Babul Supriyo: মন্ত্রীসভায় না রাজ্যসভায়, বাবুল ?

তৃণমূলে আসার পর স্বাভাবিক ভাবে প্রশ্ন উঠেছে বাবুলের ভবিষ্যৎ কি? গুঞ্জনে অনেক কথাই শোনা যাচ্ছে । ভাবা হচ্ছে বাবুল সুপ্রিয় কি মোদির মন্ত্রীসভা থেকে দিদির মন্ত্রিসভায় আসতে চলেছেন? মন্ত্রীসভায় স্থান আছে কি, জানা যাচ্ছে অমিত মিত্র অসুস্থ এবং বিধানসভার সদস্য নন কাজেই আগামী নভেম্বরের পর তাঁর দায়িত্ব শেষ হচ্ছে । এ ছাড়া সাধন পান্ডে খুবই অসুস্থ হয়তো তাঁকেও ছাড়তে হতে পারে মন্ত্রীত্ব এবং বিধানসভার আসন । অন্যদিকে শান্তিপুর বা ৪ খালি কেন্দ্রের যেকোনও স্থান থেকে বাবুলকে বিধায়ক করে আনা হতে পারে । 

অন্য একটি ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না । সম্প্রতি আচমকাই তৃণমূলের রাজ্যসভার সদস্য অর্পিতা ঘোষ পদত্যাগ করেছেন কাজেই আরও একটি আসন ফাঁকা হয়েছে । এখানেও বাবুলকে সাংসদ করা যেতে পারে । সমস্তটাই নির্ভর করছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ইচ্ছার উপর । তবে বিজেপি থেকে কটাক্ষ করে বলা হয়েছে " জল ছাড়া মাছ এবং মন্ত্রীপদ ছাড়া বাবুল" ভাবাই যায় না 

Babul Supriyo: এবার বিজেপির সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেবো-বাবুল

কলকাতাঃ প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় যোগ দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসে। শনিবার কলকাতায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে শাসক দলে যোগ দিলেন তিনি। তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর সংবাদমাধ্যমকে জানালেন, নিয়ম মেনে বিজেপির সংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেবেন।  

বিস্তারিত আসছে --


Babul Supriyo: তৃণমূলে যোগ দিলেন বাবুল সুপ্রিয়

প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় যোগ দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসে। শনিবার কলকাতায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে শাসক দলে যোগ দিলেন তিনি।  

বিস্তারিত আসছে --


By Election: মমতার বিরুদ্ধে কমিশনে নালিশ বিজেপির

কলকাতাঃ ভবানীপুর উপনির্বাচন উপলক্ষে বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়ালের বিরুদ্ধে কোভিড বিধিভঙ্গের অভিযোগ করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। অভিযোগ পেয়ে, প্রিয়াঙ্কার জবাব চেয়ে চিঠি দেয় কমিশন। এবার পাল্টা 

ভবানীপুর উপনির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কোভিড বিধি ভাঙার অভিযোগে কমিশনকে চিঠি বিজেপির। প্রিয়াঙ্কার মুখ্য নির্বাচনী এজেন্ট সজল ঘোষ ভবানীপুরের রিটার্নিং অফিসারকে চিঠি পাঠিয়েছেন।


চিঠিতে সজল ঘোষ উল্লেখ করেছেন, গত ১৫ সেপ্টেম্বর ভবানীপুর গুরুদ্বারে গিয়ে কোভিড বিধিভঙ্গ করেছেন মমতা। কারণ হিসাবে বলেছেন, প্রচুর লোকজন নিয়ে গুরুদ্বারে ঢোকেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে মানা হয়নি শারীরিক দূরত্ববিধি। 

বিস্তারিত আসছে --


প্রচারে আসছেন অভিষেক

তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবারে ভবানীপুর সহ তিন কেন্দ্রে প্রচারে আসছেন । আগামী শনিবার ১৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় তিনি ভবানীপুর কেন্দ্রের লক্ষীনারায়ণ মন্দির প্রেক্ষাগৃহে স্থানীয় ভোটারদের সঙ্গে মিলিত হবেন অভিষেক । সন্ধ্যায় তাদের সঙ্গে আলোচনার পর ওই এলাকার ভোটারদের আয়োজনে এক নৈশভোগেও উপস্থিত থাকবেন তিনি । কিন্তু শুধু ভবানীপুর নিয়েই বসে থাকবেন না তিনি । তিনি দুই বিধানসভা যেখানে প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে ভোট হয় নি সেখানেও প্রচারে যাচ্ছেন বলে সংবাদ ।

ভবানীপুরে যেমন ৩০ সেপ্টেম্বর ভোট তেমনই দুটি কেন্দ্র যথা জঙ্গিপুর এবং সামশেরগঞ্জ বিধানসভাতেও ভোট হচ্ছে । এই দুই কেডির নিয়ে আদৌ চিন্তিত নয় তৃণমূল কিন্তু এলাকার মানুষের আমন্ত্রণে অভিষেক মুর্শিদাবাদ যাচ্ছেন । ২৩ সেপ্টেম্বর এই দুই কেন্দ্রে প্রচার করবেন অভিষেক । এছাড়া ২৫ এবং ২৬ সেপ্টেম্বর তিনি ফের ভবানীপুর কেন্দ্রে কর্মীসভা করবেন । ২৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যার পর আর প্রচার করা যাবে না । 

Saayoni Ghosh: দলের উর্দ্ধে কেউ না, গাদ্দার চিনুন - সায়নী

যুব তৃণমূল কংগ্রেসের নব্য সভাপতি সায়নী ঘোষ সম্প্রতি বিস্ফোরক বক্তব্য রেখেছেন পূর্ব মেদিনীপুরে । এই পূর্ব মেদিনীপুরে বহু তৃণমূল কর্মী 'দাদার অনুগামী' অর্থাৎ শুভেন্দুর অনুগামী হয়ে তারা প্রচারের কাজে নেমেছিল আবার কেউ কেউ জল মাপার জন্য অপেক্ষায় ছিল যে কোন দোল জিতে আসে । এদেরই একটি দল ফিরে এসেছে দলে এবং এখানেই আপত্তি সায়নীর ।

তিনি বলেছেন, সেদিনের জনসভাতে যারা উপস্থিত আছে তাদের মধ্যে অন্তত ১০০ জন পা বাড়িয়ে রেখেছিলো বিজেপিতে । এদের বের করে দিতে নির্দেশ দিয়েছেন । আর যদি এরা থাকেও তবে এদের দিয়ে চা, জল পরিবেশন করানো হোক । তিনি বলেন যারা দেওয়ালের বা পাঁচিলের উপরে বসে ছিল দেখতে যে কোন দিকে যাবে বিজেপিতে না তৃণমূলে তাদের বের করে দিতে হবে ।

কলকাতায় এলেন সুস্মিতা দেব

কলকাতাঃ তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন সুস্মিতা দেব সম্প্রতি । আসামের শিলচরের সংসদ ছিলেন তিনি । দীর্ঘদিনের কংগ্রেস ঘরানার কর্মী তিনি । পিত প্রয়াত সন্তোষমোহন দেব রাজীব গান্ধীর অত্যন্ত ঘনিষ্ট ছিলেন । মন্ত্র হয়েছিলেন সন্তোষ । ওই সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যুব কংগ্রেসের সভাপতি ছিলেন এ রাজ্যে । সন্তোষবাবুর সাথে সক্ষতা ছিল মমতার । এই সন্তোষমোহনের মাধ্যমে ত্রিপুরায় ক্ষমতায় এসেছিলো কংগ্রেস ১৯৮৮ তে । আজ তাঁর কন্যার উপর দায়িত্ব বর্তেছে ফের ত্রিপুরা দখলের । সুস্মিতা মাটি কামড়ে পড়েছিলেন ত্রিপুরার মাটিতে । সম্প্রতি জানা গেলো মানস ভূইঞার ফেলে রাখা রাজ্যসভার আসনে তৃণমূলের হয়ে প্রার্থী হচ্ছেন সুস্মিতা । তিনি অনেক বছর লোকসভার সদস্য থাকলেও গত ২০১৯ এর লোকসভা নির্বাচনে তিনি শিলচর আসনে পরাজিত হন । সুবক্তা সুস্মিতাকে এবারে রাজ্যসভায় তাই পাঠানো হচ্ছে ।

আগরতলা থেকে আজই কলকাতায় ফিরলেন সুস্মিতা । আগামী ২০ সেপ্টেম্বর তিনি রাজ্যসভায় তাঁর মনোনয়ন জমা দেবেন । আজ এই বিষয়ে তাঁর বৈঠক করার কথা তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাথে । মনোনয়ন পর্ব হয়ে গেলে তিনি ফিরে যাবেন আগরতলায় । আগামী ২২ সেপ্টেম্বর সেখানে যাবেন অভিষেক । মিছিলও করবেন । তার প্রস্তুতি রাখতেই দায়িত্বে আছেন সুস্মিতা।  

যোগীর বিজ্ঞাপন বিতর্কে RTI তৃণমূলের

যোগীর বিজ্ঞাপন বিতর্কে এবার RTI করল তৃণমূল। বিজ্ঞাপনের অনুমোদন কে দিয়েছিল? বিজ্ঞাপন কে বানায়, উত্তরপ্রদেশ সরকার না সংবাদমাধ্যম? উত্তরপ্রদেশ সরকারের কাছে জানতে চেয়ে আরটিআই করলেন তৃণমূলের নেতা সাকেত গোখলে। এমনকি চুক্তির প্রতিলিপিও চেয়েছেন তিনি। 

প্রসঙ্গত, যোগী রাজ্যের উন্নয়নের বিজ্ঞাপনে দেখা যাচ্ছে কলকাতার ‘‌মা’‌ ফ্লাইওভারের ছবি। ওই ছবি দেখিয়ে উন্নয়নের দাবি করছে যোগী আদিত্যনাথ, অভিযোগ তৃণমূলের। রবিবার ইংরেজি ভাষায় মুদ্রিত এক সংবাদপত্রে ট্রান্সফরমিং উত্তরপ্রদেশ শীর্ষক একটি বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হয়। এর পরই ওই বিজ্ঞাপন নিয়ে বিতর্ক দেখা দেয়। 

সংবাদপত্রে প্রকাশিত হওয়া বিজ্ঞাপনে ভুলটি চোখে পড়তেই তৎপর হয় উত্তরপ্রদেশ সরকার। সরকারিভাবে বিবৃতি দিয়ে জানিয়ে দেয়, বিজ্ঞাপন তৈরির সময় ভুল করেছিল সংশ্লিষ্ট সংবাদপত্রটি। পরে সেই অভিযোগ মেনে নেয় সংবাদপত্র কর্তৃপক্ষ। তারা টুইটারে লেখে, “সংবাদপত্রে প্রকাশিত একটি বিজ্ঞাপনে কোলাজ তৈরির সময় অসাবধানতাবশত ভুল ছবি দেওয়া হয়েছে।

বিপণন বিভাগের ভুলের জেরেই এই ঘটনা ঘটেছে। এই ভুলের জন্য আমরা ক্ষমাপ্রার্থী। ডিজিটাল মাধ্যম থেকে বিজ্ঞাপনটি সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।” 


প্রচার শুরু সুব্রত ও রুদ্রনীলের

ভবানীপুর কেন্দ্রে ভোট প্রচার শুরু হয়ে গিয়েছে । অনেক দেরিতে বিজেপির প্রার্থীর নাম ঘোষণা হওয়াতে প্রিয়াঙ্কা টিব্রিউয়াওলের প্রচার বিলম্ব হয়েছে ঠিকই কিন্তু শেষ পর্যন্ত কালীঘাটের মন্দিরে পুজো দিয়ে তিনি পূর্বতন প্রার্থী রুদ্রনীল ঘোষকে সঙ্গী করে প্রচারে বেরোলেন । এদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থনে ওই এলাকার প্রায় সমস্ত দেওয়াল দখল হয়ে গিয়েছে । দেওয়াল লিখনে ভোট না বাড়লেও এলাকায় শক্তি কার বেশি তা প্রদর্শন করা যায় । দেওয়ালের আশা বাদ দিয়েই প্রত্যেকের ঘরে ঘরে প্রচারে যাবেন প্রিয়াঙ্কা । আপাতত সঙ্গী রুদ্রনীল । জানা গিয়েছে প্রিয়াঙ্কার প্রধান নির্বাচন এজেন্ট হচ্ছেন বৌবাজারের অধিবাসী তথা প্রাক্তন তৃণমূলী সজল ঘোষ ।

অন্যদিকে তৃণমূলের তাবড় তাবড় নেতারা প্রচারে নাম গিয়েছেন । সকালে প্রচারে দেখা গেলো ববি হাকিমকে । ববির বাসস্থান ভবানীপুর বিধানসভার মধ্যেই পরে । দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব সুব্রত মুখোপাধ্যায় আজ থেকে প্রচারে নেমেছেন । জেতার বিষয়ে ১০০ শতাংশ আশাবাদী সুব্রতবাবু । মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দীর্ঘদিনের সঙ্গী এই বরিষ্ঠ নেতা । 

কালারফুল মদন

কলকাতাঃ মদন মিত্র তৃণমূলের গোড়ার দিকের নেতা । একসময় সুবক্তা হিসাবে সুনাম ছিল । প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সির প্রিয়পাত্র ছিলেন মদন । ফলে প্রিয়বাবুর মতো বক্তব্যে রসবোধ ছিল বরাবরই । ইদানিং ঝুঁকেছেন ফেসবুক লাইভ । প্রায় প্রতিদিনই কোনও না কোনও বিষয় নিয়ে ফেসবুক লাইভ করেন।