শনিবার রাতে মাঝ সমুদ্রে রেভ পার্টি! আটক শাহরুখ-পুত্র আরিয়ান খান

শনিবার মাঝরাতে মাঝ সমুদ্রে চলছিল ‘রেভ পার্টি’। আর এই পার্টিতে নাম জড়িয়েছে শাহরুখ খানের ছেলে আরিয়ান খানের। ক্রুজে চলা রেভ পার্টিতে উপস্থিত ছিল সে। আর সেখান থেকেই তাঁকে নিয়ে আসা হয়েছে নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরোর অফিসে। মধ্যরাতে ফিল্মি কায়দায়  কায়দাতেই হানা দিয়েছিল এনসিবি। সূত্রের কাছে খবর ছিল রেভ পার্টি হওয়ার কথা আছে মাঝ সমুদ্রে। যাত্রী বেশে ক্রুজে চাপেন নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরোর কর্তারা। আর তারপরই পার্টি শুরু হতে গ্রেফতার করা হয় মোট ১০ জনকে। যার মধ্যে ছিলেন শাহরুখ পুত্র।

এনসিবি সূত্রে খবর, পার্টিতে যাঁরা শুধু মাদক সেবন করেছেন কিন্তু লেনদেন করেননি, এনডিপিএস কোর্টে শুধু তাঁদেরই তোলা হবে। ব্যবহৃত মাদকের পরিমাণ যদি কম হয়, জামিনও পেতে পারেন তাঁরা। কিন্তু সেই প্রমোদতরীর ঘর থেকে নেশা করার কাগজ উদ্ধার হয়েছে। যে পরিমাণ মাদক পাওয়া গিয়েছে, গ্রেফতার করার জন্য তা যথেষ্ট বলেই এনসিবিসূত্রে খবর। ইতিমধ্যেই মুম্বইয়ে এনসিবি-র দফতরের সামনে কড়া নিরাপত্তা। ৬ জন ব্যক্তিকে এই পার্টির উদ্যোক্তা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে তাঁদেরও। 

CBI: কয়লা কাণ্ডে প্রথম গ্রেফতারি সিবিআইয়ের

কয়লা কাণ্ডে প্রথম গ্রেপ্তারি সিবিআইয়ের। আসানসোল-বাঁকুড়া থেকে গ্রেপ্তার অনুপ মাজি ওরফে লালা ঘনিষ্ঠ চার ব্যবসায়ী।বেশ কয়েকমাস ধরেই কয়লা কাণ্ডের  তদন্তে নড়েচড়ে বসেছে সিবিআই। কলকাতা, বাঁকুড়া, আসানসোল-সহ বহু জায়গায় তল্লাশি চালান তদন্তকারীরা। কিছুদিন আগে কয়লা পাচারচক্রের মাথা অনুপ মাজি ওরফে লালার শ্বশুরবাড়িতে হানা দেন সিবিআই গোয়েন্দারা। সেখান থেকেই মেলে একাধিক সূত্র। সেই তথ্যের ভিত্তিতে ধৃত জয়দেব মণ্ডলের আসানসোলের বাড়িতে তল্লাশি চালান গোয়েন্দারা।

পুরুলিয়ার সাঁতুড়ি বলিতোড়ায় লালা ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী গুরুপদ মাজির বাড়ি ও অফিস সমেত চার জায়গায় হানা দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার আধিকারিকরা।জানা গিয়েছিল, এই দুই ব্যক্তিই কয়লা সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িত। বিশেষ করে, বাম আমলে কয়লা পাচারের গোটা সাম্রাজ্য ছিল জয়দেব মণ্ডলের হাতে।

তারপর বাম জমানা শেষ হয়ে যাওয়ায় কিছুইটা কোণঠাসা হয়ে পড়েন ওই ব্যবসায়ী। ২০১১ সালে কলকাতার নিউ মার্কেট এলাকা থেকে জয়দেবকে গ্রেপ্তার করে কলকাতা পুলিশের স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্স। তাঁর কাছ থেকে বেশ কিছু হাতিয়ারও বাজেয়াপ্ত করা হয়। তারপর জামিনে মুক্তি পেয়ে যান তিনি। এদিকে, পুরুলিয়ায় যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে গুরুপদ মাজির।


কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নারায়ণ রানেকে গ্রেফতার করল পুলিস

সকাল থেকেই রাণের গ্রেফতারি নিয়ে রাজনৈতিক পারদ চড়ছিল। শেষমেশ তাঁকে গ্রেফতার করল পুলিশ। রাণেকে সঙ্গমেশ্বর থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।বম্বে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হতে পারেন রাণে।নাসিকের পুলিশ কমিশনার দীপক পাণ্ডে জানিয়েছেন, পুলিশের একটি দল আগামী দু’ঘণ্টার মধ্যেই চিপলুন পৌঁছবে। রাণেকে তাঁদের হেফাজতে নিয়ে নাসিক পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য রত্নগিরির পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।গত সোমবার রায়গড়ে বিজেপির জন আশীর্বাদ যাত্রা ছিল। সেখানেই নারায়ণ রানে বলেন, মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে ১৫ আগস্টের ভাষণে স্বাধীনতার সালটাই ভুলে গিয়েছিলেন। সঙ্গে তিনি এও বলেন, যদি তিনি সেখানে উপস্থিত থাকবেন, তাহলে উদ্ধব ঠাকড়কে চড় মারতেন। কটাক্ষ করে তিনি আরও বলেন, এটা লজ্জার যে মুখ্যমন্ত্রী স্বাধীনতার সালটাই জানেন না।তিনি বক্তৃতার সময় স্বাধীনতার বছর জিজ্ঞাসা করতে পিছনের দিকে ঝুঁকেছিলেন। আর রানের এই বক্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই গত কয়েক ঘণ্টায় আরও উত্তাল হয়েছে মহারাষ্ট্র।মঙ্গলবার সকাল থেকে জায়গায় জায়গায় সংঘর্ষ বেঁধেছে শিব সেনা এবং বিজেপি কর্মীদের মধ্যে। অন্যদিকে, আবার শিব সেনার রত্নাগিরি-সিন্ধুদুর্গের সাংসদ বিনয়ক রাউত রান বলেছেন, নারায়ণ রানে মানসিকভাবে সুস্থ নন। মোদী মন্ত্রিসভায় স্থান পাওয়ার পরেই তিনি মানসিক ভারসাম্য হারিয়েছেন। ইতিমধ্যে মন্ত্রিসভা থেকে তাঁকে অপসারণের জন্য চিঠিও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠিও লিখেছেন শিবসেনা  সাংসদ। পরিস্থিতি যেদিকে গড়াচ্ছে, তাতে এই ঘটনার রেশ আরও বড় হতে পারেই বলে মত রাজনৈতিকদের।




৪৮ লক্ষ টাকা প্রতারণা, গ্রেফতার প্রাক্তন সিভিক ভলান্টিয়ার

কলকাতাঃ ৪৮ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার প্রাক্তন সিভিক ভলান্টিয়ার সুমন ভৌমিক। গ্রেফতার করল লালবাজারের প্রতারণা শাখার অফিসাররা। পুলিস সূত্রে খবর, ধৃত সুমন ভৌমিক বিধাননগর কমিশনারেটের প্রাক্তন সিভিক ভলান্টিয়ার। 

অভিযোগ, বিধাননগর কমিশনারেটের অ্যাডিশনাল ডিসি,কখনও কমিশনারেটের টেন্ডার বিভাগের এসআই পরিচয় দিত সুমন। কমিশনারেটের টেন্ডার পাইয়ে দেওয়ার নাম করে এক ঠিকাদারের কাছ থেকে ৪৮ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে সুমনসহ চারজন। 

আরও পড়ুনঃ বাইক চোর ধরতে থেফট ট্র‌্যাকিং ডিভাইস, কীভাবে জানুন

রাজদেও সিং নামে এক ঠিকাদার চলতি মাসেই চারুমার্কেট থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তার অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নামে পুলিস। তদন্তে নেমে পুলিস সুমন ভৌমিক নামে ওই যুবককে গ্রেফতার করে। ধৃতের কাছ থেকে দুটি মোবাইল, দুটি ল্যাপটপ এবং ব্যাংক অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত কিছু নথিপত্র বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। সুমনের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ১২০ বি, ৪২০, ৪১৯, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১ ধারায় মামলা রুজু হয়েছে।

Breaking: ফের বেআইনি ভ্যকসিন ক্যাম্পের হদিশ,ধৃত ১


কলকাতার পর এবার সোনারপুর। বেআইনি ভ্যকসিন ক্যাম্পের হদিশ। পুলিস একজনকে গ্রেফতার করেছে। জানা গিয়েছে,ধৃত ব্যক্তি স্বাস্থ্য দফতরের কর্মী। 

বিস্তারিত আসছে --

বিরাটিতে তৃণমূল কর্মী খুনে ধৃত ১

বিরাটিতে তৃণমূল কর্মী শুভ্রজিৎ দত্ত খুনের ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। ধৃতের নাম দিবাকর। সিসিটিভি ফুটেজের সূত্র ধরে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। প্রথমে পুলিশ তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে। জেরায় সে ভেঙ্গে পড়ে। তার কথা-বার্তায় অসঙ্গতি দেখা দিলে,পুলিশ দিবাকরকে গ্রেফতার করে। 

প্রসঙ্গত, একুশে জুলাইয়ের রাতেই খুন হন তৃণমূল কর্মী শুভ্রজিৎ দত্ত (৩৯)। ঘটনাটি ঘটেছে বিরাটির বণিক মোড়ে। 

স্থানীয় সূত্রে খবর, বুধবার সন্ধেয় বিরাটির বণিক মোড়ে দলীয় কার্যালয়েই ছিলেন শুভ্রজিৎ। রাত সাড়ে দশটা নাগাদ বাড়ি ফিরছিলেন তিনি। অভিযোগ, সেই সময় বাইকে চড়ে বেশ কয়েকজন দুস্কৃতি এসে হঠাত্ গুলি চালাতে থাকে শুভ্রজিৎকে লক্ষ্য করে। তার মাথায় গুলি লাগে। ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন শুভ্রজিৎ। 

গুলির শব্দ পেয়ে ছুটে আসেন স্থানীয়রা। শুভ্রজিৎকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে,চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করে। 


ISI কে তথ্য সরবরাহ, এবার গ্রেফতার এক ভারতীয় সেনা

ভারতীয় সেনার গোপন তথ্য পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের (ISI) হাতে তুলে দেওয়ার অভিযোগে এক সবজি বিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছিল পুলিস। ধৃতকে জেরা করে সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। সবজি বিক্রেতার সঙ্গে জড়িত এক ভারতীয় সেনা। তাকে এবার গ্রেফতার করল দিল্লি পুলিস।


সূত্রের খবর, পোখরানের সেনা আবাসে সবজি বিক্রেতাকে টাকার বিনিময়ে প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত গোপনীয় তথ্য সরবরাহ করেছিল এক সেনা। গোয়েন্দা সূত্রের খবর, এই ঘটনায় জড়িত রয়েছে পাকিস্তানের হাই কমিশনও।
বিস্তারিত আসছে —

রাজ্যপালের অভিনন্দন-বার্তা দেখিয়ে প্রতারণা, বর্ধমানে ধৃত ৮

বর্ধমানঃ রোড সেফটি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির এক ভিডিয়ো বার্তা এবং রাজ্যপালের শংসাপত্র দেখিয়ে প্রতারণা। সরকারি চাকরি দেওয়ার নাম করে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ। গ্রেফতার ৮।

পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে নগদ লক্ষাধিক টাকা, ৭টি মোবাইল, ১টি গাড়ি, ৩টি পেনড্রাইভ সহ বেশ কিছু রাবার স্ট্যাম্প ও শংসাপত্র। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে একটি গাড়ি।

তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, ওই প্রতারণা চক্রটি রোড সেফটি অর্গানাইজেশনের নামে অফিস খুলে প্রতারণা চালাচ্ছিল। জেরায় ধৃতরা জানিয়েছে,রাজ্যপাল তাদের সংস্থাকে Road Safety প্রশিক্ষণের শংসাপত্র দিয়েছিলেন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কল্যাণ সিংহরায় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন,'Future India Organisation নামের একটি সংস্থা খোলা হয়েছিল, যারা Road Safety প্রশিক্ষণ দিত। চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে কয়েক জনের কাছ  থেকে টাকা নেওয়া হয়েছিল। তাদেরকো ভারত মন্ত্রকের Ministry Of Road Transport and Highways-এ চাকরি দেওয়ার কথা ছিল। পুরো বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

অন্যদিকে গোটা বিষয়টিতে নাম জড়িয়েছে বিজেপির। অভিযোগ এই চক্রের সঙ্গে যোগ ছিল নিমতার বাসিন্দা তথা স্থানীয় বিজেপি নেতা দেব কুমার চাটার্জির। তিনি একাধিক ক্যাম্প করেছিলেন বলে পুলিশ জানতে পেরেছে । এ বিষয়ে ওই বিজেপি নেতা কে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় পুলিশ। যদিও বিষয়টি অস্বীকার করেছে গেরুয়া শিবির।

হোটেলে মধুচক্রের পর্দা ফাঁস করল পুলিশ, গ্রেফতার ৮



Sex Racket, Siliguri,arrest

শিলিগুড়িঃ রাত বাড়তেই শিলিগুড়ি শহরে বাড়ছে বহিরাগতদের আড্ডা। হোটেলে মদ্যপানের পর মহিলাদের নিয়ে চলে অসামাজিক কাজকর্ম। করোনাকালেও শিলিগুড়ি বিধান রোডের একটি হোটেলে রমরমিয়ে চলছিল মধুচক্র।



গোপন সূত্রের খবর পেয়ে ওই হোটেলে হানা দেয় শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিশের ডিডি হানা। হোটেলের মালিক এবং একজন কর্মী সহ হোটেল থেকে আরও ছয় জন গ্রাহককে আটক করা হয়। পাশাপাশি ওই হোটেল থেকে ৬ জন মহিলাকে পুলিশ উদ্ধার করে।



যদিও পুলিশের দাবি, প্রতি রাতেই শহরের বিভিন্ন বার, রেস্টুরেন্ট, হোটেলে পুলিশের অভিযান চলছে। বিশেষ করে হোটেলগুলিতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

ইংরেজিতে এমএ পাশ চোর

ছেলে চাকরি করবে। সে আশায় বাবা-মা ছেলেকে উচ্চ শিক্ষিত করেছিল। কিন্তু ছেলে চাকরি না করে, পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছে চুরিকে। ছেলের এই কান্ডে মা আত্মহত্য়া করেছে।

পুলিশ একটি চুরির কিনারা করতে গিয়ে চক্ষু চড়কগাছ। চোর বলে যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে,তারা সাধারণ চোর নয়। উচ্চ শিক্ষিত চোর। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে প্রায় দশ লক্ষাধিক টাকা মূল্যের সোনার গহনা।

চোরদের মূল পান্ডা সৌমাল্য চৌধুরী আসানসোলের বাসিন্দা। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সৌমাল্য চৌধুরী ইংরেজিতে এম এ পাস। ২০১৫ তে বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ পাশ করেছিল সে।  কিন্তু চুরি করাই তার নেশা।এটাকে পেশা হিসেবেই বেছে নেয় সে। তার বাবা সরকারি অফিসার ছিলেন।মা ছিলেন শিক্ষিকা।

সৌমাল্য বাড়ি ছেড়ে অন্য জায়গায় ঘাটি গেড়ে বসেছিল। সেখানে একটি চুরির চক্র গড়ে তোলে। তারপর থেকে আসানসোল হাওড়া হুগলী জেলায় কমপক্ষে কুড়িটি চুরির ঘটনায় সে যুক্ত।

শুভশ্রীর জামাইবাবুর ৭ দিনের পুলিশ হেফাজত

বধু নির্যাতন, প্রতারণা, বিশ্বাসভঙ্গ-সহ একাধিক অভিযোগে গ্রেফতার দেবশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়ের স্বামী অমিত ভাটিয়া। দেবশ্রী হলেন অভিনেত্রী শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়ের দিদি তথা  চিত্র পরিচালক-বিধায়ক রাজ চক্রবর্তীর শ্যালিকা।

শনিবার বারাসাত আদালতে অমিতকে তোলা হলে বিচারক সাতদিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেয়।এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য হয়েছে আগামী ২৬ জুন।

২০১৪ সাল থেকে এক অফিসে চাকরির সূত্রে পরিচয় হয় দেবশ্রী, অমিতের।২০২১ সালে অমিত প্রেম নিবেদন করেন দেবশ্রীকে। তারপর বৈবাহিক বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েই ঘরোয়া অনুষ্ঠান করে বিয়ে করেন তাঁরা। চলতি বছরের ২ এপ্রিল বিয়ে করেন দেবশ্রী, অমিত।

দেবশ্রী অভিযোগ , বিয়ের পর থেকেই অমিত ও তার মা দিপালী ভাটিয়া শারীরিক নির্যাতন শুরু করেন। পরিস্থিতি হাতের বাইরে যাওয়ায় তিনি মামলা করতে বাধ্য হন। দেবশ্রী বিবাহ-বিচ্ছেদের মামলাও দায়ের করেন।

গুণধর ছেলের কান্ড, পরিবারের ৪ জনকে খুন করে পুঁতে রেখেছিল ঘরে

মালদাঃ মা-বাবা-সহ পরিবারের ৪ জনকে নৃশংসভাবে খুন করে ঘরেই চার মাস পুঁতে রেখেছিল ছোট ছেলে। ইতিমধ্যেই গুণধর ছেলে আসিফ মহম্মদকে গ্রেফতার করেছে কালিয়াচক থানার পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে কালিয়াচকের পুরাতন ১৬ মাইল গ্রামে।

শনিবার ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতেই মাটি খুঁড়ে উদ্ধার করা হয়  চারজনের মৃতদেহ। ময়নাতদন্তের জন্য দেহগুলো মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

মালদার পুলিশ সুপার অলোক রাজোরিয়া জানান, 'কোল্ডড্রিঙ্কের মধ্যে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে পরিবারের চার সদস্যকে খাইয়েছিল আসিফ। এরপর তারা অচেতন হয়ে পড়ে। তারপর সুড়ঙ্গপথে জলের ট্যাঙ্কে ফেলে দেয় আসিফ। প্রত্যেকের মুখেই সেলোটেপ লাগানো ছিল। হাত-পাও বাঁধা ছিল বলে খবর। এমনকি ট্যাঙ্কের উপর মাটি ও বালি চাপা দেওয়া ছিল।  

 পুলিশের দাবি, ধৃত আসিফ মহম্মদ জেরায় জানিয়েছে, প্রায় ৪ মাস আগে মা-বাবা, বোন ও ঠাকুমাকে নৃশংসভাবে খুন করে গুদামঘরের জল ভর্তি চৌবাচ্চায় ফেলে দেয়। পরে চৌবাচ্চা থেকে চারজনের দেহ তুলে বাড়ি লাগোয়া গুদামঘরে পুঁতে রাখে। 

বিয়ের ২ মাসের মাথায় ছন্দপতন, প্রতারিত শুভশ্রীর দিদি!

বিয়ের দু'মাসের মাথায় ছন্দপতন সুখের সংসারে।বধু নির্যাতন, প্রতারণা, বিশ্বাসভঙ্গ-সহ একাধিক অভিযোগে গ্রেফতার দেবশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়ের দ্বিতীয় স্বামী অমিত ভাটিয়া। দেবশ্রী হলেন অভিনেত্রী শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়ের দিদি।

দেবশ্রীর অভিযোগের ভিত্তিতেই অমিতকে বাগুইআটির জ্যাংড়া থেকে গ্রেফতার করেছে টেকনো সিটি থানার পুলিশ। শনিবার বারাসাত আদালতে তোলা হবে অমিতকে। অমিতের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪৯৮এ, ৪০৬, ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১, ৩৭৭, ৫১১ এবং ১২০বি ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।

টেকনোসিটি থানায় দেবশ্রী অভিযোগ করেন , বিয়ের পর থেকেই অমিত ও তার মা দিপালী ভাটিয়া শারীরিক নির্যাতন শুরু করেন। পরিস্থিতি হাতের বাইরে যাওয়ায় তিনি মামলা করতে বাধ্য হন। দেবশ্রী বিবাহ-বিচ্ছেদের মামলাও দায়ের করেন।

২০১৪ সাল থেকে এক অফিসে চাকরির সূত্রে পরিচয় হয় দেবশ্রী, অমিতের।২০২১ সালে অমিত প্রেম নিবেদন করেন দেবশ্রীকে। তারপর বৈবাহিক বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েই ঘরোয়া অনুষ্ঠান করে বিয়ে করেন তাঁরা। চলতি বছরের ২ এপ্রিল বিয়ে করেন দেবশ্রী, অমিত।

গ্রেফতার দুই অভিনেত্রী

অভিনব কায়দায় কয়েক লক্ষ টাকা চুরির দায়ে গ্রেফতার দুই অভিনেত্রী। তাদেরকে গ্রেফতার করেছে মুম্বইয়ের অ্যারে থানার পুলিশ। করোনার জেরে বন্ধ রয়েছে শ্যুটিং। এরই মধ্যে জড়িয়ে পড়লেন অপরাধে। আর্থিক অনটনে এই চুরি কিনা,খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

ধৃত দুই অভিনেত্রী মুম্বইয়ের আরে কলোনিতে পেয়িং গেস্ট হিসাবে ছিল। যেই বাড়িতে ধৃতরা ছিল,সেখানে অপর এক পেয়িং গেস্ট ছিল। তার কাছ থেকে অভিনব কায়দায় নগদ ৩ লক্ষ ২৮ হাজার টাকা  চুরি করে চম্পট দেয় দুই অভিনেত্রী। কিন্তু অবশেষে পুলিশের হাতে ধরা পড়ে।

 লকার থেকে ৩ লক্ষ ২৮ হাজার টাকা চুরি যাওয়ার পর পুলিশে অভিযোগ জানান এক মহিলা। প্রথম থেকেই ওই দুই অভিনেত্রীর উপর সন্দেহ ছিল পুলিশের। তদন্তে নেমে পুলিশ ঘরের সিসিটিভির ফুটেজ হাতে পায়। সেখানে দেখা যায় ব্যাগ ভর্তি টাকা নিয়ে বাইরে বেরিয়ে যাচ্ছে। তারপরই দুই অভিনেত্রীকে  জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে পুলিশ। পুলিশি জেরায় অপরাধের কথা স্বীকার করে নেয় তারা। এমনটাই দাবি পুলিশের।

কলকাতায় এটিএম জালিয়াতি কাণ্ডে গ্রেফতার ভিনরাজ্যের বাসিন্দা

কলকাতাঃ শহর কলকাতার এটিএম থেকে কোটি কোটি টাকা উধাও হয়ে যাচ্ছিল। এই ঘটনায় তদন্তে নেমে হতবাক গোয়েন্দারা। এটিএম মেশিন অটুট,অথচ এটিএম যন্ত্রের ভিতর থেকে রহস্যজনকভাবে কয়েক কোটি টাকা উধাও।

কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ তদন্তে নেমে জানতে পারে, এই ঘটনার সঙ্গে ভিন রাজ্যের বাসিন্দার যোগ রয়েছে। তারপরই লালবাজার থেকে একটি দল সুরাট যায়। তল্লাশি চালিয়ে সেখান থেকে দুই জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ধৃতদের বাড়ি নয়াদিল্লির ফতেহপুর বেরি এলাকায়। তাদের ট্রানজিট রিমান্ডের জন্য ইতিমধ্যে আদালতেও তোলা হয়েছে। এছাড়া কলকাতা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে দু’জনকে। তাদের নাম বিশ্বদীপ রাউত এবং আবদুল সইফুল মণ্ডল।

উল্লেখ্য, গত মাসে কাশীপুর, নিউমার্কেট, যাদবপুর-সহ কয়েকটি এলাকায় ব্যাঙ্কের এটিএম থেকে টাকা গায়েবের ঘটনা ঘটে। তারপর তদন্তে নামে পুলিশ। অপরাধীদের ধরার পাশাপাশি গোয়েন্দারা গুরুত্ব দিয়েছিল, অটুট এটিএম থেকে কিভাবে টাকা গায়েব হচ্ছে ?

তদন্তকারীরা জানতে পারেন,  গোটা ঘটনার পিছনে ছিল উন্নততর প্রযুক্তি। একধরনের গ্যাজেটের সাহায্যেই এটিএম মেশিন না ভেঙেই  টাকা বের করে নিয়েছে জালিয়াতরা।