ভারত-বাংলাদেশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি অধীরের

ফের প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি তথা বহরমপুরের সাংসদ অধীর চৌধুরী। এবার ভারত বাংলাদেশ এর মধ্যে সম্পর্ক আরও নিবিড় করার আবেদন জানিয়ে চিঠি দিলেন তিনি।

অধীর চৌধুরী চিঠিতে উল্লেখ করেছেন, পদ্মা নদীর ওপর রাজশাহী ও মুর্শিদাবাদ এর মধ্যে যোগাযোগ কারী সেতু তৈরি করা হলে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য বাড়বে। কমবে দুস্কৃতি দৌরাত্ম। পাশাপাশি জলঙ্গি ও রাজশাহী র মধ্যে সেতু বা যোগাযোগ কারী রাস্তারও আবেদন করেছেন তিনি।

আরও উল্লেখ করেছেন, অবিভক্ত ভারতের রাজশাহীতে দেশের অনেক কৃতি সন্তানদের জন্ম। তাদের মধ্যে রয়েছেন, আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায়, জগদীশ চন্দ্র বসু, মাইকেল মধুসূদন দত্ত, মাস্টারদা সূর্য সেনের মতো অনেক স্বাধীনতা সংগ্রামীর জন্ম এই জেলায়। 

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে খুনের হুমকি!

নয়াদিল্লিঃ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে খুনের হুমকি! গতকাল রাতে এক যুবক পুলিশকে ফোন করে বলে "আমি মোদীকে খুন করতে চাই"। এমনটাই  দিল্লি পুলিশ সূত্রে খবর।

কেন মোদীকে খুনের হুমকি ?

সলমন নামে এক যুবক, সদ্য জামিনে মুক্তি পায়। সে জেল থেকে বেরিয়েই পুলিশকে ফোন করে জানায়,  প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে খুন করবো, যদি না আমাকে ফের জেলে পাঠায়। কারণ আমি জেলেই থাকতে চাই। যদিও তারপরই তত্পরতার সঙ্গে দিল্লির খাজুরি খাস থানার পুলিশ ওই যুবককে গ্রেফতার করে।

গতবছরই নভেম্বর মাসে এক ব্যক্তি দিল্লি পুলিশকে ফোন করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে খুনের হুমকি দিয়েছিল! সেই সময়ও তত্পরতার সঙ্গে দিল্লি পুলিশ ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছিল। পুলিশের জেরায় সে জানিয়েছিল, মদ্যপ অবস্থায় ওই ফোনটি করেছিল সে। মোদীকে খুন করার মত কোনও পরিকল্পনা নেই তার।

অন্যদিকে গতবছর প্রধানমন্ত্রীর টুইটার হ্যান্ডেল হ্যাক হয়েছিল। তারপরের দিনই খুনের হুমকি এসেছিল! তবে সেই সময় ফোনে নয়,একটি ইমেল এসেছিল ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (NIA)-এর হাতে। ওই ইমেল পেয়ে দুশ্চিন্তা বেড়েছিল এনআইএ আধিকারিকদের। ‘কিল নরেন্দ্র মোদী’ লেখা ওই মেসেজের ফলে তখন বাড়ানো হয়েছিল নরেন্দ্র মোদীর নিরাপত্তা।  




আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের বদলি-ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি মুখ্যমন্ত্রীর

মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের বদলি-ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। করোনাকালে তাকে আরও ৩ মাস মুখ্যসচিব হিসেবে পেতে চায় রাজ্য। এছাড়া চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে,মুখ্যসচিবের বদলি সংক্রান্ত নির্দেশ জারির আগে রাজ্যের সঙ্গে কোনও আলোচনা করা হয়নি। কেন্দ্রের একতরফা নির্দেশে আমি হতভম্ব, স্তম্ভিত। এই নির্দেশ বেআইনি, নজিরবিহীন এবং অসাংবিধানিক। রাজ্যের জনস্বার্থে এই নির্দেশ প্রত্যাহার করা হোক।

উল্লেখ্য, বাংলার মুখ্যসচিবকে রাজ্যে সরকারের অনুরোধে তিন মাসের এক্সটেনশন দিয়েছিল কেন্দ্র। রাজ্যকে না জানিয়ে গত ২৮ মে আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে দিল্লিতে বদলি করা হয়। আজ সোমবার সকাল ১০টার মধ্যে তাঁকে নর্থ ব্লকে কর্মীবর্গ ও প্রশিক্ষণ দফতরে রিপোর্ট করতে নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু আজ মুখ্যসচিব দিল্লি না গিয়ে চলে যান নবান্নে। তারপরই শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে রাজ্যের মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। ফলে এবার রাজ্য ও কেন্দ্রের মধ্যে আরও সংঘাত বাড়ল।