মুকুল কি ফের রাজ্যসভায় ?

তৃণমূলের অন্দরে এই বিষয়টি ঘুরে বেড়াচ্ছে যে মুকুল রায়কে ফের রাজ্যসভায় পাঠানো হতে পারে বলে সংবাদ । সম্প্রতি রাজ্য বিধানসভায় মুকুলকে নিয়ে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে জটিলতা বাড়ছে । মুকুলকে পি এ সি চেয়ারম্যান করে তৃণমূল যে 'খেলা ' খেলেছিল তবে কি তার থেকে সরে আসতে চাইছে, উঠেছে প্রশ্ন ।
সূত্র মারফত জানা গিয়েছে মুকুল ইস্যু নিয়ে আর দীর্ঘ জটিলতা চাইছে না তৃণমূল নেতৃত্ব । এর থেকে মুকুলকে রাজ্যসভায় পাঠালে আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে তাঁকে অনেক বেশি কাজে লাগানো হতে পারে । সে ক্ষত্রে পিএসি চেয়ারম্যানের কি হবে? সূত্র বলছে এমন কিছু নতুন ঘটনা ঘটবে যা কিনা চমকদার এবং শুভেন্দুর পক্ষে সুখকর নয় । তারপরই তৃণমূল মুকুল যুক্তি দেখিয়ে শিশির অদিকারী সদস্যপদ খারিজ করার কাজে নামবে । প্রসঙ্গত রাজ্যসভায় দুটি আসন তৃণমূলের খালি হয়েছে । একটি দীনেশ ত্রিবেদীর যার ভোট অগাস্টেই হয়ে যাবে । অন্যটি মানস ভূইঞার আসন । যার ভোট নভেম্বরে মধ্যে করতে হবে । একটিতে মুকুল গেলে অন্যটিতে যেতে পারেন যশবন্ত সিনহা ।  

মমতার দিল্লি সফরের সাথী মুকুল?

এই মুহূর্তে বাংলার রাজনীতিতে নিয়মিত নাম মুকুল রায় । তিনি একদিকে যেমন তৃণমূলে তেমনই সরকরি ভাবে বিধানসভায় বিজেপির বিধায়ক । বিজেপি দলনেতা শুভেন্দু, হাত ধুয়ে লেগে রয়েছেন মুকুলের বিধানসভা সদস্যপদ বাতিল করতে । এই জটিলতা চরমে গিয়েছে । ২১ জুলাই এর পর মমতা দিল্লি যাচ্ছেন তিনি জানিয়েছেন করোনা বাতাবরণে রাজধানীতে যাওয়া হয়ে ওঠেনি কিন্তু এবারে যাবেন ।
মমতা ঠিক কি কারণে দিল্লি যাচ্ছেন তা স্পষ্ট নয় কিন্তু তিনি জানিয়েছেন, প্রতি বছরই একবার পার্লামেন্টে যান তিনি । ওখানে অনেক পুরোনো বন্ধু রয়েছেন । কিন্তু রাজনৈতিক মহল বুঝেছে মুখ্যমন্ত্রী জল মাপতে যাচ্ছেন । অসমর্থিত সূত্রে জানা গেলো বহুদিন বাদে টীম মমতার সফর সঙ্গী হচ্ছেন এক সময়ের তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কম্যান্ড মুকুল রায় । সম্প্রতি মুকুলের পত্নী বিয়োগ হয়েছে । তাঁর পারলৌকিক ক্রিয়া শেষ হওয়ার পর মুকুল ফের রাজনৈতিক কাজে নেমেছেন । তাঁর দিল্লি সফর নিয়ে তৈরী হয়েছে নানান জল্পনা ।

পিএসি-র চেয়ারম্যান মুকুল

কলকাতাঃ ঘোষণা হল বি‌ধানসভার পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটি (পিএসি)-র চেয়ারম্যানের নাম। আর সেই নামটি হল মুকুল রায়।


বিস্তারিত আসছে --


শুভেন্দুকে পিছনে ফেলে এগিয়ে মুকুল!

কলকাতাঃ আজ শুক্রবার বিধানসভার চলতি অধিবেশনের শেষদিন,তাই আজই ঘোষণা হতে পারে বি‌ধানসভার পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটি (পিএসি) চেয়ারম্যানের নাম। আর সেই নামটি মুকুল রায় হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি, এমনটাই মত রাজনৈতিক মহলের।

সূত্রের খবর, বিজেপির তরফে পিএসি চেয়ারম্যান পদের জন্য ৬ জনের নাম জমা পড়েছিল।তৃণমূলের তরফে জমা পড়েছিল ১৪ জনের নাম। সেখানে নাকি এগিয়ে রয়েছে মুকুল রায়। তাছাড়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরাসরি মুকুল রায়কে সমর্থনের কথা জানিয়েছেন আগেই।

অন্যদিকে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও হাল ছাড়তে নারাজ। তিনি দাবি করছেন, ১৬ জুলাই মুকুলের পিএসি-র সদস্যপদ নিয়ে বিধানসভায় শুনানি ডেকেছেন স্পিকার। তার আগে পিএসি চেয়ারম্যান হিসাবে মুকুল রায়ের নাম ঘোষণা হলে,প্রয়োজনে আদালতের দ্বারস্থ হবেন শুভেন্দু।

সংসদে ১৯৬৭ সাল থেকে চলে আসা প্রথা অনুযায়ী, পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির চেয়ারম্যান পদ বিরোধীদের দেওয়া হয়।কিন্তু, নিয়ম হচ্ছে এক্ষেত্রে স্পিকারের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত।

মুকুল স্ট্র্যাটেজি

রবিবার নিজের নির্বাচনী ক্ষেত্রে গিয়েছিলেন মুকুল রায় | উত্তর কৃষ্ণনগরের মানুষের উপস্থিতি ছিল দেখার মতো | পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, এলাকার মানুষের কাজ তাঁকে তো করতে হবে | শুভেন্দু অধিকারীর মুকুল অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি জানান, শুভেন্দু আগে তাঁর বাবাকে নিয়ে ভাবুক | অর্থাৎ শিশির অধিকারী বিগত নির্বাচনে মোদির মঞ্চে উঠেছিলেন এবং মমতা সরকারের বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করেছিলেন, মুকুল সেটাই মনে করিয়ে দেন |মুকুল রায়কে নিয়ে যে জটিলতা তার আপাত সমাধান করা হয়েছে | তিনি বিরোধী আসন অর্থাৎ বিজেপির আসনে গিয়েই বিধানসভায় বসবেন | খাতায় কলমে তিনি এখনও বিজেপির বিধায়ক | এর ফলে তাঁকে পিএসি-র চেয়ারম্যান করতে আর বাধা থাকবে না | রবিবার অবশ্য কৃষ্ণনগরের কয়েকশো বিজেপি কর্মী তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছে |

মুকুলই পিএসির চেয়ারম্যান

ক্ষিপ্ত বিজেপির রাজ্য শাখা কারণ তাঁদের আপত্তি সত্বেও মুকুল রায়কে পাবলিক একাউন্টস কমিটির চেয়ারম্যান করা হয়েছে | বিধানসভার এই বিষয়ে কোনও নির্দিষ্ট আইন নেই | স্পিকার যে কোনও বিধায়ককে চেয়ারম্যান করতে পারেন তবে সাধারণত বিরোধী দলের বিধ্যাককেই এই দায়িত্ব দেওয়া হয়ে থাকে |

মুকুল রায় সম্প্রতি তৃণমূলে ফিরে এসেছেন কিন্তু তিনি বিধানসভায় তিনি এখনও বিজেপির বিধায়ক | এই বিষয়ে আজ স্পিকারের সঙ্গে দেখা করেন বিজেপির বিধানসভার বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারী | তিনি মুকুল রায়ের বিষয়ে আপত্তি তুলেছেন বলে খবর | 

মুকুল ছাড়ছেন কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা, পাশে মমতা !

তৃণমূল কংগ্রেসে ফিরেছেন সপ্তাহ ঘুরতে চললো, মুকুল রায় কিন্তু আর কেন্দ্রীয় কোনও সহযোগিতা আর চাইছেন না ফলে তিনি কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা ছাড়লেন | তাঁর জন্য বরাদ্ধ ছিল ওয়াই প্লাস ক্যাটাগরির নিরাপত্তা অনেকদিন ধরে | অবশ্য তৃণমূল ছেড়ে যাঁরাই বিজেপিতে এসেছেন তাদের উপহার স্বরূপ নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছিল এবং এই ক্ষেত্রে সেই ব্যক্তির রাজনৈতিক অবস্থান বা স্টেটাস দেখাও হয় নি বলে কটাক্ষ ছিল তৃণমূলের সমর্থকদের |


এরই মধ্যে বিজেপির অনেকেই কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা ছাড়তে চেয়েছিলেন যথা লকেট চট্টোপাধ্যায় অবশ্য নিরাপত্তাটি আজও আছে | মুকুলের বিষয় আলাদা | তিনি বিজেপি তথা কেন্দ্রীয় সরকারের কোনও সহযোগিতা আর চাইছেন না | অবশ্য তাঁর পাশে এসে গিয়েছে রাজ্য স্বরাষ্ট্র দপ্তর অর্থাৎ খোদ মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তর এখন থেকে মুকুলের নিরাপত্তার দায়িত্ব নিচ্ছে | মুকুল রাজ্য পুলিশের সিকিউরিটি পাচ্ছেন |

বিজেপি বিধায়কদের "বেসুরো" করতে ময়দানে মুকুল

শনিবার সকাল থেকেই বিজেপির বহু নেতা কর্মী দল পাল্টানোর পথে | ইতিমধ্যেই দল ছেড়ে তৃণমূলে শপথ নিয়ে দল ছেড়েছে  বীরভূমের এক ঝাঁক কর্মী | কিন্তু সেখানেই শেষ নয় | উত্তর ২৪ পরগনায় অনেকেই 'বেসুরো' | বাগদার বিধায়ক বিশ্বজিৎ দাস মুকুলের দল ছাড়াকে পরোক্ষে সমর্থন করেছেন , তিনি জানিয়েছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাথে তাঁর সম্পর্ক যথেষ্ট ভালো | ভোটের আগে তিনি 'দিদি'কে প্রণাম করতে গিয়েছিলেন সঙ্গে ছিলেন সুনীল সিং | সুনীল, অর্জুন সিং এর শ্যালক |

সুনীল এবারের ভোটে পরাজিত হয়েছেন এবং বর্তমানে পরিষ্কার মুকুলের দল বদলকে সমর্থন করেছেন | সম্প্রতি বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের ডাকা এক স্থানীয় বৈঠকে অনুপস্থিত ছিলেন বিশ্বজিৎ দাস , গাইঘাটার বিধায়ক সুব্রত ঠাকুর এবং সাংসদ শান্তনু ঠাকুর |

বেসুরো এখনই না হলেও জানা গিয়েছে, উত্তরবঙ্গ এবং জঙ্গলমহলের  বেশ কয়েকজন বিধায়কের সাথে যোগাযোগ রেখেছেন মুকুল রায় | এদের অধিকাংশই নাম এবং বিষয় জানাতে অনিচ্ছুক | একমাত্র ডাবগ্রামের বিধায়ক শিখা চট্টোপাধ্যায় স্বীকার করেছেন তাঁর সাথে মুকুলের কথা হয়েছে | কিন্তু কি সেই কথা জানান নি | ফলে বিজেপি ভাঙাতে মুকুল ফিল্ডে | 

মুকুল রায় আবার তৃণমূলে

কলকাতাঃ মুকুল রায় আবার তৃণমূলে ফিরে আসলেন। ঘরের ছেল মুকুল,জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।


বিস্তারিত আসছে --

বাড়ি থেকে বেরিয়ে তৃণমূল ভবনে মুকুল!

বাড়ি থেকে বেরিয়ে তৃণমূল ভবনে মুকুল- শুভ্রাংশু!

কলকাতাঃ বাড়ি থেকে বেরিয়ে তৃণমূল ভবনে যাচ্ছেন মুকুল রায়। তার সঙ্গে রয়েছেন পুত্র শুভ্রাংশু রায়। এমনটাই সূত্রের খবর।

বিস্তারিত আসছে --

মুকুলকে আটকাতে পারবে না বিজেপি


প্রসূন গুপ্ত,কলকাতাঃ শেষ খবর মুকুল যুক্ত হতে চলেছে তৃণমূলের জোড়া ফুলে | এবারে দুটি ঘটনা ঘটতে পারে, হয়তো মুকুল আজই যোগ দিলেন না তৃণমূলে কিন্তু বার্তাটি দিয়ে রাখলেন | নতুবা সরাসরি আজই যোগ দিলেন | কিন্তু ঘটনা যাই হোক না কেন, বার্তা কোনও না কোনও ভাবে মুকুল আজ কিছু দেবেনই |

তবে মুকুল পুত্র বা মুকুল অনুগামীরা যোগ দেবেন | মুকুল অনুগামীদের সাথে তাঁর দফায় দফায় বৈঠক হয়েছে | তৃণমূলের অভ্যন্তরের খবর মুকুল বা তাঁর অনুগামীদের বিষয়ে সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সবই জানেন এবং তাঁর অনুমোদন যে আছে তা মুকুল পত্নী কৃষ্ণাদেবীকে দেখতে যাওয়াতে পরিষ্কার হয়ে যায় |

মোটের উপর মুকুল আজ তৃণমূলকে বার্তা দিচ্ছেন সেটা দুপুর ৩ টা বাজলেই মানুষের নজর থাকবে কালীঘাট এবং তারপর তৃণমূল ভবন | কোনও ভাবেই মুকুলকে বিজেপি ধরে রাখতে পারবে না |

Big breakingঃ আজই তৃণমূলে যোগ দিতে পারেন মুকুল রায়

কলকাতাঃ আজই তৃণমূলে যোগ দিতে পারেন মুকুল রায়।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-র উপস্থিতিতে মুকুল এবং শুভ্রাংশুর রায়  তৃণমূলে যোগ দিতে পারেন। এমনটাই সূত্রের খবর।তবে শেষমুহূর্তে কোনও নাটকীয় পট পরিবর্তন ঘটলেও ঘটতে পারে। কারণ মুকুল যোগ নিয়ে শাসক দল থেকে কিছু জানানো হয়নি।


বিস্তারিত আসছে --

বেসুরো হচ্ছেন বিজেপির অনেকেই

তৃণমূল থেকে আগত নাব্য বিজেপির অনেকেই সুর পাল্টাচ্ছেন | সকলেই যে এবারের বিধানসভার ভোট পরাজিত এমন নয় জয়ী প্রার্থীরাও যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করছেন দলের সঙ্গে | রবিবার সভাপতি দিলীপ ঘোষের ডাকা বৈঠকে অনুপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন তৃণমূল এবং বর্তমানে বিজেপির সাংসদ সৌমিত্র খান | সৌমিত্র দলের রাজ্য যুব সভাপতি | তাঁকে খুঁজে পাওয়া গেলে জানান তিনি সল্টলেকে মুকুল রায়ের বাড়িতে ছিলেন তাঁর স্ত্রীর শারীরিক খবর নিতে | অবশ্য তিনি দলে নেই এমন কথা বলেন নি |

পাশাপাশি দলের ৫ জন সম্প্রতি হওয়া বিধায়ক, উইলসন চাম্পামারী সহ বাকিরা দলের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করেছেন | এছাড়া ৩৩ জন 'দলবদলু'র ৫ জন জিতেছেন বাকিরা হেরে গিয়েছেন, তাদের মধ্যে অনেকেই তৃণমূলে ফিরতে চাইছেন কিন্তু শনিবারের সাংবাদিক বৈঠকে পার্থ চট্টোপাধ্যায় পরিষ্কার জানিয়েছেন যে এখনই দল এই নিয়ে ভাবছে না | কিন্তু দিলীপবাবুদের কাছে যে 'পুনর্বাসনের' বার্তা রয়েছে তা সূত্র মারফত জানা গিয়েছে

কে কে ফিরতে পারেন তৃণমূলে

আগামী শনিবার দুপুরে তৃণমূল ভবনে তাদের সাংগঠনিক সভা । এই সভায় যেমন স্থির হবে আসন্ন পৌরসভা, পঞ্চায়েত এবং লোকসভার দায় দায়িত্ব কাদের উপর বর্তাবে অর্থাৎ জেলা সভাপতি থেকে শুরু করে দলের সভাপতি সম্পাদক বিভিন্ন জেলা থেকে করা আসতে পারে | একই সাথে দলের কর্মীদের কাছে প্রশ্ন তৃণমূল ছেড়ে যারা চলে গিয়েছিলেন তারা কি ফিরে আসার সুযোগ পাবেন ? অনেক 'বেসুরো'কিন্তু মুখ ধুয়ে ফেলে ক্ষমা চেয়ে ফিরতে চাইছেন । 

অন্দরের খবর যা, দলের কর্মী সমর্থকদের প্রবল আপত্তি 'দলবদলুদের' ফিরিয়ে আনার বিষয়ে । সোশ্যাল নেটওয়ার্কে তারা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে অনুরোধ করেছে, এদের যেন ফিরিয়ে নেওয়া না হয় । কিন্তু প্রশ্ন এটাও যে কাউকেই কি ফেরত নেওয়া হবে না ? সম্প্রতি অসুস্থ মুকুল পত্নীকে  দেখতে গিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানান যে, রায় পরিবার তাদের ঘনিষ্ঠ এবং মুকুলবাবুরর স্ত্রী কৃষ্ণা তাঁর মাতৃসমা । পুত্র শুভরাংশুও অভিষেকের প্রশংসা করেন । ফলে মুকুল রায় ঘনিষ্ঠরা খুব দ্রুত কেউ কেউ তৃণমূলে ফিরতে পারেন বলে সংবাদ,যদিও মুকুল এই বিষয়ে কোনও আলোকপাত করেন নি ।

মুকুল-শুভেন্দু কেন গ্রেফতার নয়? জনস্বার্থ মামলা হাইকোর্টে

নারদ ঘুষ তদন্তে সোমবারই চারজন হেভিওয়েট নেতা-মন্ত্রীকে গ্রেফতার করেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআই। যা নিয়ে সোমবার দিনভর তোলপাড় রাজ্য। মঙ্গলবার সকাল থেকেও ঘটনাপ্রবাহ দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে। এবার নয়া সংযোজন আরেকটি জনস্বার্থ মামলা। কলকাতা হাইকোর্টে দায়ের হল এই জনস্বার্থ মামলা। মুকুল রায় এবং শুভেন্দু অধিকারীকে কেন গ্রেফতার করা হল না একই অপরাধে? এই মর্মেই দায়ের হল জনস্বার্থ মামলা। বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং মুকুল রায়ের নাম উল্লেখ করে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন কংগ্রেস নেতা অমিতাভ চক্রবর্তী। জানা যাচ্ছে, নারদ মামলায় তাঁর আগের দায়ের করা জনস্বার্থ মামলাতে এই বিষয়টি উল্লেখ করেছেন তিনি।


সোমবার এক লিখিত বিবৃতিতে অমিতাভ চক্রবর্তী জানিয়েছেন, আমার যতদূর মনে পরে বাংলার কোনও নেতা-মন্ত্রীকে এইভাবে হাত পেতে টাকা নিতে টিভির পর্দায় দেখিনি। এইসব অন্য রাজ্যে হয়,  বাংলায় হয় না। সেই জন্যই মহামান্য কলকাতা হাইকোর্টে কাছে আমার আবেদন ছিল যে, যিনি স্ট্রিং অপারেশন করেছেন তিনি অপরাধী,  না যে সব নেতাদের টাকা নিতে দেখা গেছে তাঁরা অপরাধী,  সেটাই বিচার হোক। সিবিআই আমাকে যখন ডেকেছিল তখনও একই কথা তাঁদেরও বলেছিলাম। তবে হাইকোর্ট সূত্রে জানা যাচ্ছে, এখনই এই মামলার শুনানি হচ্ছে না। জানা যাচ্ছে লকডাউনের পরে এই মামলা শোনা যেতে পারে বলেই মত প্রধান বিচারপতির।