Weather Update: পুজো শেষে ধেয়ে আসছে জোড়া নিম্নচাপ

 অষ্টমী-নবমী রাজ্যের বেশ কয়েকটি জেলায় বৃষ্টি হয়েছে। তবে দশমীতে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস নেই। আজ উমা বিদায়ের পালা। সকাল থেকেই মণ্ডপে মণ্ডপে চলছে বিদায়পর্বের শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, কলকাতায় আংশিক মেঘলা থাকবে আকাশ। দুপুরের পর বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এদিন সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৬ ডিগ্রির আশেপাশে। বাতাসে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ  থাকবে সর্বাধিক ৯৭ শতাংশ।

পুজোয় বৃষ্টি হওয়ার কথা থাকলেও শেষপর্যন্ত নিম্নচাপ যে সরে গেছে তা জানিয়ে দিয়েছিল আলিপুর হাওয়া অফিস। তবে হাওয়া অফিসের তরফে জানানো হয়েছে, আগামী  ১৭ ও ১৮ অক্টোবর ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টির দাপট চলতে পারে দক্ষিণবঙ্গে।

মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে।দক্ষিণবঙ্গে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার আগাম সতর্কবার্তাও জারি হয়েছে। বর্ষা বিদায় নিয়েছে দেশের অধিকাংশ এলাকা থেকে। তবে, বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগরে দু'টি নিম্নচাপ অক্ষরেখা রয়েছে। পুজো শেষ হলেই ফের বৃষ্টির আশঙ্কা তা স্পষ্টত বোঝাই যাচ্ছে। 


Weather Update: নিম্নচাপ সরে গেল!

পুজোর মধ্যেই যে বৃষ্টি হওয়ার সম্ভবনা তা আগেই জানিয়েছিলেন, আলিপুর হাওয়া অফিস। তবে যেটা যান গেছিল সপ্তমী পর্যন্ত আকাশ পরিষ্কার থাকবে। এদিকে  অষ্টমী থেকে দশমী পর্যন্ত চলবে বৃষ্টি। কিন্তু শেষমেষ শোনা যাচ্ছে নিম্নচাপ আর আসছেনা। তবে হালাক বৃষ্টি হতে পারে। পুজোতে নিশ্চিন্তে ঘোরা যাবে। যদিও বুধবার অর্থাৎ অষ্টমী থেকে দক্ষিণবঙ্গের উপকূলের জেলাতে বৃষ্টি শুরু হবে। কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, নদিয়া, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ দু-এক পশলা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

বাকি জেলাগুলিতে বৃষ্টির সম্ভাবনা কম। হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, নবমীতে দক্ষিণবঙ্গের উপকূল ও সংলগ্ন জেলাতে বৃষ্টি সামান্য বাড়বে। কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ কয়েক পশলা বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। বাকি জেলাগুলিতে আবহাওয়া মনোরমই থাকবে।

আজ কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ৩৫.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ৩ ডিগ্রি বেশি। দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ২৬.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস , যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশি। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার হার সর্বাধিক ৯৫ শতাংশ, ন্যূনতম ৫৬ শতাংশ।

Weather Update: ষষ্ঠীতে আকাশের মুখ ভার, আজ থেকেই কি আনন্দ মাটি!

আজ মহাষষ্ঠী। সকাল থেকেই মানুষজন বেরিয়ে পড়েছে পুজো দেখতে। তবে পুজোয় বৃষ্টি নিয়ে চিন্তায় আমজনতা। এদিকে অষ্টমী থেকে  দশমী রাজ্যে বৃষ্টি হতে পারে বলে আগেই পূর্বাভাস দিয়েছিল আবহাওয়া দফতর। সেই পূর্বাভাস অনুযায়ী ষষ্ঠী ও সপ্তমী আকাশ পরিষ্কার থাকার কথা। তবে এর আগে শনিবার চতুর্থীর দিন থেকেই বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি দেখা গিয়েছে দক্ষিণবঙ্গে। এদিকে আন্দামান সাগরের উপর তৈরি হওয়া ঘূর্ণাবর্ত আজই নিম্নচাপে পরিণত হয়ে ক্রমশ ওড়িশা ও অন্ধ্র উপকূলের কাছাকাছি আসবে।

এদিকে আন্দামান সাগরের উপর তৈরি হওয়া নিম্নচাপের সরাসরি প্রভাব আমাদের রাজ্যে না পড়লেও আগামী ১৩ তারিখ থেকে উপকূলীয় জেলাগুলোতে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বাড়বে। এবং নবমী ও দশমীতে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

এদিকে দেশের পশ্চিম প্রান্ত থেকে বর্ষা ইতিমধ্যেই বিদায় নিতে শুরু করেছে। এই নিম্নচাপের প্রভাব কেটে গেলেই রাজ্য থেকে বর্ষা বিদায় নেবে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।


Weather Update: পঞ্চমীতে বৃষ্টির আভাস!

আজ  মহাপঞ্চমী। কিন্তু সকাল থেকেই আকাশের মুখ ভার. অতিমারিতে মণ্ডপে ঢোকায় বাদ সেধেছে নিয়ন্ত্রণবিধি। কিন্তু বৃষ্টি কি বাড়ি থেকেও বার হতে দেবে না পুজোয়! পঞ্চমীর সকালে আশঙ্কার সেই মেঘেই যেন আকাশ কালো। কলকাতার বেশ কিছু অংশে তো বটেই দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় রবিবার সকাল থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে বৃষ্টি। আবহাওয়াবিদরা আগেই সতর্ক করে জানিয়েছিলেন, পঞ্চমীর সকালে বৃষ্টি হতে পারে। বিদায়ী বর্ষার উপকূলবর্তী পশ্চিমবঙ্গ থেকে সরার কোনও লক্ষণ নেই। ফলে কলকাতা ছাড়াও দুই ২৪ পরগনা, পূর্ব এবং পশ্চিম মেদিনীপুর, হাওড়া, হুগলি এবং নদিয়ায় হালকা থেকে মাঝারি বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হতে পারে।

রবিবার সকালে আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, পঞ্চমীর সারা দিনই দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে আকাশ মেঘলা থাকবে। বৃষ্টি হবে। এমনকি বেশ কিছু এলাকায় বৃষ্টির সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়াও বইতে পারে।মূলত বিদায়ী বর্ষার কারণেই বৃষ্টি। মহালয়াতে বর্ষা বিদায়ের প্রক্রিয়া শুরু হলেও তা এখনও শেষ না হওয়ায় পঞ্চমী পেরিয়ে ষষ্ঠী এবং সপ্তমীতেও এমন বৃষ্টি চলতে পারে বলে আশঙ্কা। সে ক্ষেত্রে উৎসবের কয়েকটা দিন ঘরবন্দি হয়ে কাটাতে হতে পারে।

অন্তত পঞ্চমীর সকাল তেমনই আভাস দিচ্ছে।ষ্টমী থেকে দশমী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। রবিবার থেকেই উত্তর আন্দামান সাগরে নিম্নচাপ তৈরি হওয়ার কথা। তার জেরেই দুর্গাপুজোর শেষ তিন দিন দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টি হতে পারে। অষ্টমী, নবমী ও দশমীতে কলকাতা, দুই পরগনা, দুই মেদিনীপুর, হাওড়া এবং হুগলিতে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হবে বলে জানিয়েছিলেন আবহবিদরা।

Weather- পুজোয় সুখবর,কলকাতায় বৃষ্টির সম্ভাবনা কম~জানাল আবহাওয়া দফতর

কলকাতাঃ পুজোয় সুখবর দিল আবহাওয়া দফতর। পুজোর মধ্যে শহরে বৃষ্টির সম্ভাবনা কম। কারণ উত্তর আন্দামান সাগরে যে নিম্নচাপ তৈরির সম্ভাবনা,সেটি ওডিশা ও অন্ধ্র উপকূলের দিকে সরে যাবে। 

যদিও এর আগে আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছিল, অষ্টমী থেকে দশমী পর্যন্ত টানা বৃষ্টি হতে পারে। তারফলে  মনখারাপ হয়ে গিয়েছিল উৎসবপ্রেমী বাঙালির। 

বিস্তারিত আসছে --


Weather Update: তৃতীয়াতে ফের বৃষ্টির ভ্রুকুটি, বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা

পুজোতে যে বৃষ্টিতে ভাসবে তা আর সন্দেহের অবকাশ নেই। নিম্নচাপ তৈরির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। যার জেরে অষ্টমী থেকে দশমী পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গে ফের বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। প্রাথমিকভাবে যদিও বলা হয়েছে পুজোর শুরুতে বৃষ্টির সম্ভাবনা কম। কিন্তু তৃতীয়াতেও বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হতে পারে বলে জানান হয়েছে। বাতাসে জলীয় বাষ্প বেশি থাকায় আর্দ্রতা জনিত অস্বস্তি থাকবে। এদিকে সাজ তৃতীয়া। হালাক বৃষ্টি হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে, জানিয়েছেন, আলিপুর হাওয়া অফিস। চতুর্থী থেকে সপ্তমী পরিষ্কার আকাশ থাকবে। বৃষ্টির সম্ভাবনা কমই রয়েছে।

তাপমাত্রা স্বাভাবিকের উপরে আর্দ্রতা জনিত অস্বস্তি কিছুটা থাকবে। বুধবার থেকে শুক্রবার অর্থাৎ অষ্টমী থেকে দশমী পর্যন্ত এমন আবহাওয়া থাকবে। কলকাতা, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব পশ্চিম মেদিনীপুর, হাওড়া, হুগলি এই সাত জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টিও হতে পারে। দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাতেও আংশিক মেঘলা আকাশ হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানান হয়েছে।

এদিকে আন্দামান সাগরে আগামী রবিবার ১০ অক্টোবর পঞ্চমীর দিন তৈরি হবে নিম্নচাপ। এটি ক্রমশ পশ্চিম ও উত্তর পশ্চিম দিকে এগিয়ে উত্তর ও দক্ষিণ ওড়িষ্যা উপকূলের দিকে যাবে। বুধ-বৃহস্পতিবার নাগাদ এটি উপকূলের কাছাকাছি চলে আসবে। সেই সময়ে বাংলা উড়িষ্যা ও অন্ধ্র উপকূলে বৃষ্টি বাড়বে।  

Weather Update: মহালয়ায় ফের বৃষ্টির ভ্রূকুটি!

বেশকয়েকদিন ধরেই টানা বৃষ্টি  চলছে শহরজুড়ে। যদিও আলিপুর হাওয়া অফিস জানিয়েছে বর্ষা বিদায়। কিন্তু আদতে কি তাই ? এখনই বৃষ্টির থেকে রেহাই নেই এমনই আভাস পাওয়া যাচ্ছে। দক্ষিণবঙ্গে আপাতত কয়েকদিন রোদ-ঝলমলে আবহাওয়া থাকলেও মাঝে মাঝে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এদিন আকাশ মেঘলাই থাকবে। রয়েছে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পূর্বাভাসও। মহালয়ের দিনে বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছেই। দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে বাড়ছে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি।


উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, দুই দিনাজপুর, মালদায় বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা বা মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা আছে। কলকাতা-সহ পার্শ্ববর্তী এলাকায় আকাশ আজ আংশিক মেঘলা থাকবে। দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ৩৩.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি বেশি।


দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ২৭.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ৯৫ শতাংশ, ন্যূনতম ৬৭ শতাংশ। আর মাত্র কয়েকটা দিন.তারপরই উৎসবে মেতে উঠবে সকলেই।কিন্তু এর মাঝেই কি বৃষ্টি ভাসতে পারে, প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

Weather Update: পুজোর আগে রাজ্যে ফের ভারী বৃষ্টি!

পুজোর একসপ্তাহ বাকি। তারমধ্যেই হাওয়া অফিস জানিয়েছে, বৃষ্টির সম্ভাবনা রাজ্যজুড়ে। এছাড়াও উত্তরবঙ্গে ভারী বৃষ্টি চলবে। এর ফলে ধসের আশঙ্কা রয়েছে  পাহাড়ে। বাড়বে নদীর জলস্তর, নিচু এলাকা প্লাবনের আশঙ্কা রয়েছে তাই। অন্যদিকে, দক্ষিণবঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। তবে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। এদিকে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে জলপাইগুড়ি, দার্জিলিং, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ারে।

যদিও টানা বৃষ্টিতে জলমগ্ন পরিস্থিতি কলকাতার একাধিক জায়গায়।কলকাতায় আজ আংশিক মেঘলা আকাশ থাকবে। বজ্রবিদ্যুৎ সহ দু-এক পশলা হালকা বৃষ্টির সামান্য সম্ভাবনা রয়েছে। জলীয় বাষ্প বেশি থাকায় আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি বাড়বে। আজ দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৬.৬ ডিগ্রী সেলসিয়াস। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৪.৩ ডিগ্রি। বাতাসে জলীয় বাষ্পের সর্বাধিক পরিমাণ ৯৩ শতাংশ। বৃষ্টি চলেই যাচ্ছে, তাতে পুজোতে কতটা ভাসাবে এখন সেটাই দেখার। 

Weather Update: রবিবাসরীয় দিনে ফের ভারী বৃষ্টির পূর্ভাবাস, পুজোর কেনাকাটায় ঘটতে পারে ব্যাঘা

সপ্তাখানেক টানা বৃষ্টির জেরে নাজেহাল অবস্থায় পরে মানুষ। এদিকে জলযন্ত্রণা তো ছিলই। তবে আলিপুর হাওয়া অফিস জানিয়েছেন, যে বর্ষা বিদায় নিয়েছে। তবে মাসের প্রথমে ফের হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, রবিবারের দিনে কলকাতায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা। সামনেই তো পুজো। হাতে বেশি সময় নেই.কেনাকাটা রয়েছে। তারমধ্যে আজ রবিবারের দিনে মানুষ কিন্তু সকাল থেকেই বেরিয়ে পড়বে। তবে বৃষ্টি হলে আজ মাটি হতে পারে কেনাকাটায়। হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, কয়েক ঘন্টার মধ্যেই কলকাতায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ ভারী বৃষ্টি হতে পারে।

যদিও কলকাতায় আংশিক মেঘলা আকাশ থাকবে। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ দু-এক পশলা হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে। তাপমাত্রা স্বাভাবিকের উপরে থাকবে। সকালে শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৭.৫ ডিগ্রি। শনিবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৪.৩ ডিগ্রি। বাতাসে জলীয় বাষ্পের সর্বোচ্চ পরিমাণ ৯৪ শতাংশ। কিন্তু পুজোর মধ্যেও  কি বৃষ্টি ভাসাবে, প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। 

Weather Update: কয়েক ঘন্টার মধ্যে ফের ভারী বৃষ্টির সতর্কতা

দিন-ভর চলছে বৃষ্টি। শনিবার সকালেই বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টিতে সতর্কতা জারি করল আলিপুর আবহাওয়া দফতর৷ আগামী কয়েন ঘণ্টার মধ্যে ঝেপে বৃষ্টি আসছে পূর্ব বর্ধমান জেলায়। তবে এদিন মালদা, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরেও বৃষ্টির সতর্কতা জারি হয়েছে৷ উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় যেমন দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ারে আজ ভারী বৃষ্টির কথা আগেই জানিয়েছিল হাওয়া অফিস৷ এছাড়াও বীরভূম, মুর্শিদাবাদেও ফের বৃষ্টি হতে পারে বলে খবর৷ দিকে, ডিভিসির ছাড়া জলে রাজ্যের একাধিক জায়গা প্লাবিত হয়েছে৷

প্রশাসন সূত্রে খবর, ১ লক্ষ্য ৩৫ হাজার কিউসেক জল ছাড়া হয়েছে। এছাড়াও, মাইথন থেকে ৮০ হাজার কিউসেক ও পাঞ্চেত থেকে ৩৫ হাজার কিউসেক জল ছাড়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। যদিও ডিভিসির সূত্রে জানানো হয়েছে, ঝাড়খণ্ডে ভারী বৃষ্টির কারণেই ছাড়া হয়েছে জল।  বৃষ্টি না হলে জল ছাড়ার পরিমান কমানো হতে পারে।

কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় আজ দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ৩৪.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ২৬.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বাধিক ৯৭ শতাংশ,  ন্যূনতম ৫৭ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টি হয়নি। 


Weather Update: অবশেষে পুজোর আগে বর্ষা বিদায়!

সামনেই তো উৎসব। তবে যেভাবে বৃষ্টি চলছে তাতে রেহাই পাচ্ছেনা মানুষ। নিম্নচাপের জেরে একটানা বৃষ্টি চললেও, শুক্রবার বৃষ্টি অনেকটাই কমবে এমনটাই জানান হয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তরফে৷ তবে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ কমলেও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, মালদা, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে। রাজ্যের একাধিক জায়গায় বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে যদিও। আজ সকাল থেকেই বেশ রোদ উঠেছে। এদিকে আবার উল্টো।এখন বৃষ্টি কমল তো দেদার গরম বাড়ছে। এযেন ঠান্ডা - গরমের লড়াই।

তবে এ যাত্রায় বর্ষা বিদায় নিয়েছে জানিয়েছে আলিপুর হাওয়া অফিস। আজ কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় আকাশ প্রধানত মেঘলাই থাকবে৷ ছিটেফোঁটা বৃষ্টিরও সম্ভাবনা রয়েছে। দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ৩২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ২৫.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বাধিক ৯৮ শতাংশ, ন্যূনতম ৭০ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টি হয়েছে ৪.৬ মিলিমিটার। আপাতত এখন আর দেখা মিলবেনা বৃষ্টির এমনটাই মনে করা হচ্ছে। 


Weather Update: ভোটের দিনেও কি বৃষ্টিতে ভাসবে বাংলা !

ভবানীপুরে উপনির্বাচনের পাশাপাশি মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুর এবং সামশেরগঞ্জে চলছে ভোটগ্রহণ। তবে কি ভোটের সকালেও বৃষ্টিতে ভাসবে গোটা বাংলা।  সেটাই এখন লাখ টাকার প্রশ্ন। তবে আশার বাণী শোনাল আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। যদিও মঙ্গলবার থেকেই নিম্নচাপ তৈরী হয়. বুধবার পর্যন্ত দিন-ভর বৃষ্টি চলেছে। হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, বর্তমানে নিম্নচাপটি ঝাড়খণ্ডের উপর অবস্থান করছে। তার ফলে কলকাতায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। তবে দিনভর আকাশ মেঘলা থাকবে। দু-এক পশলা হালকা বৃষ্টি হতে পারে। তবে পশ্চিমের জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টি হতে পারে।

পুরুলিয়া, বাঁকুড়া ও পশ্চিম বর্ধমানে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা। শুক্রবার থেকে উন্নতি হবে আবহাওয়ার। তবে উত্তরবঙ্গের আবহাওয়ার অবনতি হবে। বিভিন্ন জেলায় হতে পারে ভারী বৃষ্টি। তার ফলে পাহাড়ের বিভিন্ন এলাকায় ধস নামার আশঙ্কা করা হচ্ছে। বঙ্গোপসাগরের উপর তৈরি হওয়া ঘূর্ণাবর্ত শক্তি বাড়িয়ে নিম্নচাপে পরিণত হয়েছিল মঙ্গলবার সকালেই। তার প্রভাবে দিনভর আকাশ ছিল মেঘলা। দফায় দফায় বৃষ্টিও হয় কয়েক পশলা।

বুধবারও যে বৃষ্টি হবে, তা আগেই জানিয়েছিলেন হাওয়া অফিসের কর্তারা। কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, ঝাড়গ্রাম, পূ্র্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, দুই বর্ধমান ও বীরভূম জেলায় ঝোড়ো হাওয়াও বইতে দেখা যায়। কলকাতায় দুর্যোগ মোকাবিলার সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছিল কলকাতা পুরসভা।


Weather Update: শক্তিশালী হচ্ছে ঘূর্নাবাত,ভাসতে পারে আজ দক্ষিণবঙ্গ

গুলাবের প্রভাব এ রাজ্যে তেমন পড়েনি। কিন্তু গুলাবের পিছুপিছু মঙ্গলবার রাজ্যে হাজির হচ্ছে একটি ঘূর্ণাবর্ত। যার জেরে মঙ্গলবার থেকেই গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। ঘূর্ণাবর্তের জেরে বুধবারও কলকাতা-সহ বিভিন্ন জেলায় চলবে বৃষ্টি। এই বৃষ্টির জেরে জলমগ্ন হতে পারে কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকা। গত সপ্তাহের পর এ সপ্তাহে মহানগরী ফের হারাতে পারে তার স্বাভাবিক ছন্দ। সকাল থেকেই আকাশের মুখভার। তবে আজ সারাদিন মেঘলা আকাশ থাকবে। এছাড়া নিম্নচাপের যে ভারী বৃষ্টি হবে দক্ষিণবঙ্গে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, মঙ্গলবার দুই মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার বেশ কিছু জায়গায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে।

কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনাতেও হতে পারে ভারী বৃষ্টি। সঙ্গে দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টায় ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। পূর্ব মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় সেই হাওয়ার বেগ হতে পারে ঘণ্টায় ৪০-৫০ কিলোমিটার। বুধবারও দুই ২৪ পরগনা, কলকাতা, দুই মেদিনীপুর-সহ দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দুর্যোগের আশঙ্কায় মৎস্যজীবীদের আপাতত সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে।

গত সপ্তাহে প্রবল বৃষ্টিপাতের জেরে কলকাতা এবং শহরতলি ছাড়াও দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলা জলমগ্ন হয়েছিল। হাওয়া অফিস সতর্কবার্তা দিয়েছে, এই দফার প্রবল বৃষ্টিতে নদীতে জলস্তর বাড়তে পারে। সেই সতর্কবার্তা অনুযায়ী, ইতিমধ্যেই প্রস্তুতি নিয়েছে রাজ্য প্রশাসন। সোমবার মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী দুর্যোগ মোকাবিলায় বিভিন্ন দফতর, জেলাশাসক এবং কলকাতা পুরসভার কর্তাদের নিয়ে বৈঠক করেছেন। 


Weather Update: কয়েক ঘন্টায় দক্ষিণে ভারী বৃষ্টি, দুর্যোগের ভ্রুকুটি

 প্রবল বেগে অন্ধ্র ও ওড়িশা উপকূলে আছড়ে পড়েছে  ঘূর্ণিঝড় গুলাব । সরাসরি না হলেও পশ্চিমবঙ্গে এর পরোক্ষ প্রভাব পড়বে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, গুলাবের  ফলে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে  দুর্যোগের ভ্রুকুটি। বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা প্রবল।তিমধ্যেই সব রাজ্য সরকারি কর্মীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত। ঘূর্ণিঝড় "গুলাব"  ও জোড়া নিম্নচাপের জেরে রেড অ্যালার্ট জারি হয়েছে কলকাতা সহ দক্ষিনবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায়। গুলাবের জেরে দুর্যোগের আশঙ্কায়, কাঁচা বাড়িতে যারা থাকেন নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। প্রতিটি জেলা প্রশাসনকে। বুলবুল; আমফান বা ইয়াস-এর ক্ষেত্রে সঠিক প্ল্যান অনুযায়ী কাজ করায় ক্ষয়ক্ষতি অনেকটাই আটকানো গিয়েছে। এবার‌ও সেটাই করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সোমবার  হালকা ও মাঝারি দু-এক পশলা বৃষ্টি হবে দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায়। দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরে ভারী বৃষ্টি হবে মঙ্গলবার দক্ষিণবঙ্গে দফায় দফায় বৃষ্টি হবে। ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর জেলায়। ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগনা, পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, হাওড়া, হুগলি, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া ও পুরুলিয়াতে।

৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, কলকাতা, ঝাড়গ্রাম, হাওড়া, হুগলি, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে।বুধবার দু-এক পশলা বৃষ্টির পূর্বাভাস দক্ষিণবঙ্গে। বৃষ্টি চললেও বৃষ্টির পরিমাণ কমবে। পশ্চিম বর্ধমান, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া ও ঝাড়গ্রামে দু-এক পশলা ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস। উত্তরবঙ্গে আপাতত ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই।

Cyclone: ধেয়ে আসছে গুলাব, ভাসবে বাংলা

ইয়াসের পর ফের আরও এক ঘূর্ণিঝড় আসতে চলেছে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ওড়িশা-অন্ধ্রপ্রদেশ সীমানার কলিঙ্গপত্তনমে আছড়ে পড়বে ঘূ্ণিঝড়় 'গুলাব' ।  রবিবার বিকেল ৩টে থেকে ৫টার মধ্য়ে ল্যান্ডফলের আশঙ্কা। এর প্রভাবে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের জেলাগুলোতে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বেশি প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে কলকাতা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুরে। শহরের আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকবে। মাঝে মধ্য়ে কয়েক পশলা বৃষ্টিতে ভিজতে পারে মহানগর। ।

কলকাতার তাপমাত্রা ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ঘোরাফেরা করবে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৬.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের চেয়ে ১ ডিগ্রি বেশি। গতকাল সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের চেয়ে ১ ডিগ্রি কম। বাতাসে জলীয়বাষ্পের সর্বোচ্চ পরিমাণ ৯৭ শতাংশ।পূর্ব মেদিনীপুরে কয়েক পশলা ভারী বৃষ্টি। সঙ্গে ৪০ কিলোমিটার বেগে দমকা হওয়া বইবে। সাগরে ঘনীভূত ঘূর্ণাবর্ত নিম্নচাপের রূপ নিলেই সোমবার রাতে ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণ  শুরু হয়ে যাবে উপকূলবর্তী জেলায়।আর মঙ্গল ও বুধবার  বৃষ্টি চলতে পারে কলকাতা—সহ দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলোতেও। আর অনাগত সেই ঘূর্ণাবর্ত—নিম্নচাপের ধাক্কা সামলাতে প্রশাসনিকমহল ইতিমধ্যেই কোমর বেঁধে নেমেছে। নবান্নে খোলা হয়েছে কন্ট্রোলরুম।

রাজ্যে তার সরাসরি প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা কম। শুধু পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় ভারী বৃষ্টি হতে পারে। জারি হয়েছে হলুদ সর্তকতা। ঘূর্ণিঝড়ের এবারের নামকরণটি করেছে পাকিস্তান। এর অর্থ হল গোলাপফুল।হাওয়া অফিস জানিয়েছে, মঙ্গলবার থেকে বৃষ্টির সঙ্গে উপকূলের জেলাগুলিতে ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা থেকে সর্বোচ্চ ৭০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা এবং কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতে ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা থেকে সর্বোচ্চ ৫০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা গতিবেগে ঝোড়ো হাওয়া বইবে।