চুমু নিয়ে চমকে দেওয়া কিছু তথ্য!

আজ বিশ্ব চুম্বন দিবস। প্রতিবছর ৬ জুলাই এই দিনটি পালিত হয়। এটি সূচনা যুক্তরাজ্যে। ২০০০-এর দশকের গোড়ার দিকে এটি বিশ্বব্যাপী গৃহীত হয়। এছাড়া ১৩ ফেব্রুয়ারি, ভালোবাসা দিবসের সপ্তাহে পড়া আন্তর্জাতিক চুম্বন দিবস হিসাবেও চিহ্নিত করা হয়।



চুমু বা চুম্বন শুধুমাত্র প্রিয়জনের প্রতি ভালোবাসা বা প্রেম প্রকাশের একটা মাধ্যম। কিন্তু বর্তমানের বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দেখা যাচ্ছে যে চুমু খাওয়ার বেশ কয়েকটি স্বাস্থ্যকর উপকারিতা রয়েছে।

চুম্বন বা Kiss করার উপকারিতা

১. মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে :

আজকাল অনেক মানুষই কমবেশি মানসিক চাপের শিকার। করোনাকালে তা আরও বেড়েছে। আধুনিক গবেষণায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে যে , সামান্য একটা চুমু এই মানসিক চাপ , হাইপারটেনশন অনেকটাই কমিয়ে আনতে সক্ষম ।

২. আত্মবিশ্বাস বাড়ায় :

প্রিয়জনের দেওয়া চুমু অনেক ক্ষেত্রে আত্মবিশ্বাস বাড়াতে সাহায্য করে।

৩. উচ্চ-রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে :

চুম্বন হার্টরেট বাড়িয়ে দেয় , যা শরীরে রক্তপ্রবাহ বৃদ্ধি করে এবং তারফলে রক্তচাপ খুব দ্রুত কমে আসে।

৪. রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে :

চুম্বনের মাধ্যমে যে লালারস আদান-প্রদান হয় তাতে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেকাংশে বৃদ্ধি পায়। ২০১৪ সালে BioMed Central Ltd এর প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দেখা গেছে যে সমস্ত কাপলরা নিয়মিত Kiss  করে তাদের লালারস আদানপ্রদানের মাধ্যমে রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। তবে করোনাকালে দেখতে হবে, যে প্রিয় মানুষটিকে চুম্বন করছেন,তার মধ্যে করোনা উপসর্গ আছে কিনা।

৫. ব্যথা কমাতে সাহায্য করে :

অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি যে , চুমু দেহে এড্রিনালিন হরমোনের ক্ষরণ ঘটায় , যা দেহের ব্যথা কমাতে সাহায্য করে ।

৬. সম্পর্ক সুদৃঢ় করে :

Kiss করলে আমাদের শরীর Oxytocin হরমোন ক্ষরণ ঘটায় , যাকে “The Love Hormone” বলে । এর ফলে আমাদের মস্তিষ্কে এক ভালোবাসার অনুভূতি সৃষ্টি হয় এবং সম্পর্ক সুদৃঢ় হয় ।



তবে মনে রাখতে হবে,'Too much of anything is good for nothing' , খুব পছন্দের কোনো জিনিস বারবার করলে সেটার থেকে পাওয়া আনন্দ অনেকটাই কমে যায় , তাই বিশ্ব চুম্বন দিবসে লিমিট রেখে প্রিয়জনকে Kiss করুন ।