যুক্তিতে প্রার্থী তালিকায় বিলম্ব বিজেপির

শুক্রবারে তৃণমূল তাদের ২৯১ আসনের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে দিল | কিছুক্ষনের মধ্যে বাম চেয়ারম্যান কংগ্রেসকে পাশে বসিয়ে তাঁদের প্রার্থী তালিকার এক বড়ো অংশ প্রকাশ করলেন | কিন্তু দেশের বৃহত্তম দল এখনও প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করতে পারলো না | সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, বেশ কিছু কারণে নরেন্দ্র মোদির ব্রিগেড জনসভার পরইবেশ কিছু কারণে নরেন্দ্র মোদির ব্রিগেড জনসভার পরই তাঁরা প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করবে | কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে, প্রথম পর্ব ভোটের মনোনয়ন জমা দেবার শেষ তারিখ ৯ মার্চ, তবে এতো দেরি কেন ? সূত্র জানাচ্ছে এই বিলম্বের যুক্তি আছে | কিন্তু কি সেই যুক্তি? সোম, মঙ্গল, বুধবারে কলকাতায় রাজ্য নেতৃত্বের বৈঠকের পর তালিকা তৈরি করে দিলীপ ঘোষরা চলে যান দিল্লিতে | এরপর দফায় দফায় বৈঠক হয় | প্রথমে শিবপ্রকাশের বাড়িতে বৈঠক হয় পরে সর্ব ভারতীয় সভাপতি নাড্ডার বাড়িতে, যেখানে উপস্থিত ছিলেন  অমিত শাহ | এরপর বেশ কিছু আসন নিয়ে ভাবনা বদলানো হয় | পরিশেষে দীনদয়াল উপাধ্যায় মার্গে বৈঠক হয়, শোনা যায় প্রধানমন্ত্রী নিজে উপস্থিত ছিলেন |

এরপরও ধীরে চলো নীতি নিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব | তার অনেক যুক্তি আছে বলে শোনা গেলো | বিজেপি নেতৃত্ব দেখে নিতে চাইছে যে তৃণমূলের টিকিট না পেয়ে কে কে বিদ্রোহী হয়, তাদের নিয়ে ভাবনা| এছাড়া এখনই মোদির সভার আগে তালিকা বের হলে যারা বাদ পড়েছে তারা বিদ্রোহ করে সভায় নাও আসতে পারে | ফলে অনেক যুক্তি দেখি বিজেপি তার অন্দরে দলকে ব্রিগেডের সভায় চাঙ্গা রাখতে চাইছে |

কালই তৃণমূলের চুরান্ত তালিকা, বাদের খাতায় বহু বিধায়ক?

তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিটে জিতে আসা বহু বিধায়ককে এবার বাতিলের খাতায় পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে বলেই সূত্রের খবর। জানা গিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শুধু নন্দীগ্রাম থেকেই দাঁড়াবেন এবং তাঁর ফেলে আসা ভবানীপুর কেন্দ্রে দাঁড়াবেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। বাতিলের তালিকা বেশ বড় বলেই সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে। তৃণমূল সূত্রে জানা যাচ্ছে এই তালিকায় প্রথমেই যে নাম রয়েছে সেটি বেশ চমকপ্রদ। তিনি রাজ্যের অর্থ ও শিল্পমন্ত্রী অমিত মিত্র। তিনি স্বাস্থ্যের কারণে বাদ পরছেন কিনা সেটা জানা যায়নি। তবে তৃণমূল ক্ষমতায় এলে কে এই গুরুদায়িত্ব পাবেন তা নিয়ে জল্পনা বিস্তর। বাদের তালিকায় রয়েছেন মালা সাহা, সোনালী গুহ, শঙ্কর সিং, পরশ দত্ত, গৌরীশঙ্কর দত্ত (এক সময়ে মুকুল দত্তের ঘনিষ্ঠ), জটু লাহিড়ী, ব্রজমোহন বন্দ্যোপাধ্যায় ইত্যাদি। অপরদিকে বর্ষীয়ান বিধায়ক রবিরঞ্জন চট্টোপাধ্যায় আগেই জানিয়েছিলেন তিনি এবার রাজনীতি থেকে অবসর নেবেন। এ ছাড়াও বাদের তালিকায় আরও অনেক নাম রয়েছে বলেই তৃণমূল সূত্রে খবর। এছাড়া তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন অনেকে, ফলে সেখানেও নতুন মুখ দেখা যাবে।  

বাংলার রাজনৈতিক হিংসা নিয়ে কমিশনকে রিপোর্ট কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের, পরিস্

চলতি বছরের শুরুতে ১ থেকে ৭ জানুয়ারির মধ্যে রাজ্যে রাজনৈতিক হিংসার ২৩টি রিপোর্ট জমা পড়েছে। তাতে প্রাণহানির ঘটনা রয়েছে দুটি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের পেশ করা সর্বশেষ রিপোর্টে এই পরিসংখ্যানের উল্লেখ রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক হিংসা নিয়ে রাজ্যের সমস্ত বিরোধী দলই সরব হযেছেন বারবার। বঙ্গ বিজেপি এই নিয়ে ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশনে দরবার করেছে। বাংলায় রাজনৈতিক হিংসা নিয়ে রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়ও বহুবার সরব হয়েছেন। সবমিলিয়ে অভিযোগের তির শাসকদল তৃণমূলের দিকেই। 

এবার অমিত শাহর অধীনে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকও জাতীয় নির্বাচন কমিশনে পশ্চিমবঙ্গের বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দিল। সূত্রের খবর, তাতে বাংলায় পরিস্থিতি ভয়াবহ বলেই উল্লেখ করা হয়েছে। রাজ্যে ইতিমধ্যেই আদর্শ আচরণবিধি (Model code of Conduct) লাগু হয়েছে। ফলে প্রশাসন এখন জাতীয় নির্বাচন কমিশনের অধীনেই চলে গিয়েছে। অপরদিকে সমস্ত রাজনৈতিক দলকেই এই নির্দেশিকা মেনেই চলতে হবে। এই পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক হিংসা নিয়ে রিপোর্ট নির্বাচন কমিশনে জমা পড়ল।

 এমনিতেই বাংলায় সুষ্ঠ ও অবাধ ভোট করতে বধ্যপরিকর বলে জানিয়েছে কমিশন। তাই ভোট ঘোষণার আগেই রাজ্যে বেশ কয়েক কোম্পানি আধা সামরিক বাহিনী পাঠিয়ে দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। তাঁরা উত্তেজনাপ্রবণ এলাকায় টহলও শুরু করেছিল। এবারই নজিরবিহীনভাবে রাজ্যে দু’জন পুলিশ পর্যবেক্ষক পাঠাচ্ছে কমিশন। তাঁদের সর্বত্র অবাধ যাতায়াতের জন্য দুটি হেলিকপ্টারও চেয়ে রেখেছে কমিশন। ফলে ভোট সংক্রান্ত অপরাধ, অসদাচরণ, ভোটারদের উস্কানি, ঘুষ, হুমকি বা ভয় দেখানোর মতো দুর্নীতি যাতে না ঘটে তাও নিশ্চিত করতে চাইছে সুনীল আরোরার নেতৃত্বাধীন কমিশন।

সূত্রের খবর, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের দেওয়া রিপোর্টে বলা হয়েছে, ২০১৯ সালে লোকসভা ভোটের সময় পশ্চিমবঙ্গে মোট ৬৬৩টি রাজনৈতিক হিংসার ঘটনা ঘটেছে। আর তাতে প্রাণহানীর ঘটনা ঘটেছিল ৫৭টি। আবার ২০১৮ পঞ্চায়েত ভোটের সময় বাংলায় রাজনৈতিক হিংসায় প্রাণ গিয়েছিল ২৩ জনের। সূত্রের খবর, বাংলায় ভোট করানো নিয়ে যথেষ্ঠ চিন্তায় নির্বাচন কমিশন। তাই শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গেই ৮ দফায় ভোট করাচ্ছে তাঁরা। এমনকি প্রয়োজনে আরও কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠানো হবে বলেও জানিয়ে দিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন।



রাজ্যে ১১ মাস পর করোনায় মৃত্যুহীন সোমবার

দীর্ঘ ১১ মাস পর সোমবার পশ্চিমবঙ্গে করোনায় একজনেরও মৃত্যু হয়নি। রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের করোনা বুলেটিন থেকে এই সুখবর মিলল। সোমবার রাজ্যে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন মাত্র ১৯৮ জন। সবমিলিয়ে রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে আশায় বুক বাঁধছেন রাজ্যের স্বাস্থ্য কর্তা থেকে শুরু করে চিকিৎসক মহল। উল্লেখ্য, ২০২১ সালের শুরু থেকেই রাজ্যে করোনার প্রকোপ কমতে শুরু করেছিল। রোজই করোনায় আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা করছিল। মৃত্যুতেও লাগাম টানা গিয়েছিল। সোমবার সেটা শূন্যে এসে ঠেকলো। স্বাস্থ্য দফতরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী সোমবার ২১২ জন করোনামুক্ত হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। ভোটের মুখে এই পরিসংখ্যান যথেষ্টই আশাব্যঞ্জক বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

নির্বাচনী বিধিভঙ্গ, রাজ্যের 'চোখের আলো' প্রকল্প বন্ধ রাখতে বলল কমিশন

গত ৪ জানুয়ারি ভোট ঘোষণার কিছু আগে 'চোখের আলো' প্রকল্প ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোট ঘোষণা হওয়ার পরও এই প্রকল্পের আওতায় রাজ্যের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ক্যাম্প করে চলছিল চোখের চিকিৎসা। এবার নির্বাচন কমিশনের তরফে নির্দেশ এল চোখের আলো প্রকল্প বন্ধ করার। কমিশনের যুক্তি এই প্রকল্পে সাধারণ মানুষ প্রভাবিত হতে পারেন। তাই নির্বাচনী বিধি লঙ্ঘিত হওয়ায় রাজ্য সরকারকে ‘চোখের আলো’ প্রকল্প আপাতত বন্ধ রাখার নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন। ফলে নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই প্রকল্পের অধীনে চোখের চিকিৎসা, অস্ত্রোপচার ও চশমা প্রদান প্রক্রিয়া বন্ধ রাখতে হবে।  সূত্রের খবর, এই প্রকল্পে বিনামূল্যে চশমা ও অন্যান্য পরিষেবা প্রদানে আপত্তি রয়েছে নির্বাচন কমিশনের। অপরদিকে বিজেপির অভিযোগ, কেন্দ্রের অন্ধত্ব দূরীকরণ প্রকল্পটিই তৃণমূল সরকার 'চোখের আলো' নাম দিয়ে চালাচ্ছে।

পুরুলিয়ায় ভোটের আগে গোলমাল থামাতে ৩০টি ‘ফ্লাইং স্কোয়াড টিম’

আগামী ২৭ মার্চ পুরুলিয়ায় প্রথম দফার ভোট। তার আগে জেলা প্রশাসন এবং নির্বাচনী দফতেরর প্রস্তুতি চলছে জোরকদমে। সোমবার জিপিএস-যুক্ত ৩০টি বিশেষ গাড়ি পথে নামালো পুরুলিয়া জেলা প্রশাসন। মূলত ভোট পূর্ববর্তী সমস্যা এবং হিংসা বা গোলমালের অভিযোগ পেলেই যাতে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহন করে সমস্যার নিষ্পত্তি করার জন্যই এই ব্যবস্থা। গাড়িগুলির পোশাকি নাম ‘এফএসটি’ বা ‘ফ্লাইং স্কোয়াড টিম’। এই গাড়িগুলিতে জিপিএস (GPS) প্রযুক্তি লাগানো রয়েছে। ফলে জেলার কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষণ কক্ষ বা মনিটরিং সেন্টার থেকে গাড়িগুলির গতিবিধি জানা সম্ভব হবে। কোথাও কোনও গোলমাল বা হিংসার খবর পেলেই সেখানে ১০০ মিনিটের মধ্যে পৌঁছে যাবে এই ‘ফ্লাইং স্কোয়াড টিম’। এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারবে বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন।


রবিবার বিকেলে পুরুলিয়া জেলা প্রশাসনিক ভবনে জেলাশাসক তথা জেলা নির্বাচনী আধিকারিক অভিজিৎ মুখোপাধ্যায় এই গাড়িগুলির যাত্রা শুরু করেন। তিনি জানিয়েছেন, ভোটের দিন পর্যন্ত গাড়িগুলি পুরুলিয়া জেলার ৯টি বিধানসভা কেন্দ্রেক আনাচে কানাচে ঘুরবে। একেকটি গাড়িতে একজন ম্যাজিস্ট্রেট পর্যায়ের আধিকারিকের তত্ত্বাবধানে তিনজন আধিকারিক ও পুলিশকর্মী থাকবেন। জেলা নির্বাচনী আধিকারিক অভিজিৎ মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কোথাও আদর্শ আচরনবিধি লঙ্ঘন হলে সি-ভিজিল (c-VIGIL) অ্যাপের মাধ্যমে অভিযোগ করা যাবে। এছাড়াও আছে ১৯৫০ টোল ফ্রি নম্বর এবং জেলা নির্বাচনী সেলের আলাদা নম্বর। অভিযোগ আসার সঙ্গে সঙ্গেই সংশ্লিষ্ট বিধানসভায় থাকা ফ্লায়িং স্কোয়াড টিমকে জানিয়ে দেওয়া হবে। এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জেলার প্রত্যেকটি বিধানসভাতে কমপক্ষে তিনটি করে জিপিএসযুক্ত বিশেষ গাড়ি ঘুরবে।

দিল্লি গেল বিজেপির ১৩০ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা

রাজ্যে বিধানসভা ভোটের নির্ঘন্ট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। এরমধ্যেই সমস্ত রাজনৈতিক দলে প্রার্থী তালিকা তৈরি করা নিয়ে চুরান্ত প্রস্তুতি চলছে। রাজ্যের শাসক দল দিন কয়েকের মধ্যেই চুরান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। বঙ্গ বিজেপি সূত্রে খবর, প্রথম পর্যায়ে ১৩০ আসনে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হতে পারে। পরবর্তী পর্যায়ে বাকি ১৬৪ আসনের তালিকা জানানো হবে। আরও জানা যাচ্ছে, ইতিমধ্যেই ১৩০ আসনের জন্য একটি খসরা প্রার্থী তালিকা দিল্লিতে পাঠানো হয়েছে। একেকটি আসনের ক্ষেত্রে এক বা একাধিক নাম রয়েছে ওই তালিকায়। সেখান থেকেই দিল্লির নেতৃত্ব চুরান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।


বিজেপি সূত্রে খবর পাওয়া যাচ্ছে, পশ্চিমবঙ্গে আট দফায় ভোট হচ্ছে, তাই ভোটের দফার সঙ্গে সাযুজ্য রেখেই প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হবে। বিগত লোকসভা নির্বাচনেও এভাবে দফায় দফায় প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছিল বিজেপি। এবারও সম্ভবত তাই হতে চলেছে। আগেই বিধানসভা কেন্দ্র ধরে ধরে রাজ্যের শীর্ষ নেতৃত্ব এবং বিজেপির বিভিন্ন সাংগঠনিক জোনের নেতৃত্বের কাছে সম্ভাব্য প্রার্থীর নাম চাওয়া হয়েছিল। স্থানীয় স্তর থেকে আসা নামগুলি থেকে একটা খসরা তালিকা তৈরি করেছে রাজ্য নেতৃত্ব। সেটাই দিল্লিতে পাঠানো হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। ফলে একেকটি আসনে দুই বা তার বেশি নাম রয়েছে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে। বিজেপি সূত্রে খবর, দিল্লির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এই তালিকা যাচাই করতে প্রয়োজনে স্থানীয় নেতাদের সঙ্গেও কথা বলতে পারেন। এরপরই দেওয়া হবে চুরান্ত ছাড়পত্র। 

কয়লা পাচারকাণ্ডে শুক্রবার রাজ্যজুড়ে সর্ববৃহৎ তল্লাশি অভিযানে সিবিআই-ইডি

আজই বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘন্ট প্রকাশ করতে পারে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। এর প্রাক্কালে শুক্রবারই রাজ্যজুড়ে বড়সড় অভিযানে নামলো দুটি কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। যৌথভাবেই সিবিআই এবং এনফোর্সমেন্ট ডাইরেক্টরেট (ইডি) রাজ্যে এখনও পর্যন্ত সর্ববৃহৎ অভিযান শুরু করেছে। মোট ১৬টি দলে ভাগ হয়ে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে সিবিআই এবং ইডির আধিকারিকরা। তাঁদের নিরাপত্তায় মোতায়েন রয়েছে ৮০ জন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান। একযোগেই অভিযান চলছে কলকাতা, আসানসোল, বর্ধমান, দুর্গাপুরের কয়েকটি এলাকায়। 

জানা যাচ্ছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের নজরে দুর্গাপুরের একাধিক শপিং মল রয়েছে। মূলত কয়লা পাচারে মূল অভিযুক্ত অনুপ মাঝি ওরফে লালার ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীরা রয়েছেন তালিকায়। তেমনই ওই সমস্ত এলাকার কয়েকজন ব্যবসায়ীদের বাড়িতেও চলছে তল্লাশি অভিযান। সূত্রের খবর, তাৎপর্যপূর্ণভাবে গোটা অভিযানের নেতৃত্বে রয়েছেন দিল্লি থেকে আসা আধিকারিকরা। কলকাতার বড়বাজার, ধর্মতলা, চাঁদনি চক, এবং ফুলবাগানে কয়েকজন ব্যবসায়ীর বাড়িতে ইতিমধ্যেই পৌঁছে গিয়েছে সিবিআই ও ইডি-র তদন্তকারীরা।