ওয়ান নেশন ওয়ান রেশন

নয়াদিল্লি : এবার পরিযায়ী শ্রমিকদের কথা ভেবেই রাজ্যগুলিকে করা নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। চালু করতে হবে 'ওয়ান নেশন ওয়ান রেশন' ব্যবস্থ্যা। আগামী ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে এই ব্যবস্থা কার্যকরী করার নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত। একইসঙ্গে সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলগুলিকে একটি পোর্টাল তৈরির কথা বলা হয়েছে। যার মাধ্যমে সমস্ত অসংগঠিত ক্ষেত্রে পরিযায়ী শ্রমিকদের তালিকাভুক্ত করে এই প্রকল্পের আওতায় নিয়ে আসা সম্ভব হবে।

এদিন শীর্ষ আদালত জানায়, প্রতিটি রাজ্যের করোনা পরিস্থিতিতে পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য কমিউনিটি কিচেনের ব্যবস্থা করতে হবে.পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য অতিরিক্ত রেশনের ব্যবস্থা করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে রাজ্যগুলিকে। এছাড়া কোনও বিশেষ স্কিম তৈরী করে শুকনো খাদ্যদ্রব্য শ্রমিকদের মধ্যে বিতরণ করার কথা জানান শীর্ষ আদালত।

জুলাইয়ের মধ্যেই উচ্চমাধ্যমিকের ফল ঘোষণার নির্দেশ আদালতের

নয়াদিল্লি: করোনা পরিস্থিতির জেরে সিবিএসই সহ দেশের সমস্ত  রাজ্য বোর্ডই এ বছরের দশম ও দ্বাদশের পরীক্ষা স্থগিত করে দিয়েছে। সেইসঙ্গে বিভিন্ন রাজ্যের বোর্ড ইতিমধ্যে ফলাফলের মূল্যায়নের ফর্মুলাও ঘোষণা করে দিয়েছে।দ্বাদশের পড়ুয়ারা তাদের ফলাফলের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। এরইমধ্যে আজ সুপ্রিম কোর্ট পরীক্ষা নিয়ে শুনানির সময় সর্বোচ্চ আদালত ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে দ্বাদশের ফলাফল প্রকাশের জন্য সমস্ত রাজ্য বোর্ডগুলিকে নির্দেশ দিয়েছে। ইতিমধ্যে আজ সুপ্রিম কোর্ট পরীক্ষা নিয়ে শুনানির সময় সর্বোচ্চ আদালত ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে দ্বাদশের ফলাফল প্রকাশের জন্য সমস্ত রাজ্য বোর্ডগুলিকে নির্দেশ দিয়েছে।
সুপ্রিম কোর্ট বলেছে,রাজ্য বোর্ডগুলির দ্বাদশের পরীক্ষার্থীদের মূল্যায়নের পরিকল্পনা তৈরি করে।  চলতি মাসের শুরুতে সুপ্রিম কোর্ট সিবিএসই ও সিআইএসসিই বোর্ডের পরীক্ষার্থীদের মূল্যায়নের জন্য বিকল্প স্থির করতে দুই সপ্তাহ সময় দিয়েছিল। দুটি বোর্ডই গত সপ্তাহে মূল্যায়নের মাপকাঠি সম্পর্কে সুপ্রিম কোর্টকে জানিয়েছে। আদালত এই মূল্যায়ন ফর্মুলা অনুমোদন করেছে। রাজ্য বোর্ডগুলির মতো সিবিএসই ও সিআইএসসিই-র আয়োজিত পরীক্ষার ফলাফল ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে প্রকাশ করতে হবে।

নারদ মামলায় সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ মমতা,শুনানি আজ

নারদ মামলা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সম্প্রতি রাজ্যের ৪ হেভিওয়েট নেতাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাঁরা শর্তসাপেক্ষে জামিনে মুক্ত হন।

প্রসঙ্গত,এই মামলায় সিবিআই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। ফলে মমতা ব্যানার্জি কলকাতা হাইকোর্টে তার আইনজীবীর মাধ্যমে হলফনামা দিতে চান। কিন্তু কলকাতা হাইকোর্টের ৫ বিচারপতির বৃহত্তর বেঞ্চ সেই হলফনামা নিতে অস্বীকার করে। আর এই বিষয়েই চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দারস্থ হলেন মমতা ব্যানার্জি।  

নারদ মামলায় এবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই মামলায় সিবিআই মুখ্যমন্ত্রীকে পক্ষ করেছে। কিন্তু তাঁর হলফনামা জমা নেয়নি কলকাতা হাইকোর্ট। ফলে তাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন মমতা। যদিও এই মামলায় আগেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন রাজ্যের আইনমন্ত্রী মলয় ঘটক।

আজ মঙ্গলবার এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হবে সুপ্রিম কোর্টে  বিচারপতি অনিরুদ্ধ বসু ও বিচারপতি হেমন্ত গুপ্তার বেঞ্চে।  

প্রসঙ্গত,নারদ মামলায় রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখার্জি, বিধায়ক মদন মিত্র এবং প্রাক্তন মেয়র শোভন চ্যাটার্জিকে কিছুদিন আগে গ্রেফতার করে নিজাম প্যালেসে নিয়ে যাওয়া হয়।  সেদিন নিজাম প্যালেসে ছুটে এসেছিলেন মমতা ব্যানার্জি, মলয় ঘটক।

Cbi-withdraws-case-from-supreme-court-of-narada-case

সুপ্রিম কোর্টে বড়সড় ধাক্কা খেল সিবিআই। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা নারদ মামলা সরানোর আর্জি নিয়ে শীর্ষ আদালতে গিয়েছিল। মঙ্গলবার মামলার শুনানি শুরু হতেই সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের প্রশ্নের মুখে পড়েন সিবিআইয়ের আইনজীবী তথা সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা। এরপরেই আবেদন প্রত্যাহার করে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সিবিআই। তার ফলে আবারও কলকাতা হাইকোর্টের বৃহত্তর বেঞ্চে (পাঁচ সদস্যের বেঞ্চে) ফিরল নারদ মামলা।


সর্বোচ্চ আদালত সূত্রে জানা যাচ্ছে, এদিন সাওয়াল শুরু হতেই সিবিআইয়ের আইনজীবী বলেন, ‘হাই কোর্টের বিচারপতিরাও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি। এই জায়গাটা লক্ষ্য করুন, ‘ওই ব্যক্তিরা কী প্রভাব ফেলেছিল’। প্রত্যেকে তা জানেন। ওই ঘটনার সরাসরি সম্প্রচার হয়েছিল। সিবিআই কী করতে পারে? তাদের প্রভাব এবং ঔদ্ধত্য দেখুন’। কিন্তু বিচারপতিদের পাল্টা প্রশ্ন, ‘আমরা যখন আইনজীবী ছিলাম, আমরা কি চার্জশিট জমা দেওয়ার পর সওয়াল জবাব করতাম?’ পরে সুপ্রিম কোর্টের বেঞ্চের বিচারপতিরা বলেন, ‘আমাদের নির্দেশ শুনুন। এই শুনানির উপর ভিত্তি করে আমরা কিছু রায় দিতে চাই না। সিবিআইয়ের আইনজীবী স্বীকার করেছেন, হাই কোর্টের ৫ বিচারপতির বেঞ্চ মামলাটি শুনছেন। তাই তাঁর কাছে অনুরোধ, হাই কোর্টের কাছেই তাঁরা সমস্ত বিষয়টি উত্থাপন করুন। হাই কোর্টের ৫ বিচারপতির বেঞ্চ কী রায় দেয় সে দিকে আমরা নজর রাখব’। এরপরই সিবিআইয়ের আইনজীবী তুষার মেহতা জানিয়ে দেন, মামলা প্রত্যাহার করার বিষয়টি। ফলে আগামী বুধবার কলকাতা হাইকোর্টের পাঁচ সদস্যের বৃহত্তর বেঞ্চেই নারদ মামলার শুনানি হবে।

সিবিআইয়ের আবেদন গ্রহন করে আজই সুপ্রিম কোর্টে নারদ মামলার শুনানি

বন্দিদশা থেকে এখনই রেহাই মিলছে না ফিরহাদ-সুব্রত-মদন-শোভনদের। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআইয়ের আর্জি মেনে মমলা গ্রহন করেছে সুপ্রিম কোর্ট। আজ মঙ্গলবারই মমলার শুনানি হবে। ফলে কলকাতা হাইকোর্টের বৃহত্তর বেঞ্চের শুনানি নিয়ে আপাতত অনিশ্চিয়তা তৈরি হল। রবিবারই নারদ মামলায় ধৃত চার নেতা-মন্ত্রীদের গৃহবন্দি থাকার কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে দেশের সর্বোচ্চ আদালতে যায় সিবিআই। কিন্তু তাতে কিছু ভুল থাকায় মামলাটি বাতিল করে সুপ্রিম কোর্ট। পরে ভুলভ্রান্তি ঠিক করে সোমবারই ফের আবেদন জানায় সিবিআই, এবার মামলাটি গ্রহন করে সর্বোচ্চ আদালত। আদালত সূত্রে খবর, মামলাটি সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি বিনীত সারণ ও বিচারপতি বি আর গভায়য়ের বেঞ্চে শুনানি হবে। অপরদিকে বুধবারই কলাকাতা হাইকোর্টের পাঁচ সদস্যের বৃহত্তর বেঞ্চে নারদ মামলার শুনানি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এখন সুপ্রিম কোর্ট মামলাটি গ্রহন করায় সেটা নিয়ে অনিশ্চিয়তা তৈরি হল। যদি সুপ্রিম কোর্ট মামলাটি কলকাতা হাইকোর্টে ফিরিয়ে না দেয় তবে সেখানেই ফয়সলা হবে রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, বিধায়ক মদন মিত্র এবং কলকাতার প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়ের ভবিষ্যৎ।

হাইকোর্টের বৃহত্তম বেঞ্চকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে সিবিআই

সোমবার নারদ মামলার বৃহত্তম বেঞ্চের শুনানি ছিল সোমবার, কলকাতা হাইকোর্টে | এই শুনানিতে উপস্হিত থাকার কথা প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্দাল, বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়, বিচারপতি ইন্দ্রপ্রসন্ন মুখোপাধ্যায়, বিচারপতি সোমেন সেন ও বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডন | কিন্তু রবিবার মধ্য রাতেই সিবিআই সুপ্রিম কোর্টে, কলকাতা হাইকোর্টের শুনানি স্থগিত রাখার আবেদন রেখেছে | সোমবার সুপ্রিম কোর্টে এ বিষযে শুনানি হওয়ার কথা | এর ফলে কলকাতা হাইকোর্টে শুনানি স্থগিত হয়ে যেতে পারে | প্রসঙ্গত কলকাতা হাইকোর্টে প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্দাল ও অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চে দুই বিচারপতির রায়দানে মতপার্থক্য হওয়াতে ববি হাকিম সহ ৪ নেতাকে গৃহবন্দীর আদেশ দেওয়া হয়, যাকে চ্যালেঞ্জ করে বৃহত্তম বেঞ্চে যাওয়ার পথে যেতে বাধ্য হয় ববিদের আইনজীবী | এখন সমস্ত বিষয়টি প্রশ্নের মুখে

নারদ মামলাঃ সুপ্রিম কোর্টে যাবে তৃণমূল? আগাম ক্যাভিয়েট দাখিল করছে CBI

নারদ মামলায় এবার নতুন মোড় নিতে চলেছে। সূত্রের খবর, হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হতে পারে তৃণমূল কংগ্রেস। অপরদিকে সিবিআইয়ের তরফেও আগাম ব্যবস্থা হিসেবে সর্বোচ্চ আদালতে ক্যাভিয়েট দাখিল করতে চলেছে বলেই জানা যাচ্ছে। এর অর্থ, যদি কোনও পক্ষ সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়, তবে সিবিআইকে না জানিয়ে এক তরফা সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না। যদিও তৃণমূলের আরেকটি সূত্র মারফৎ অবশ্য জানা যাচ্ছে, সুপ্রিম কোর্ট নয়, হাইকোর্টেই করা হবে আইনি লড়াই। যদিও আঁটঘাট বেধেই আইনি লড়াইয়ে নামতে চাইছে সিবিআই। তবে শেষ পর্যন্ত হাইকোর্টের দ্বারস্থই হচ্ছে শাসকদলের ধৃত নেতারা। সোমবারই সিবিআই নারদ মামলায় রাজ্যের তিন বিধায়ক ও প্রাক্তন মেয়রকে গ্রেফতার করে। এই মামলায় আগাম ব্যবস্থা হিসেবেই সুপ্রিম কোর্টে আগাম ক্যাভিয়েট দাখিল করার সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা।


শাসকদল সূত্রে জানা যাচ্ছে, হাইকোর্টের গতকালের নির্দেশের পুনর্বিবেচনা করতে কলকাতা হাইকোর্টেরই দ্বারস্থ হচ্ছেন ধৃত তৃণমূলের তিন বিধায়ক। কলকাতার প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়ও একই আবেদন করেছেন। মঙ্গলবারের মধ্যেই যাতে শুনানি হয় সেই আবেদনও করা হচ্ছে। আপাতত হাইকোর্টে আইনি লড়াই করে তাদের সিবিআইয়ের হেফাজত থেকে মুক্ত করে আনাই লক্ষ্য তৃণমূল কংগ্রেসের। সুপ্রিম কোর্টে না যাওয়ার সিদ্ধান্তই আপাতত নেওয়া হয়েছে। কারণ বিষয়টিকে সুপ্রিমকোর্টে নিয়ে গিয়ে জাতীয় রাজনীতিতে আর আলোচনা চাইছে না বাংলার শাসক দল।

আদালতের হস্তক্ষেপ মানতে রাজি নয় কেন্দ্র, হলফনামা সুপ্রিম কোর্টে

করোনার টিকার কেন্দ্রীয় এবং রাজ্য সরকারগুলির জন্য আলাদা আলাদা দাম নিয়ে এমনিতেই তোপের মুখে পড়েছিল কেন্দ্রীয় সরকার। প্রথম থেকেই সরব হয়েছেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ বিভিন্ন বিরোধী রাজনৈতিক নেতারা। মামলা হয় শীর্ষ আদালতে। টিকার দাম ভিন্ন কেন কেন্দ্রের কাছে হলফনামা চায় সুপ্রিম কোর্ট। রবিবার গভীর রাতে হলফনামা জমা দিল কেন্দ্রীয় সরকার। হলফনামায় কেন্দ্র জানিয়েছে, তাদের টিকানীতি সঠিক এবং এ নিয়ে আদালতের হস্তক্ষেপ মানতে রাজি নয় তাঁরা। সেই সঙ্গে জানানো হয়েছে, ‘আদালতের স্বতঃপ্রণোদিত হস্তক্ষেপ অনেক সময় অনিচ্ছাকৃত ভাবে তিক্ত ফলের জন্ম দেয়। বিশ্ব জুড়ে এমন অতিমারিপর্বে দেশের টিকানীতি নির্ধারিত হয়েছে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এবং বিজ্ঞানীদের সাহায্যে। তাই এ ক্ষেত্রে বিচারবিভাগীয় হস্তক্ষেপ মানার কোনও জায়গা নেই’। টিকার দাম নিয়ে কেন্দ্রের যুক্তি, দুই ভ্যাকসিন নির্মাতা যে দাম ঠিক করেছে তা আয়ত্তের মধ্যে তো বটেই তার সঙ্গে সারা দেশে একই। অপরদিকে, কেন্দ্রীয় সরকার যে বিনামূল্যেই ১৮ উর্ধ্বদের টিকা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে সেটাও বলা হয়েছে হলফনামায়। সোমবার থেকে এই মামলার শুনানি শুরু হবে সুপ্রিম কোর্টে।