Kolkata Corporation: টিকাকরণে নতুন নিয়ম পুরসভার

আজ সকাল দশটা থেকে শুরু করা হয়েছে ভ্যাকসিন দেওয়া। একই সেন্টার থেকে দুটি দল পাওয়া যাচ্ছে বলে কেউ কেউ খুশি। কেউ কেউ বলছেন দুটোর ডোজ এক সঙ্গে হওয়াতে লম্বা লাইনে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়াতে হচ্ছে তাঁদের। ফার্স্ট কাম ফার্স্ট সার্ভ এই নিয়মেই ভ্যাকসিন দেওয়া হবে জানিয়েছেন পুর আধিকারিক।কলকাতার বিভিন্ন পুরসভার কেন্দ্রগুলোতে সকাল থেকেই চোখে পড়ছে লম্বা লাইন।

পুরসভার এই নতুন নিয়ম অনেকের কাছেই অজানা। অনেকেই জানতে পারছে নতুন নিয়মের কথা। ইতিমধ্যেই তৃতীয় ঢেউয়ের ভ্রূকুটি রয়েছে বাংলায়। তাই আগেভাগেই টিকাকরণে গতি আনতে চাইছেন আধিকারিকরা। সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত।খুশি সাধারণ মানুষ। হয়রানি কিছুটা কমবে বলেই আশাবাদী তাঁরা। এদিন বাচ্চা কোলে নিয়ে এক মহিলাকে টিকার লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেল।

তিনি বললেন, “এতে সুবিধাই হবে অনেকটা। আমরা কাল খোঁজ নিয়ে গিয়েছিলাম। ঝামেলা কিছুটা হলেও কমবে।” আরেক যুবকের কথায়, “আগে এলে, আগে টিকা- এই নীতিতে টিকাকরণে গতি আসবে, ঝামেলাও কমবে। লাইনে দাঁড়ানো নিয়ে যে ঝামেলা তাও অনেকটা কমবে বলে মনে হচ্ছে।”কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশ মেনে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে গঠিত বিশেষজ্ঞদের একটি কমিটি রিপোর্ট জমা দিয়েছে। তৃতীয় ঢেউ এলে কোভিড আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসায় রাজ্য কতখানি প্রস্তুত,  দিয়েছে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর।

















মঙ্গলবার থেকে অনিশ্চিত কোভিশিল্ড

টিকাকরণ শুরু হলেও কোভিশিন্ডের টিকার ভাড়ার এই মুহূর্তে শুন্য। তাই শুধুমাত্র সোমবারই দেওয়া হবে কোভিশিল্ড ভ্যাকসিন। মঙ্গলবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য অনিশ্চিত কোভিশিল্ডের টিকা। এমনটাই বলা হয়েছিল রবিবারে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে। কিন্তু সোমবার সকাল থেকেই ভ্যাকসিন সেন্টারের ছবিটা অন্য কথা বলছে। বিজ্ঞপ্তির পরও অমিল টিকা।  এদিকে সোমবার থেকে টিকা মিলবে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়েছিল পুরসভা। তবু মিলল না টিকা।

আজ কোনও টিকা এসে পৌঁছয়নি ভ্যাকসিন সেন্টারগুলিতে। স্টক এসে না পৌঁছনয় চেতলা মেয়র ক্লিনিকে টিকাকরণ বন্ধ। আগের নোটিসে বলা হয়েছিল, সোমবার মিলবে টিকা। তবে আজ নয়া বিজ্ঞপ্তি জারি করে বলা হয়েছে মিলবে না টিকা। প্রায় ১৫০ জনকে টোকেন দেওয়া হয়েছিল। বাগবাজার থেকে স্টক এলে তবেই মিলবে টিকা। তবে সেটা নিশ্চিত নয়। রাজ্যে টিকা আসা সত্ত্বেও বহু মানুষের মিলছেনা টিকা। শহরে ভ্যাকসিনর সংকট। শনিবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য কোভিশিল্ডের ডোজ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয় কলকাতা পুরসভা। ইতিমধ্যে তৃতীয় ঢেউ আসার প্রবল সম্ভাবনা।এদিকে টিকা না মেলায় খানিকটা চিন্তার মুখে সাধারণ মানুষ।


আশ্রয়হীনদের টিকা করা হোক - কেন্দ্র

নয়াদিল্লিঃ দেশে কত মানুষ আছে যাদের কোনও ঠিকানা নেই । এরা আশ্রয়হীন । এদের মধ্যে ভিক্ষুক থেকে সাদামাঠা কাজ করা মানুষ প্রচুর । এমন অনেকে আছে যারা রাস্তায় গাড়ি পরিষ্কার করে, কেউ স্টেশনে মাল বয়ে গাড়িতে তুলে দেয়, কেউ রাস্তায় হয়তো জুতো পালিশ করে, এদের অনেকেরই ঠিকানা নেই । এদের সংখ্যা কত কিংবা এরা কি দেশের ভোটার ? এই প্রশ্ন করলে স্বয়ং নরেন্দ্র মোদিও উত্তর দিতে পারবেন না । তবে খোঁজ করলে জানা যায় যে এরা ঠিকানাহীন এবং অবশ্যই ভোটার নয় । জানা গিয়েছে এদের সংখ্যা কয়েক কোটি ।

এদের মধ্যে ভিক্ষুক যারা তাদের সুনিদিষ্ট এমন কোনও স্থান নেই যেখানে তাদের সাথে যোগাযোগ করা যেতে পারে । এদের অনেকে আছে যারা এক সময়ে স্টেশনের এক কোন রাত্রিবাস করে এবং স্টেশনেই প্রাতঃকৃত্য সারে । খুঁজবে কে কোথায় তাদের । কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকার থেকে ঘোষণা করা হয়েছে এবং দায় চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে রাজ্যগুলিকে । এটা বাস্তব যে এদেরও টিকা দরকার কিন্তু এই অসম্ভবকে সম্ভব করবে কে ?  


পুজোর আগেই শিশুদের জন্য টিকা !

নয়াদিল্লিঃ পুজোর আগেই টিকা পেতে পারে শিশুরা। সেপ্টেম্বর মাস থেকেই শিশুদের টিকাকরণ শুরু হতে পারে। এমনটাই জানালেন AIIMS-এর ডিরেক্টর রণদীপ গুলেরিয়া।

শনিবার তিনি জানান, "ডাইডাস ক্যাডিলা ইতিম্যেই ট্রায়াল শেষ করেছে এবং তারা জরুরিভিত্তিতে ছাড়পত্রের জন্য অপেক্ষা করছে। ইতিমধ্যেই শিশুদের উপর ভারত বায়োটেকের তৈরি কোভ্যাক্সিনের ট্রায়াল শুরু হয়েছে। আশা করছি এই ট্রায়াল অগাস্ট এবং সেপ্টেম্বরে শেষ হয়ে যাবে। এদিকে শিশুদের উপর প্রয়োগের জন্য ইতিমধ্যেই FDA-র অনুমতি পেয়েছে ফাইজার। আশাকরা যায়, সেপ্টেম্বর মাসেই শিশুদের টিকাকরণ শুরু করা যাবে।"

আরও পড়ুনঃ https://calcuttanews.tv/news-details.php?PostUrl=The-daily-infection-increased-again-in-24-hours&CategoryId=9

দ্য ল্যানসেটে গবেষণায় জানা গিয়েছিল, ১১ থেকে ১৭ বছর বয়সীদের মধ্যে করোনা সংক্রমণের সম্ভাবনা রয়েছে ১৮ থেকে ৩০ শতাংশ। অন্যদিকে কলকাতার একদল চিকিত্সকদের মতে,করোনার তৃতীয় ঢেউ আসার আগেই ভাইরাস কাবু করার ‘প্রোটিন কোষ’ অর্জন করে ফেলেছে অনেক খুদে। 

কলকাতার পার্ক সার্কাসের ইনস্টিটিউট অফ চাইল্ড হেলথ-এ ১৮ বছরের নিচের শিশুদের জন্য শুরু হয়েছিল ট্রায়াল। সেখানে অনেক শিশু মধ্যে করোনার অ্যান্টিবডি পাওয়া গিয়েছে। অর্থাত্ ‘প্রোটিন কোষ’ তৈরি হয়েছে তাদের শরীরে।  ফলে তাদেরকে করোনা টিকা দিতে হয়নি। 

একজন চিকিত্সক সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, যাদের শরীরে করোনার অ্যান্টিবডি (প্রোটিন কোষ) তৈরি হয়েছে, ওই শিশুরা করোনা আক্রান্ত হয়েছিল। উপসর্গ না থাকায় পরিবারের লোকেরা টের পাননি। তাদের এজান্তেই শিশুরা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অর্জন করে নিয়েছে। এই অ্যান্টিবডি যতদিন থাকবে করোনা তাদের কিচ্ছু করতে পারবে না।


কসবায় ভ্যাকসিনের পরিবর্তে পেটের রোগের ওষুধ

কলকাতা: ভ্যাকসিন কাণ্ডে নয়া চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এল । এদিকে কসবায় ভুয়ো ভ্যাকসিন নিয়ে নান জল্পনা চলছে। তারমধ্যে যান যাচ্ছে, বিভিন্ন ক্যাম্পগুলিতে যে টিকা দেওয়া হচ্ছে, তা আসলে কোভিশিল্ড নয়। এটি আসলে অ্যামিকাসিন নামে আন্টিবায়োটিক ওষুধ।পেটের রোগ নিরাময়ে ব্যবহার হয়। এই  আন্টিবায়োটিক অতিরিক্ত ব্যবহার করলে কান ও কিডনির ক্ষতি হতে পারে। এদিকে অভিযুক্ত দেবাঞ্জন দেবের বাড়ি থেকে প্রচুর ভয়েল উদ্ধার করেছেন তদন্তকারীরা। যা কোভিশিল্ডের ভায়েল ৫ মিলিগ্রামের হয় । তবে এটা  ২ মিলিগ্রামের ছিল। 

তদন্তকারীদের সন্দেহ হয়। বাজেয়াপ্ত করা ভায়েলের উপরে লাগানো কোভিশিল্ডের লেভেল তুলে ফেলতেই বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। এমনকি কসবার ক্যাম্প থেকেও যে ভায়েল বাজেয়াপ্ত হয়েছে, তার লেভেল সরিয়েও পাওয়া গিয়েছে এর অ্যামিকাসিন নাম। কসবার এই ক্যাম্পেই টিকা নিয়েছিলেন সাংসদ-অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী।  এই ঘটনায় আজ কসবার তদন্তে নামে ফরেনসিক দলও। যদিও কসবার ক্যাম্প থেকে সমস্ত ভায়েল উদ্ধার করে ইতিমধ্যে পরীক্ষার জন্য পাঠান তাঁরা।


কোভ্যাক্সিন কোভিশিল্ড নিলেও করোনা সংক্রমণ

নয়াদিল্লি: এবার কোভিশিল্ড ও কোভ্যাক্সিন নেওয়া থাকলেও হতে পারে করোনার ডেল্টা স্ট্রেইন। যদিও অক্টোবরে মাসে ভারতে প্রথম ডেল্টা স্ট্রেইন চিহ্নিত হয়েছিল। এই স্ট্রেইন যে ভয়ঙ্কর,তা আগেই জানিয়েছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। আর সেই স্ট্রেইন দ্বিতীয় ওয়েভে আরও মারাত্মক হতে চলেছে। এদিকে দিল্লির এইমস তাই জানাচ্ছে।যদিও গবেষণায় উঠে আসছে, কোভিসিল্ড কিংবা কোভাক্সিন নিলেও হতে পারে এই করোনা সংক্রমণ। এইমসের গবেষণায় উঠে এসেছে, ইউকে-তে পাওয়া করোনার 'আলফা' স্ট্রেইন থেকে প্রায় ৪০-৫০ গুণ বেশি ক্ষতিকারক এই ডেল্টা স্ট্রেইন। এই স্ট্রেইনের জেরেই ভারতের করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ এতটা ভয়ঙ্কর  আকার ধারণ করেছে। এইমস ও ইনস্টিটিউট অফ জিনোমিকস অ্যান্ড ইন্টাগ্রেটিভ বায়োলজির নতুন এই গবেষণা করা হয়েছিল হাসপাতালের এমারজেন্সিতে শুয়ে থাকা ৬৩ জন উপসর্গযুক্ত রোগীকে নিয়ে। তাঁদের পাঁচ থেকে সাতদিন টানা খুব বেশি পরিমাণে জ্বর ছিল। তবে ভ্যাকসিন নিলেও কি তবে নিরাপদ নয়, প্রশ্ন উঠে আসছে।

১৮ বছরের ঊর্ধ্বে সকল নাগরিককে বিনামূল্যে ভ্যাকসিন, ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

করোনা টিকাকরণ নিয়ে এবার কেন্দ্রের বড়সড় সিদ্ধান্ত। আগামী ২১ জুন থেকে ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে বিনামূল্যে টিকা দেবে ভারত সরকার। ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এখন থেকে টিকাকরণের জন্য রাজ্যগুলিকে আর অর্থ বায় করতে  হবেনা. আজ জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে  তিনি জানালেন , অনেক রাজ্যে টিকাকরণের সমস্যা হচ্ছে, সেই সমস্যা মেটাতে কেন্দ্র নাগরিকদের টিকাকরণের দায়িত্ব নিল। তবে নাগরিকরা চাইলে  বেসরকারি হাসপাতালে টিকা নিতেই  পারে। সেক্ষেত্রে বেসরকারি হাসপাতালে টিকার দামের ওপর আরও ১৫০ টাকা সার্ভিস চার্জ দিতে হবে. এই বিষয়টি রাজ্য সরকারকে দেখে নিতে হবে. যদিও নরেন্দ্র মোদি এদিন এও বললেন, এখনও পর্যন্ত ২৩ কোটি মানুষকে টিকা দেওয়া হয়েছে। গতবছর টিকা টাস্ক ফোর্স তৈরি করা হয়েছে । আরও দ্রুত টিকা সরবরাহ বাড়বে। অন্যদিকে নভেম্বর মাস পর্যন্ত বিনামূল্যে রেশন দেওয়ার কথা জানালেন। এছাড়া ভারত সফলভাবে টিকাকরণ চালাচ্ছে, এমনটাই জানালেন নরেন্দ্র মোদি।