Durga Puja: বর্ধমানে মা পটেশ্বরী দুর্গার আজও ঐতিহ্য অম্লান !

 রাজ পরিবারের ঐতিহ্য এখনও আছে। যেমন আছে  রাজ-ঐতিহ্যের শেষ চিহ্ন-- ভগ্নদশাপ্রাপ্ত এক মন্দির। মন্দিরের দেওয়ালের টেরাকোটার কারুকার্য, পলেস্তারা খসে পড়ছে। রাজ পরিবারের মন্দিরের মূল ফটকও ভেঙে পড়ছে রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে রাজ পরিবারের পটেশ্বরী দুর্গাপুজোর জৌলুসও কমেছে। তবে কমেনি রীতি-আচারের রাজ-ঐতিহ্য।এখনও দুর্গাপুজোর সময়ে ভিড় হয় এখানে। একটি ট্রাস্টের মাধ্যমে এখন দেখাশোনা করা হয় মন্দিরের। রয়েছে রক্ষণাবেক্ষণের অভাব। করোনার প্রকোপে গতবার থেকে পুজোর আয়োজনও কমেছে।

এবারেও শুধুমাত্র নিয়ম রক্ষার পুজো হবে বলে জানালেন সেবায়েত। তবে জৌলুস কমলেও পুজোর আচার আচরণে বা রীতিনীতিতে কোনও পরিবর্তন হয়নি। এখনও আগের মতোই পুরনো রীতি মেনেই রাজ পরিবারে মা পটেশ্বরী দুর্গার পুজো হয়। মহালয়ার পরের দিন থেকে বর্ধমানের মহারাজার মন্দিরে দুর্গাপুজো শুরু হয়।

এখানে বলির প্রথা আছে।তবে মেষ-মহিষ বা ছাগ বলি হয় না।রাজাদের আমলে সুপারি বলি হত। এখন অবশ্য চালকুমড়ো বলি হয়। অষ্টমীর দিন মা পটেশ্বরীর সামনে নবকুমারী পুজো হয়। পুজোর সময় রাজপরিবারের একমাত্র বংশধর প্রণয়চাঁদ মহাতাব ন'দিন সস্ত্রীক বর্ধমানে থাকেন এবং নিজে পুজোয় বসেন। তবে করোনা আবহে গতবছর তিনি আসেননি।

এবারও আসার সম্ভাবনা প্রায় নেই বলেই জানালেন বর্তমানে এই মন্দিরের সেবায়েত উওম মিশ্র।পটেশ্বরী দুর্গাপুজো শুরু করেন তৎকালীন বর্ধমানের মহারাজ  মহাতাব চাঁদ। আজ থেকে প্রায় ৩৫০ বছর আগে। দেবী দুর্গা এখানে শালকাঠের কাঠামোর উপর প্রতিষ্ঠিত।