বালিশ চাপা দিয়ে স্ত্রীকে খুনের চেষ্টা, অভিযুক্ত সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার

ভাঙড়  ফের সামনে এল সামাজিক অবক্ষয়ের ছবি। তা একদিকে যেমন চরম দুশ্চিন্তার, অন্যদিকে মর্মান্তিকও। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছে গেছে যে, নিজের স্ত্রী, ফুটফুটে সন্তানও যেন শত্রু। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়ের একটি ঘটনা ফের যেন একবার আমাদের এটাই মনে করিয়ে দিল।

 পরকীয়ায় মজে স্বামী। অস্বীকার করছেন নিজের স্ত্রী, এমনকী কোলের সন্তানকেও। সেই ঘটনার প্রতিবাদ করে নিগৃহীতা হলেন গৃহবধূ। ভাঙড়ের এক আবাসনে ওই গৃহবধূকে ব্যপক অত্যাচার করেন স্বামী। কিল, চড়, ঘুষির পাশাপাশি তাঁকে বালিশ চাপা দিয়ে মারারও চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় নির্যাতিতা গৃহবধূ কাশীপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিস তাঁর স্বামীকে গ্রেফতার করেছে। ধৃত যুবক একটি বেসরকারি সংস্থায় সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে কাজ করেন বলে জানা গিয়েছে।

পুলিস সূত্রে খবর, বছর তিনকে আগে দমদমের বাসিন্দা এক যুবকের সাথে বিধাননগরের বাসিন্দা এক তরুণীর বিয়ে হয়। তাঁদের একটি শিশুসন্তানও আছে। এই দম্পতি ভাঙড়ের সাতুলিয়াতে একটি আবাসনের ২জি টাওয়ারের দ্বিতীয় তলের একটি ফ্ল্যাটে থাকেন। অভিযোগ, কয়েকদিন আগে স্ত্রীকে খুন করার চেষ্টায় রান্নাঘরে গ্যাসের পাইপ খুলে রাখেন ওই যুবক। সেটা জানতে পেরে স্ত্রী তার প্রতিবাদ করলে ফ্ল্যাটের মধ্যেই তাঁর মুখে বালিশ চাপা দিয়ে শ্বাসরোধ করে খুন করার চেষ্টা করা হয়। কোনওক্রমে নিজেকে বাঁচিয়ে ১০০ ডায়াল করেন ওই গৃহবধূ। কাশীপুর থানার পুলিস দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁকে উদ্ধার করে। সোমবার অভিযুক্ত স্বামীকে গ্রেফতার করে বারুইপুর আদালতে পাঠানো হলে বিচারক তাঁর জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন।

ধৃত ওই ইঞ্জিনিয়ার অবশ্য পুরো অভিযোগই অস্বীকার করেছেন। তিনি বারবার একই কথা বলেছেন। পুরোটাই সাজানো এবং মিথ্যা কথা। 

বিষয়টি এখন স্বাভাবিকভাবেই আদালতের বিচারাধীন। তার আগে অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ চলবে। কিন্তু প্রকৃত দোষী উপযুক্ত শাস্তি পেলে সমাজের সামনে তা যে উদাহরণ হয়ে থাকবে, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই।


Kolkata: সাতসকালে কলকাতায় জোড়া খুন

এবার খাস কলকাতায় জোড়া খুন। গড়িয়াহাটের  ৭৮ এ কাঁকুলিয়া রোডের একটি দোতলা বাড়ি থেকে দু’জনের দেহ উদ্ধার। নিহতদের কবজি, ঘাড় এবং পায়ে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, মারধরের পর হাতের শিরা কেটে তাঁদের খুন করা হয়েছে। সম্পত্তিগত বিবাদের জেরে খুন বলেই মনে করা হচ্ছে। সাতসকালে এই ঘটনার জেরে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পরে. যদিও গড়িয়াহাটের ৭৮ কাঁকুলিয়া রোডের ওই দোতলা বাড়িটির মালিক সুবীর চাকি। তিনি আগে ওই বাড়িটির দোতলায় থাকতেন। তবে এখন আর তিনি ওই বাড়িতে থাকেন না।

বর্তমানে নিউটাউনের একটি বহুতলে থাকতেন সুবীর। দোতলা বাড়ির নীচতলাটি একটি বেসরকারি সংস্থাকে ভাড়া দিয়েছিলেন তিনি। কাঁকুলিয়া রোডের এই বাড়িটি বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন সুবীর চাকি। বিক্রির জন্য বাড়ি দেখাতেই রবিবার গাড়িচালক রবীন মণ্ডলের সঙ্গে কাঁকুলিয়া রোডে যান তিনি। অভিযোগ পাওয়ার পরই কাঁকুলিয়া রোডের বাড়িতে পৌঁছয় গড়িয়াহাট থানার পুলিশ। দরজা ভিতর থেকে বন্ধ ছিল।

অনেক ডাকাডাকির পরেও কোনও সাড়াশব্দ পাওয়া যায়নি। বাধ্য হয়ে বাড়ির দরজা ভেঙে ভিতরে ঢোকে পুলিশ। বাড়িতে ঢুকতে গিয়েই চোখ কপালে ওঠে তদন্তকারীরা। তাঁরা দেখেন দোতলা বাড়ির নীচতলায় পড়ে রয়েছে বাড়িমালিক সুবীর চাকির দেহ। দোতলা থেকে উদ্ধার হয় গাড়িচালক রবীন মণ্ডলের রক্তাক্ত দেহ। দু’জনেরই হাত, পা, ঘাড়ে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ঠিক কিভাবে ঘটনাটি ঘটল, তা তদন্ত করছে পুলিশ। 

এবার কুয়ো থেকে উদ্ধার বৃদ্ধার নলিকাটা দেহ

মঙ্গলবার সকালে হঠাৎই কুয়ো থেকে উদ্ধার হল নলি কাটা দেহ।  হাওড়ার ডোমজুড়ের খাটোরা গ্রামের বাসিন্দা গীতারানি সাউ। বয়স প্রায় ৬৬ বছর। জানা গিয়েছে, সোমবার দুপুরে গরুর জন্য ঘাস কাটতে বেরিয়ে ছিলেন তিনি। এরপর দীর্ঘক্ষণ পেরিয়ে গেলেও খোঁজ মেলেনি তাঁর। সন্ধে হয়ে গেলেও বাড়ি ফেরেননি তিনি। স্বাভাবিকভাবেই এলাকায় বৃদ্ধার খোঁজ করেন পরিবারের সদস্যরা। পরে মঙ্গলবার সকালে কুয়োয় নজর পড়তেই বাড়ির লোকেরা দেখতে পান, পড়ে রয়েছে বৃদ্ধার দেহ। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় পুলিশে।

এরপর হাওড়ার ডোমজুড় থানার পুলিশ ওই দেহটি উদ্ধার করে. যদিও দেহটিকে ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।  প্রাথমিকভাবে পুলিশের অনুমান, গলার নলি কেটে খুন করা হয়েছে বৃদ্ধাকে। ঠিক কি কারণে খুন, তা এখনও স্পষ্টত নয় ।  বৃদ্ধার পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, কয়েকদিন আগে কয়েকজন যুবক সুপারি চুরি করতে ঢুকেছিলেন তাঁদের বাড়িতে। বৃদ্ধা তা দেখে ফেলেছিলেন। সেই কারণেই খুন বলে অনুমান করা হয়ছে। খুনের পর বৃদ্ধার দেহটি ফেলে দেওয়ার পর নারকেল গাছের পাতা দিয়ে কুয়োটি ঢেকে দিয়েছিল অভিযুক্তরা। 




হরিদেবপুর কারখানায় প্রৌঢ়কে নৃশংস খুন

ফের শহরে নৃশংস খুন। পর্ণশ্রীর পর এবার হরিদেবপুর।  প্রৌঢ় ব্যবসায়ীকে গলার নলি কেটে খুন করার অভিযোগ উঠল। নিহতের নাম তপন দে। হরিদেবপুরের চক রামনগর এলাকায় তাঁর লেদের কারখানা ছিল বলে জানা গিয়েছে।টালিগঞ্জের ক্যাওড়াপুকুর এলাকার বাসিন্দা তপন দে। হরিদেবপুরের লেদার কারখানাটি বেশিরভাগ সময় একাই চালাতেন।

শুক্রবার রাত এগারোটা বেজে গেলেও বাড়ি না ফেরায় তপনবাবুকে  ফোন করেন তাঁর স্ত্রী। তপনবাবু ফোন না তুললে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। কারখানার কাছেই তপন দে’র স্ত্রীর বাপের বাড়ি।  পরিবারের সদস্যদের কারখানায় গিয়ে খোঁজ নিতে বলেন তপনবাবুর স্ত্রী। এরপরই খুনের ঘটনা জানা যায়। ঘটনার জেরে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ায়।

যদিও কয়েকদিন আগেই পর্ণশ্রীর সেনপল্লি এলাকার গোপাল মিশ্র রোডের বহুতল ফ্ল্যাটে সুস্মিতা মণ্ডল ও তাঁর ছেলে তমোজিতের গলা কাটা দেহ উদ্ধার হয়। সেই ঘটনায় একের পর এক তথ্য প্রকাশ্যে আসছে। শোওয়ার ঘরে সুস্মিতাদেবীর দেহ পড়ে ছিল। তমোজিতের দেহ ছিল তার পাশের ঘরে। পর্ণশ্রী থেকে হরিদেবপুর কয়েক কিলোমিটারের দূরত্ব। তারমধ্যেই দুই জায়গায় গলা কাটার ঘটনা। ঘটনার তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ। 

ট্রাকে বেঁধে টেনে নিয়ে খুন,নেটদুনিয়ায় দেখুন অমানবিক দৃশ্য !

প্রথমে সাত-আটজন মিলে বেধড়ক মারধর। তারপর গাড়ির পিছনে দড়ি দিয়ে বেঁধে টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে যাওয়া হল অনেকখানি রাস্তা। গুরুতর আহত অবস্থায় ৪০ বছরের ওই দলিত যুবককে হাসপাতালে ভরতিও করা হয়। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। শুক্রবার চিকিৎসা চলাকালীনই মৃত্যু হয় তাঁর।

দলিত যুবকের উপর এমন অত্যাচারের ঘটনার ভিডিও ছড়িয়ে পড়তেই নিন্দার ঝড় ওঠে দেশজুড়ে।চুরি করেছেন। এই অভিযোগে এক ব্যক্তিকে প্রথমে বেধড়ক মারধর করে তার পর ট্রাকের সঙ্গে পায়ে দড়ি বেঁধে টেনে নিয়ে যাওয়া হল মধ্যপ্রদেশে। এই ঘটনার কিছু ক্ষণ পরই ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়। নেটমাধ্যমে ঘটনাটির একটি ভিডিয়ো প্রকাশ করে মধ্যপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা কংগ্রেস নেতা কমল নাথ জানতে চেয়েছেন ‘মধ্যপ্রদেশে এ সব কী হচ্ছে...?’নেটমাধ্যমে দেওয়া ভিডিয়োটিতে নির্যাতিত মানুষটির উপর অত্যাচার এবং তাঁর শেষ মুহূর্তের যন্ত্রণা ধরা পড়েছে।

ভিডিয়োটি দিয়ে টুইটারে কমল নাথ প্রশ্ন তুলেছেন, ‘উপজাতি সম্প্রদায়ের ব্যক্তির সঙ্গে কী ধরনের বর্বরতা এটি?’টনাটি ঘটেছে মধ্যপ্রদেশের নিমচা জেলার কালান গ্রামে। পুলিশ জানিয়েছে নির্যাতিত ওই ব্যক্তি ভিল সম্প্রদায়ভুক্ত। তাঁর নাম কানহাইয়ালাল। চুরির অভিযোগে তাঁকে মারধর করেন মধ্যপ্রদেশের রাজপুত শ্রেণির গুর্জর সম্প্রদায়ের কয়েক জন। যে ভিডিয়োটি প্রকাশ্যে এসেছে, তাতে দেখা গিয়েছে, কানহাইয়ালালের পায়ে দড়ি বেঁধে সেই দড়ি বেঁধে দেওয়া হচ্ছে একটি ট্রাকের পিছনে।ইতিমধ্যে এই ভিডিও নেটদুনিয়ায় ভাইরাল হয়ে পড়েছে। 









দেওরকে ছাদ থেকে ফেলে দিল বৌদি !

এবার পৈতৃক সম্পত্তি লুঠের চেষ্টায় দেওরকে ছাদ থেকে ঠেলে ফেলে দিল বৌদি। ঘটনাটি ঘটেছে দমদম নাগেরবাজার এলাকার ২১ নম্বর ওয়ার্ডের দুর্গাপট্টিতে। আজ সকালে হঠাৎ পাঁচতলা বিল্ডিং থেকে পরে যাওয়ার শব্দ শোনা যায়. এরপর আওয়াজ শুনতেই এলাকাবাসীরা ছুতে আসে. যদিও ঠিক কি কারণে ওই যুবককে ফেলে দেওয়া হল ছাদ থেকে জানা যায়নি।

সেখাকার এক এলাকাবাসী জানান, মূলত ওই যুবকের নামেই বাড়ির সম্পত্তির একাংশ ছিল. তাঁরা ফ্ল্যাটেই থাকেন। ওই যুবক বাড়ির ছোট ছেলে। এছাড়া তার দাদা ও বৌদি থাকতেন। তবে জানান যায়, দীর্ঘদিন ধরেই ওই যুবককে মারধর করা হত. রীতিমত দাদা ও বৌদি মাইল তাঁকে ধরে ,মারত। এরপর আজ সকালে ওই যুবক কে পাঁচতলা বিল্ডিং থেকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেদেয় তার বৌদি। যদিও ঘটনাস্থলে ইতিমধ্যে পুলিশ এসে পৌঁছয়। তবে কি কারণে ফেলে দেওয়া হয়েছে তা এখনও স্পষ্টত নয়. পুলিশ এই ঘটনার তদন্ত করছে। 


গুণধর ছেলের কান্ড, পরিবারের ৪ জনকে খুন করে পুঁতে রেখেছিল ঘরে

মালদাঃ মা-বাবা-সহ পরিবারের ৪ জনকে নৃশংসভাবে খুন করে ঘরেই চার মাস পুঁতে রেখেছিল ছোট ছেলে। ইতিমধ্যেই গুণধর ছেলে আসিফ মহম্মদকে গ্রেফতার করেছে কালিয়াচক থানার পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে কালিয়াচকের পুরাতন ১৬ মাইল গ্রামে।

শনিবার ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতেই মাটি খুঁড়ে উদ্ধার করা হয়  চারজনের মৃতদেহ। ময়নাতদন্তের জন্য দেহগুলো মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

মালদার পুলিশ সুপার অলোক রাজোরিয়া জানান, 'কোল্ডড্রিঙ্কের মধ্যে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে পরিবারের চার সদস্যকে খাইয়েছিল আসিফ। এরপর তারা অচেতন হয়ে পড়ে। তারপর সুড়ঙ্গপথে জলের ট্যাঙ্কে ফেলে দেয় আসিফ। প্রত্যেকের মুখেই সেলোটেপ লাগানো ছিল। হাত-পাও বাঁধা ছিল বলে খবর। এমনকি ট্যাঙ্কের উপর মাটি ও বালি চাপা দেওয়া ছিল।  

 পুলিশের দাবি, ধৃত আসিফ মহম্মদ জেরায় জানিয়েছে, প্রায় ৪ মাস আগে মা-বাবা, বোন ও ঠাকুমাকে নৃশংসভাবে খুন করে গুদামঘরের জল ভর্তি চৌবাচ্চায় ফেলে দেয়। পরে চৌবাচ্চা থেকে চারজনের দেহ তুলে বাড়ি লাগোয়া গুদামঘরে পুঁতে রাখে।