রাজ্যে ৪৮ ঘণ্টায় বৃষ্টির পূর্বাভাস

রাজ্যে ধীরে ধীরে প্রবেশ করছে শীত। ভোর-রাতে হালকা শীতের আমেজ কমবেশি সকলেই অনুভব করছেন। কিন্তু এর মাঝেই আলিপুর হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, আগামী ৪৮ ঘণ্টায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে রাজ্যের বেশ কয়েকটি এলাকায়। যা শীতের আমেজের মাঝে কিছুটা হলেও দুশ্চিন্তায় ফেলছে সাধারণ মানুষকে। কারণ এবার বর্ষার মরশুমে এমনিতেই বৃষ্টিতে বারবার বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। ব্যাহত হয়েছে দৈনন্দিন কাজকর্ম, নষ্ট হয়েছে বিঘার পর বিঘা সবজির ক্ষেত। এরকম একটা অবস্থায় শীতের আমেজ শুরু হওয়ায় মানুষ কিছুটা হলেও স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছিলেন। কিন্তু মালুম হচ্ছে, সেগুড়েও বোধহয় বালি।  

আলিপুর আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং পূর্ব-পশ্চিম মেদিনীপুরে আংশিক মেঘলা থাকবে আকাশ। কলকাতা, হাওড়া এবং ঝাড়গ্রামে বিকেলের দিকে হতে পারে হালকা বৃষ্টি। দার্জিলিং, কালিম্পংয়ের বেশ কিছু জায়গায় বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে মালদহ ও দুই দিনাজপুরে শুষ্ক থাকবে আবহাওয়া। এরই মাঝে কিছুটা স্বস্তি পশ্চিমের জেলাগুলিতে। সেখানে শীত অনুভূত হবে, এমনটাই মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা।  

নিম্নচাপের জেরে একাধিকবার রাজ্যে বৃষ্টি হয়েছে।  জলমগ্ন পরিস্থিতি হয়েছে গোটা রাজ্যে। তবে পুজোতেও বৃষ্টির সম্ভাবনা ছিল। কিন্তু বৃষ্টির হাত থেকে সেই সময়ের জন্য নিস্তার পেয়েছিল আমজনতা। কিন্তু পুজো কাটতেই ফের বৃষ্টি শুরু হয়েছিল বঙ্গে। তবে শেষ পর্যন্ত বর্ষা যে বিদায় নিয়েছে, তা হাওয়া অফিস আগেই জানিয়ে দিয়েছে সরকারিভাবে। কিন্তু বর্ষা বিদায় নিলে কী হবে, বৃষ্টি যেন কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না। শীত পড়ার মুখেও বৃষ্টির ভ্রুকুটি। 

আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে একটি ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে। এই ঘূর্ণাবর্ত আগামী ৪৮ ঘণ্টায় নিম্নচাপে পরিণত হয়ে পশ্চিম দিকে এগোবে। আরও একটি ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে কেরল উপকূলে। সব মিলিয়ে নিম্নচাপ-ঘূর্ণাবর্তের রেশ যেন কাটতেই চাইছে না।  

অন্যদিকে, দক্ষিণ ভারতের রাজ্যগুলিতে এবার ঢুকতে শুরু করবে উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ু। এর প্রভাবে বৃষ্টি শুরু হবে অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলেঙ্গানা, তামিলনাড়ু-সহ দক্ষিণ ভারতের রাজ্যগুলিতে। তবে বর্ষার বিদায়পর্ব শুরু হতেই  উত্তর-পশ্চিম ভারতে আসতে শুরু করেছে একের পর এক পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে জম্মু-কাশ্মীর, লাদাখ ও হিমাচল প্রদেশের কিছু অংশে তুষারপাতের সম্ভাবনা। বৃষ্টি হবে জম্মু-কাশ্মীর, লাদাখ, পাঞ্জাব, হিমাচল প্রদেশ সহ উত্তর-পশ্চিম ভারতের রাজ্যগুলিতে। পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ও ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে রাজস্থান, হরিয়ানা, চণ্ডীগড়, দিল্লিতেও বৃষ্টির সম্ভাবনা। 


বর্ষা বিদায়ের পরও বৃষ্টির পূর্বাভাস

সোমবার থেকেই রাজ্যে শীতের আমেজ শুরু হয়ে গিয়েছে। রাত এবং সকালের দিকে হালকা শীত শীত ভাব অনুভূত হচ্ছে। এদিকে শুরু হয়ে গিয়েছে কুয়াশা পড়াও।  আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আপাতত রাতে ও সকালের দিকে হালকা শীতের আমেজ বজায় থাকবে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে শীতের আমেজ বেশি অনুভূত হবে। 

তবে বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে। উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, নদিয়া এবং পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা। কলকাতায় আংশিক মেঘলা আকাশ। আলিপুর আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, বৃষ্টি হলেও তা খুব জোরালো হবে না। দু-এক পশলা ছিটেফোঁটা বৃষ্টি হতে পারে। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে হালকা বৃষ্টি চলবে। দার্জিলিং, কালিম্পংয়ের দু-এক জায়গায় বিক্ষিপ্তভাবে খুবই হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা। 

রবিবার আলিপুর হাওয়া অফিসের তরফে জানানো হয়েছিল, বঙ্গে বর্ষা বিদায় নিয়েছে। রাজ্যে এরপর প্রবেশ করবে শীত। তবে এখন উলোট-পুরাণ শুরু হয়েছে। ফের কতদিন এরকম চলে, সেটাই দেখার। কারণ এখনই ছাড়ছে না বৃষ্টি। মূলত ঘূর্ণাবর্তের জেরেই বৃষ্টি চলবে। এবছর তবে কি বৃষ্টিতেই কাটাতে হবে, প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।   

তবে রাতের তাপমাত্রা কমবে। সোমবার সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৩.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রবিবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩১.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে জলীয় বাষ্পের সর্বোচ্চ পরিমাণ ছিল ৯৮ শতাংশ। বৃষ্টি হয়েছে ১.৮ মিলিমিটার। যদিও এবছর টানা বৃষ্টিতে নাস্তানাবুদ হয়ে পড়েছিল মানুষ। চারদিকে একেবারে জলযন্ত্রণা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। পুজোতে বৃষ্টির সম্ভাবনা ছিল। কিন্তু তা আর হয়নি। এটাই যা রক্ষে।  

তবে বর্ষা বিদায়পর্ব শুরু হতেই  উত্তর পশ্চিম ভারতে আসতে শুরু করেছে একের পর এক পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে জম্মু-কাশ্মীর, লাদাখ ও হিমাচল প্রদেশের কিছু অংশে তুষারপাতের সম্ভাবনা। বৃষ্টি হবে জম্মু ও কাশ্মীর, লাদাখ, পাঞ্জাব, হিমাচলপ্রদেশ-সহ উত্তর পশ্চিম ভারতের রাজ্যগুলিতে।


বর্ষার বিদায়, শীতের প্রতীক্ষা

নিম্নচাপ শেষমেশ বিদায় নিয়েছে। টানা কয়েকদিনের বৃষ্টির পর শেষ পর্যন্ত বঙ্গে বিদায় নিয়েছে বর্ষাও। এবার শীতের প্রতীক্ষা। আপাতত রাজ্যজুড়ে হালকা শীতের আমেজ থাকবে, এমনটাই জানিয়েছে আলিপুর হাওয়া অফিস। 

যদিও এবছর যেন কোনওমতেই ছাড়ছিল না বৃষ্টি। পুজোর আগে থেকেই দেদার নিম্নচাপ এসে হাজির। দক্ষিণবঙ্গ থেকে শুরু করে উত্তরবঙ্গ ভেসেছে প্রবল বৃষ্টিতে। এদিকে শহরজুড়েও ছিল জলমগ্ন পরিস্থিতি। পুজোতেও সম্ভাবনা ছিল বৃষ্টির। কিন্তু বৃষ্টি পুরোপুরি ভাসতে দেয়নি পুজোকে। তবে উৎসব মিটতেই ফের রাজ্যে নিম্নচাপের দাপট শুরু হয়। । 

আলিপুর আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, সব জল্পনার অবসান। এবার শীতের আমেজ শুরু হবে রাজ্যে। সকালে হালকা কুয়াশা থাকবে। তবে বেলা বাড়লে আকাশ পরিষ্কার হয়ে যাবে। উঠবে রোদও। সব মিলিয়ে এই মুহূর্তে আবহাওয়া আরামদায়ক থাকবে বলেই জানানো হয়েছে। 

অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গেও কাটতে চলেছে বিপর্যয়। ২৫ অক্টোবর সোমবার সকাল পর্যন্ত উত্তরবঙ্গে আপাতত ভারী বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই বলেই জানানো হয়েছে। 

প্রাক শীতের মুহূর্তে কয়েকদিন তাপমাত্রা কিছুটা বাড়লেও এরপর ধীরে ধীরে রাতের তাপমাত্রা কমতে শুরু করবে। দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে রাত ও ভোরের দিকে আবহাওয়া শুষ্ক থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টা এমনই আবহাওয়া থাকবে।

আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী রবিবার কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকাক কথা ৩২.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি বেশি৷ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকার কথা ২৪.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস৷ বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ থাকার কথা সর্বাধিক ৯৭ শতাংশ, ন্যূনতম ৪৯ শতাংশ। এদিকে শুক্রবার সকালে শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৩.৫ ডিগ্রি।  সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৩.৩ ডিগ্রি। বাতাসে জলীয়বাষ্পের সর্বোচ্চ পরিমাণ ৯৬ শতাংশ।

তবে ঘনঘন নাছোড় বৃষ্টিতে নাজেহাল রাজ্যবাসী এখন অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন শীতের জন্য। বাতাসের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কত দ্রুত নামে, কতটা তাড়াতাড়ি জাঁকিয়ে শীত পড়ে, সেটাই এখন দেখার। 


Weather Update: সপ্তাহের প্রথমদিনে দিন -ভর ভারী বর্ষণ

সোমবার কলকাতায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার গতিবেগে ঝড় বইবে। প্রবল বর্ষণে নিচু জায়গাগুলিতে জল জমতে পারে। ফলে ফের ভোগান্তির আশঙ্কায় শহরবাসী। কলকাতা ছাড়া উপকূলবর্তী পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং হাওড়া ও হুগলিতে ভারী বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস। যদিও পুজোতে নিম্নচাপের আশঙ্কা ছিল.কিন্তু বৃষ্টি হয়নি সেভাবে।

তবে পুজো মিটতে ফের ভারী বর্ষণ শুরু। এদিকে আলিপুর সূত্রে খবর, বঙ্গোপসাগরে জোড়া নিম্নচাপের জের বৃষ্টি হবে দফায় দফায় জেলাগুলিতে।আগামী কয়েক দিনও বৃষ্টির হাত থেকে রেহাই নেই। হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, বঙ্গোপসাগরে ঘনীভূত নিম্নচাপের জেরে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ভারী বৃষ্টি হতে পারে। ১৮ অক্টোবর থেকে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত ভারী বৃষ্টির সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে উত্তরবঙ্গেও। 

Weather Update: পুজো শেষে ধেয়ে আসছে জোড়া নিম্নচাপ

 অষ্টমী-নবমী রাজ্যের বেশ কয়েকটি জেলায় বৃষ্টি হয়েছে। তবে দশমীতে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস নেই। আজ উমা বিদায়ের পালা। সকাল থেকেই মণ্ডপে মণ্ডপে চলছে বিদায়পর্বের শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, কলকাতায় আংশিক মেঘলা থাকবে আকাশ। দুপুরের পর বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এদিন সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৬ ডিগ্রির আশেপাশে। বাতাসে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ  থাকবে সর্বাধিক ৯৭ শতাংশ।

পুজোয় বৃষ্টি হওয়ার কথা থাকলেও শেষপর্যন্ত নিম্নচাপ যে সরে গেছে তা জানিয়ে দিয়েছিল আলিপুর হাওয়া অফিস। তবে হাওয়া অফিসের তরফে জানানো হয়েছে, আগামী  ১৭ ও ১৮ অক্টোবর ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টির দাপট চলতে পারে দক্ষিণবঙ্গে।

মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে।দক্ষিণবঙ্গে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার আগাম সতর্কবার্তাও জারি হয়েছে। বর্ষা বিদায় নিয়েছে দেশের অধিকাংশ এলাকা থেকে। তবে, বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগরে দু'টি নিম্নচাপ অক্ষরেখা রয়েছে। পুজো শেষ হলেই ফের বৃষ্টির আশঙ্কা তা স্পষ্টত বোঝাই যাচ্ছে। 


Weather Update: নিম্নচাপ সরে গেল!

পুজোর মধ্যেই যে বৃষ্টি হওয়ার সম্ভবনা তা আগেই জানিয়েছিলেন, আলিপুর হাওয়া অফিস। তবে যেটা যান গেছিল সপ্তমী পর্যন্ত আকাশ পরিষ্কার থাকবে। এদিকে  অষ্টমী থেকে দশমী পর্যন্ত চলবে বৃষ্টি। কিন্তু শেষমেষ শোনা যাচ্ছে নিম্নচাপ আর আসছেনা। তবে হালাক বৃষ্টি হতে পারে। পুজোতে নিশ্চিন্তে ঘোরা যাবে। যদিও বুধবার অর্থাৎ অষ্টমী থেকে দক্ষিণবঙ্গের উপকূলের জেলাতে বৃষ্টি শুরু হবে। কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, নদিয়া, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ দু-এক পশলা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

বাকি জেলাগুলিতে বৃষ্টির সম্ভাবনা কম। হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, নবমীতে দক্ষিণবঙ্গের উপকূল ও সংলগ্ন জেলাতে বৃষ্টি সামান্য বাড়বে। কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ কয়েক পশলা বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। বাকি জেলাগুলিতে আবহাওয়া মনোরমই থাকবে।

আজ কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ৩৫.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ৩ ডিগ্রি বেশি। দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ২৬.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস , যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশি। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার হার সর্বাধিক ৯৫ শতাংশ, ন্যূনতম ৫৬ শতাংশ।

Weather Update: ষষ্ঠীতে আকাশের মুখ ভার, আজ থেকেই কি আনন্দ মাটি!

আজ মহাষষ্ঠী। সকাল থেকেই মানুষজন বেরিয়ে পড়েছে পুজো দেখতে। তবে পুজোয় বৃষ্টি নিয়ে চিন্তায় আমজনতা। এদিকে অষ্টমী থেকে  দশমী রাজ্যে বৃষ্টি হতে পারে বলে আগেই পূর্বাভাস দিয়েছিল আবহাওয়া দফতর। সেই পূর্বাভাস অনুযায়ী ষষ্ঠী ও সপ্তমী আকাশ পরিষ্কার থাকার কথা। তবে এর আগে শনিবার চতুর্থীর দিন থেকেই বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি দেখা গিয়েছে দক্ষিণবঙ্গে। এদিকে আন্দামান সাগরের উপর তৈরি হওয়া ঘূর্ণাবর্ত আজই নিম্নচাপে পরিণত হয়ে ক্রমশ ওড়িশা ও অন্ধ্র উপকূলের কাছাকাছি আসবে।

এদিকে আন্দামান সাগরের উপর তৈরি হওয়া নিম্নচাপের সরাসরি প্রভাব আমাদের রাজ্যে না পড়লেও আগামী ১৩ তারিখ থেকে উপকূলীয় জেলাগুলোতে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বাড়বে। এবং নবমী ও দশমীতে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

এদিকে দেশের পশ্চিম প্রান্ত থেকে বর্ষা ইতিমধ্যেই বিদায় নিতে শুরু করেছে। এই নিম্নচাপের প্রভাব কেটে গেলেই রাজ্য থেকে বর্ষা বিদায় নেবে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।


Weather Update: পঞ্চমীতে বৃষ্টির আভাস!

আজ  মহাপঞ্চমী। কিন্তু সকাল থেকেই আকাশের মুখ ভার. অতিমারিতে মণ্ডপে ঢোকায় বাদ সেধেছে নিয়ন্ত্রণবিধি। কিন্তু বৃষ্টি কি বাড়ি থেকেও বার হতে দেবে না পুজোয়! পঞ্চমীর সকালে আশঙ্কার সেই মেঘেই যেন আকাশ কালো। কলকাতার বেশ কিছু অংশে তো বটেই দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় রবিবার সকাল থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে বৃষ্টি। আবহাওয়াবিদরা আগেই সতর্ক করে জানিয়েছিলেন, পঞ্চমীর সকালে বৃষ্টি হতে পারে। বিদায়ী বর্ষার উপকূলবর্তী পশ্চিমবঙ্গ থেকে সরার কোনও লক্ষণ নেই। ফলে কলকাতা ছাড়াও দুই ২৪ পরগনা, পূর্ব এবং পশ্চিম মেদিনীপুর, হাওড়া, হুগলি এবং নদিয়ায় হালকা থেকে মাঝারি বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হতে পারে।

রবিবার সকালে আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, পঞ্চমীর সারা দিনই দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে আকাশ মেঘলা থাকবে। বৃষ্টি হবে। এমনকি বেশ কিছু এলাকায় বৃষ্টির সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়াও বইতে পারে।মূলত বিদায়ী বর্ষার কারণেই বৃষ্টি। মহালয়াতে বর্ষা বিদায়ের প্রক্রিয়া শুরু হলেও তা এখনও শেষ না হওয়ায় পঞ্চমী পেরিয়ে ষষ্ঠী এবং সপ্তমীতেও এমন বৃষ্টি চলতে পারে বলে আশঙ্কা। সে ক্ষেত্রে উৎসবের কয়েকটা দিন ঘরবন্দি হয়ে কাটাতে হতে পারে।

অন্তত পঞ্চমীর সকাল তেমনই আভাস দিচ্ছে।ষ্টমী থেকে দশমী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। রবিবার থেকেই উত্তর আন্দামান সাগরে নিম্নচাপ তৈরি হওয়ার কথা। তার জেরেই দুর্গাপুজোর শেষ তিন দিন দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টি হতে পারে। অষ্টমী, নবমী ও দশমীতে কলকাতা, দুই পরগনা, দুই মেদিনীপুর, হাওড়া এবং হুগলিতে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হবে বলে জানিয়েছিলেন আবহবিদরা।

Weather- পুজোয় সুখবর,কলকাতায় বৃষ্টির সম্ভাবনা কম~জানাল আবহাওয়া দফতর

কলকাতাঃ পুজোয় সুখবর দিল আবহাওয়া দফতর। পুজোর মধ্যে শহরে বৃষ্টির সম্ভাবনা কম। কারণ উত্তর আন্দামান সাগরে যে নিম্নচাপ তৈরির সম্ভাবনা,সেটি ওডিশা ও অন্ধ্র উপকূলের দিকে সরে যাবে। 

যদিও এর আগে আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছিল, অষ্টমী থেকে দশমী পর্যন্ত টানা বৃষ্টি হতে পারে। তারফলে  মনখারাপ হয়ে গিয়েছিল উৎসবপ্রেমী বাঙালির। 

বিস্তারিত আসছে --


Weather Update: তৃতীয়াতে ফের বৃষ্টির ভ্রুকুটি, বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা

পুজোতে যে বৃষ্টিতে ভাসবে তা আর সন্দেহের অবকাশ নেই। নিম্নচাপ তৈরির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। যার জেরে অষ্টমী থেকে দশমী পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গে ফের বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। প্রাথমিকভাবে যদিও বলা হয়েছে পুজোর শুরুতে বৃষ্টির সম্ভাবনা কম। কিন্তু তৃতীয়াতেও বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হতে পারে বলে জানান হয়েছে। বাতাসে জলীয় বাষ্প বেশি থাকায় আর্দ্রতা জনিত অস্বস্তি থাকবে। এদিকে সাজ তৃতীয়া। হালাক বৃষ্টি হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে, জানিয়েছেন, আলিপুর হাওয়া অফিস। চতুর্থী থেকে সপ্তমী পরিষ্কার আকাশ থাকবে। বৃষ্টির সম্ভাবনা কমই রয়েছে।

তাপমাত্রা স্বাভাবিকের উপরে আর্দ্রতা জনিত অস্বস্তি কিছুটা থাকবে। বুধবার থেকে শুক্রবার অর্থাৎ অষ্টমী থেকে দশমী পর্যন্ত এমন আবহাওয়া থাকবে। কলকাতা, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব পশ্চিম মেদিনীপুর, হাওড়া, হুগলি এই সাত জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টিও হতে পারে। দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাতেও আংশিক মেঘলা আকাশ হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানান হয়েছে।

এদিকে আন্দামান সাগরে আগামী রবিবার ১০ অক্টোবর পঞ্চমীর দিন তৈরি হবে নিম্নচাপ। এটি ক্রমশ পশ্চিম ও উত্তর পশ্চিম দিকে এগিয়ে উত্তর ও দক্ষিণ ওড়িষ্যা উপকূলের দিকে যাবে। বুধ-বৃহস্পতিবার নাগাদ এটি উপকূলের কাছাকাছি চলে আসবে। সেই সময়ে বাংলা উড়িষ্যা ও অন্ধ্র উপকূলে বৃষ্টি বাড়বে।  

Weather Update: মহালয়ায় ফের বৃষ্টির ভ্রূকুটি!

বেশকয়েকদিন ধরেই টানা বৃষ্টি  চলছে শহরজুড়ে। যদিও আলিপুর হাওয়া অফিস জানিয়েছে বর্ষা বিদায়। কিন্তু আদতে কি তাই ? এখনই বৃষ্টির থেকে রেহাই নেই এমনই আভাস পাওয়া যাচ্ছে। দক্ষিণবঙ্গে আপাতত কয়েকদিন রোদ-ঝলমলে আবহাওয়া থাকলেও মাঝে মাঝে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এদিন আকাশ মেঘলাই থাকবে। রয়েছে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পূর্বাভাসও। মহালয়ের দিনে বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছেই। দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে বাড়ছে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি।


উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, দুই দিনাজপুর, মালদায় বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা বা মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা আছে। কলকাতা-সহ পার্শ্ববর্তী এলাকায় আকাশ আজ আংশিক মেঘলা থাকবে। দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ৩৩.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি বেশি।


দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ২৭.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ৯৫ শতাংশ, ন্যূনতম ৬৭ শতাংশ। আর মাত্র কয়েকটা দিন.তারপরই উৎসবে মেতে উঠবে সকলেই।কিন্তু এর মাঝেই কি বৃষ্টি ভাসতে পারে, প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

Weather Update: পুজোর আগে রাজ্যে ফের ভারী বৃষ্টি!

পুজোর একসপ্তাহ বাকি। তারমধ্যেই হাওয়া অফিস জানিয়েছে, বৃষ্টির সম্ভাবনা রাজ্যজুড়ে। এছাড়াও উত্তরবঙ্গে ভারী বৃষ্টি চলবে। এর ফলে ধসের আশঙ্কা রয়েছে  পাহাড়ে। বাড়বে নদীর জলস্তর, নিচু এলাকা প্লাবনের আশঙ্কা রয়েছে তাই। অন্যদিকে, দক্ষিণবঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। তবে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। এদিকে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে জলপাইগুড়ি, দার্জিলিং, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ারে।

যদিও টানা বৃষ্টিতে জলমগ্ন পরিস্থিতি কলকাতার একাধিক জায়গায়।কলকাতায় আজ আংশিক মেঘলা আকাশ থাকবে। বজ্রবিদ্যুৎ সহ দু-এক পশলা হালকা বৃষ্টির সামান্য সম্ভাবনা রয়েছে। জলীয় বাষ্প বেশি থাকায় আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি বাড়বে। আজ দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৬.৬ ডিগ্রী সেলসিয়াস। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৪.৩ ডিগ্রি। বাতাসে জলীয় বাষ্পের সর্বাধিক পরিমাণ ৯৩ শতাংশ। বৃষ্টি চলেই যাচ্ছে, তাতে পুজোতে কতটা ভাসাবে এখন সেটাই দেখার। 

Weather Update: রবিবাসরীয় দিনে ফের ভারী বৃষ্টির পূর্ভাবাস, পুজোর কেনাকাটায় ঘটতে পারে ব্যাঘা

সপ্তাখানেক টানা বৃষ্টির জেরে নাজেহাল অবস্থায় পরে মানুষ। এদিকে জলযন্ত্রণা তো ছিলই। তবে আলিপুর হাওয়া অফিস জানিয়েছেন, যে বর্ষা বিদায় নিয়েছে। তবে মাসের প্রথমে ফের হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, রবিবারের দিনে কলকাতায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা। সামনেই তো পুজো। হাতে বেশি সময় নেই.কেনাকাটা রয়েছে। তারমধ্যে আজ রবিবারের দিনে মানুষ কিন্তু সকাল থেকেই বেরিয়ে পড়বে। তবে বৃষ্টি হলে আজ মাটি হতে পারে কেনাকাটায়। হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, কয়েক ঘন্টার মধ্যেই কলকাতায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ ভারী বৃষ্টি হতে পারে।

যদিও কলকাতায় আংশিক মেঘলা আকাশ থাকবে। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ দু-এক পশলা হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে। তাপমাত্রা স্বাভাবিকের উপরে থাকবে। সকালে শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৭.৫ ডিগ্রি। শনিবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৪.৩ ডিগ্রি। বাতাসে জলীয় বাষ্পের সর্বোচ্চ পরিমাণ ৯৪ শতাংশ। কিন্তু পুজোর মধ্যেও  কি বৃষ্টি ভাসাবে, প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। 

Weather Update: কয়েক ঘন্টার মধ্যে ফের ভারী বৃষ্টির সতর্কতা

দিন-ভর চলছে বৃষ্টি। শনিবার সকালেই বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টিতে সতর্কতা জারি করল আলিপুর আবহাওয়া দফতর৷ আগামী কয়েন ঘণ্টার মধ্যে ঝেপে বৃষ্টি আসছে পূর্ব বর্ধমান জেলায়। তবে এদিন মালদা, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরেও বৃষ্টির সতর্কতা জারি হয়েছে৷ উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় যেমন দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ারে আজ ভারী বৃষ্টির কথা আগেই জানিয়েছিল হাওয়া অফিস৷ এছাড়াও বীরভূম, মুর্শিদাবাদেও ফের বৃষ্টি হতে পারে বলে খবর৷ দিকে, ডিভিসির ছাড়া জলে রাজ্যের একাধিক জায়গা প্লাবিত হয়েছে৷

প্রশাসন সূত্রে খবর, ১ লক্ষ্য ৩৫ হাজার কিউসেক জল ছাড়া হয়েছে। এছাড়াও, মাইথন থেকে ৮০ হাজার কিউসেক ও পাঞ্চেত থেকে ৩৫ হাজার কিউসেক জল ছাড়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। যদিও ডিভিসির সূত্রে জানানো হয়েছে, ঝাড়খণ্ডে ভারী বৃষ্টির কারণেই ছাড়া হয়েছে জল।  বৃষ্টি না হলে জল ছাড়ার পরিমান কমানো হতে পারে।

কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় আজ দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ৩৪.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ২৬.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বাধিক ৯৭ শতাংশ,  ন্যূনতম ৫৭ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টি হয়নি। 


Weather Update: অবশেষে পুজোর আগে বর্ষা বিদায়!

সামনেই তো উৎসব। তবে যেভাবে বৃষ্টি চলছে তাতে রেহাই পাচ্ছেনা মানুষ। নিম্নচাপের জেরে একটানা বৃষ্টি চললেও, শুক্রবার বৃষ্টি অনেকটাই কমবে এমনটাই জানান হয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তরফে৷ তবে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ কমলেও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, মালদা, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে। রাজ্যের একাধিক জায়গায় বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে যদিও। আজ সকাল থেকেই বেশ রোদ উঠেছে। এদিকে আবার উল্টো।এখন বৃষ্টি কমল তো দেদার গরম বাড়ছে। এযেন ঠান্ডা - গরমের লড়াই।

তবে এ যাত্রায় বর্ষা বিদায় নিয়েছে জানিয়েছে আলিপুর হাওয়া অফিস। আজ কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় আকাশ প্রধানত মেঘলাই থাকবে৷ ছিটেফোঁটা বৃষ্টিরও সম্ভাবনা রয়েছে। দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ৩২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ২৫.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বাধিক ৯৮ শতাংশ, ন্যূনতম ৭০ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টি হয়েছে ৪.৬ মিলিমিটার। আপাতত এখন আর দেখা মিলবেনা বৃষ্টির এমনটাই মনে করা হচ্ছে।