প্রবল বর্ষণে মহারাষ্ট্রে ধস

প্রবল বৃষ্টিতে ধস নেমে মহারাষ্ট্রের রায়গড়ে মৃত্যু হল কমপক্ষে ৩০ জনের। কমপক্ষে ৩০ জন আটকে আছেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন উদ্ধারকারীরা। পুরো পরিস্থিতির উপর নজর রেখেছেন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে। এদিকে গত কয়েকদিন ধরে উপকূলবর্তী রায়গড়ে প্রবল বৃষ্টি চলছে। কার্যত থামছে না বর্ষণ। তার জেরে বৃহস্পতিবার রাতের দিকে মাহাডের তালি গ্রামে ধস নামে। কাদার আস্তরণে ঢেকে যায় একাধিক বাড়ি। কিন্তু দৃশ্যমানতা এতটাই কম ছিল যে গতরাতে উদ্ধারকাজ শুরু করা যায়নি।

শুক্রবার সকাল থেকে শুরু হয়েছে উদ্ধারকাজ। মুম্বইয়ের ১৬০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত মাহাড থেকে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা দল (এনডিআরএফ) এসে পৌঁছে গিয়েছে। রায়গড় জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী অদিতি তাতকাড়ে জানিয়েছেন, ২০ জন সদস্য-বিশিষ্ট স্থানীয় একটি দল উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে। ইতিমধ্যে এই ঘটনায় শোকপ্রকাশ জানিয়েছেন মুম্বইয়ের মুখ্যমন্ত্রী।




দার্জিলিংয়ে ধস, বন্ধ যান চলাচল

প্রবল বৃষ্টিতে ধস নামল দার্জিলিংয়ে। এর জেরে বন্ধ হয়ে গিয়েছে দার্জিলিং থেকে শিলিগুড়ি যাওয়ার মূল রাস্তা।

জানা গিয়েছে,আজ শুক্রবার সকালে কার্শিয়ঙের তিনধরিয়ায় ৫৫ নম্বর জাতীয় সড়কে ধস নেমেছে। বন্ধ হয়ে গিয়েছে মূল রাস্তা। যদিও শিলিগুড়ি থেকে দার্জিলিং যেতে রোহিণী ও মিরিক হয়ে যাওয়া রাস্তা খোলা রয়েছে।

এদিকে আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, দক্ষিণবঙ্গে কম বৃষ্টি হলেও উত্তরবঙ্গ জুড়ে ভারি বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। ভারী বৃষ্টি হচ্ছে দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ারে।

ঝাড়খণ্ডে ঘূর্ণাবর্ত ও মৌসুমী অক্ষরেখার জন্য বৃষ্টি চলবে বঙ্গে।  চলতি সপ্তাহে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে সব জেলায়। এছাড়া   দু'একটি জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। মুর্শিদাবাদ ও বীরভূম জেলায় অপেক্ষাকৃত বেশি বৃষ্টির সম্ভাবনা।

বৃষ্টিতে পণ্ড প্রথম সেশনের খেলা

বৃষ্টিতে পণ্ড হল প্রথম সেশনের খেলা। আজ ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে-র ফাইনালের ভারত বনাম নিউজিল্যান্ডের প্রথম সেশনের খেলা ছিল। বৃষ্টির কারণে তা পরিত্যক্ত। লাঞ্চের আগে টস পর্যন্ত করা সম্ভব হল না।

ভারতীয় বোর্ডের তরফে কয়েক ঘন্টা আগে ট্যুইটারে জানানো হয়, দুর্ভাগ্যক্রমে আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালের প্রথম দিনের প্রথম সেশনে খেলা হবে না।

 বৃষ্টির কারণে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পয়নশিপের ফাইনাল শুরুর সময় এগিয়ে নিয়ে এসেছিল আইসিসি। ভারতীয় সময় অনুযায়ী দুপুর ৩টে ৩০ মিনিটে শুরু হওয়ার কথা ছিল। তারপর ম্যাচের সময় আরও ৩০ মিনিট এগিয়ে আনা হয়। অর্থাত্ ইংল্যান্ডের স্থানীয় সময় ১০ টা ৩০ মিনিটে শুরু হওয়ার কথা ছিল ম্যাচ। তাও শেষ পর্যন্ত পণ্ড প্রথম সেশনের খেলা।  

পরিসংখ্যান বলছে, ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে ভারত আগে ১২ টি টেস্ট জিতেছে। এর মধ্যে চারটিতে হার ও একটি টেস্ট ড্র হয়েছে। জয়ের হার ৭২.২ শতাংশ৷ অন্যদিকে, নিউজিল্যান্ড সাতটি ম্যাচে জিতেছে, চারটিতে হার। জয়ের হার ৭০ শতাংশ।

রাতভর বৃষ্টিতে জল যন্ত্রণায় ভুগছেন যে সব মানুষ

কলকাতাঃ রাতভর বৃষ্টির জেরে ফের জলমগ্ন কলকাতার  বিস্তীর্ণ এলাকা। তার ওপর আজও সারাদিনই বৃষ্টি হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

বৃষ্টির জেরে এখনও জল জমে রয়েছে বেহালা, খিদিরপুর, মোমিনপুর রোড, ইব্রাহিম রোড, বাবুবাজার এবং ঢাকুরিয়ার কিছু এলাকা। এছাড়া জল যন্ত্রণায় ভুগছেন ঠনঠনিয়া,আমহার্স্ট স্ট্রিট, কেশবচন্দ্র সেন স্ট্রিটের স্থানীয় বাসিন্দারা। পাশাপাশি যোধপুর পার্ক,গলফগ্রিনের এলকার রাস্তায় জল থইথই। কোথাও কোথাও হাঁটু সমান জল।

বৃহস্পতিবার রাত ১০ টা থেকে শুক্রবার সকাল ৬টা পর্যন্ত -- মানিকতলায় ৫৯, বীরপাড়ায় ৫৪, বেলগাছিয়ায় ৫৭, ধাপায় ৪৯, তপসিয়ায় ৩৮, উল্টোডাঙ্গায় ৫৩, পামারব্রীজে ৫৩, ঠনঠনিয়ায় ৫৪, বালিগঞ্জে ৪৫, মোমিনপুরে ৩৮, চেতলায় ৩২, কালীঘাটে ৪৫, কামডহড়িতে ৪৯, দত্ত বাগানে ৫৩, জিন্জিরা বাজারে ৪৫ ও বেহালায় ৪৪ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।

আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ভারী বৃষ্টির সর্তকতা রয়েছে পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রামে। আগামীকাল বৃষ্টি বাড়বে উত্তরবঙ্গে।

কতদিন চলবে বৃষ্টি, জানাল আবহাওয়া দফতর

এক নাগারে চলছে বৃষ্টি। তাতে জলমগ্ন কলকাতা। ভারী বৃষ্টিতে জল জমেছে বহু জায়গায়। ফলে দুর্ভোগে পড়েছেন মানুষ। এই পরিস্থিতিতে আরও কয়েক দিন বৃষ্টি চলবে বলে জানাল আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে ঘূর্ণাবর্তের পরিস্থিতি রয়েছে। তারফলে আগামী শনিবার পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন অংশে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সতর্কতা জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি নীচু এলাকায় জল জমার সম্ভাবনা রয়েছে।এছাড়া বাড়বে নদীর জলস্তর।

রাতভর বৃষ্টির জেরে  জলমগ্ন হয়ে পড়ে কলকাতা। ভাসছে আর্মহার্স্ট স্ট্রিট, কলেজ স্ট্রিট, বিবি গাঙ্গুলি স্ট্রিট, ঠনঠনিয়া, খিদিরপুর, যাদবপুর, ঢাকুরিয়া, বাইপাস লাগোয়া আনন্দপুর, পঞ্চান্নগ্রাম, মুক্তারামবাবু স্ট্রিট, সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ, গিরিশ পার্ক সহ একাধিক অঞ্চল। জল ঢুকে পড়েছে মন্দির ও হাসপাতালে।

রাতভর বৃষ্টি, শহরে কোথায় কোথায় জল জমে আছে জানুন




কলকাতাঃ রাতভর বৃষ্টির জেরে জলমগ্ন কলকাতা। পাশাপাশি শহরের তাপমাত্রা এক ধাক্কায় ছ' ডিগ্রি কমে গিয়েছে। আজও সারাদিনই বৃষ্টি হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

গতকাল রাত ১২টা থেকে সকাল ছটা পর্যন্ত মানিকতলায় বৃষ্টিপাত হয়েছে ৭৭ মিমি, বীরপাড়ায় ৬৩ মিমি, বেলগাছিয়ায় ৮২ মিমি, ধাপায় ১০২ মিমি, তপসিয়ায় ১৫৩ মিমি, উল্টোডাঙ্গায় ৮৪ মিমি, পামারব্রীজে ১১৫ মিমি, ঠনঠনিয়ায় ৯৬ মিমি, বালিগঞ্জে ১৪৮ মিমি, মোমিনপুরে ১৭৯ মিমি, চেতলায় ১৫০ মিমি, কালীঘাটে ১৬৮ মিমি, কামডহরিতে ১৪৭ মিমি, দত্ত বাগানে ৫৮ মিমি, জিঞ্জিরা বাজার এলাকায় ১১৭ মিমি এবং বেহালায় ১৬৩ মিমি।

রাতভর বৃষ্টির জেরে  জলমগ্ন হয়ে পড়ে কলকাতা। ভাসছে আর্মহার্স্ট স্ট্রিট, কলেজ স্ট্রিট, বিবি গাঙ্গুলি স্ট্রিট, ঠনঠনিয়া, খিদিরপুর, যাদবপুর, ঢাকুরিয়া, বাইপাস লাগোয়া আনন্দপুর, পঞ্চান্নগ্রাম, মুক্তারামবাবু স্ট্রিট, সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ, গিরিশ পার্ক সহ একাধিক অঞ্চল। তার ওপর আজও সারাদিনই বৃষ্টি হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

আগামী ২ থেকে ৩ ঘণ্টার মধ্যে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পূর্বাভাস

কলকাতাঃ আগামী ২ থেকে ৩ ঘণ্টার মধ্যে বৃষ্টির পূর্বাভাস। কোথাও কোথাও বজ্রবিদ্যুত্‍-সহ বৃষ্টি হবে বলে জানাল আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

শনিবার সকালে ঝলমলে আকাশ দেখা গেলেও,পরে মেঘলা আকাশ। ফলে কিছুক্ষণের মধ্যেই দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জেলায় বৃষ্টির নামবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। বিশেষ করে কলকাতা, দুই ২৪ পরগনায় ,হাওড়া, হুগলি ও পূর্ব মেদিনীপুরে বৃষ্টির পূর্বাভাস।

শুক্রবার সকাল থেকেই কলকাতাসহ একাধিক জেলায় বৃষ্টি শুরু হয়। দুপুর থেকেই  কলকাতা ,পূর্ব -বর্ধমান,হাওড়া,হুগলি ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার সুন্দরবন এলাকায়  বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ১৯.৯ মিমি। দক্ষিণবঙ্গের ৫ জেলায় বৃষ্টির পূর্ভাবাস দিয়েছিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর।  

দক্ষিণবঙ্গে বর্ষার আগমনের জেরেই দফায় দফায় বৃষ্টি হচ্ছে। বেশকয়েকদিন ধরেই শহর কলকাতায় ভ্যাপসা গরম । যার জেরে চরম অস্বস্তিতে ছিল সাধারণ মানুষ। তাই দক্ষিণবঙ্গে বর্ষা ঢুকতেই  কিছুটা স্বস্তি মিলছে বলা যায়।

বর্ষা আসছে ৪৮ ঘন্টার মধ্যে সাথে ভরা কোটালও

কলকাতাঃ সাধারণত জ্যৈষ্ঠ মাসের শেষেই বর্ষা প্রবেশ করে  কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে তা ক্রমশই পিছিয়ে যাচ্ছিলো | এই পিছিয়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ নাকি দূষণ | এবারের বিষয়ে একদমই আলাদা | গত বছর এবং এই বছর কড়া বিধিনিষেদের কারণে বা লকডাউন হওয়াতে দূষণ হয়েছে কম |

২০২০তে বর্ষা এসেছিলো জুনের প্রথম সপ্তাহেই | এবারে আগামী ৪৮ ঘন্টার মধ্যে বর্ষা আসছে বলে বিশেষজ্ঞদের মত | আবহাওয়া দপ্তরের মতে ভারী বৃষ্টি হবে এবং তার সঙ্গে ভরা কোটাল | অর্থাৎ অমাবস্যার সময়ে যদি বা সমুদ্রের জল উপচে পড়বে বাংলার বুকে | ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন স্থান | জাল দাঁড়াতে পারে হয়তো বন্যার ধাক্কাও আস্তে পারে | ফলে রাজ্য সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে |    

আগামী ২-৩ ঘন্টার মধ্যেই প্রবল বৃষ্টিতে ভাসবে বাংলা

কলকাতাঃ কলকাতাসহ অন্যান্য জেলাতে কম বেশি বৃষ্টি হচ্ছে দুদিন ধরে। বইছে ঝড়ো হাওয়া। গতকালের ঝড়-বৃষ্টিতে বাজ পড়ে ২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে রাজ্যে। আজও আর কিছুক্ষণের মধ্যেই বৃষ্টি নামবে,এমনটাই জানাচ্ছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।
 
আজ অর্থাৎ বৃহস্পতিবার আগামী ২-৩ ঘন্টার মধ্যে কয়েকটি জেলার দিকে ঝড় ধেয়ে আসছে। ঝড়ের সাথে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে,  কিছুক্ষণের মধ্যেই বৃষ্টিতে ভিজতে পারে মালদা,মুর্শিদাবাদ,পশ্চিম বর্ধমান এবং নদিয়া।  ৩০-৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো বাতাস বইতে পারে।  

উল্লেখ্য, গতকাল বাজ পড়ে মোট ২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে হুগলিতে ৯ জন, পূর্ব মেদিনীপুরে মৃত্যু হয়েছে ২ জনের। মুর্শিদাবাদে মৃত্যু হয়েছে ৯ জনের।

এদিকে আবহাওয়া দফতর সূত্রে কবর, আগামী ১১ জুন নিম্নচাপের হাত ধরে বাংলায় বর্ষা ঢুকবে। ইতিমধ্যেই কেরলে বর্ষা ঢুকে পড়েছে। ১১ জুন নাগাদ উত্তর বঙ্গোপসাগরে বাংলা ও ওড়িশা উপকূলের কাছে একটি নিম্নচাপ তৈরি হতে চলেছে।

কলকাতা ও উত্তর ২৪ পরগনায় আজ ঝড়বৃষ্টির পূর্ভাবাস

কলকাতা : সোমবার অর্থাৎ আজ কলকাতায় ঝড়বৃষ্টির পূর্ভাবাস জানালো আলিপুর আবহাওয়া দফতর।  আজ কলকাতায় আংশিক মেঘলা আকাশ থাকবে। যদিও সকাল হতেই ভ্যাপসা গরম।  বেলা বাড়তেই তাপমাত্রা আরও বেশি চড়াও থাকবে।তবে বিকেল হতেই কিছুটা স্বস্তি মিলবে। আজ বেশকিছু জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।  এদিকে  হাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী ১১ জুন থেকে বঙ্গে বর্ষার আগমন।তার আগেই কলকতা সহ বিভিন্ন জেলায়  বৃষ্টি হতে দেখা  যাচ্ছে। ইতিমধ্যে বাংলায়  ঢুকছে বর্ষা। উত্তরবঙ্গ হয়ে ধরে ধীরে বাকি রাজ্যে পৌঁছবে মৌসুমী বায়ু। এদিকে সন্ধ্যের পর থেকেই জেলায় জেলায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হবে।  তার সাথে বইবে ঝোড়ো হাওয়া। আজ ঝড় বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে কলকাতা ও উত্তর ২৪ পরগনায়। সোমবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ৩ ডিগ্রি বেশি। এছাড়া ২-৩ ঘন্টার মধ্যে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা উত্তর ২৪ পরগনায়। বেশকিছুদিন ধরে মাত্রাতিরিক্ত গরম পড়ায় সাধারণ মানুষ নাস্তানাবুদ হয়ে পড়েছে। তবে ফের আজ স্বস্তির খবর। 

দিনশেষে রাজ্য জুড়ে শুরু স্বস্তির বৃষ্টি

কলকাতাঃ দিনভর গরমে হাঁসফাঁস অবস্থার পর এল স্বস্তির বৃষ্টি। কলকাতা, হাওড়া,উত্তর ২৪ পরগণা,দক্ষিণ ২৪ পরগণাসহ বেশ কিছু জেলায় শুরু হয়েছে বৃষ্টি।

রবিবার ভোর হতে না হতেই ছিল রোদের দাপট। বেলা গড়াতেই প্যাচপ্যাচে গরমে নাজেহাল দশা ছিল রাজ্যবাসীর। গতকালও একই অবস্থা ছিল। দিনশেষে বৃষ্টিতে স্বস্তি। গতকাল বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ছিল ০.৮ মিমি।
 
আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছিল, রাজ্যের কয়েকটি জেলায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতেও ভারি বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল।

রবিরাব দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল  ৩৭.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি। যা স্বাভাবিকের চেয়ে ৩ ডিগ্রি বেশি। আর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি। তাপমাত্রা বেশি থাকার ফলে বজায় ছিল আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি।

আগামী ১১ জুন একটি নিম্নচাপ তৈরি হবে উত্তর বঙ্গোপসাগরে। তার জেরেই দক্ষিণ পশ্চিমী মৌসুমী বায়ু প্রবেশ করবে বাংলায়। সাধারণত জুনের ৮ থেকে ১৫ জুনের মধ্যে বাংলায় আসে বর্ষা। সেই অনুযায়ী স্বাভাবিক সময়েই বাংলায় বর্ষা ঢুকবে। ইতিমধ্যেই উত্তরবঙ্গে বর্ষা চলে এসেছে।




কেমন যাবে ছুটির দিনের আবহাওয়া

কলকাতাঃ গরমে একেবারে হাঁসফাঁস অবস্থা বঙ্গবাসীর। ভোর হতে না হতেই রোদের দাপট। বেলা গড়াতেই প্যাচপ্যাচে গরমে নাজেহাল দশা। এই পরিস্থিতিতে স্বস্তির কোনও খবর শোনাতে পারল না আবহাওয়া দফতর।

আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, আজ রবিবার শহর কলকাতা ও তার সংলগ্ন এলাকায় বৃষ্টির তেমন পূর্বাভাস নেই। তবে রাজ্যের কয়েকটি জেলায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা দক্ষিণবঙ্গের জন্য ভালো খবর না থাকলেও,উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতেও ভারি বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, রবিরাব দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে  ৩৭.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের চেয়ে ৩ ডিগ্রি বেশি। আর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ২৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি। তাপমাত্রা বেশি থাকার সঙ্গে বজায় থাকবে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি। গতকাল বৃষ্টিপাতের ০.৮ মিমি।

 তবে স্বস্তির খবর, আগামী ১১ জুন একটি নিম্নচাপ তৈরি হবে উত্তর বঙ্গোপসাগরে। তার জেরেই দক্ষিণ পশ্চিমী মৌসুমী বায়ু প্রবেশ করবে বাংলায়। সাধারণত জুনের ৮ থেকে ১৫ জুনের মধ্যে বাংলায় আসে বর্ষা। সেই অনুযায়ী স্বাভাবিক সময়েই বাংলায় বর্ষা ঢুকবে।

দিনভর জারি থাকবে অস্বস্তিকর গরম

কলকাতাঃ গরমে একেবারে হাঁসফাঁস অবস্থা বঙ্গবাসীর। ভোর হতে না হতেই রোদের দাপট। বেলা গড়াতেই প্যাচপ্যাচে গরমে নাজেহাল দশা। এই পরিস্থিতিতে স্বস্তির খবর শোনালো আবহাওয়া দফতর।

আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, আজ রাজ্যের কয়েকটি জেলায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।দুই ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, ঝাড়গ্রাম, দুই মেদিনীপুরে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে। দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতেও বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।

 আবহাওয়া দফতর আরও জানিয়েছে, আগামী ১১ জুন একটি নিম্নচাপ তৈরি হবে উত্তর বঙ্গোপসাগরে। তার জেরেই দক্ষিণ পশ্চিমী মৌসুমী বায়ু প্রবেশ করবে বাংলায়। সাধারণত জুনের ৮ থেকে ১৫ জুনের মধ্যে বাংলায় আসে বর্ষা। সেই অনুযায়ী স্বাভাবিক সময়েই বাংলায় বর্ষা ঢুকবে।

আজ শহরে আকাশ আংশিক মেঘলা থাকবে। এদিন সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছে। শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের। গতকাল কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি। শহরে বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বাধিক ৮৮ শতাংশ, ন্যূনতম ৫২ শতাংশ। সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন আর্দ্রতার পরিমাণ তা স্পষ্ট করছে,দিনভর জারি থাকবে অস্বস্তিকর গরম। আবহাওয়াবিদদের মতে, বর্ষা যত এগিয়ে আসে বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ তত বৃদ্ধি পায়। সেটাই হচ্ছে।


আজও বৃষ্টির সম্ভাবনা

কলকাতাঃ আগামী তিনদিন প্রাক বর্ষার বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে রাজ্যে। কোথাও কোথাও বজ্রবিদ্যুত্‍ সহ বৃষ্টি হতে পারে। বইতে পারে ঝোড়ো হাওয়া। এমনটাই পূর্বাভাস আলিপুর আবহাওয়া দফতরের।

আবহাওয়া দফতর  সূত্রে খবর,  বিহার সংলগ্ন উত্তরবঙ্গে অবস্থান করছে ঘূর্ণাবর্ত। পাশাপাশি বঙ্গোপসাগর থেকে প্রচুর জলীয় বাষ্প ঢুকছে পশ্চিমবঙ্গে। তার জেরে, আগামী তিন দিন দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের নদীয়া, পূর্ব বর্ধমান, উত্তর ২৪ পরগনা, মুর্শিদাবাদ, বীরভূমে তুলনামূলক বেশি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বৃষ্টি থেকে রেহাই পাবে না উত্তরবঙ্গও।   

আজ বুধবার সকাল থেকেই কলকাতায় আকাশের মুখ ভার। গতকালের পর আজও বৃষ্টির সম্ভাবনা।  শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছে। শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা  ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৭.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কলকাতায় বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বাধিক ৯৪ শতাংশ, ন্যূনতম ৬৫ শতাংশ।

আগামীকাল কেরলে বর্ষা ঢোকার কথা। আর এ রাজ্যে তার ৭-১০দিন পর বর্ষা আসবে।  


বর্ষা স্বাভাবিক এ বছর

সম্প্রতি বেশ কয়েকটি ঝড় হয়ে গিয়েছে পশ্চিমবঙ্গে, তার মধ্যে ভয়ঙ্কর ইয়াস তো রয়েইছে। গত কয়েকদিন ধরে মাঝে মধ্যেই বৃষ্টি হচ্ছে এবং নিয়মিত হারে বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে বিশেষ করে উত্তরবাংলায় । আবহাওয়া দপ্তর প্রাপ্ত খবর এ বছর সময়ের আগেই বর্ষা আসতে চলেছে বর্তমান অবস্থা তাই প্রমান করে । যদিও ইয়াস ঝড়ে পূর্ব মেদিনীপুর সহ দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ফসলের বেশ ক্ষতি হলেও শেষ পর্যন্ত এই বৃষ্টির পরিমান বাংলায় যথেষ্ট ফসল ফলবে । করোনা আবহে কৃষকরা চিন্তায় ছিল । কিন্তু বৃষ্টির ধরন এবারে শস্য ফলাবে বলেই ধারণা আবহাওয়াবিদদের । তারা জানাচ্ছে নিয়মিত ভাবেই বৃষ্টি হবে এই বছর ।