Bobby Hakim: মাস্ক মাস্ট জানালেন ববি

আসন্ন পুজো বা অন্যান্য উৎসবে মাস্ক মুখে রাখতেই হবে জানিয়েদিলেন কলকাতা পুরসভার মুখ্য প্রশাসক তথা মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম । আজ নিজের এলাকার সরকারি সাহায্যের কাজে নেমে এই সাবধান বার্তা দেন তিনি । ববি বলেন, লক্ষ করা গিয়েছে যখনই করোনার প্রভাব যখন একটু কমে তখনই অনেকেই মাস্ক খুলে ঘুরে বেড়ান এটা ঠিক কাজ নয় । তিনি স্মরণ করিয়ে দেন দ্বিতীয় ঢেউয়ে কি ভয়ঙ্কর অবস্থা হয়েছিল সারা ভারতে যেখানে বাদ  ছিল না বাংলা বা কলকাতা ।

ববি ঠিক কথাই বলেছেন বলে মন্তব্য কলকাতার প্রবীণ নাগরিকদের । ইতিমধ্যে কলকাতা পুলিশ জানিয়েছে, মাস্ক পড়া না থাকলে পুজোর বাজার করতে দেওয়া হবে না । সরকার যখন এতটাই কড়া হচ্ছে তখন বিভিন্ন বাজারে বা পাড়ার মোরে দেখা যাচ্ছে বহু মানুষ দিব্বি মাস্ক ছাড়াই ঘুরে বেড়াচ্ছে । অনেকেই বাসে উঠে মাস্কটিকে নাকের নিচে রাখছেন অথচ নাকমুখ ঢেকে রাখার কথা । প্রাথমিক ভাবে বেশিরভাগ মধ্যবিত্ত পরিবারে স্যানিটাইজার এবং এন্টিসেপ্টিক লোশন বাড়িতে রাখতো কিন্তু এখন বিভিন্ন ওষুধের দোকানী জানাচ্ছে বিক্রি আগের থেকে অনেকটাই কমে গিয়েছে । 


আফগানিস্তান থেকে ভারতীয় রাষ্ট্রদূতকে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে দেশে

এবার আফগানিস্তান থেকে ভারতীয় রাষ্ট্রদূতকে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে জানালেন, ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র। কাবুলে ভারতের দূতাবাস থেকে রাষ্ট্রদূত এবং অন্যান্য ভারতীয় কর্মীদের ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিল নয়াদিল্লি। কাবুলের বদলে যাওয়া পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছেন বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচী।

মেডিকেল ও ডেন্টাল কোর্সের সংরক্ষণ ঘোষণা কেন্দ্রের

বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়, সর্বভারতীয় কোটা কর্মসূচির আওতায় স্নাতক এবং স্নাতকোত্তরে সমস্ত মেডিকেল এবং ডেন্টাল কোর্সে এমবিবিএ,সমডিএম,এসডিপ্লোমাবিডি,এসএমডিএস অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির (ওবিসি) জন্য ২৭ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে। আর্থিকভাবে দুর্বল প্রার্থীদের জন্য আসন সংরক্ষণ করা হবে ১০ শতাংশ। যে নিয়ম ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষ থেকেই কার্যকর হবে। সেইসঙ্গে কেন্দ্রের দাবি, ‘সেই সিদ্ধান্তের ফলে প্রায় ৫,৫০০ পড়ুয়া এমবিবিএসে ১,৫০০ জন এবং স্নাতকোত্তরে ২,৫০০ জন ওবিসি পড়ুয়া, এমবিবিএসে ৫৫০ জন এবং স্নাতকোত্তরে ১,০০০ জন আর্থিকভাবে দুর্বল পড়ুয়া উপকৃত হবেন।

এদিকে পিছিয়ে পড়া শ্রেণির পড়ুয়া এবং আর্থিকভাবে দুর্বল প্রার্থীদের পর্যাপ্ত সংরক্ষণ দিতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ সরকার।’ঘোষণার পর টুইটারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, ‘সর্বভারতীয় কোটা কর্মসূচির আওতায় বর্তমান শিক্ষাবর্ষ থেকে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তরে সমস্ত মেডিকেল এবং ডেন্টাল কোর্সে ওবিসিদের ২৭ শতাংশ এবং আর্থিকভাবে দুর্বল প্রার্থীদের জন্য ১০ শতাংশ সংরক্ষণের যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে আমাদের সরকার, তা মাইলফলক হয়ে থাকবে। সেই সংরক্ষণের ফলে প্রত্যেক বছর আমাদের দেশের হাজার-হাজার ছেলেমেয়েরা অত্যন্ত উপকৃত হবেন। যা আমাদের সামাজিক ন্যায়ের ক্ষেত্রে নয়া দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।’

১৫০০ টি অক্সিজেন প্ল্যান্ট তৈরি, ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

করোনার তৃতীয় ধাক্কার ভয়াবহতা কমাতে দেশজুড়ে তৈরি হচ্ছে দেড় হাজার অক্সিজেন প্লান্ট। শুক্রবার অক্সিজেন সরবরাহ নিয়ে করা রিভিউ মিটিংয়ে এমনটাই দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এদিন প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন,  এই অক্সিজেন প্ল্যান্টগুলি একত্রিত হয়ে উঠলে দেশজুড়ে একসঙ্গে ৪ লাখ রোগীকে অক্সিজেন সরবরাহ করা সম্ভব হবে. আধিকারিকদের উদ্দেশে মোদির নির্দেশ, এই প্লান্টগুলি যাতে দ্রুত কার্যকর করা সম্ভব হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে।

করোনা দ্বিতীয় ঢেউয়ে  দেশজুড়ে অক্সিজেনের সংকট তৈরি হয়েছিল। একাধিক শহরে কমবেশি সমস্যায় পড়তে হয়েছে করোনা রোগীদের। বিশেষ করে দিল্লি এবং মহারাষ্ট্রে এই সমস্যা ছিল সবচেয়ে বেশি। তাই করোনার তৃতীয় ঢেউতে যাতে কোনোরকম সমস্যায় না পড়তে হয় তার আগেই প্রস্তুতি নিচ্ছে কেন্দ্র।






 

চিকিৎসক দিবসে ৫০ হাজার কোটি টাকার ঋণ প্রকল্পের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

করোনার বিরুদ্ধে প্রথম সারিতে দাঁড়িয়েই লড়াই করেছেন চিকিৎসাকর্মীরা। প্রথম এবং দ্বিতীয় ঢেউয়ে এজন্য প্রাণও হারিয়েছেন অনেকে। বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক চিকিৎসক দিবসে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে সেই চিকিৎসক এবং চিকিৎসাকর্মীদের শ্রদ্ধা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এছাড়া দেশের প্রত্যন্ত এলাকায় স্বাস্থ্য পরিষেবার উন্নতিতে ৫০ হাজার কোটি টাকার ঋণপ্রকল্পের ঘোষণাও করলেন তিনি।

এছাড়া শিশুদের স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর উন্নতিতে আরও ২২ হাজার কোটি টাকা প্রকল্পের কথা জানান মোদি। করোনা অতিমারিতে চিকিৎসাকর্মীরা পরিশ্রম করেছেন। এছাড়া অনেকে লড়াইয়ে প্রাণ হারিয়েছে। তাদেরকে এদিন শ্রদ্ধা  জানালেন প্রধানমন্ত্রী। এরপরই এই ৫০ হাজার কোটি টাকার বড়সড় ঋণ প্রকল্পের ঘোষণা করলেন।

অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে আর্থিক প্যাকেজের ঘোষণা কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর

এবার অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে আট দফা আর্থিক প্যাকেজের কথা ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। সোমবার বিকেলে সাংবাদিক বৈঠকে তিনি জানালেন, করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের কারণে ক্ষতিগ্রস্থ গরিব মানুষের পাশে দাঁড়াতে একাধিক কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সময়সীমা বাড়ানো হবে। করোনা পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত শিল্পক্ষেত্রগুলির জন্য ১ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকার ঋণ গ্যারান্টি যোজনার কথাও ঘোষণা করেছেন নির্মলা।

এই কর্মসূচিতে বার্ষিক ৭.৯৫ শতাংশ সুদে ১০০ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ পাবে শিল্পসংস্থাগুলি। গ্যারেন্টার হিসেবে থাকবে কেন্দ্র। সাধারণ ভাবে সুদের হার হয় ৯ থেকে ১০ শতাংশ। এছাড়া গত বছর প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ‘আত্মনির্ভর ভারত রোজগার যোজনা’র সময়সীমাও ২০২২ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। অতিমারি আবহে কর্মসং‌স্থান বাড়ানোর বিষয়টিতে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা সোমবার জানিয়েছেন নির্মলা। যদিও এদিন করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের  পশে দাঁড়াতেই এই বড়সড় সিদ্ধান্ত কেন্দ্রী অর্থমন্ত্রীর।