মমতার দিল্লি সফর

২১ জুলাই আসন্ন । এটি তৃণমূলের একটি স্মৃবিজড়িত দিন, তারা 'শাহিদ দিবস' পালন করেন । ২১ জুলাই এর পর মাসের শেষে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিল্লি সফরের কথা । ওই সময়ে বর্ষাকালীন লোকসভা চলবে । সাধারণত বছরে একবার লোকসভা বা রাজ্যসভা চলাকালীন তিনি দিল্লি যান । কিন্তু এবারের যাত্রা তাৎপর্যপূর্ণ ।

প্রথমত বিগত বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল জয় পাওয়াতে বিরোধী দলগুলি তাঁকে শুভেচ্ছায় ভরিয়ে দিয়েছে । এ ছাড়াও দ্বিতীয়ত বিভিন্ন দলের নেতারা মমতার সাথে কথা বলতে চাইছেন । তৃতীয়ত এই মুহূর্তে মমতাই মোদির বিরুদ্ধে বিরোধীদের প্রধান মুখ বলেই আলোচিত রাজধানীতে । এ ছাড়া নির্বাচনে জয়ের পর প্রধানমন্ত্রীর সাথে সৌজন্যমূলক সাক্ষাৎকার করতে পারেন তিনি ।

এখন বিগত নির্বাচনের প্রধান পরামর্শদাতা প্রশান্ত কিশোর দিল্লিতে । তিনি এখন কংগ্রেসের সাথে যোগাযোগ রেখে চলছেন । শোনা গেলো মমতা, সোনিয়া গান্ধীর সাথে দেখা করতে পারেন । তিনি দিল্লি গেলে চিরকালই গান্ধী পরিবারে যান । রাজীব গান্ধীর পরিবারকে মমতা এখনও সম্মানের চোখে দেখেন । কিন্তু  সৌজন্য করতেই সোনিয়ার সাথে দেখা নিশ্চই করবেন না মমতা হয়তো আগামী দিনের স্ট্রাটেজি নিয়েও আলোচনা করবেন । পার্লামেন্টের সেন্ট্রাল হলে বিভিন্ন নেতাদের সাথে কথাও বলতে পারেন তিনি । ।

বাজেট অধিবেশনে কি সংঘাত মমতা, ধনখরের ?

আর কিছুক্ষনের মধ্যে তৃণমূল সরকারের তৃতীয় দফায় ক্ষমতায় আসার প্রথম বাজেট | বাজেটের নিয়ম শুরুর আগেরদিন রাজ্যপাল বাজেট ভাষণ দেন | এমনটাই হয়ে থাকে লোকসভাতেও, যেখানে বাজেট ভাষণ দেন রাষ্ট্রপতি | সাধারণত রাষ্ট্রপতি বা রাজ্যপাল তাঁদের সরকারের লিখিত ভাষণই দিয়ে থাকেন | এর অন্যথা হয় না | কিন্তু জগদীপ ধনকর সব নিয়মের বাইরে | তিনি তাঁর নিজের নিয়মে চলতে ভালোবাসেন এবং তাই নিয়ে দীর্ঘদিন সংঘাত চলেছে মমতা সরকারের সাথে |

শুক্রবার দুপুরে কি করেন সেটাই দেখার | গুঞ্জনে রাজ্যপাল, রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে ভাষণ পাঠ করে পারেন | সেই ক্ষেত্রে প্রস্তুতি নিয়েছে তৃণমূল বিধায়করা | রাজভবন থেকে দাবি করা হয়েছিল বিভিন্ন চ্যানেলে যেন এই বাজেট ভাষণ লাইভ টেলিকাস্ট করা হয় | সরকার পত্রপাঠ তা বাতিল করেছে কারণ দর্শানো হয়েছে করোনা আবহে সাংবাদিদের বা বৈদ্যুতিন মাধ্যমকে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না | সাংবাদিক শেষ পর্যন্ত আসলেও টিভি ক্যামেরা নৈব নৈব্য চ | রাজ্যের মানুষ অপেক্ষায়, কি হয় | এরই মধ্যে রাজ্যপালের কিছু অবাঞ্ছিত ছবি ও খবর তৃণমূল প্রকাশ করেছে, তাতে ধনকরের প্রতিক্রিয়া কি হয় তাই দেখার | 

নন্দীগ্রাম মামলার রায়দান স্থগিত

আজ বৃহস্পতিবার নন্দীগ্রাম মামলার রায়দান স্থগিত রাখলেন বিচারপতি কৌশিক চন্দ। যদিও শুনানিতে ভার্চুয়ালি অংশ নিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এদিন বেলা ১১টায় নন্দীগ্রাম মামলার শুনানি শুরু হয় বিচারপতি কৌশিক চন্দের বেঞ্চে। সেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হয়ে সওয়াল করেন অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি। এমনকি শুনানিতে ভার্চুয়ালি অংশ নিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপরও রায়দান মুলতুবি করে দেন বিচারপতি কৌশিক চন্দ।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী সঞ্জয় বসু আগেই আবেদন করেছিলেন, এই বিচারপতির বেঞ্চ থেকে মামলাটি সরি দেওয়া হোক। কারণ এক সময় বিচারপতি চন্দ আইনজীবী থাকার সময় বিজেপির সহযোগী ছিলেন।

নন্দীগ্রাম বিধানসভা আসনে ভোট গণনায় কারচুপির অভিযোগ তুলে, কলকাতা হাইকোর্টে ইলেকশন পিটিশন দাখিল করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

নারদ মামলায় সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ মমতা,শুনানি আজ

নারদ মামলা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সম্প্রতি রাজ্যের ৪ হেভিওয়েট নেতাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাঁরা শর্তসাপেক্ষে জামিনে মুক্ত হন।

প্রসঙ্গত,এই মামলায় সিবিআই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। ফলে মমতা ব্যানার্জি কলকাতা হাইকোর্টে তার আইনজীবীর মাধ্যমে হলফনামা দিতে চান। কিন্তু কলকাতা হাইকোর্টের ৫ বিচারপতির বৃহত্তর বেঞ্চ সেই হলফনামা নিতে অস্বীকার করে। আর এই বিষয়েই চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দারস্থ হলেন মমতা ব্যানার্জি।  

নারদ মামলায় এবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই মামলায় সিবিআই মুখ্যমন্ত্রীকে পক্ষ করেছে। কিন্তু তাঁর হলফনামা জমা নেয়নি কলকাতা হাইকোর্ট। ফলে তাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন মমতা। যদিও এই মামলায় আগেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন রাজ্যের আইনমন্ত্রী মলয় ঘটক।

আজ মঙ্গলবার এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হবে সুপ্রিম কোর্টে  বিচারপতি অনিরুদ্ধ বসু ও বিচারপতি হেমন্ত গুপ্তার বেঞ্চে।  

প্রসঙ্গত,নারদ মামলায় রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখার্জি, বিধায়ক মদন মিত্র এবং প্রাক্তন মেয়র শোভন চ্যাটার্জিকে কিছুদিন আগে গ্রেফতার করে নিজাম প্যালেসে নিয়ে যাওয়া হয়।  সেদিন নিজাম প্যালেসে ছুটে এসেছিলেন মমতা ব্যানার্জি, মলয় ঘটক।

আগামী বৃহস্পতিবার নন্দীগ্রাম মামলার শুনানি,হাজির থাকতে পারেন মমতা

নন্দীগ্রামের একুশে নির্বাচনী ফলাফল নিয়ে মামলার শুনানি পিছিয়ে গেল। আগামী বৃহস্পতিবার মামলার শুনানি। এমনটাই আদালত সূত্রে খবর।   

মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দায়ের করা মামলার শুনানি আজ কলকাতা হাই কোর্টে হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তা আগামী সপ্তাহ পর্যন্ত পিছিয়ে দিলেন বিচারপতি কৌশিক চন্দ।

একুশের নির্বাচনে নন্দীগ্রাম থেকে জিতেছেন বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। নন্দীগ্রামে জয়ী হিসাবে প্রথমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম জানা গিয়েছিল। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই নাটকীয়ভাবে শুভেন্দুর নাম ঘোষণা করা হয়।

তারপরই গণনায় কারচুপির অভিযোগ তুলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হাই কোর্টে মামলা দায়ের করেন। ওই মামলার শুনানি ছিল শুক্রবার। তা পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।

আইনি মহলের একাংশের মতে, মামলাটি যেহেতু নির্বাচন সংক্রান্ত, তাই  মামলাকারীকে শুনানির সময়ে উপস্থিত থাকতে হয়। না থাকতে পারলে আদালতকে তার কারণ জানাতে হয়। এই পদ্ধতির জন্য বিচারপতি কৌশিক চন্দ এক সপ্তাহ সময় দিয়েছেন বলে খবর।

কৃষক সমাজের সাথে আজ বৈঠক মমতার

কলকাতাঃ দীর্ঘদিন ধরে দিল্লির কাছেই মোদি সরকারের কৃষি আইন এবং নীতির বিরুদ্ধে ধর্ণা এবং আন্দোলন করছে পাঞ্জাব তথা উত্তর ভারতের কৃষক সমাজ | এই আন্দোলনকে সরাসরি সমর্থন করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় | অন্যদিকে এই কৃষক সমাজ বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে তৃণমূলের হয়ে সমর্থনের প্রচার করেছিল | কার্যত এ রাজ্যের পাঞ্জাবি এবং উত্তরপ্রদেশ তথা হরিয়ানাবাসীরা ঢেলে ভোট দিয়েছে তৃণমূলকে | আগামীদিনে এই আন্দোলন নরেন্দ্র মোদির ঘুম ছুটিয়ে দেবে বলে দাবি আন্দোলনকারীদের |


গতকালই কৃষক সমাজের এক প্রতিনিধিদল কলকাতায় এসেছেন দিল্লি থেকে | বুধবার তারা দেখা করবেন মুখ্যমন্ত্রীর সাথে নবান্নে | এই প্রতিনিধিদলে রয়েছেন আন্দোলনের মুখ রাকেশ টিকায়েত | তাঁর সঙ্গে এসেছেন যদুবীর সিং  এবং অনুজ সিং | এদের রক্ষনাবেক্ষনের দায়িত্বে রয়েছেন তৃণমূলের কৃষক সেলের সভাপতি পূর্ণেন্দু বসু  | মঙ্গলবার তাঁদের রাখা হয়েছে বড়বাজারের গুরুদ্বারে | পুর্ণেন্দুবাবু এদের নিয়ে আসবেন মুখ্যমন্ত্রীর কাছে |  

মন্ত্রীরা গাড়িতে লালবাতির ব্যবহার করতে পারবে না- নির্দেশ মমতার

কলকাতাঃ কোনও মন্ত্রী তাদের গাড়িতে আর লালবাতির ব্যবহার করতে পারবে না। কড়া নির্দেশ মমতার। পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, দুর্নীতিতে যেন কারও নাম না জড়ায়।দুয়ারে ত্রাণ নিয়ে কোনও অভিযোগ পেলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তৃতীয়বার  ক্ষমতায় আসার পর আজ শনিবার দুটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৈঠক শেষে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।

বিস্তারিত আসছে --


সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়

কলকাতাঃ সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এর আগে যুব তৃণমূলের সভাপতি ছিলেন অভিষেক। এবার তার জায়গায় এলেন সায়নী ঘোষ।

বিস্তারিত আসছে --

সাংগঠনিক পদ খোয়াতে পারেন অনেক বিধায়ক ও মন্ত্রী

কলকাতাঃ তৃতীয়বার  ক্ষমতায় আসার পর আজ শনিবার দুটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইতিমধ্যেই তৃণমূলের শীর্ষ নেতা-নেত্রীদের নিয়ে প্রথম বৈঠক শুরু হয়ে গিয়েছে। সেখানে উপস্থিত রয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা  বন্দ্যোপাধ্যায়। কিছুক্ষণ আগেই তৃণমূল ভবনে আসেন যুব তৃণমূলের সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। 

সূত্রের খবর,এই বৈঠকে দলের খোলনলচে পরিবর্তন করা হতে পারে। সেইসঙ্গে ‘এক ব্যক্তি, এক পদ’ নীতি নিতে পারেন মমতা। তারফলে একাধিক বিধায়ক এবং মন্ত্রী সাংগঠনিক পদ খোয়াতে পারেন বলে খবর।

বিস্তারিত আসছে --

এবারে কেরালায় 'কেরালা তৃণমূল কংগ্রেস'

কেরালাঃ পশ্চিমবঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূলের বিপুল জয়ের পর কেরালায় পরাজিত কগ্রেস এবং তাদের জোট সঙ্গী ফরোয়ার্ড ব্লক, দল ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেস গড়তে চাইছে | এর আগে ২০১১ তে একবার কেরালায় তৃণমূল কংগ্রেস গড়ে উঠেছিল কিন্তু ওই রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত মুকুল রায় প্রমুখরা ওই দল ধরে রাখতে পারেন নি | এবারে কংগ্রেস এবং ফরোয়ার্ড ব্লকের তরুণরা একজোট হয়ে কেরালা তৃণমূল গড়তে চাইছেন |

এই বিষয়ে কংগ্রেসের যুব নেতা মনোজ শংকরণেল্লু জানান, বর্তমানে কেরলের সিপিএম গোপনে বিজেপির সাথে বোঝাপড়া করে ভোট জিতেছে | ওই দুই দলের লক্ষই ছিল কংগ্রেস মুক্ত কেরালা | অন্যদিকে একসময় তৃণমূল করা ড.দেবরাজন বর্তমানে ফরোয়ার্ড ব্লক করছেন কিন্তু তিনি ও তার বিশাল সংগঠন তৃণমূলে যোগ দিতে চাইছে | এ বিষয়ে তাঁদের প্রাথমিক কথাও হয়ে গিয়েছে  যে কোনও দিন দিল্লিতে বসে তৃণমূলের নেতাদের সাথে আলোচনা করে দল গড়বেন তারা | দেবরাজন জানান, এখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অপরিহার্য্য নেত্রী | তিনিই পারেন মোদিরাজ কে পরাজিত করতে |    

আলাপন প্রশ্নে মমতার পাশে বিরোধীরা

আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাথে যে ভঙ্গি তে কেন্দ্রীয় সরকার ব্যবহার করছে তা সমর্থনযোগ্য নয়, জানাচ্ছে বিজেপি বিরোধী বিভিন্ন রাজনৈতিক দল । এরমধ্যে প্রথমেই কেন্দ্রীয় জাতীয় কংগ্রেস এছাড়া আছে শিবসেনা, সমাজবাদী পার্টি, আপ, ঝাড়খন্ড মুক্তিমোর্চা, বিহারের লালুর আরজেডি ইত্যাদি । শিবসেনার প্রতিনিধি প্রধানমন্ত্রীকে কাগুজে বাঘ বলেছে । প্রত্যেকেই যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর উপর আঘাত হানা হচ্ছে বলে জানাচ্ছে ।অরবিন্দ কেজরিওয়াল জানাচ্ছেন, এই করোনা আবহে এই ঘটনা সঠিক নয় ।এই সময়ে উচিত সকলে একসাথে করোনার মোকাবিলা করা । সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব তো ভোট প্রচারের জন্য জয়া বচ্চনকে পাঠিয়েছিলেন । একজোট হওয়ার বার্তা সোমবার যা মমতা দিয়েছিলেন, দেখা যাচ্ছে তাই প্রাধান্য পাচ্ছে ।