সোমাবার থেকে বাংলাদেশে লকডাউন

করোনার সংক্রমণ রুখতে সোমবার থেকে ফের বাংলাদেশে কঠোর লকডাউন। চলবে আগামী সাতদিন। তারপর পরিস্থিতি বিবেচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে সরকার। লকডাউন কার্যকর করতে মাঠে নামবে সেনাবাহিনী। বিজ্ঞপ্তি জারি করে একথা জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। চলতি বছরের মার্চ মাসে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়েছিল বাংলাদেশে। তখন দেশে লকডাউন জারি হয়। কিন্তু লকডাউন তেমন সফল হয়নি। এতে  সমালোচনার মুখে পড়ে শেখ হাসিনার সরকার। তৃতীয় ঢেউয়ে করোনার ভারতীয় ধরণ ছড়িয়ে সীমান্তবর্তী জেলাগুলোয় ছড়িয়ে পড়েছে। তাই সরকার নতুন করে লকডাউনের কথা ঘোষণা করেছে সরকার। করোনা সংক্রমণ রুখতে সোমবার থেকে সারা দেশে কঠোর লকডাউন পালন করা হবে।

জরুরি পরিষেবা ছাড়া সব সরকারি-বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে। কঠোর লকডাউনের সময় জরুরি পণ্যবাহী গাড়ি ছাড়া অন্য সব যানবাহন বন্ধ থাকবে। তবে সংবাদমাধ্যমের গাড়ি লকডাউনের আওতার বাইরে থাকবে। জরুরি কারণ ছাড়া বাড়ির বাইরে বেরোনো যাবে না। বৃহস্পতিবার ভারত ও বাংলাদেশের জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে বাংলাদেশে ১৪ দিন লকডাউনের সুপারিশ করেছিল জাতীয় কারিগরি পরামর্শদাতা কমিটি। আগের লকডাউন সফলভাবে কার্যকর না-হলেও এবার সতর্ক সরকার। লকডাউন ভাঙলে তার বিরুদ্ধে কড়া আইনি পদক্ষেপ করা হবে। 

ফের লকডাউনের মেয়াদ বাড়ল বাংলাদেশ

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়তে বাংলাদেশে  ক্রমশ সংক্রমণ বাড়ছে। এদিকে লকডাউন হলেও কমছেনা সংক্রমণ। ফের বাংলাদেশ লকডাউনের মেয়াদ বাড়ানো হল । আগামী ১৬ জুন পর্যন্ত বাড়ল লকসাডাউন। বাংলাদেশে এর আগে ধাপে ধাপে লকডাউন থাকে সত্ত্বেও।সংক্রমণ যেন কোনওভাবেই পিছু ছাড়ছেনা। এদিকে গণপরিবহন,বাজার,দোকান সমস্ত কিছুর ক্ষেত্রেই  বিধিনিষেধ ছিল।কিন্তুএ তা সত্ত্বেও কমছেনা। বাংলাদেশের পরিস্থিতি  দিনে দিনে আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। বর্তমানে হাসপাতালে করোনা ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন ২৩২ জন। আইসিইউতে রয়েছেন ১৮ জন। এদিকে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বাংলাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা ১২ হাজার ৮৩৯ জনে পৌঁছেছে। দেশে এ পর্যন্ত করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮ লক্ষ ১০ হাজার ৯৯০ জন। সংক্রমণ না কমতেই তাই ফের লকডাউনের সিদ্ধান্ত।