একের পর এক ফেসবুক পোস্ট নিয়ে সংবাদের শিরোনামে বিষ্ণুপুরের বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। এবার জল-দুধ নিয়ে হাজির তিনি। এর আগে ফেসবুকে পোস্ট করে বিজেপি যুব মোর্চার রাজ্য সভাপতি পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার ঘোষণা করেছিলেন সৌমিত্র। তারপর ২৪ ঘন্টা না কাটতেই ডিগবাজি। ফের জানালেন,তিনি পদত্যাগ করছেন না।

এবার ফেসবুকবাবু সোশ্যাল মিডিয়ায় জল-দুধ নিয়ে লিখেছেন, জল দুধের সাথে বন্ধুত্ব করল এবং নিজের স্বরূপ ত্যাগ করে দুধের সঙ্গে মিশে গেল। এই দেখে দুধ জলকে বলল, ‘তুমি যেভাবে শুধু বন্ধুত্বের কারণে নিজের স্বরূপ ত্যাগ করে আমার সাথে মিশে গেলে, আমিও আমাদের বন্ধুত্ব পালন করব, আজ থেকে তুমিও আমার দামেই বিক্রি হবে।



তাই দুধকে যখন ফোটানো হয়, তখন জল বলে, এবার আমার বন্ধুত্ব পালন করার পালা, তাই তোমার থেকে আগে আমি মৃত্যু বরণ করব! তাই জল আগেই শেষ হয়ে যায়! যখন দুধ তার বন্ধু জলকে এভাবে মৃত্যু বরণ করতে দেখে, তখন দুধ উথলে উঠে আগুনকে নেভানোর চেষ্টা করে, কিন্তু যখন কিছু জলের ফোঁটা ছিটিয়ে তার বন্ধুকে উথলানো দুধের সাথে মিলিয়ে দেওয়া হয়, তখন দুধ আবার শান্ত হয়ে যায়! কিন্তু ......এক ফোঁটা অম্ল সেই জল এবং দুধের নিবিড় বন্ধুত্বকে আলাদা করে দিতে পারে!

বুধবার মোদীর মন্ত্রীসভা সম্প্রসারণ আগে নিজের ফেসবুক পেজে সৌমিত্র লিখেছিলেন, "আজ থেকে আমি আমার ব্যক্তিগত কারণে যুব মোর্চার রাজ্য সভাপতির পদ থেকে অব্যাহতি নিলাম। বিজেপিতে ছিলাম, বিজেপিতে আছি, আগামী দিনে বিজেপিতে থাকব, ভারত মাতা কি জয়।"

তারপর ২৪ ঘন্টা না কাটতেই ডিগবাজি খেলেন সৌমিত্র । সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, তিনি পদত্যাগ করছেন না। দাবি করেছিলেন, কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের অনুরোধেই তাঁর সুরবদল। যদিও রাজ্য বিজেপি বলছে অন্য কথা। তাদের কথায়, ওঁকে কেউ চাপ দেয়নি। সৌমিত্র নিজেই চাপ দিতে চেয়েছিলেন। কাজ হবে না বুঝতে পেরে সিদ্ধান্ত বদলে ফেলেন।

মানুষের সাথে আছি , সৌমিত্র খাঁ

লাগাম ছাড়া কথা বলে অভস্থ্য বিজেপির সাংসদ সৌমিত্র খাঁ । কখনও তৃণমূলকে আক্রমণ কখনও নতুন রাজ্যের দাবি আবার কখনও শুভেন্দু থেকে দিলীপ ঘোষকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করেই চলেছেন । হঠাৎ দলের যুব সভাপতির পদ থেকে নিষ্কৃতি চাইছেন আবার পরেক্ষনেই বলছেন দলেই আছি ।

শুক্রবার এক এক্সক্লুসিভ সাক্ষৎকার দিলেন সি ইন ওয়েব পোর্টালকে । তিনি জানালেন, শুভেন্দুর কাজে সত্যি কি মানুষ বা বিজেপির সমর্থকরা খুশি ? দিলীপদা যা বলেছেন তা মেনে নিয়েছি কিন্তু আমি মানুষের সঙ্গে কাজ করি তাই মানুষ কি চাই তা জানি । অনেক সময়ে মনে হয় রাজনীতি ছেড়ে দি আর ভালো লাগছে না । প্রশ্ন করা হয়, তৃণমূলে ফিরছো কি ? এবারে আর উত্তর নয় , মুচকি হাসলেন দিলীপ ঘোষের 'জোকার' সৌমিত্র ।

কড়া হচ্ছেন দিলীপ ঘোষ

বিজেপির রাজ্য সভাপতি কি জানতেন না যে কেন্দ্রে কে কে মন্ত্রী হচ্ছেন ? ইদানিং সাংবাদিক বৈঠকে তারই প্রতিচ্ছবি পাচ্ছেন সাংবাদিককুল । তবে বাস্তবে বিজেপির যে কোনও সভাপতির দলে বা রাজ্যে যথেষ্ট গুরুত্ব থাকে তা বলাই বাহুল্য । নিশীথ প্রামানিক বা জন বার্লা মন্ত্রী হলেও তাঁরা যে ভাবে বাংলা ভাগ নিয়ে সরব হয়েছেন তা নিয়ে বিরক্ত রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ । জন মন্ত্রী হওয়ার পরেও সওয়াল করছেন বাংলা ভাগের । দিলীপবাবু এতেই ক্রূদ্ধ এবং ক্ষুব্দ ।

দিলীপ ঘোষ পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন, বাংলা ভাগ হবে না এবং এই নিয়ে বাড়াবাড়ি করলে কেন্দ্রকে জানানো হবে । বর্তমানের এই বিজেপি দলের মুখে লাগাম পড়ানোর কথা বলেছেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি । এবারের মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণের পর বৃহস্পতিবারই দলের নেতাদের মুখে লাগাম লাগানোর কথা বলেছেন মোদি । 

প্রচারের আলো নিচ্ছেন শুভেন্দু

বর্তমানেও বিজেপি রাজ্য দলের সভাপতি দিলীপ ঘোষ কিন্তু প্রচার মাধ্যমের সমস্ত আলো কেড়ে নিচ্ছেন কি শুভেন্দু অধিকারী ? এমনি প্রশ্ন আদি বিজেপি কর্মীদের । শুভেন্দু এখন বিধানসভার বিরোধী নেতা ।

প্রায়ই দিল্লি যাচ্ছেন । শোনা যাচ্ছে তাঁরই আবদারে মন্ত্রিসভায় স্থান পেয়েছেন নিশীথ প্রামানিক, যদিও বিজেপির পক্ষ থেকে জানানো হচ্ছে এসবই দিল্লি থেকে করা হয়েছে । এগুলোর সঙ্গে নব্য সংযোজন নিয়মিত সাংবাদিক বৈঠক করছেন শুভেন্দু । সেখানে শুধু বিধানসভা নয় দলেরও নানান কথা বলছেন তিনি যদিও বিজেপি দলের বিষয়ে বলবার অধিকার রাজ্য সভাপতির।

বিধানসভায় কি ভাবে দল কাজ করবে কি কি বিষয়ে আলোচনা হবে তাও নাকি একাই দেখছেন কাঁথির মেজো কর্তা । এতে শোনা যাচ্ছে দলের আদি নেতা কর্মীরা বেজায় ক্ষুব্দ । গতকাল দলের যুব সভাপতি সৌমিত্র খান কিন্তু সরাসরি শুভেন্দুর সমালোচনা করছেন । কিন্তু দিল্লি থেকে মোদি অমিত শায়ের হাত যাঁর মাথার উপর তাঁকে আটকাবে কে ?

আজ বিজেপির পুরসভা অভিযান ঘিরে অশান্তির আশঙ্কা

কলকাতাঃ ভুয়ো ভ্যাকসিনকাণ্ড নিয়ে সরব রাজ্য বিজেপি৷আজ সোমবার কলকাতা পুরসভা অভিযানের ডাক দিয়েছে গেরুয়া শিবির৷যদিও কলকাতা পুলিশ কোনও অনুমতি দেয়নি৷ গতকাল রবিবার সাংবাদিক বৈঠক করে দিলীপ ঘোষ জানিয়েছেন,পুলিশ অনুমতি না দিলেও সোমবার দল পুরসভা অভিযানে নামছে৷ রাজ্যের ভ্যাকসিন কেলেঙ্কারি নিয়ে  সাধারণ মানুষের স্বার্থে এই আন্দোলন৷ অন্যদিকে পুলিশও হুঁশিয়ারির সুরে বিজেপিকে চিঠি দিয়ে জানিয়ে দিয়েছে,জোর করে কর্মসূচি পালন করলে মহামারী আইনে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে৷ জানা গিয়েছে,আজ সোমবার দুপুরে সুবোধ মল্লিক স্কোয়ার থেকে কলকাতা পুরসভার উদ্দেশ্যে অভিযান শুরু হবে।সেখানে উপস্থিত থাকবেন বিজেপির রাজ্য নেতৃত্ব।

শুভেন্দুর গড়ে বিজেপিতে বড়সড় ভাঙন

নন্দীগ্রাম: শুভেন্দুর গড়ে বিজেপিতে ভাঙন! বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগদান। রবিবার নন্দীগ্রামের কয়েকশো বিজেপি নেতা-কর্মী তৃণমূলের  পতাকা হাতে তুলে নিলেন।  

স্থানীয় তৃণমূলের দাবি, গেরুয়া শিবিরের ওপর বীতশ্রদ্ধ হয়ে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিচ্ছেন। আর যারা তৃণমূলে যোগ দিচ্ছেন ,তারা বেশির ভাগই বিজেপির পুরানো কর্মী। যোগদান নিয়ে মুখে কুলুপ এটেছেন স্থানীয় বিজেপি।

শুধু বিজেপি নয়, নন্দীগ্রামের সিপিএম ও কংগ্রেস থেকেও অনেক নেতা কর্মী এ দিন শাসকদলে যোগ দেন বলে সূত্রের খবর। তবে রাজ্যের বিরোধী দলনেতার এলাকায় বিজেপিতে ভাঙন, চিন্তায় ফেলেছে পদ্মশিবিরকে।

উত্তরপ্রদেশে পঞ্চায়েত ভোটে বিজেপির জয়

লখনউঃ উত্তরপ্রদেশে পঞ্চায়েত ভোটে জয় পেল বিজেপি। রাজ্যের ৭৫টি জেলা পঞ্চায়েতের মধ্যে বিজেপির ঝুলিতে গিয়েছে ৬৭টি। অখিলেশ যাদবের দল সমাজবাদী পার্টি জয়ী হয়েছে মাত্র ৬টি আসনে৷ রাষ্ট্রীয় লোকদল, জনসত্তা দল ও নির্দল প্রার্থী ১ করে আসন জিতেছে।

প্রসঙ্গত, উত্তর প্রদেশের ৭৫টি জেলার মধ্যে ২২টি জেলা পঞ্চায়েত চেয়ারম্যান পদে কোনও প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়নি৷এর মধ্যে ২১টিতেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হন বিজেপি প্রার্থীরা৷ একটিতে জয়ী হয় সমাজবাদী পার্টি৷

এরপরই টুইটারে মোদী লেখেন,'উত্তরপ্রদেশ পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিরাট জয় বিজেপি। এটা উন্নয়ন, জন পরিষেবা ও সুশাসনের জন্য সাধারণ মানুষের আশীর্বাদ। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের নীতি ও দলের কর্মীদের নিরলস পরিশ্রমের জন্য এই কৃতিত্ব।'   
পাশাপাশি বিপুল এই জয়ের পর বিজয়ী প্রার্থীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ৷ আগামী বছর উত্তরপ্রদেশে বিধানসভা ভোট। তার আগে পঞ্চায়েত ভোটে জয়, স্বস্তি দিল গেরুয়া শিবিরকে।

বঙ্গ-বিজেপির সংগঠনকে ঢেলে সাজাতে চায় রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ

কলকাতাঃ সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা ভোটে আশানুরূপ ফল করতে পারেনি বিজেপি। তার জন্য এখন দায়ি করা হচ্ছে ভোটের আগে তৃণমূল থেকে গেরুয়া শিবিরে আসা নেতাদের একাংশকে। তাই এবার বঙ্গ বিজেপির সংগঠনকে ঢেলে সাজাতে চাইছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ তথা আরএসএস (RSS)।  

আরএসএস মনে করছে, পশ্চিমবঙ্গে দলের নেতৃত্ব এমন নেতাদের হাতে থাকা উচিত যাঁরা সঙ্ঘ থেকে এসেছেন বা সঙ্ঘ ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত। এই বিষয়টি ইতিমধ্যেই জানানো হয়েছে, বিজেপির জাতীয় সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) বি এল সন্তোষকে।

ভোট পরবর্তী সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, ১৪৮টি কেন্দ্রে তৃণমূল থেকে আসা নেতাদের বিজেপি প্রার্থী করা হয়েছিল। কিন্তু তাদের মধ্যে নাম মাত্র কয়েকজন ভোটে জিতেছেন। বাকিরা হেরে গিয়েছে।

তাছাড়া আরএসএস-এর মুখপত্র স্বস্তিকার প্রাক্তন সম্পাদক রন্তিদেব সেনগুপ্তের দাবি,"তৃণমূল পরিকল্পনা করেই করেই বিজেপিকে হারিয়েছে। সেটা বিজেপি বুঝতে পারেনি। তৃণমূল ভোটের আগে তাদের অনেক সক্রিয় কর্মীকে বিজেপিতে পাঠিয়ে দিয়েছিল। আর তাঁরা বিজেপিতে থেকেই বিজেপির ক্ষতি করেছে। আর তৃণমূলকে বিজেপির পরিকল্পনা সব জানিয়ে দিয়েছেন। "

ইস্তফা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী

দেহরাদুন: শুক্রবার রাতেই রাজ্যপালের হাতে পদত্যাগপত্র তুলে দিয়ে নিয়মমাফিক ইস্তফা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। বিধায়ক না হওয়ায় মুখ্যমন্ত্রী পদ ছাড়তে হল। নতুন মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন,সে দিকে এখন তাকিয়ে আছে গোটা দেশের রাজনৈতিক মহল।

মাত্র তিন মাস আগে উত্তরাখণ্ডের নতুন মুখ্যমন্ত্রী হন তীর্থ সিং রাওয়াত। নিয়ম অনুযায়ী, যে কোনও মন্ত্রীর পদে বসার জন্য বিধায়ক হওয়া প্রয়োজন। কিন্তু তীর্থ সিং রাওয়াত বিধায়ক নন। সূত্রের খবর, শুক্রবার রাত ১১ টা নাগাদ মন্ত্রিপরিষদের সহকর্মীদের নিয়ে রাজভবনে পৌঁছে রাজ্যপাল বেবী রানী মৌর্যকে পদত্যাগ হস্তান্তর করেন রাওয়াত।

পাশাপাশি তীর্থ সিং রাওয়াত পদত্যাগ পত্র পাঠিয়েছেন বিজেপির সর্ব ভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা-র কাছে। এরপরই নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে দলের অন্দরে আপাতত দুটি নাম উঠে। এরা হলেন সতপাল মহারাজ ও ধন সিং রাওয়াত। এমনটাই সূত্রের খবর।

এদিকে বিজেপি নেতা মনভীর সিং চৌহান দলীয় বৈঠকের ঘোষণা করেন। আজ, ৩ জুলাই উত্তরাখণ্ডে বিজেপির সদর দফতরে মদন কৌশিকের নেতৃত্বে দুপুর তিনটে নাগাদ একটি বৈঠক হবে। সেখানেই নতুন মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন, তা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।

রাজ্যে লোকাল ট্রেন চাইছে রাজ্য বিজেপি

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন , বাস চালু হলেও ভর্তি প্যাসেঞ্জের নেওয়া যাবে না এবং লোকাল ট্রেন একদমই এখন চলবে না | কারণ স্পষ্ট মুম্বাই সহ বিভিন্ন মেট্রো শহরে লোকাল ট্রেনের জনঘনত্বের কারণে করোনা প্রবল ভাবে বেড়ে গিয়েছিলো বিশেষ করে দ্বিতীয় ঢেউয়ের অন্যতম কারণ লোকাল ট্রেন কিন্তু ওই ট্রেন চালাতেই কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী পীযুষ গোয়েলকে পত্র দিয়ে অনুরোধ জানালো রাজ্য বিজেপি |
বিজেপির পক্ষ থেকে বিগত বিধানসভায় পরাজিত প্রার্থী এবং বর্তমানে রাজ্যসভার সদস্য স্বপন দাশগুপ্ত, পীযুষ গোয়েলকে এই চিঠি দেন | বিজেপির পক্ষ থেকে জয়প্রকাশ মজুমদার জানান, সরকার মর্জিমাফিক ব্যবস্থা নিচ্ছে, বাস চলছে অথচ ট্রেন বন্ধ | দিলীপ ঘোষ জানান, গরিব মানুষ লোকাল ট্রেনের উপর নির্ভরশীল অথচ সেটাই বন্ধ | তৃণমূলের পক্ষ থেকে বলা হয়, নিয়মিত পেট্রো সামগ্রীর মূল্যবৃদ্ধিতে নাভিশ্বাস সাধারণ যাত্রীদের, এই সময়ে স্বপনবাবু , দিলীপবাবুদের নীতিবোধ কোথায় থাকে? ট্রেন চালু করার পর ফের সংক্রমণ বৃদ্ধি হলে তার দায়িত্ব বিজেপি নেবে তো ?

শৃঙ্খলা রাখায় নজর বিজেপির

রাজ্য বিজেপির অভ্যন্তরে গোষ্ঠে দন্দ বিস্তর | কিছুদিন আগেও লাগাম ছাড়া মন্তব্য করেছেন দলের তাবড় নেতারা | সম্প্রতি তাদের কার্যকারিনী বৈঠকে এই নিয়ে শোরগোল হওয়ার কথা ছিল কিন্তু কেন্দ্রের চাপে সেই প্রসঙ্গ আর ওঠেনি বলে খবর | একসময় দিলীপ বা মুকুল পন্থী ইত্যাদি চালু কথা ছিল | বর্তমানে দিল্লির আশীর্বাদে শুভেন্দু অধিকারী অনেকটা ক্ষমতাবান | এবারে মাঠে নেমে রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ দলের রাশ হাতে নিলেন বলে সংবাদ |

শৃখলা রক্ষায় দিলীপবাবু বহিষ্কারের আদেশ দিলেন মালদহের সঞ্জিত মিশ্র এবং অন্য এক নেতা নিতাই মণ্ডলকে | এরা সাম্প্রতিক ভোটে দলবিরোধী কাজ করেছেন | সতর্ক করা হয়েছে হুগলির বিভিন্ন নেতাদের | বর্তমানে এই শৃঙ্খলা দেখতে তিন নেতাকে নিয়ে একটি কমিটি করা হয়েছে | কমিটিতে রয়েছেন সাংসদ সুভাষ সরকার, বিশ্বপ্রিয় রায়চৌধুরী এবং রথীন বসু | এরা তিন জনই প্রাক্তন সংঘ পরিবারের তথা দিলীপ ঘনিষ্ঠ বলে শোনা যায় |

বিজেপির কার্যকারিনী বৈঠক আজ

মঙ্গলবার হেস্টিংসে বিজেপির অফিসে রাজ্য বিজেপির কার্যকারিনী বৈঠক | উপস্থিত থাকছেন সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা | উপস্থিত থাকবেন দিলীপ ঘোষ সহ রাজ্য নেতারা | প্রথমে ঠিক ছিল আলোচনার মূল বিষয় থাকবে বিগত ভোটে পরাজয় কেন হলো | শোনা গিয়েছিলো অনেক নেতাই দলের স্ট্র্যাটেজি নিয়ে আলোচনা এবং প্রবল সমালোচনা করবেন |

এই বিষয় পুরাতন নেতারা ক্ষোভ উগরে দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল কিন্তু তাদের সেই ইচ্ছাতে জল ঢালা হয়েছে বলে সূত্র মারফত খবর | কেন ফল খারাপ হলো আলোচনা না থাকলেও পুরাতন বা নতুনদের সংঘাত আস্তে পারে বলে ধারণা | প্রাক্তন তৃণমূলী এবং দল বদলুদের অনেকেই উপস্থিত থাকবেন বলে শোনা গেলো |