Mamata Banerjee: বিধায়ক হিসেবে শপথ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ তিন বিধায়কের

কলকাতাঃ ভবানীপুর উপনির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী হন মুখ্যমন্ত্রী  মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শপথবাক্য পাঠ কোথায় হবে,তা নিয়ে রাজ্য-রাজ্যপালের মধ্যে দড়ি টানাটানি। অবশেষে আজ বৃহস্পতিবার বিধানসভায় এসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ তিন বিধায়কে শপথবাক্য পাঠ করান রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। 

শপথ গ্রহন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য রাজ্যের সমস্ত বিধায়ক এবং সাংসদদের আমন্ত্রণ জানানো হয়। কিন্তু এই শপথে অংশ নেয়নি বিজেপি বিধায়করা। 

উল্লেখ্য, ভবানীপুরে প্রতিপক্ষকে হারিয়ে জয়ী হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পেয়েছেন ৫৮,৮৩৫ ভোট। বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়ালের প্রাপ্ত ভোট ২৪ হাজার ৩৯৬টি ভোট।

পাশাপাশি ৯২ হাজার ৬১৩ ভোটে জয়ী হন জঙ্গিপুর বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থী জাকির হোসেন। তাঁর প্রাপ্ত ভোট- ৯৬১২০, বিজেপি প্রার্থী মিলন ঘোষ পেয়েছেন ১০৭৭৭, কংগ্রেসের জইদুর রহমান ৭০০০৯, সিপিআইএমের মোদাসসর হোসেন পেয়েছেন ৬১৪৫।


Durga Puja: মহালয়ার দিনে পুজো উদ্বোধনে মমতা

হাতে মাত্র আর কয়েকটা দিন বাকি। এরপর বাঙালির উৎসবের মরসুম শুরু। তবে গত একবছর ধরে করোনা অতিমারীর জেরে পুজো মণ্ডপ থাকছে দর্শকশূন্য। এবছর ও সেই একই নিয়ম জারি থাকছে। এদিকে এখনও অতিমারী কাটেনি। সেইমত বিধিনিষেধ মেনেই হবে পুজো। যদিও এক্ষেত্রে পুজো উদ্যোক্তাদের বিধিনিষেধ মেনেই পুজোর আয়োজন করা হবে। ইতিমধ্যে কলকাতার বড় বড় পুজোগুলোর পরিদর্শন করছেন কলকাতা পুলিশ। তবে আগামীকাল মহালয়া। কলকাতার পুজো উদ্বোধনে থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।


জানা গিয়েছে,মহালয়ার দিনেই চেতলা অগ্রণী ক্লাবের পুজোয় যাবেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে মায়ের চক্ষুদান করবেন। এর পাশাপাশি সেলিমপুর, বাবুবাগান এই পুজোগুলোর উদ্বোধনে যাবেন। যদিও হাইকোর্টের তরফে জানানো হয়েছে, এবছরও মণ্ডপ থাকবে দর্শকশূন্য।


ইতিমধ্যে রাজ্যসরকারের তরফে বলা হয়েছে, আগামী ৩০ অক্টবর পর্যন্ত বিধিনিষেধ থাকবে। তবে রাত ১১ টা থেকে ভোর ৫ টা পর্যন্ত নাইট কার্ফু থাকছেনা।সেখানে ছাড় দেওয়া হয়েছে। এদিকে যান চলাচলের কোনও নিষেধাজ্ঞা থাকছেনা।


Mamata Banerjee: শেষ লড়াইয়ে ভবানীপুরে জয়ী মমতা

শেষ লড়াইয়ে জিতল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবাসরীয় সকালে ভবানীপুরের আকাশের কালো মেঘ সরতেই দেখা গেল বাংলার জননেত্রী স্বমহিমায় উজ্বল। তাঁর আগের জয়ের ব্যবধান তো তিনি টপকেছেনই, ভোট শতাংশের বিচারে সর্বকালের অন্যতম বড় জয়ের রেকর্ডও গড়ে ফেললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল নেত্রী আবারও প্রমাণ করলেন তাঁর তুলনা তিনি নিজেই।২০১১ উপনির্বাচনে মুখ্যমন্ত্রীর জয়ের ব্যবধান ছিল ৫৪ হাজার ২১৩। এবার সেই ব্যবধান টপকে গিয়ে মমতা ৫৮ হাজার ৩৮৯ ভোটে। ২০১১ সালের থেকে মমতার জয়ের ব্যবধান বাড়াটা নিঃসন্দেহে বিরাট বড় সাফল্য।

কারণ, সেদিন বিপক্ষে মোদি-শাহর  বিজেপির মধ্যে প্রবল পরাক্রমী প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল না। তখন কংগ্রেসও ছিল তৃণমূলের সঙ্গে। তাছাড়া, সেসময় সদ্যই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন, আজকের মতো প্রতিষ্ঠান বিরোধিতার লেশমাত্র সেদিনের নির্বাচনে ছিল না। ২০১৬ সালে মমতা যখন ভবানীপুর থেকে জিতলেন তখন ভোট পড়ে ১,৩৭,৪৭৫।

মোট ভোটারের ৬৬.৮৩ শতাংশ। সেসময় ২৬ হাজার ২৯৯ ভোটে কংগ্রেসের দীপা দাশমুন্সীকে হারিয়েছিলেন মমতা। গত এপ্রিল মাসে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় যখন এই কেন্দ্রে জিতলেন, তখন ভোট পড়েছিল ১,২৭,৫৩৬। মানে ৬১.৭৯ শতাংশ। শোভনদেব জিতেছিলেন ২৮,৭১৯ ভোটে। এবারে ভোট পড়েছে মাত্র ৫৭ শতাংশের সামান্য বেশি। অর্থাৎ আগেরবারের থেকে অনেকটাই কম। তা সত্ত্বেও তৃণমূল নেত্রীর জয়ের ব্যবধান আগের সব নির্বাচনের থেকে হাজার হাজার বেশি।শেষমেষ জয় হল তৃণমূলের। 


Mamata Banerjee: বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে ডিভিসিকে তোপ, প্লাবিত এলাকা পরিদর্শনে যাবেন মুখ্যমন্ত

একের পর এক নিম্নচাপের জের বৃষ্টি চলেই যাচ্ছে। এদিকে কলকাতার পাশাপাশি গ্রামের পরিস্থিতি একবারে খারাপের দিকে। গোটা জায়গায় জলমগ্ন পরিস্থিতি। প্লাবিত পূর্ব মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, হাওড়া, হুগলি-সহ বেশ কয়েকটি জেলা। জলের তলায় বহু গ্রাম। ঘর হারানো মানুষজন একটু ডাঙার খোঁজে উত্তাল নদীর স্রোতের মধ্যে দিয়েই সাঁতরে চলেছেন। বিভিন্ন জেলা থেকে বহু ক্ষয়ক্ষতির খবর মিলছে। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে শনিবার প্লাবিত এলাকায় যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এদিকে জানা যাচ্ছে, আবহাওয়া ঠিক থাকলে শনিবার সকালে বাঁকুড়া, মেদিনীপুর, হুগলি, হাওড়া-সহ বিভিন্ন জেলার প্লাবিত এলাকা আকাশপথে পরিদর্শন করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই প্লাবনের জন্য শুক্রবার ডিভিসিকেই দায়ী করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, “এটা ম্যান মেড বন্যা। ঝাড়খণ্ডের জন্য আমাদের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।

ডিভিসির সঙ্গে একাধিকবার কথা বলা হয়েছে। কোনও লাভ হয়নি। মাঝ রাতে জল ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। আমরা কোনও ব্যবস্থা নিতে পারছি না। আমাদের সঙ্গে অন্যায় হচ্ছে।” পাশাপাশি প্লাবিতদের জন্য সাহায্যের আরজি জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। 

Mamata Banerjee: পুজোয় এবার বাড়ি বাড়ি দিদির উপহার

পুজোর আর হাতে মাত্র কয়েকটা দিন বাকি। যদিও পুজোর কেনাকাটা সকলের শুরু হয়েছে। তবে অনেকে আবার আর্থিক অবস্থার কারণে কেনাকাটা শুরু করেনি। অনেকেরই এই করোনা পরিস্থিতিতে আর্থিক টান পড়েছে। কারোর আবার চাকরি নেই.  পুজোর হাতে গোনা মাত্র কয়েকটা দিন বাকি। অন্যবছর এই সময় কেনাকাটায় ব্যস্ত থাকেন কমবেশি সকলেই। এবারও টুকিটাকি কেনাকাটা শুরু করেছেন অনেকেই, তবে করোনা পরিস্থিতিতে কমবেশি বহু মানুষ আর্থিক সংকটে। সেই কারণেই এবার পুজোর মুখে জেলার মহিলাদের শাড়ি উপহার দিচ্ছে রাজ্য সরকার।

তবে রাজ্যের তরফে অভাবীদের হাতে শাড়ি তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর নাম দেওয়া হয়েছে, ‘পুজোয় দিদির উপহার।’ পুজোর মরশুমে নতুন পোশাক না হওয়ায় মন খারাপ না হয়, সেই কারণেই এই বিশেষ উদ্যোগ। জানা গিয়েছে, রাজ্যের প্রতিটি ব্লকের অভাবী পরিবারের মহিলাদের হাতে তুলে দেওয়া হবে এই শাড়ি।

সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এই শাড়ি পাবেন মহিলারা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই সিদ্ধান্তে খুশি  মহিলারা। এদিকে তৃতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় আসার পর মহিলাদের জন্য অনেক প্রকল্প চালু করেছেন। কন্যাশ্রী থেকে শুরু করে রূপশ্রী ,এমনকি লক্ষীর ভান্ডার।  

Politics: আগামী দশ বছর মুখমন্ত্রী মমতা নিয়ে চিন্তা নেই : জ্যোতিপ্রিয়

৪০ বছর ধরে দিদির সঙ্গে রাজনীতি করছি , ওরকম একটা মানুষ হয় না জানালেন মমতার একান্ত অনুগত সঙ্গী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক । জ্যোতিপ্রিয় নামে নয় বালু হিসাবেই দিদির সঙ্গী তিনি । তিনি বললেন, অত বড় মনের মানুষ আর হয় না । আসন্ন ভবানীপুর উপনির্বাচন নিয়ে বালুর বক্তব্য, দিদি বিরোধীদের জামানত বাজেয়াপ্ত করে দেবে । বালু বলেন, আজ ভারতে মমতার বিকল্প কিছু আছে নাকি ? তিনি জানালেন, দিদির প্রচারের দরকার হয় না কিন্তু যেহেতু অন্য কোনও কেন্দ্রে নির্বাচন নেই সেহেতু দিদি নিজের পাড়াতে মানুষের সাথে কিছুটা সময় কাটাচ্ছেন ।

ভূয়সী প্রসংশা করলেন জ্যোতিপ্রিয় অভিষেককে নিয়ে । বললেন বালু, আগামী ২০ বছরের নেতা পেয়ে গিয়েছে ভারত তথা বাংলা । এতো অল্প বয়সে এক যুবকের এতটা অভিজ্ঞতা এবং সাথে দুর্দান্ত ভাষণ এর আগে কেউ দেখেছে নাকি ? বাংলা অভিষেকের মধ্যে আগামীদিনের নেতা পেয়ে গিয়েছে । ৩ তারিখে মিলিয়ে নিও দিদির বিশাল জয়, নিশ্চিত দিদির বালু ।অতি সক্রিয় শুভেন্দু 

প্রায় প্রতিদিন পালা করে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী আক্রমণের তীর তাক করে রেখেছেন তৃণমূল দলের বিরুদ্ধে বিশেষ করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকে । অনেক সময় ভাষণের ব্যাকরণ মানছেন না । বিজেপির অন্দরের কথা কেন্দ্রীয় বিজেপি নাকি শুভেন্দুর উপর অনেকটাই ভরসা করছে । পরিভাষায় 'স্পেস' দেওয়া হচ্ছে তাঁকে । দিলীপ ঘোষের সরকারকে আক্রমণের ধরণ এক রকম ছিল কিন্তু শুভেন্দুর টার্গেট খোদ মমতা ।

ভবানীপুরের মূল দায়িত্ব শোনা গিয়েছিলো অর্জুন সিংয়ের উপর কিন্তু অর্জুন খুব একটা ভবানীপুরের বিষয়ে আগ্রহী নন বলেই সূত্র মারফত খবর । অবশ্য অর্জুন ঘনিষ্ঠদের বক্তব্য এ সব বাজে রটনা, অর্জুন একদম বিজেপির অনুগত সৈনিক । কিন্তু পাশাপাশি ভবানীপুর নির্বাচনে সবচেয়ে সক্রিয় শুভেন্দু । নিয়মিত ওই কেন্দ্রে যাচ্ছেন এবং প্রচারে বলছেন এবার নিজের কেন্দ্রে 'মাননীয়া' হারবেন । তিনি আক্রমণের মধ্যে বিদ্যুৎপিষ্ট মানুষের মৃত্যুর জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দায়ী করছেন । বলেছেন, মন্দিরে যাচ্ছেন, কলমা পরে মসজিদে যাচ্ছেন কিন্তু এই মৃতদের বিষয়ে কিছু বলছেন না কেন ? শুভেন্দুর এই সক্রিয়তা কিন্তু পুরাতন বিজেপি কর্মীরা ভালো ভাবে নিচ্ছে না, তারা অপেক্ষায় আছে ৩ অক্টোবরের দিকে যেদিন ভোটের ফল প্রকাশ হবে । 

Politics: এবার গোয়ার পথে তৃণমূল !

ত্রিপুরার পর এবার গোয়া যেতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মাটি শক্ত করতেই সেই পথে তৃণমূল। এদিকে আগামী বছর অর্থাৎ ২০২২ সালে গোয়ায় বিধানসভা নির্বাচন। সেখানেই বিজেপি-র বিপক্ষে শক্তিশালী দল হিসাবে উঠে আসতে চাইছে তৃণমূল। সূত্রের খবর, গোয়ায় ইতিমধ্যেই পৌঁছে গিয়েছেন ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোরের সংস্থা আই প্যাকের ২০০ জন কর্মী। তাঁরা তৃণমূলের হয়ে কাজ করতেও শুরু করেছেন। শোনা যাচ্ছে, এর পর রাজনৈতিক লড়াইয়ের প্রাথমিক ধাঁচটা বুঝতে গোয়ায় যেতে পারেন স্বয়ং তৃণমূলনেত্রী।

প্রসঙ্গত, চলতি সপ্তাহেই নবান্নে মমতা-অভিষেক-প্রশান্ত কিশোর একান্ত এবং দীর্ঘ বৈঠক হয়েছে। সেই বৈঠকে গোয়ার পরিকল্পনা নিয়েও আলোচনা হয়ে থাকতে পারে বলে খবর। নির্বাচন কমিশন সূত্রে ইঙ্গিত, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি নাগাদ গোয়ায় নির্বাচন হতে পারে। সেখানে কংগ্রেস, বিজেপি বা আম আদমি পার্টি (আপ)-র পাশাপাশি তৃণমূলও লড়াই করতে চায়। ঠিক যেমন পরিকল্পনা রয়েছে তাদের ত্রিপুরা নিয়ে।২০২৩-এ নির্বাচন উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে। সেখানে ইতিমধ্যে নিজেদের উপস্থিতি জানান দিতে শুরু করেছে তৃণমূল। বার বার সেখানে যাচ্ছেন তৃণমূল নেতৃত্ব।গোয়া বিধানসভায় মোট ৪০টি আসন। ত্রিপুরার ঠিক অর্ধেক।

২০১৭ সালের নির্বাচনে গোয়ায় কংগ্রেস জিতেছিল ১৭টি আসনে। ১৩টিতে বিজেপি। তার পরেও বিজেপি ওই রাজ্যে সরকার গঠন করে। সেই সমীকরণকেই ‘হাতিয়ার’ করতে চলেছে তৃণমূল। গোয়ার বাসিন্দাদের কাছে এই বার্তাই নিয়ে যেতে চায় তৃণমূল যে, বিজেপি-র ‘শক্তিশালী বিরোধী একমাত্র ঘাসফুল শিবির। 

প্রচারে আসছেন অভিষেক

তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবারে ভবানীপুর সহ তিন কেন্দ্রে প্রচারে আসছেন । আগামী শনিবার ১৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় তিনি ভবানীপুর কেন্দ্রের লক্ষীনারায়ণ মন্দির প্রেক্ষাগৃহে স্থানীয় ভোটারদের সঙ্গে মিলিত হবেন অভিষেক । সন্ধ্যায় তাদের সঙ্গে আলোচনার পর ওই এলাকার ভোটারদের আয়োজনে এক নৈশভোগেও উপস্থিত থাকবেন তিনি । কিন্তু শুধু ভবানীপুর নিয়েই বসে থাকবেন না তিনি । তিনি দুই বিধানসভা যেখানে প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে ভোট হয় নি সেখানেও প্রচারে যাচ্ছেন বলে সংবাদ ।

ভবানীপুরে যেমন ৩০ সেপ্টেম্বর ভোট তেমনই দুটি কেন্দ্র যথা জঙ্গিপুর এবং সামশেরগঞ্জ বিধানসভাতেও ভোট হচ্ছে । এই দুই কেডির নিয়ে আদৌ চিন্তিত নয় তৃণমূল কিন্তু এলাকার মানুষের আমন্ত্রণে অভিষেক মুর্শিদাবাদ যাচ্ছেন । ২৩ সেপ্টেম্বর এই দুই কেন্দ্রে প্রচার করবেন অভিষেক । এছাড়া ২৫ এবং ২৬ সেপ্টেম্বর তিনি ফের ভবানীপুর কেন্দ্রে কর্মীসভা করবেন । ২৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যার পর আর প্রচার করা যাবে না । 

By-Election: তথ্য গোপনের অভিযোগে মমতার মনোয়ন বাতিলের দাবি বিজেপির

 নন্দীগ্রামের পর ভবানীপুর। ফের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের  মনোনয়ন বাতিলের দাবিতে কমিশনে অভিযোগ জানাল বিজেপি। গেরুয়া শিবিরের দাবি, ভবানীপুর উপনির্বাচনে মনোনয়নের আগে তথ্য গোপন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বিরুদ্ধে থাকা ফৌজদারি মামলার বিষয়ে হলফনামায় কোনও তথ্য দেননি মমতা। সামনেই উপনির্বাচন। মঙ্গলবার ভবানীপুরের  তৃণমূল প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিলের দাবি তুলে কমিশনকে চিঠি দিয়েছেন বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়ালের  নির্বাচনী এজেন্ট সজল ঘোষ। অভিযোগপত্রে তিনি দাবি করেছেন, একাধিক থানায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও তিনি নির্বাচনী হলফনামায় তা প্রকাশ করেননি।

প্রসঙ্গত, ১৩ সেপ্টেম্বর অর্থাৎ গতকাল ছিল ভবানীপুর কেন্দ্রের মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন। তার অনেক আগে শুক্রবারই আলিপুর সার্ভে বিল্ডিংয়ে গিয়ে নিজের মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। মঙ্গলবার স্ক্রুটিনির সময় তাঁর মনোনয়ন পত্রে ত্রুটির অভিযোগ তুলেছে বিজেপি।

যদিও ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনের সময় মমতা যখন নন্দীগ্রাম  কেন্দ্রের প্রার্থী হলেন, তখনও একইভাবে তাঁর মনোনয়ন বাতিলের দাবি তুলেছিলেন বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। কিন্তু কমিশন সে অভিযোগে সায় দেয়নি । শুভেন্দু  দাবি করেছিলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে একটি সিবিআই মামলা ও অসমের ৫টি মামলা মিলিয়ে মোট ছ’টি মামলা আছে। পরে সিবিআই সূত্রে জানা যায়, শুভেন্দু যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মামলার কথা বলছেন, সেটা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী নন। অন্য মমতা। সেসময় বিজেপি নেতার অভিযোগ স্পষ্টতই খারিজ করে দেয় নির্বাচন কমিশন।


Mamata Banerjee: সামশেরগঞ্জ ও জঙ্গিপুর ভোটপ্রচারে যাচ্ছেন না মমতা

ভোটপ্রচারে মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুর এবং সামসেরগঞ্জে  যাচ্ছেন না তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । আগামী ২২ ও ২৩ সেপ্টেম্বরে ভোট প্রচারে সেখানে যাওয়ার কথা ছিল তাঁর। তৃণমূলের জঙ্গিপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি তথা সাংসদ খলিলুর রহমান তৃণমূল নেত্রীর ভোটপ্রচারের পরিকল্পনা বাতিলের কথা জানিয়েছেন।

যদিও আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর ভবানীপুর উপনির্বাচনের পাশাপাশি মুশির্দাবাদ ও সামসেরগঞ্জে ভোট রয়েছে। করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই মূলত ভোট প্রচারে যাচ্ছেন না বলে জানা যাচ্ছে। এদিকে নির্বাচন কমিশন এর আগেই জানিয়েছে, এই পরিস্থিতিতে জাকজমক ভাবে ভোটপ্রচার করা যাবেনা।

সেকথা মাথায় রেখেই আগামী ২২ ও ২৩ সেপ্টেম্বর জঙ্গিপুর এবং সামশেরগঞ্জের প্রচার বাতিল করা হল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। যদিও এ বিষয়ে তৃণমূলের তরফে এখনও কিছু জানা যায়নি।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রচারের পরিকল্পনা বাতিলের প্রসঙ্গে তৃণমূলের জঙ্গিপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি তথা সাংসদ খলিলুর রহমান জানান, “রাজ্য নেতৃত্বের তরফে জানানো হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভোটপ্রচারে আসবেন না। আমরা নিজেরাই প্রচার করব।” কেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভোটপ্রচারে জঙ্গিপুর ও সামসেরগঞ্জে যাবেন না, সে বিষয়ে অবশ্য কিছু বলেননি তৃণমূল নেতা।

Mamata Banerjee: আজ মুখ্যমন্ত্রীর মনোনয়ন

শুক্রবার একদিকে গণেশ চতুর্থী অন্যদিকে জুম্মাবার । এমনই একটি দিন বেঁছে  নিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । অবশ্য মমতা চিরকালই শুক্রবারকে একটি আবেগের দিন হিসাবে দেখেন । আজও তার ব্যতিক্রম হচ্ছে না । অন্যদিকে এখনও বিজেপি তাদের প্রার্থী ঠিক করে উঠতে পারে নি । শোনা যাচ্ছে কখনও এক অবাঙালি প্রার্থীর নাম শোনা গেলেও তাতে সিলমোহর পরে নি । ইতিমধ্যে তৃণমূল তাদের প্রচার শুরু করে দিয়েছে । দলের প্রথম সারির নেতারা প্রচারের দায়িত্ব নিয়েছেন । ববি হাকিম থেকে সুব্রত মুখোপাধ্যায়, অরূপ বিশ্বাস থেকে সুব্রত বক্শি প্রায় সকলেই নেমে পড়েছেন প্রচারে । সিপিএম এক প্রার্থী ঠিক করেছে, তাদের পশে এবার নেই জোটসঙ্গী কংগ্রেস ।

শুক্রবার দ্বিতীয়ার্থে সার্ভে অফিসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর মনোনয়ন জমা দেবেন । জানা গিয়েছে, দলের কাছে বার্তা দিয়েছেন নেত্রী দল বেঁধে  মনোনয়ন কেউ যেন ভিড় না করেন ।আইনজীবী ও তৃণমূল নেতা বৈশানর চট্টোপাধ্যায় এবারে মুখ্যমন্ত্রীর মুখ্য নির্বাচন এজেন্ট । তিনি ব্যাতিত আর কেউই ভিড় বাড়ান এটা চাইছেন না ভবানীপুরের প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ।


ভগবানের জেষ্ঠ্যপুত্র, নাম না করে শুভেন্দুকে কটাক্ষ মমতার

কলকাতাঃ বুধবার নিজের নির্বাচন ক্ষেত্রে বক্তব্য রাখতে গিয়ে নাম না করে বিরোধী বিজেপি দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে এক হাত নিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । তিনি জানালেন, নির্বাচন ঘোষণা হলেই কেন্দ্রীয় এজেন্সিগুলোর তৎপরতা শুরু হয়ে যায় । তিনি বলেন, অহেতুক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে বারবার বিব্রত করা হচ্ছে এবং এটি তাঁকে আঘাত করার জন্য । দিল্লিতে ডেকে পাঠানো হচ্ছে কেন, এখানে তাদের অফিস থাকা সত্বেও দিল্লিতে ডেকে পাঠানো হচ্ছে । মমতা বলেন, বিভিন্ন বিরোধী দলকে এই ভাবে বিব্রত করা হচ্ছে কংগ্রেস, শারদ পাওয়ার, মুলায়ম যাদব ইত্যাদিদের ।

তিনি বলেন হত্যাকাণ্ডে তদন্তের জন্য বিশেষ কাউকে ডাকা হলে আদালত বলছে, ডাকা যাবে না, গ্রেফতার করা যাবে না । ইঙ্গিত নিঃসন্দেহে শুভেন্দুর দিকে কারণ এই ঘটনা ঘটেছে শুভেন্দুকে কেন্দ্র করে । মমতা বলেন, তিনি কি ভগবানের জেষ্ঠ্যপুত্র নাকি ?

কালারফুল মদন

কলকাতাঃ মদন মিত্র তৃণমূলের গোড়ার দিকের নেতা । একসময় সুবক্তা হিসাবে সুনাম ছিল । প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সির প্রিয়পাত্র ছিলেন মদন । ফলে প্রিয়বাবুর মতো বক্তব্যে রসবোধ ছিল বরাবরই । ইদানিং ঝুঁকেছেন ফেসবুক লাইভ । প্রায় প্রতিদিনই কোনও না কোনও বিষয় নিয়ে ফেসবুক লাইভ করেন।  

গান গাইছেন কখনও । আজ ভোট প্রচারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেই ফেললেন যে মদন খুব কালারফুল, মাঝেমধ্যে খুবই কালারফুল হয়ে যায় । কিন্তু কালারফুল বিষয়টি কি এবং মুখ্যমন্ত্রী কি ইঙ্গিত করতে চাইলেন, উৎসুক জনতা কিন্তু জানে ।

মদনবাবু ভোটের মধ্যে বিরোধী দল বিজেপির মহিলা নেত্রী এবং  চালচিত্র অভিনেত্রীদের নিয়ে গঙ্গার পারে নানান মজা করেছেন । এতে বিজেপির নেতারা বিস্তর চটেছিলো । তথাগত রায় সরাসরি আক্রমণ করেছিলেন নায়িকাদের 'নোটি' বলে কিন্তু ফের একই কাজ মাঝে মধ্যেই করতে ভালোবাসেন মদন মিত্র । তিনি ললনা পরিবৃত হয়ে থাকতে ভালোবাসেন এবং বলে ওঠেন লাভলী । মমতা কিন্তু ঠাট্টা করেও ভোটের সময় মদনকে কাজের সময় সিরিয়াস থাকতে নির্দেশ দেন ।

By Election: ভবানীপুরে মুখ্যমন্ত্র্রীর ভোটে ওয়ার্ডের দায়িত্ব তৃণমূল শীর্ষ নেতাদের

এবার ভবানীপুর বিধানসভার উপনির্বাচনের ওয়ার্ড ভিত্তিক দায়িত্ব দেওয়া হল তৃণমূলের শীর্ষ নেতাদের। একদিকে করোনা  সংক্রমণ রুখতেই এই পরিস্থিতিতে প্রচারের ক্ষেত্রে কোনও রকম ঝুঁকি নিতে রাজি নয় শাসকদল। কারণ, এই উপনির্বাচনে বিজ্ঞপ্তি জারি করে নির্বাচন কমিশন জানিয়ে দিয়েছে, প্রচার-সহ ভোট পরিচালনার কাজে কোনও ভাবে যদি কোভিডবিধি ভাঙা হয়, তা হলে সংশ্লিষ্ট দলের প্রার্থীকে আর প্রচার করতে দেওয়া হবে না। তাই প্রচার থেকে শুরু করে গণনা পর্যন্ত দলের শীর্ষ নেতাদের ওয়ার্ডভিত্তিক দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেই সূত্রের খবর।

কলকাতা পুরসভার আটটি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত ভবানীপুর বিধানসভা। নেতাদের দায়িত্ব দেওয়ার পাশাপাশি এক ওয়ার্ডের কর্মী ও নেতা যাতে অন্য ওয়ার্ডে গিয়ে প্রচার না করেন, সে ব্যাপারে  দৃষ্টি রয়েছে তৃণমূল নেতৃত্বের। এমনকি মুখ্যমন্ত্রীর প্রচারে আসতে ইচ্ছুক অন্য জেলার নেতাদের আসতে নিষেধ করা হয়েছে।জ্যের বর্ষিয়ান নেতা তথা পঞ্চায়েত মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়কে দেওয়া হয়েছে ৬৩ নম্বর ওয়ার্ডের দায়িত্ব। কলকাতা পুরসভার পুর প্রশাসক তথা পরিবহণমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমকে সর্বাধিক তিনটি ওয়ার্ডের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

নিজের ওয়ার্ড ৮২-র পাশাপাশি ৭৪ ও ৭৭ নম্বর ওয়ার্ডের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তাঁকে। ৭০ নম্বর ওয়ার্ডের দায়িত্বে রয়েছেন দক্ষিণ কলকাতা জেলা তৃণমূল সভাপতি তথা রাসবিহারীর বিধায়ক দেবাশিস কুমার। ৭১ ও ৭২ নম্বর ওয়ার্ডের দায়িত্বে থাকবেন তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির ওয়ার্ড ৭৩ নম্বর ওয়ার্ডের দায়িত্বে থাকবেন তাঁর ভাই কার্তিক বন্দ্যোপাধ্যায়। সামনেই উপনির্বাচন। তার আগেই জোর প্রস্তুতি চলছে। যাতে কোনোভাবে খামতি না থাকে সমস্তটাই দেখা হচ্ছে।এর পাশাপাশি করোনার দিকটাও মাথায় রাখা হচ্ছে। 

Mamata-Suvendu: মমতার বিরুদ্ধে ফের শুভেন্দু?

ভবানীপুর কেন্দ্রের উপনির্বাচনের দিন ধার্য হয়ে গিয়েছে ৩০ সেপ্টেম্বর এবং তৃণমূল প্রার্থী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কিন্তু তাঁর বিরুদ্ধে কে ? প্রাথমিক ভাবে দ্বিধান্বিত থাকলেও ভোটেই নামার প্রস্তুতির কথা জানাচ্ছে বিজেপি নেতৃত্ব । দলের সভাপতি দিলীপ ঘোষ প্রথমে জানিয়েছিলেন যে নির্বাচনের দিন ঘোষণা কারণে তাঁরা আদালতে যাবেন কিন্তু শেষ পর্যন্ত ভোটেই সর্বশক্তি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন । অন্যনেতা শমীক ভট্টাচার্য অবশ্য ভোট হওয়ার পথে যাচ্ছেন বলে খবর । দিলীপ ঘোষ বলেছিলেন, করোনার কারণে লোকাল ট্রেন বন্ধ এবং স্কুল কলেজ খোলা হচ্ছে না একই সাথে নাইট কারফিউ জারি রয়েছে তার মধ্যে ভোট হচ্ছে অথচ পৌর ভোট হচ্ছে না ।

কিন্তু এখন প্রশ্ন উঠেছে প্রার্থী হবে কে এবং এই উপনির্বাচন নিয়ে বাম ও কংগ্রেসের ভূমিকা কি ? শোনা যাচ্ছে কংগ্রেস হয়তো প্রার্থী দিচ্ছে না কিন্তু বামেরা কি জোট মেনে প্রার্থী দেবে না নাকি একক ভাবে প্রার্থী দেবে ? কিন্তু একই ভাবে বিধানসভার বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারী ফের প্রার্থী হতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন বলে সূত্র মারফত খবর । প্রশ্ন হচ্ছে সেটি কি সত্যি হতে চলেছে নাকি স্রেফ হাওয়া গরম করা হচ্ছে । মতের উপর শুভেন্দু দাঁড়ালে ৩০ সেপ্টেম্বরের ভোট জমজমাট হবে বলাই বাহুল্য ।